বিশেষ মতিবেদক
দেশের প্রভাবশালী দুই এলাকা বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের সীমান্ত এলাকায় (ফার্মগেট থেকে বাড্ডা পর্যন্ত) দুই নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত ঘোষনা করেছে আবহাওয়া বিভাগ।
আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন বলেন, কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান একটি ইসলাম বিরোধী লম্পট। সে এত বড় ইসলাম বিরোধী যে কারওয়ানবাজারে নিজের কার্যালয়ের শৌচাগারে সে কিবলা বরাবর কয়েকটি প্রস্রাবখানা স্থাপন করেছে। কার্যালয় ভবনের মুল নকশায় এসব প্রস্রাবখানা কিবলার সাথে নব্বই ডিগ্রী কোণে স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু ইসলামের শত্রু নালায়েক মতিচুর একটি কম্পাস, জিপিএস ও গুগুল মেপের সাহায্যে কিবলার অভিমুখ বরাবর ঘুরিয়ে নতুন করে প্রস্রাবখানাটিকে স্থাপন করার জন্য নকশা প্রনয়ন করে। এখন প্রস্রাবখানায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে এস্তেনজা হাছিল করতে সমাগত পুরুষদের তাদের খাগড়াছড়িটি কিবলা বরাবর স্থাপন করতেই হবে। কারওয়ানবাজারের অন্যান্য কর্মীরা তাদের সর্দারের এইরুপ ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েও কোন ফল পায়নি। কর্মীরা এক পর্যায়ে কিবলা বাচাও আন্দোলন শুরু করলে সেই আন্দোলনের নেতা সুমন্ত আসলামকে মতিচুর রহমান নিজ কক্ষে নিয়ে বলাৎকার করে ও পরবর্তীতে বহিষ্কার করে। সুমন্ত আসলাম আজও ব্যাথায় ঠিকমত সোজা হয়ে হাঁটতে পারে না। বসুন্ধরার কাছে এক সাক্ষাৎকারে সুমন্ত আসলাম জানিয়েছে, তাকে টেবিলের উপর ফেলে বলাৎকার করার সময় মতিচুর কম্পাস, জিপিএস ও গুগল মেপের সাহায্যে তাকে পেন্ট খুলে কিবলা বরাবর উপুড় হতে আদেশ করে।
ইমদুদুল হক মেলন বলেন, মতিচুর নিজের ও অন্যের খাগড়াছড়ি কিবলার দিকে তাক করে কি আনন্দ পায়?
জবাবে এক পৃথক সংবাদ সম্মেলনে মতিচুর রহমান বলেন, ইমদুদুল হক মেলন একটি অসভ্য। সে কারওয়ানবাজারে আমার কার্যালয়ে দুই দিন পর পর এসে পায়খানা ও প্রস্রাবখানা এস্তেমাল করে, কিন্তু ফ্লাশ করে না। সে পায়খানা ও প্রস্রাবখানা বেবহার করলে আমার অন্য কোন কর্মী সেই দিন আর পায়খানা বা প্রস্রাবখানা বেবহার করতে পারেন না, সে এমনই একটি খাটাশ। গত শনিবার সে একটি কম্পাস ও গ্লোব নিয়ে আমার কার্যালয়ের প্রস্রাবখানায় প্রবেশ করে। এরপর সে ফ্লাশ না করে, কুলুখ না নিয়ে আমার অফিস কক্ষে প্রবেশ করে বলে, আমার প্রস্রাবখানা নাকি কিবলা অভিমুখে তাক করা। আমি তাকে বলি, আল্লাহপাক তোমাকে যে খাগড়াছড়ি দিয়েছেন, সেটি ডানে বামে একশো আশি ডিগ্রী ও উপরে নিচে তিনশো ষাট ডিগ্রী ঘুরান সম্ভব। তুমি কেবলা অভিমুখে এস্তেনজা না করে কেবলার সাথে পয়তাল্লিশ ডিগ্রী কোণে দাঁড়িয়ে বা বসে এস্তেনজা কর। কিন্তু সে আমার সমাধান গ্রহন না করে আমাকে গালাগালি করে চলে যায়। যাওয়ার আগে সে দুই কাপ কফি ও শেরাটন থেকে ক্রয় করা হাফ পাউন্ড ফ্রুট কেক ভক্ষন করে।
মতিচুর বলেন, ইমদুদুলকে আমি শৈশব থেকে চিনি। সে একটি অত্যন্ত খারাপ লোক। তসলিমা নাসরীন তার সম্পর্কে বলেছেন, সে তসলিমা নাসরীনের শরীরের সব মধু খেয়ে শেষ করে ফেলেছিল। এই কারনেই আজ সে দুরারোগ্য ডায়াবেটিসে কাবু।
জবাবে ইমদুদুল হক মেলন বলেন, গাজীপুরে মতিচুরের বাগান বাড়িতে অধ্যাপক গোলাম আজমের নাতনি সিলভিয়া আজমী ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর নাতনি কেয়া নিজামী, উভয়ই অসামাজিক কার্যকলাপের উদ্দেশ্য নিয়ে হাজিরা দিয়েছে। তারা বলেছে, ঐ বাগান বাড়ির প্রস্রাবখানা ও খাটগুলিও কিবলা অভিমুখে স্থাপন করা। মতিচুর কিছুতেই তার খাগড়াছড়িটি কিবলা অভিমুখ থেকে সরাতে রাজি নয়। সে অফিসের বাইরে কোথাও গেলেও সর্বদা হাতে কম্পাস রাখে এবং সেই মোতাবেক নিজের খাগড়াছড়িটি সর্বদা কিবলা অভিমুখে ফিরিয়ে রাখে। সে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু।
উত্তরে মতিচুর রহমান বলেন, আমার খাগড়াছড়িটি সর্বদা আপন ওজনে মাটির দিকে ফিরান থাকে। ইমদুদুল আমার খাগড়াছড়ির নামে হলুদ সাংবাদিকতা করছে।
এ বেপারে কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কিবলা অভিমুখে প্রস্রাবখানা স্থাপনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা সবাই এস্তেনজা করার সময় কিবলার সাথে পয়তাল্লিশ ডিগ্রী কোণ করে দাঁড়াই বা বসি। একমাত্র ইমদুদুল হক মেলনই সৌজন্য সাক্ষাতে এসে কিবলা বরাবর সটান দাঁড়িয়ে এস্তেনজা করেন। তিনি এরপর পানিও নেন না, কুলুখও করেন না।
বিশিষ্ট আলেম, ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা ও উপমহাদেশে ইসলামী আন্দোলনের অগ্রপুরুষ মুফতি ফজলুল হক আমিনী মতিকণ্ঠকে বলেন, কিবলার দিকে ফিরে মলমূত্র তেগ, বায়ুতেগ, ঢেক তুলা, হাচি দেওয়া, কাশি দেওয়া, সকলই অত্যন্ত গর্হিত কবিরা গুনাহ। মতিচুর রহমান একজন গুনাহগার। তবে তার পত্রিকায় নিয়মতি পিশাচিনী পুনম পাণ্ডে ও ভিনা মালিকের নগ্ন হওয়ার সংবাদ ছাপা হয়, তাই তাকে মাফ করা যেতে পারে।
মুঠোফোনে মতিচুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি অনেক আগেই বাইতুল মুকাররমের খতিব মাওলানা ওবায়দুদুল হকের কাছে এর জন্য মাফ চেয়েছি, তওবা পড়েছি। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, আস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিন কুল্লে জাম্বিউউউউউউউউউউউউউ!
সূত্র: মতিকণ্ঠ
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





