somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইচ্ছে: হয়ে উঠা

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জগতকে আমরা যখন দেখি- দেখি বিশেষ কোন ভাবের স্থান হতে। যখন ব্যক্তির কথা বলি, তখন সে ব্যক্তিটি কোন বিশেষ ভাবের স্থান হতেই আমাদের সামনে হাজির হয়। এই ভাবের স্থানটি কে তৈরী করে? কে এর দ্বারা সুবিধা (কোন কিছুকে যত সহজভাবে দেখা যায় তত ভালো) লাভ করে? কোনো ধরনের সচেতনতার ভেতর দিয়ে সে একে দেখে কিনা? যদি বলি এই ভাবের জায়গাটা আমরা নিজেরাই তৈরী করে নিই, তবে তা কখন এবঙ কেন ঘটে? আর যদি তা না হয়? তবে কেন এই প্রশ্নে আসছি?

ব্যক্তিকে উচ্চস্থানে রেখে কথাগুলো বলছি, উপায়ও নেই বটে। ব্যক্তিকে নিজ অবস্থান হতে প্রতি মুহুর্তে ভাবতে হয়, দেখতে হয়। তাকে বলতে হয় – আমি দেখছি, আমি ভাবছি। আমি দেখছি, আমি ভাবছি মানে আমি উপস্থিত , আমি স্বাক্ষী। যে আকারে সে দেখছে তা সঠিক কিনা, সে প্রশ্ন বাদ দিয়েও সে যে দেখেছে তা বলার ক্ষমতা সে রাখে। এই বলতে পারাটাকে এই বলে চিহ্নিত করা যায়, সে বলে অথবা বলতে চায় আমি নিজে হাজির। এই যে বলা সেখানে জগতকে তার বলতে হয়, আমি তোমার সামনে হাজির অথবা তুমিই আমার সামনে হাজির। এই সামনা-সামনি হওয়া মানে ভাবের আদান-প্রদান। কখনো যদি ব্যক্তিটি জগতের ভাবের সাথে এক হয়ে গেছে দাবী করে, এই উচ্চারনটা উড়িয়ে দেয়া কঠিন।‌' ’আমি’' ভাবের জায়গায় এসে আমরা যাকে সচেতনতা বলি তার সাথে জগতকে আপাতত এক করার প্রশ্ন আসে না। এর আগে ভাবের বিবর্তন দরকার। এই বিবর্তনের জায়গায় জগত অর্জন সহজ নয়। তাই সহজে এক করে দেখা অনুচিত।

‘'আমি’' অস্তিত্ত্বের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির উচ্চারণ - তোমাতে আমি। সে নিজেকে বুঝে অপরকে দিয়ে। সে নিজেকে হা’'র ভেতর দিয়ে নিয়ে বুঝে, যেমন- আমি আমাকে জানতে চাই। সে কি 'হা'’কে না করে দিতে পারে? যদি পারার বিষয় হয়, তবে প্রশ্ন হলো সে ব্যক্তি তা চায় কিনা? সে তার অস্তিত্ত্বকে তাৎপর্যপূর্ণরুপে স্বীকার করে নিলে- তার প্রত্যেকটা 'না' আসলে একটা একটা 'হা' হয়ে উঠে। কারণ সে তার প্রতিটি 'হা' এবঙ 'না’' এর মধ্যে দিয়ে একেকটা সর্ম্পকের জালে নিজেকে আবদ্ধ করে নিচ্ছে। যখন সে বলে, ‘আমি নাই’। এটা কি সম্ভব? সম্ভব। তখনই সম্ভব, যখন '‘না'’ হওয়াটাই ব্যক্তির ইচ্ছাকে অনিবার্য করে তোলে। এই হলো অভাব বোধ। না, যে অর্থে মানুষ পরিপূর্ন নয় সে অর্থে এই অভাববোধ । ব্যক্তি যখন সম্পূর্ণতায় নিজেকে গ্রাস করতে দেয়- তাহলো ভালোবাসার অলিঙ্গন, বোঝাপড়ার আলিঙ্গন। সে শূন্যে ঝাঁপ দিলো, আসলে নিরুপায় হয়ে নয়- বরঙ সে নিজেকে অনুধাবন করছে। অর্থ্যাৎ ইচ্ছের মধ্যে আস্থা আছে। এইখানে তার উত্তরন ঘটছে।

আবার, সে আমাকে বলে ঘটনা হলো এই এই। কি আকারে আমি আপনাকে বর্ণনা করব? এরপর সে মীমাংসা।

আপাতত ক্লান্ত লাগছে...
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩০
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×