আমার প্রিয় পোস্ট

কল্যাণের কথা বলি, কল্যাণের পথে চলি।

মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

ডিসক্লেইমারঃ এ লিখাটা নাস্তিক, আধানাস্তিক/ভীরু নাস্তিক (এগনস্তিক), অমুসলিম ও ধর্মনিরপেক্ষ-জাতীয়তাবাদীদের জন্য নয়। তাঁরা নিজ দায়িত্বে পড়বেন, তবে অহেতুক ক্যাচাল করবেননা।
============================
এই ব্লগে ইসলাম নিয়ে লিখছেন যারা তারা নিশ্চয়ই আন্তরিকভাবেই তা করছেন। আর এটা করতে গিয়ে নানান অবস্থার মুকাবিলা করতে হচ্ছে তাদেরকে। একদল মানুষতো কোন ধর্মীয় পোস্টই সহ্য করতে পারছেনা। তাই তারা মুসলিম ব্লগারদের বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করছেন। কিছু কিছু ব্লগার মারাত্মক ভাবে ব্যক্তি আক্রমনের শিকার হচ্ছেন এদের হাতে। কেউ কেউ হচ্ছেন গালাগালির শিকার। আবার কেউ কেউ ইসলামকেই অহেতুক ও আনজাস্টিফায়েবলী আক্রমন করে মুসলিম ব্লগারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে কিছু মুসলিম ব্লগার ধৈর্য হারানোর অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছেন। এমতাবস্থায় কিছু বিষয়ের দিকে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এ পোস্ট।

১. মুসলিমরা সবসময় ইতিবাচক (পজিটিভ) মানসিকতা পোষণ করে। তাই সবসময় ইতিবাচক মানসিকতা পোষণ করুন। উস্কানীমুলক পোস্টের মুকাবিলায় ধৈর্য ধরে ইতিবাচক ভাবে এগুলোর জবাব দিন। উস্কানীমূলক সব পোস্ট গিয়ে জবাব দেবার দরকার নেই। প্রয়োজনে ইসলামের সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করে আলাদা পোস্ট দিন। তর্ক করলে তা করতে হবে উত্তম পন্থায়। কাঊকে শক্ত জবাব দিতে হলে সেখানেও যেন ইসলামী আদাব লংঘন না হয়।

২. ব্যক্তি আক্রমনের ও গালাগালির শিকার হলে ধৈর্য ধারণ করে নিজের পথে থাকুন। ইসলাম ছেড়ে দেবেননা বা আপনার এডভারসারীদের প্রিয়ভাজন হবার চেষ্টা করবেননা। ওরাতো চায়ই আপনাকে ইসলামের পথ থেকে সরিয়ে দিতে। মনে রাখবেন, "ইসলামের কথা বলবেন আর আপনার উপর ফুল ও মধূ বর্ষিত হবে" ব্যাপারটা এমন নয়। খ্যাতির কাঙ্গাল হয়ে কোন লাভ নেই। এ কথাতো সবার জানা যে ইসলামের সর্বোত্তম দায়ীয়াহ্‌ (আহবানকারী) ছিলেন মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ্‌ (সঃ)। তার মত নির্যাতনের মুকাবিলা আমাদের কাউকে করতে হবেনা। রসূলুল্লাহ (সঃ) অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। তাঁর উপরে ঊটের নারী-ভূড়ি ছাপানো, গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা, পাগল আখ্যা দিয়ে বখাটে ছেলেদের তাঁর পেছনে লেলিয়ে দেয়া ছাড়াও তাঁর উপর পাথর, জুতা সব কিছুর ঢিল ছোঁড়া হয়েছে। আমরা কেউই তাঁর চেয়ে বেশী সম্মানিত নই। তাই এসব যদি আমাদের উপর এসে পড়ে তাতে অপমানিত হওয়ার কিছু নেই। আর এজন্য পালিয়ে যাওয়ারও কোন মানে হয়না।

৩. দলাদলির ব্যাপারেও সাবধান থাকতে বলব সবাইকে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত না থাকার কারণে নানান দলে ভাগ হয়ে গেছে উম্মাহ্‌। এ ক্ষেত্রে ব্লগে নিজেদের দলাদলীর রূপটা প্রকাশ করবেননা। মুসলমানদের একটা দলের বিরুদ্ধে আরেকটা দলকে উস্কে দেয়ার ঘৃণ্য কাজ করে থাকে ইসলামের শত্রুরা সবসময়। এ ক্ষেত্রে সমসাময়িক সবচেয়ে শক্তিশালী মুসলিম গ্রুপটিকে আক্রমনের টার্গেট বানায় তারা। এ ক্ষেত্রে অন্য মুসলিমদের সাহায্য নেয় এরা। এজন্য তারা আপনার মধ্যে গোষ্ঠি চেতনা উস্কে দিয়ে কোন মুসলিম গ্রুপের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করবে। তাদের উদ্দেশ্য সিদ্ধি হলে তারা তখন অপেক্ষাকৃত দূর্বল মুসলিম দল বা গোষ্ঠিগুলোকে সামলাতে পারবে। তাই তাদের ফাঁদে পা দিয়ে মুসলমানদের কোন দল বা গোষ্ঠির বিরুদ্ধে পাবলিক ফোরামে সমালোচনা করবেননা, আপনাকে তারা যতই কোন গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত করতে চাক না কেন। আপনি যদি তাদের কোন কাজের সমালোচনা করেন তাহলে তা তাদের কাছেই সরাসরি পাঠান। এতে আপনার দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে একটা বিষয় ব্যতিক্রম। সেটা হল ইসলামের মধ্যে নতুন চালু করে দেয়া অনৈস্লামিক কাজগুলোর অসারতা তুলে ধরে আলোচনা করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রেও কোন বিশেষ গ্রুপের সমালোচনা নয় বরং বিশেষ শিরকী, বিদ'আতী বা কুফরী কাজের সমালোচনা।

৪. বিরুদ্ধবাদীদের মুকাবিলায় আক্রমনাত্বক ভাষা পরিহার করাও দরকারী। মন্দের মুকাবিলায় ভাল প্রয়োগকারী হিসেবেই আমাদের প্রভূ আমাদের উত্থান ঘটিয়েছেন। যুক্তি-বুদ্ধি এবং দরদই হবে আপনার আলোচনার ও তর্কের ধরণ। তবে দীনী বিষয়গুলোতে যুক্তিবাদের প্রাধান্যকে এড়াতে হবে। সে ক্ষেত্রে কুর'আন এবং সুন্নাহ্‌র দলীলই শুধু প্রয়োগ করতে হবে। এ জন্য কুর'আনের সাথে এবং সুন্নাহ্‌র সাথে সম্পর্ক বাড়াতে হবে।

৫. আরেকটা ব্যাপার হল, এই ব্লগটাই কিন্তু গোটা দুনিয়া নয়। আপনার ব্যক্তিগত পড়াশুনা, পারিবারিক-সামাজিক সম্পর্ক, বাইরের দাওয়াতী কাজ এগুলো যেন বাধাগ্রস্ত হয়ে না পড়ে কোনভাবেই এখানে বেশী সময় দেবার কারণে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিবিধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর কাজ।
এর চেয়ে সুন্দর কাজ আর জীবনেও করতে পারেন নাই।

২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৭
ধ্রূপদী বলেছেন: ২ জনের ভালো লাগেনি।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: যাদের ভাল লাগেনি তাদের জন্য লিখা হয়নি।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: এখন দেখছি ৬ জনের ভাল লাগেনি।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ইসলামের অনুশীলন জরূরী সর্বোতভাবে।

৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১১
হলদে ডানা বলেছেন: একজন অভিভাবকের মত কথা বলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শগুলো স্মরণে রাখতে চেষ্টা করবো।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: ভাই অভিভাবক হলাম কবে। ভাই হবার চেষ্টা করলাম শুধু। রসূলুল্লাহ্‌ (সঃ) বলেছেন, "দীন হল নসীহাহ্‌ (নসীহত)"। সাহাবীরা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, "কার জন্য?" তিনি বললেন, "আল্লাহ্‌, তার রসূল, তার কিতাব, মুসলমান জনসাধারণ ও তাদের নেতৃবর্গের জন্য।"

নসীহতের অনেক মানে। কয়েকটা উল্লেখযোগ্য হলঃ সদুপদেশ, কল্যাণাকাংখা, সুধারণা, ইত্যাদি।

এই নসীহতের কাজটাই করতে চাইলাম আরকি?

৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৩
সোনার বাংলা বলেছেন:

সত্য এবং ভালো কিছু হাজার জনের ভালো না লাগলে ও কিছু করার
নাই।


মাইনাস দিয়ে কি হবে ঘোড়া তা তো ঘাস নয় মানুষে ঘাস খায় না।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: হুঁ। ঘোড়াতেই ঘাস খায়।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: যাযাবরতো সভ্যতার বাইরের লোকদের বলে। তাই তাদের মাইনাস আর প্লাসে কিছু যায়-আসেনা। আর সভ্যদের জন্য এই পোস্ট লিখা হয়েছে।

৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৭
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:



'তবে দীনী বিষয়গুলোতে যুক্তিবাদের প্রাধান্যকে এড়াতে হবে। '- এটা বললেন কেন? যেখানে আল্লাহ বলেছেন- উদউ ইলা সাবিলি রাব্বিকা বিল হিকমাতি ওয়াল মাওইজাতিল হাসানা......'


আরেকটা কথা, আপনি জামায়াত করেন কি না জানি না। জামায়াতের ইসলামপ্রীতি নিয়ে আমার সংশয় আছে। জামায়াতের দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে খালেস মনে করি না। আর একাত্তুরের ভূমিকা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতের কথাবার্তা আপত্তিজনক।

+ দিলাম বেশ কিছু সুন্দর কথা বলার কারণে।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: "দীন" আল্লাহ্‌ তাঁর রসূলের (সঃ) মাধ্যমে শিখিয়েছেন। সেজন্য দীনের ভিত্তি হচ্ছে আল্লাহ্‌র কিতাব ও রসূলের সুন্নাহ্‌, যুক্তিবাদ নয়। "হিকমত" আর যুক্তিবাদ এক বিষয় নয়। আমার বিশ্বাস আপনি জানেন "যুক্তিবাদ" কী। আর একটু খেয়াল করলে দেখতে পেতেন আমি কী বলেছি। আপনি যেখান থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন সেখানে দেখুন আবার নীচের কথাগুলো আছেঃ "যুক্তি-বুদ্ধি এবং দরদই হবে আপনার আলোচনার ও তর্কের ধরণ। তবে দীনী বিষয়গুলোতে যুক্তিবাদের প্রাধান্যকে এড়াতে হবে। সে ক্ষেত্রে কুর'আন এবং সুন্নাহ্‌র দলীলই শুধু প্রয়োগ করতে হবে।" এজন্য যুক্তির প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করা হয়নি। তবে যুক্তিবাদ অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

আর এই পোস্টে জামায়াত নিয়ে আসলেন কেন? আপনিও কি ব্লগীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পথ ধরলেন নাকি?
"আরেকটা কথা, আপনি জামায়াত করেন কি না জানি না। জামায়াতের ইসলামপ্রীতি নিয়ে আমার সংশয় আছে। জামায়াতের দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে খালেস মনে করি না। আর একাত্তুরের ভূমিকা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতের কথাবার্তা আপত্তিজনক।"

আপনার উপরোক্ত কথাগুলো পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক। তবে আপনার অবগতির জন্য বলছি, আমি কারো কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবার জন্য লিখিনা। আমি জামায়াত করিনা আবার জামায়াতের বিরোধিতাও করিনা। প্রকৃত ব্যাপার হল আমি কোন ইসলামী দল বা সংগঠনেরই বিরোধিতা করিনা।" আমার রব্ব আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন "তোমরা সৎকাজ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে পরস্পরের সহযোগিতা কর। আর গোনাহ ও সীমালংঘন মূলক কাজে পরস্পরের সহযোগী হয়োনা।" আমি আমার রব্বের এ নির্দেশের আলোকে মুসলিম দল ও সংগঠনগুলোকে দেখি। আমি জাতীয়তাবাদীও নই, যারা দেশের পূজা করে। আমি মুহাম্মদের (সঃ) অনুসারী যিনি সব জাতীয়তাবাদী দর্শনকে মূলোৎপাটন করতে এসেছিলেন, এসেছিলেন সমগ্র মানবতাকে আল্লাহ্‌র দাস বানাতে।

আপনার জন্য ভালবাসা, নসীহাহ্‌ ও সহমর্মিতা সব-সময়ই থাকবে।

৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৮
ফজলে এলাহি বলেছেন: জাযাকাল্লাহু খাইরান আবূসামীহা।

এমন একটা পোষ্টের সত্যিই প্রয়োজন ছিল আমাদের জন্য। আল্লাহ্ আপনাকে আরো উত্তম থেকে উত্তমতর লেখার তৌফিক দান করুন।

শো'কেইসে রাখলাম।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জনাব। আর আপনার দু'আয় আমীন!

৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪২
নুর3ডিইডি বলেছেন: প্রয়োজনীয় পোষ্ট। +
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নূর ভাই।

১০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫১
একস্লিপ বলেছেন: একবার আমি এক ইসলামী পদার্থিবজ্ঞানীকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম। এখন দেখছি, ইসলামী ব্লগারও আছে। দেখেটেখে হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছি। খোদার কসম, ইসলামের নাম দিয়ে এই ব্লগে জামাতি প্রচারণা চালাবেন না। ঝাজাকাল্লাহু খাইরান!!!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: ইসলামী ব্লগার কোথায় দেখলেন? স্বপ্নে নাকি?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: কিছু পড়ে মন্তব্য করলেন নাকি মুখস্ত? ভাইজান মুখস্ত মন্তব্য ঝাড়লে কিন্তু আপনার অজ্ঞতারই প্রকাশ ঘটবে। একটু বুদ্ধিমত্তার পরিচয়ই দিলে ভাল হবে।
ধন্যবাদ।

১১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৮
ত্রিভুজ বলেছেন:


"এ কথাতো সবার জানা যে ইসলামের সর্বোত্তম দায়ীয়াহ্‌ (আহবানকারী) ছিলেন মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ্‌ (সঃ)। তার মত নির্যাতনের মুকাবিলা আমাদের কাউকে করতে হবেনা। রসূলুল্লাহ (সঃ) অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। তাঁর উপরে ঊটের নারী-ভূড়ি ছাপানো, গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা, পাগল আখ্যা দিয়ে বখাটে ছেলেদের তাঁর পেছনে লেলিয়ে দেয়া যারা তাঁর উপর পাথর, জুতা সব কিছুর ঢিল ছোঁড়া হয়েছে। আমরা কেউই তাঁর চেয়ে বেশী সম্মানিত নই। তাই এসব যদি আমাদের উপর এসে পড়ে তাতে অপমানিত হওয়ার কিছু নেই। আর এজন্য পালিয়ে যাওয়ারও কোন মানে হয়না।"
----

কথাগুলো আমি একদিন বলেছিলাম.. তবে আপনার মত গুছিয়ে বলা হয়নি। পুরো লেখাটাই চমৎকার। এক কথায় অসাধারন।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: মুসলমানদের মধ্যে অনেকেই ইসলামের ব্যাপারে আগ্রহী। কিন্তু যেই একটু বিরোধিতা ও গালাগালির মুখোমুখি হন অমনি পিছুটান মারেন। এঁরা ভুলে যান যে ও পথই মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ্‌র (সঃ) পথ।

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন ইসলামের পথে নির্ভীক পথ চলার জন্য।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৫
ভক্কডা বলেছেন: লেখক বড়ো চালাক মানুষ, ঝানু মাল। শিবিরের বিশেষ মিশন লইয়া মাঠে নামছে মনে হয়।

ভাইরে উপরের কতায় কিছু মনে কইরেন না, চেইত্যা যায়েন না। আপনের তো অনেক বুদ্ধি, কন দেহি আপনে যদি মুসলমান হইয়া না জন্মাইতেন তাইলেও কি ইসলাম ধর্মের প্রতি ঝুঁকতে পারতেন এতটা। উত্তর যদি না হয় তাইলে কন, আপনেরে কোন কারনে আল্লায় মুসলিম হওয়ার প্রিভিলেজ দান করলো আর বিধর্মীদেরকে মুসলিম হিসাবে জন্ম না দিয়া এই "সৌভাগ্য" থেইকা বন্চিত করলেন? উত্তরটা জানা থাকলে দিয়েন। খুব দরকার।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: আমারতো মনে হয় আপনি আরো বেশী চালাক(!), কারণ বলা কথার বাইরের কথাও(?) ধরতে পারেন। শিবিরের মিশন কোথায় পেলেন? যারা ইসলাম নিয়ে কথা বলে তারা কি সব শিবির? আজিব মানসিকতা। আমারতো মনে হচ্ছে শিবির আপনাদের মন মগজে ভালই প্রভাব বিস্তার করেছে। আর আমি যেখানে থাকি সেখানে কোন শিবির নেই।

আপনার মন্তব্যের ২য় অংশের ব্যাপারে একটা আলাদা পোস্টে আলোচনা করব, ইনশা'আল্লাহ্‌।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:২৮
ভাইটামিন বদি বলেছেন: ভাল লাগল.....

কাজের সময় মনে রাখতে পারলেই হয়!!!!

আমরা যে টাইপ গোস্ত খাইয়া মাথা গরম মুসলমান!!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: মাথা গরমের কারণেই আমরা অনেক কিছু গুলিয়ে ফেলি।
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
আওরঙ্গজেব বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ। ধন্যবাদ।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮
নাবিক বলেছেন: সুন্দর দিক-নির্দেশনা মূলক লেখা। +++++

যারা ইসলামকে ভালোবেসে লিখেন তাদের সবসময় মনে রাখা দরকার, রাসূল (স) কে আল্লাহ জগতের সকলের জন্য রহমত করে পাঠিয়েছেন। আপনার আমার লেখার মাঝে সে দরদটা থাকা চাই। রাসূল (স) যে সকলের জন্য রহমত তার প্রকাশ থাকা চাই।

যে কোন পোস্ট দেয়ার আগে, যে কোন কমেন্ট করার আগে, যে কোন কাজ করার আগে মু'মিনের তিনটি বিষয় মনে রাখা দরকার।

১। নিয়তের বিশুদ্ধতা:
একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য লেখাটি লিখছি কিনা? আমি কি রাগ প্রকাশের জন্য লিখছি, অন্যকে হেয় করার জন্য লিখছি? নিজের ইগো থেকে লিখছি? বেশি হিট কিংবা বেশি প্লাসের জন্য লিখছি? আমার আপনার লেখা, পোস্ট, কমেন্ট, প্রতিটি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য হতেই হবে। নিয়তে গলদ হলে মু'মিনের কোন কাজই ভাল হয়না। তাই নিয়তটাকে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে সম্পৃক্ত করুন।

২। সঠিক সময়ে সঠিক পন্থায় কাজটি করা:
মু'মিন দ্বিতীয় যে ব্যাপারটি নিশ্চিত করবে তা হলো ভালো নিয়তে ভালো কাজই করবে। ভালো নিয়তে খারাপ কাজ করবেনা। গালি দেবেনা। খারাপ শব্দ ব্যবহার করবে না। সময় বুঝে কাজ করবে। সঠিক কাজ করবে। সঠিক ভাবে করবে। ভালোর জন্য খারাপ পন্থা অবলম্বন করবেনা। ভালো দিয়ে মন্দের জবাব দেবে। মন্দের জবাব মন্দভাবে দেবে না। গালির জবাবে ফুল দেবে। ফুল দিতে না পারলে অন্তত গালির জবাবে গালি দেবে না। উত্তম ভাষায় গালির বিরোধিতা করবে। এ কাজ খুব সহজ নয়। এর জন্য চাই কঠিন ধৈর্য্য আর আল্লাহর সাহায্য।

৩। কাজের ফলাফল চিন্তা করে কাজ করবে:
অনেক সময়ে নিয়ত ও কাজ দুটোই ভালো হওয়ার পরও প্রয়োগ পদ্ধতি কিংবা অসময়ে বা অপাত্রে কাজটি সম্পন্ন হলে কাঙ্খিত ফলের বদলে উল্টো রেজাল্টও হতে পারে। হুদাইবিয়ার সন্ধির কথাই ভাবুন, ওমরা করা ছিল সওয়াবের কাজ, রাসুল (স) এর নিয়তও ছিল বিশুদ্ধ। কিন্ত তিনি সে বছর ওমরা করলেন না। সে বছর ওমরা করতে জেদ ধরলে কি কি ফলাফল হতে পারতো সবগুলো বিবেচনা করেই তিনি সে বছর ওমরা করলেন না। পরের ঘটনা সবার জানা।

আসুন যে কোন পোস্টের আগে এ তিনটি কথা ভাবি।

নিয়তকে বিশুদ্ধ করি। ভালো লিখা লিখি। ফলাফল চিন্তা করে লিখি।


২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: আপনার সংযোজনীগুলো নিঃসন্দেহে উপকারী হবে।

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন! আমীন!

১৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮
প্রশাসন বলেছেন: জাযাকাল্লাহু খাইরান আবূসামীহা।

এমন একটা পোষ্টের সত্যিই প্রয়োজন ছিল আমাদের জন্য। আল্লাহ্ আপনাকে আরো উত্তম থেকে উত্তমতর লেখার তৌফিক দান করুন।

আমার দেখা আরো একটি জটিল পোষ্ট! ধন্যবাদ।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: জটিল পোস্ট! আচ্ছা। ধন্যবাদ।

১৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৪
কৌশিক বলেছেন: জাযাকাল্লাহ
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: জাযাকাল্লাহ মানে কি মাইনাস?
আপনাকে ধন্যবাদ।

২০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪২
সবুজ সাথী বলেছেন: ধন্যবাদ, খুব দরকারী পোষ্ট।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: আবুসামীহা,

কি যে দরকারি একটা পোষ্ট দিলেন তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। অত্যন্ত সময়োপযোগী পোষ্ট।

May Allah bless you.
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: May Allah bless you too!

২২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: এক কথায় চমৎকার। অসংখ্য ধন্যবাদ আবু সামিহা। আল্লাহ আপনার হায়াতকে দারাজ করে দিন।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: আমীন! ও ধন্যবাদ।

২৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ। যথার্থই বলেছেন।

+
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩১
ফেলুদা বলেছেন: জাযাকাল্লাহু খাইরান আবূসামীহা। মুসলিম ব্লগার মানে কি? আমি একজন মুসলমান। কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়ে ব্লগিং করিনা। এখন আমি কি অমুসলিম ব্লগার?
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: আপনি যদি মুসলিম হন তাহলে এ পোস্টের কোন কথাগুলি আপনার জন্য প্রযোজ্য নয় বলুন? নাকি শুধু শিরোনাম দেখেই মন্তব্য করলেন?
ধন্যবাদ।

২৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
আইকন বলেছেন: দিকনির্দেশনা মূলক পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। +
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: মুসলিম ব্লগার আবার কি জিনিস? এখানে মুসলিম অমুসলিম ব্যাপার আসবে কেন? আসবেতো ন্যায় আর অন্যায়। যেকোন পোস্ট অন্যায় মনে হলে প্রতিবাদ করতে হবে, সেটা যেই দিক না কেন। আর পাবলিক ফোরামে কোন মুসলিম গোষ্ঠীর সমালোচনা করতে নিষেধ করেন মানে কি? মুসলমান নাম নিয়ে কেউ অন্যায় করলে চুপ করে থাকতে হবে নাকি? এইটা কি ইসলামের শিক্ষা? আর করতেছেন তো ব্লগিং, এর মধ্যে মহানবী (সাঃ) এর জীবনের সংগ্রামকে নিয়ে আসেন কেন? উনি কি আপনাদের মত এসিতে বসে ইসলাম প্রচার করেছেন? আমার কাছে ফালতু কাজে উনার নাম আনা উনার ত্যাগ আর কষ্টকে ছোট করার সামিল। সবচেয়ে বড় কথা ইসলামকে উপহাসের চেষ্টা করে পোস্টের যেমন প্রতিবাদ করব তেমনি ইসলামকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহারেরও সমান প্রতিবাদ করব। একটা কথা মনে রাখা উচিত, এখানে কেউ পোলাপান না। কোন পোস্টের কি উদ্দেশ্য তা সবাই বুঝে।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: কেন? একজন মুসলমান ব্লগিং করলে তাঁকে মুসলিম ব্লগার বললে সমস্যা কী? মুসলিম আসলে কি ন্যায়-অন্যায় বাদ চলে যায়। আমরাতো (মুসলমানেরা) ন্যায় আর অন্যায়ের ধারণাই গ্রহন করি ইসলাম থেকে।
আপনি বলেছেন, "যেকোন পোস্ট অন্যায় মনে হলে প্রতিবাদ করতে হবে, সেটা যেই দিক না কেন। আর পাবলিক ফোরামে কোন মুসলিম গোষ্ঠীর সমালোচনা করতে নিষেধ করেন মানে কি? মুসলমান নাম নিয়ে কেউ অন্যায় করলে চুপ করে থাকতে হবে নাকি? এইটা কি ইসলামের শিক্ষা?" আমি কি বলেছি তা করা যাবেনা? অন্যায় হলে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে। কিন্তু শোনা কথায় কান না দিয়ে আগে জানতে হবে আসলেই অন্যায় হয়েছে কিনা। তারপর প্রতিবাদ। পাবলিক ফোরামে মুসলিম গোষ্ঠির সমালোচনা না করা বলতে আমি বুঝিয়েছি দলগত বিদ্বেষের বশবর্তী যে একদল আরেকদলের পেছনে লেগে থাকে সে ব্যাপারে।

আরো বলেছেন, "আর করতেছেন তো ব্লগিং, এর মধ্যে মহানবী (সাঃ) এর জীবনের সংগ্রামকে নিয়ে আসেন কেন? উনি কি আপনাদের মত এসিতে বসে ইসলাম প্রচার করেছেন? আমার কাছে ফালতু কাজে উনার নাম আনা উনার ত্যাগ আর কষ্টকে ছোট করার সামিল।"
একজন মুসলিম তার জীবনের সব ক্ষেত্রেই মহানবীর (সঃ) অনুসারী। এমনকি ব্লগিং করার ক্ষেত্রেও। এখানে সে নবীর (সঃ) শিক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক কোন কিছু করবেনা। আর আমার এই পোস্টটাতে সেদিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

আরো বলেছেন, "সবচেয়ে বড় কথা ইসলামকে উপহাসের চেষ্টা করে পোস্টের যেমন প্রতিবাদ করব তেমনি ইসলামকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহারেরও সমান প্রতিবাদ করব।" খুবই ভাল চেতনা। কিন্তু এই পোস্টটা কি কোন দলের স্বার্থে লিখা হয়েছে?

শেষে বলেছেন "একটা কথা মনে রাখা উচিত, এখানে কেউ পোলাপান না। কোন পোস্টের কি উদ্দেশ্য তা সবাই বুঝে।" আসলে আপনার মত বুদ্ধিমানদের কথা মনে রেখেই পোস্টটা করা হয়েছিল।

২৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২১
সংস্থাপক বলেছেন: সাম্প্রদায়িক পোস্টে মাইনাস।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম! আপনি বড় অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ জেনে বড়ই খউশী হলাম।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
এম.এ.হামিদ বলেছেন: আচ্ছা ব্লগিং করা নিয়া কি কোন হাদিস না, না এটারে হাদিস হিসাবে স্টিকি করন লাগব
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে মন্তব্য করার কি দরকার ছিল?

৩০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
রাশেদ বলেছেন: মাইনাস। আগেই দিছিলাম, কইতে মনে ছিল না।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কী আর করবেন?

৩১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
বামনী তুলাগাছ বলেছেন: আচ্ছা তুলাগাছ কি হিন্দু না মুসলিম?
৩২. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
বিবেক সত্যি বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য । অবশ্যই +

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩১
BangladeshCiroJibiHok বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ।
একটা বিষয় খুব বিস্ময়কর।
যে সব মানুষেরা প্রগতি ও অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে এবং কথায় কথায় অন্যদের প্রতিক্রিয়াশীল বলে গালি দেয় কার্যত তাদেরই বেশি প্রতিক্রিয়াশীল ও অসহিঞ্চু বলে দেখা যায়। ব্লগে তাদের রুপটি আরো নগ্ন ভাবে ধরা পড়ছে।
তারা অন্যের ভাল কথাও সহ্য করতে পারছে না। সেখানে রাজনৈতিক গন্ধ খুজছে।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৩৪. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
ফিরোজ আহমেড বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। 'the evil is bound to perish by its nature'- Al-Quran. দুবৃত্তিপরায়নতা এর স্বভাবের কারণেই ধ্বংস হবে। কোরাণের একথাটির গভীর দার্শনিক মূল্য আছে। একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায়। শুভকামনা।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৩৫. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
নতুন বলেছেন: মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা ???????

ব্লগের মানুষদের কেন মুসলিম অমুসলিম এ ভাগ করেন.....


মাইনাস
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয়না আপনি কিছু বুঝেছেন বা পড়েছেন...।
মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ। আর এই পোস্ট আপনার জন্য লিখা হয়নি।

৩৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০
নির্জন রহমান বলেছেন: প্লাস মাইনাস কোন বিষয় না ।

ভাইয়া অনেক গুরুত্বপ‌ূর্ন পোষ্ট । ইসলাম কে ভালবাসি সত্যি ।

আপনার কথা গুলো মনে রাখার মত। হ্যা ইসলামিক পোষ্ট বা ব্লগারদের বিষয়গুলো মনে রাখা উচিত।

ধন্যবাদ...
৩৭. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:

ধর্মব্যবসা কইরা আর কতদিন খাবি?
তোর বাড়িত গিয়া দেখ, বউ-মেয়ে আর ছেলে ঠিকাসে কি না।

পাড়ার লোক তোর কথায় উঠবো বসবো ক্যান রে, আবু ছাগা।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: অসভ্য যাযাবরদের সভ্য করতে ইসলাম এসেছিল। তবে আপনার মতো অসভ্যরা সভ্য হতে শিখবে বলে মনে হয়না।

৩৮. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: সমস্যা হল ব্লগে বিভিন্ন দল মতের মানুষ আছেন। অপরাপর ধর্মের ব্লগার রা যেখানে তাদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে পোস্ট দেন না, সেখানে মুসলিম দাবিদার ব্লগার রা অতিরিক্ত ধর্মীয় পোস্ট দিয়ে ব্লগের পরিবেশে ধর্ম ভিত্তিক মেরুকরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

ধর্মের ব্যাপারে ভুল ধারণা ভাঙার জন্য পোস্ট দিলে তা সাধু বাদ পাবে, অন্যথায় ইসলামের বিতর্কিত বিষয় গুলো (যে গুলো একালে সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ মানতে নারাজ, যুগ ও বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে) নিয়ে ব্লগে পোস্ট করে একটা ঘিনঘিনে নেতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যেখানে শান্তিপূর্ণ ধর্ম বাণী দেয়ার পরিবর্তে গাল বাজ তষ্করদের সাথে 'যুক্তি বনাম বিশ্বাস' নিয়ে একটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ যুদ্ধ শুরু হয়।

বেশি দূর যাবার পর কিছু সংখ্যক সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কপালে ধর্ম বাণী প্রচারের দায়ে 'দেশদ্রোহীতা'র খেতাব জুটে, তার সাথে দলবদ্ধ আক্রমণ।

ধর্ম নিয়ে পোস্টদাতা চিহ্ণিত ব্লগারদের কাছে অনুরোধ, আপনারা প্রতি দশটা পোস্টে বড় জোর ১ টা ধর্ম ভিত্তিক পোস্ট দিন, এবং মাসে কখনও একটার বেশি নয়।১০০ জন বি কম পাশ ব্লগার প্রতি মাসে ১০ করে ১০০০ টা পোস্ট দিলে (ধর্ম বাণী দিলে) ধর্মেরই ক্ষতি। তার চেয়ে একজন মুফতি বা পিএইচডি ডিগ্রীধারীর দু চারটা পোস্টই যথেষ্ট। জন মানুষের কাছে বির্তকিত বিষয় গুলো টেনে এনে ব্লগে উস্কানি দিবেন না।

পৃথিবীতে ধর্ম ছাড়াও হাজারটা বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে পোস্ট দিলে শাস্ত্র মতে কোন পাপ হবেনা। ধর্ম প্রচারে ক্ষন্তি দিন, এটা জনমানুষের ধর্ম হজমের জন্যও হিতকর।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: জনাব সাঈফ শেরিফ আপনি কিছু বুঝে মন্তব্য করেন কিনা জানিনা। ধন্যবাদ দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাল লাগেনা আর সময়ও নেই। ধন্যবাদ।

৪০. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭
নূরুল্লাহ তারীফ বলেছেন: অনেক দিন পরে হলেও এই ব্লগটি আমার নজরে এল। পড়ে অত্যন্ত ভাল লাগলো। আপনি যেন আমার মনের কথাটি লিখলেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার লেখাটি পড়ে মনে হলো আল্লাহ্‌ তাআলা তার অনুগত বান্দাদেরকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য এবং ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য যুগে যুগে তার মনোনীত বান্দাদেরকে নিয়োজিত রাখেন। উম্মাহ্‌কে সুপরামর্শ ও সঠিক দিক নির্দেশনা দেয়ার যোগ্যতা যারা রাখেন।
৪১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
মুক্তিযুদ্ধ০০৭ বলেছেন: comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: মুসলিম ব্লগার আবার কি জিনিস? এখানে মুসলিম অমুসলিম ব্যাপার আসবে কেন? আসবেতো ন্যায় আর অন্যায়। যেকোন পোস্ট অন্যায় মনে হলে প্রতিবাদ করতে হবে, সেটা যেই দিক না কেন। আর পাবলিক ফোরামে কোন মুসলিম গোষ্ঠীর সমালোচনা করতে নিষেধ করেন মানে কি? মুসলমান নাম নিয়ে কেউ অন্যায় করলে চুপ করে থাকতে হবে নাকি? এইটা কি ইসলামের শিক্ষা? আর করতেছেন তো ব্লগিং, এর মধ্যে মহানবী (সাঃ) এর জীবনের সংগ্রামকে নিয়ে আসেন কেন? উনি কি আপনাদের মত এসিতে বসে ইসলাম প্রচার করেছেন? আমার কাছে ফালতু কাজে উনার নাম আনা উনার ত্যাগ আর কষ্টকে ছোট করার সামিল। সবচেয়ে বড় কথা ইসলামকে উপহাসের চেষ্টা করে পোস্টের যেমন প্রতিবাদ করব তেমনি ইসলামকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহারেরও সমান প্রতিবাদ করব। একটা কথা মনে রাখা উচিত, এখানে কেউ পোলাপান না। কোন পোস্টের কি উদ্দেশ্য তা সবাই বুঝে।

আল্লাহই ভাল জানেন, ইনারা কি বুঝে এত ফালাফালি করেন?
১। মুসলিম ব্লগার আবার কি জিনিস? -
এটা আপনাকেই নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে হবে, শিখে নিতে হবে।
২। এখানে মুসলিম অমুসলিম ব্যাপার আসবে কেন? আসবেতো ন্যায় আর অন্যায়। -
যেখানে ন্যায়-অন্যায়ের কথা আসে সেখানেই ইসলাম। আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগে জীবন্ত কন্যা সন্তান পুতেঁ ফেলত। ইসলামই সেই বর্বোরোচিত অন্যায়কে চিরতরের জন্য কবর দিয়েছে।
৩। মুসলমান নাম নিয়ে কেউ অন্যায় করলে চুপ করে থাকতে হবে নাকি? -
চুপ থাকতে বলছে টা কে?
৪। এইটা কি ইসলামের শিক্ষা? -
কোনটা যে ইসলামের শিক্ষা, সেটা আপনিই সুন্দর করে লিখে যান... ইসলাম সম্পর্কে না জেনে ইসলামের শিক্ষা নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভালো, পাচ্ছে মাথাটা সমস্যা দেখা দিতে পারে...
৫। উনি কি আপনাদের মত এসিতে বসে ইসলাম প্রচার করেছেন? আমার কাছে ফালতু কাজে উনার নাম আনা উনার ত্যাগ আর কষ্টকে ছোট করার সামিল। -
কে বলেছে আপনি ইসলাম সম্পর্কে জানেন না? আপনি আসলেই জানেন.. তো এবার সেই জানা মত এসি ছেড়ে মাঠে-ময়দানে নেমে পড়ুন, ইসলামের প্রচারে.. আল্লাহ আপনি সহ আমাদের সবাইকে হিদায়াত দান করুন। সত্য, সঠিক পথে ফিরিয়ে আনুন। আমিন।
৪২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৯
কলুর বলদ বলেছেন: ভাইজান অইত্যান্ত ভাইগ্যবান....জন্মসূত্রেই মুসলমানিত্ব পাইয়া গেছেন....যারা পাইলোনা তাগো লাইগা আফসোস...আর আমি বলদ জন্মসূত্রে পাইয়াও পটে গেলাম! আফসোস ! জাহান্নামে আইসা মাঝেমইদ্যে আমাগোরে দেইখা যাইয়েন বাঈ...../:) /:)
৪৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৯
শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: খুব খারাপ লাগে যখন, ইসলমের সমর্থনে কিছু বললে কেউ কাউকে "রাজাকার" উপাধীতে ভূষিত করে।

আমি একজন মুসলিম একজন বাঙ্গালী। ইসলামকে ভালোবাসি, দেশকে ভালোবাসি।
৪৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫০
ঘনাদা বলেছেন: ঠিক এভাবেই 'মুসলিম' নাম দিয়ে বিশ্বকে বিভক্ত করে দিচ্ছে ধর্ম ব্যাবসায়ী ও তাদের দেশীয় এজেন্টরা। এইসব এজেন্ট, যেমন লেখক, সবসময়ই হানাদার শক্তির পদলেহন করে থাকে।

মিশরীয় ও সৌদি 'মুসলিম ব্রাদারহুড' এর পন্য হিজবু তারীর ঠিক এভাবেই সৌদি মুসলিম বিভক্তির জড় 'আমরা মুসলিম' বলে জনগোষ্ঠীকে দ্বিধাবিভক্ত করে ফেলে।

ধিক্কার!
৪৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০৯
অলস ছেলে বলেছেন: চমৎকার একটা লেখা। ভালো ভাবে পড়বো আবার।
সমস্যা হলো, এ লেখায় যে চরিত্র ফুটে উঠেছে, আমাদের মুসলিমদের বাস্তব জীবনে সে চরিত্র দেখা যায় না। চেষ্টা করা দরকার বাস্তব জীবনেও ইসলামাইজড করার।
এ লেখার পরামর্শগুলো শুধু ব্লগের জন্যই না, বাইরের জীবনেও অনেক কাজে লাগবে।
ধন্যবাদ আবারও।
৪৬. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
ফকীড় বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম সময় উপোযোগী লেখার জন্য এরকম আরো লেখার জন্য অনুরোধ থাকলো >>>>>>>>>>>> ............
৪৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
লাল সাগর বলেছেন: এই পোষ্টটি কয়েকদিন পর পর রি-পোষ্ট করা উচিত যাতে নতুন ব্লগাররা এসে ভিতরের কাহিনী জানতে পারে।

May Allah bless you.
৪৮. ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৩২
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন: নতুন হিসাবে একটা ভাল লিখা পড়লাম । মনে রাখার মত উপদেশ জীবনের সর্বক্ষেত্রে ।

আমার কিছু বুঝে আসে না, ইসলামের কথা বললে মুসলমানের সন্তানরা এইভাবে ক্ষেপে কেন ? তারা তো মুসলমানের সন্তান, নামে তো তাই মনে হয় । ধন্যবাদ এত সুন্দর লিখা উপহার দেওয়া জন্য ।
৪৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৩
রোজেল০০৭ বলেছেন: ভালো ও সঠিক কথা লিখেছেন।

আপনাকে ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার ব্লগে এখন থেকে শুধু প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকে স্বাগত জানানো হবে। কেউ মন্তব্য করতে চাইলে লেখার বিষয় সম্পর্কে করবেন। অহেতুক ও...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ