somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাসান মশহুদ এবং তাহারা..

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জনাব হাসান মশহুদ চৌধুরীকে নিয়ে নানা লেখা জোকা কথা বার্তা ইতিমধ্যে আত্নস্থ করিলাম। কারো মতে তিনি যুগের ত্রাণ কর্তা, কারো কাছে এর বিপরীত। বেশ তোড় জোড়ের সাথে যে যার মত রেখে যাচ্ছেন। এই মতগুলো ব্যতিক্রম কিছু নয়। কারণ আমরা এই ধরনের কথা বার্তা বলতে এবং শুনতে অভ্যস্ত। তাকে যেভাবে আলোচনায় আনা হোক না কেন এটা সত্য যে, তিনি হাওয়া থেকে উদয় হোন নি অথবা নবু্য়্যত প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি রাজনীতি নামক খেলার একটা ঘুটি ছাড়া কিছু নন। তিনি নিরপেক্ষতার নাম দিয়ে রাজনীতির করেছেন। তা আবার অরাজনৈতিক রাজনীতি। তিনি যে উদ্দেশ্যে আবির্ভূত হয়েছিলেন, সে মিশন সফল করতে সর্বার্থক চেষ্টা করেছিলেন। তার মুখোশ ছিলো ন্যায় পরায়ণতা, ন্যায্যতা বোধ ইত্যাদি। কিন্তু আদতে তা কি? নিরন্কুশ ক্ষমতার স্বেচ্ছাচারীতা এবং সে ক্ষমতা আবার নানা শক্তির শর্তের জালে বেঁধে দেয়া। রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে ন্যায্যতা জারী হয় আইন সম্মতভাবে। আবার এমন নয় যে, যেকোন আইন নৈতিক ভাবে তৈরী হয়। আমরা দেখেছি, কিভাবে মাসের পর মাস শুধুমাত্র সন্দেহের বশীভুত হয়ে জেল খেটেছেন আমাদের রাজনীতিবিদরা। এই ধরনের আইন তৈরীতে আমরা নিশ্চয় রেকর্ড করে ফেলেছি। আমরা জানি সে হাসিনা হোক খালেদা হোক বিচারের উর্ধে নন। কিন্তু কি হলো শেষ পয্যন্ত তারা সন্দেহ মুক্ত হলেন। আবার, প্রথম আলোর মালিক সহ বিভিন্ন জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও হাসান মশহুদ'রা দেখেও দেখলেন না। অথবা তিনি নিজেও নিয়ম না মেনে বাড়ি করার কারনে জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিলেন।
আমরা বুঝি আমাদের রাজনীতি'রা খারাপ, কিন্তু আমি মনে করি যারা নীতি বার্গিশতার দোহাই দিয়ে রাজনীতির বেহাল দশায় বগল বাজিয়ে ছিলেন , কারনে অকারনে এখনো বাজান তারা আরো খারাপ।

তারা রাজনীতিকে না বলতে বলতে আমাদের এমন জায়গায় নিয়ে যান, যেখানে আমাদের সকল ভাল-মন্দ জ্ঞান বেকুবীতে পরিণত হয়। আমরা গা বাঁচানোর সততার কথা বলি। যেগুলোতে সততার লেশ মাত্র নাই। আছে কথার ফুলঝুরি আর বাগাম্বরতা। আমাদের সামগ্রিক স্বার্থে আমরা এইটুকু বলতে পারি জাতি মুক্তির যে সংকট রাজনীতি ছাড়া তার থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের লড়াকু যোদ্ধা তারাই আমাদের সামিল করেছেন অনন্তের যুদ্ধে।

ইতিহাসের শিক্ষা হলো ইতিহাস থেকে কেউ শেখে না, তা নাহলে ইতিহাসে এতো উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও মানুষ নিজের জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কিভাবে করে।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৫
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নদী হত্যায় সম্ভবত আপনিও জড়িত

লিখেছেন অপলক , ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৪

আপনি আমি প্রত্যাক্ষ পরোক্ষ ভাবে নদীকে হত্যা করি। হয় রাতারাতি বা তিলে তিলে। কিন্তু কিভাবে, সেটাই দেখাবো।



সবার আগে জানা দরকার কোন জলাশয় বা জলাধারকে নদী বলব?

দুনিয়ার বিভিন্ন... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘সবচেয়ে কঠিন’

লিখেছেন আবু সিদ, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:১৫


আমি সাদ। আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ক্লাস টেনের ছাত্র। আমার ক্লাসের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স ১৫ বা তার আশপাশে। আমারও ১৫ বছর বয়সে ক্লাস টেনে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৪



উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মেটিকুলাসলি ডিজাইন' করে সিলেটকে অশান্ত করে তোলার অর্থ কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:১৫

সিলেটে এন,সি,পি সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল।
দলের ভিতরে কোন্দল মারাত্মক তা ফেসবুকে দলীয় নেতা কর্মীদের পোস্ট দেখে বুঝা যায়।
অথচ, সামনে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন।
এই পরিস্থিতিতে, দলের মানুষদের 'গরম' করে তোলার একটাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২৮

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×