somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইচ্ছেরা তোর দেয় না ধরা

২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ম্যাক্সিম গোর্কির ত্রিপিঠক.. যেন আমিই হেটে চলি, আমার চোখে দেখি।
আহা!! এত করুণ, এত হ্তশ্রী জীবন, তারপরও এই জীবনই তো কখনো কখনো অসাধারণ চিত্রময়! সব মিলিয়ে তিনি গোর্কি হয়ে উঠেন। এটাই কি সে জীবন? নিজেকে প্রশ্ন করে ছিলাম।

কোনটাকে বলা যায় প্রকৃত জীবন, নাকি প্রকৃতই প্রকৃত বলে কিছু পাই না।
আমরা যা পাই তাই-ই সই। হুমম.. ভাবি এভাবে চলুক না! না চলে না। অন্তত চলছে না। আমার স্বপ্ন আছে, আশা আছে, আমি সদম্ভে নিজের অস্তিত্ব ঘোষনা করি। এই অস্তিত্বের সম্ভাবনা থেকে দেখলে, দেখতে হয় কে আমি? প্রজাতি অর্থে মানুষ। আর..

মানুষ কি? এটা নিয়ে বিস্তর তর্ক বিতর্ক আছে। আমি বলি তাকে দেখতে হবে এমন কিছু দিয়ে যা থেকে তার কিছু একটা হয়ে ওঠা টের পাওয়া যায়। তার অনন্য স্থান হলো, সে ইচ্ছে পোষণ করে। অসম্ভব ভেবেই করে, সে ইচ্ছে তার কাছে সত্য হয়ে আসে। আমার দেখা জানা বুঝা এরা আমারি, আমার মতো কি? কখন যে দ্বৈততায় ডুব মারে মন।
আমি আর কিইবা বলতে পারি! করতে পারি?
আবার ডুব মারি ইচ্ছের কাছে। অপরাজেয়। না ভুল হলো। জগতকে আমি দুইভাবে পাই। স্থান-কালে এবঙ আমার অনৈতিহাসিক পরিভ্রমনের স্থানে। কোথাও আমি অপরাজেয় না। কমপক্ষে আপন খেয়ালের কাছে। এ খেয়ালের ঘুড়ি কি আমিই ওড়াই?

স্থান-কালে জগত আমাকে কি দেখায়? না কি নিজে তাকে দেখি বলে সে আমার ইচ্ছেতে বন্দী? এমনতর প্রশ্ন। (সত্য বিষয়ে যখন ক্লাসে পড়েছিলাম দেখি সকল বুঝাপড়ায় বিশাল জ্যাম লেগে গেছে। আর আমাদের যে গুরু তিনি কখনো কোনো জ্যাম না ছুটিয়ে উপভোগ করে গেছেন।) যা হোক ইচ্ছে স্থান-কালে ছদ্মবেশে হাজির হয়। আমরা স্থানিক চাহিদাকে জাতি গোষ্টির বিবেচনা করি। প্রায়শঃ নিজের সন্তুষ্ট বোধের জায়গায়। আমরা যারা আম জনতা তারা ভাবি এই ইচ্ছে পূরণের মধ্য দিয়ে জগতের জন্য কিছু করা হলো। বিষয়টা এমন নয় যে, যা পেলাম তা-ই খেলাম বরঙ নিজের ইচ্ছেকে জগতের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে হবে। সহি ইচ্ছে (সহী ইচ্ছে না হলেও লোকে অনেক অন্যায় অবদার পূরণ করে নেয়। ইচ্ছে যদি নিজেই নিজের ক্ষমতা টের না পায়, তবে তার লাগাম পাবো কই। যাক ইচ্ছে নিজে কোন দেবতা গোছের কিছু না)। আমরা কে কতকটা বোধী অর্জন করলাম তা এর মধ্যে দিয়ে বুঝা যায়। যেহেতু স্থান-কালে আছি ধরে নিয়েও কাজটা হয়তো করা যায়।

অনৈতিহাসিক বলে যা আসে তাকে বুঝানোর ক্ষমতা আমার নাই। প্রশ্ন হলো তাহলে কেন এই উচ্চবাচ্য অথবা মানুষ হিসেবে আমি নিজেও স্থান-কালে আছি। একটা কথা বলা যায় শুধুমাত্র অনুভূতি। অনুভূতি তো প্রমান্য কিছু না। এতে ব্যাপক গোলমেলে বিষয় থাকে। আরেকটা বিষয় হতে পারে, আমরা মোটামুটি আমাদের সীমাবদ্ধতা নিয়ে সচেতন। এই সচেতনতাও বলতে পারে স্থানের সীমায়িত অঙ্গনে সবকিছুই সীমাবদ্ধ। আবার স্থানিক আমার পক্ষে স্থানের অতীত হওয়া কি সম্ভব? সম্ভব। যেহেতু চিন্তাকারে চিন্তাতীত স্থান-কালের কথা বলছি। যদিও প্যারাডক্স মনে হচ্ছে তারপরও বলি, একমাত্র ইচ্ছে আকারে। জোড়ালো ইচ্ছে। তারপরও ইচ্ছের বয়ান মহত্তর কিছু হলো না। যেহেতু একে সাধারনের কাতাঁরে ফেলা গেলো। আমার মতে সাধারন কিছু নাই। সবকিছুই আসাধারন। এই অসাধারনত্বের দেখা থেকে যদি নিজেকে নিজের ইচ্ছে দ্বারা ব্যাখ্যা করতে যাই, দেখা যায় এই আমি তো আমি না। আমি তো সেই যাকে না যায় চেনা, না যায় বুঝা। তখন সকল ইচ্ছে অনিচ্ছা অধরায় থেকে যায়।

কিন্তু সবটাই ভুল মনে হয়। মানুষের ইচ্ছেকে এভাবে বিভাজিত করে দেখা কি সম্ভব। আবার এর পুরোটা কারো পক্ষে কি দেখা সম্ভব? যদি মানব গোত্রীয় কেউ হয়, তবে সে হবে ইচ্ছেশূন্য!! অথবা আপনিই ভেবে নেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৭
১৭টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কত ভেবেছি, আমাদের একদিন দেখা হবেই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৯

কত ভেবেছি,
আমাদের একদিন দেখা হবেই।
হয়তো হঠাৎ সামনে এসে
আমাকে চমকে দেবে।
হায়,
ওরা কেন জানালো,
পৃথিবীতে
তুমি আর বেঁচে নেই!

কত ভেবেছি,
চলতে চলতে পথে
সামনে একটা রিকশা থেমে যাবে।
কী মোহন ভঙ্গিমায়
রাজাসনে বসে আছো তুমি,
রোদে ভেজা মুখ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফতোয়া যখন আইসক্রিম: ক্ষমতার গরমে গলে, মার্কিন বাতাসে জুড়ায়!

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২৩




মুখে জিকির আর অন্তরে ডলারের ফিকির—ধর্মের নামে এই লেভেলের "মাল্টিটাস্কিং" মুনাফেকি কি আপনিও খেয়াল করেছেন?
ঈমানের তলোয়ার শুধু গরিবের ওপর চলে, আর হোয়াইট হাউজের সামনে গেলেই কেন এদের লুঙ্গি কোঁচা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পি ভি নরসিমা রাও - ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের জনক

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪৩



পি ভি নরসিমা রাও ১৯৯১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তৎকালীন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় যে ঐতিহাসিক সংস্কারনীতি গ্রহণ করেন, তা "এলপিজি সংস্কার" (LPG Reforms - Liberalisation,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দোষ গাজী সাহেবের!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৩



ধরেন, এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। শেখ হাসিনা সংসদ ভবনের সামনে ভারতের স্বাধীনতা দিবস জাঁকজমক করে পালন করলেন। ভারতের শীর্ষ নেতা এলেন, ভারতের পতাকা উড়ল...

এখন চুপ করে থাকা পাকিস্থানপন্থীরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিসাব বিষয়ক ভাবনা

লিখেছেন করুণাধারা, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩



সংখ্যাওয়ালা কোনো লেখা দেখলে হিসাব ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করা আমার অভ্যাস। ইদানিং বিভিন্ন রকম সংখ্যাওয়ালা কিছু বিজ্ঞাপন সামনে আসছে, এগুলো ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন। এসব বিজ্ঞাপনে যেসব সংখ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×