আমার প্রিয় পোস্ট

কল্যাণের কথা বলি, কল্যাণের পথে চলি।

প্রবাসে সন্তানদের বাংলা শেখানোর চ্যালেঞ্জ

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাঙ্গালীর মাতৃভাষাগত প্রাণ। ভাষার জন্য রক্ত দেয়া জাতি আর আছে কিনা আমার জানা নেই। বাঙ্গালী জাতির পরিচয়টাও মূলতঃ ভাষার কারনে, রক্তের মিলের কারনে নয়। অনেক জাতির লোকেরাই বিভিন্ন উপলক্ষে বাংলায় এসে বসতি স্থাপন করে। আস্তে আস্তে তারা এখানকার ভাষা ব্যবহার করতে করতে বাঙ্গালী হয়ে গিয়েছেন। এজন্য বাঙ্গালীরা বিভিন্ন রক্তের, রঙের, আকৃতির এবং উচ্চতার। শুধুই ভাষাতেই একতা। তাই এ ভাষার প্রতি তাদের বিরাট ভালবাসা। বাঙ্গালীরা যেখানেই থাকেননা কেন ভাষার প্রতি দরদ তাদের সবসময়ই থাকে। যারা বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য চলে এসেছেন তারাও চান মাতৃভাষার নিয়মিত চর্চা করতে। তারা চান তাদের সন্তানরাও – যারা অনেকেই বাংলাদেশের নাগরিক নয় – বাংলা শিখুক। কিন্তু বিদেশে সন্তানদের বাংলা শেখাতে গিয়ে তারা পড়েন বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এ ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো হলঃ বাংলার আঞ্চলিক ভাষার বিভিন্নতা, অনেক প্রবাসী বাঙ্গালীর বাংলা সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞানের অভাব, বাংলা শিখানোর প্রতিষ্ঠানের অভাব, আর সর্বোপরি পরিবেশের প্রভাব।

বাংলা ভাষার আঞ্চলিক বিভিন্নতার কারণে অনেক সময় বিদেশে বাংলা শেখানো মুশকিল হয়ে পড়ে। অনেক পিতা-মাতা তাদের সন্তানদের সাথে শুধুমাত্র নিজেদের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। ফলে ঐ সব ছেলেমেয়েরা শুদ্ধ বাংলা শিখতে পারেনা। যে সমস্ত ছেলেমেয়েরা তাদের পিতা-মাতার কাছে শুদ্ধ বাংলা শেখার সুযোগ পায়না তারা পরবর্তীতে আর সাধারণত শুদ্ধ বাংলা বলতে পারেনা। ফলে তারা লজ্জায় আর বাংলা বলতেও উৎসাহিত হয়না। এদের কারনে আবার অন্য বাংলাদেশী ছেলেমেয়েরাও বাংলা শিখার ঝামেলায় পড়ে।

কোন কোন বাবা-মা তাদের সন্তানদের সাথে শুদ্ধ চলিত বাংলায় কথা বলেন। ফলে তারাও শুদ্ধ বাংলায় কথা বলতে শুরু করে। কিন্তু যখন সে বাচ্চারা অনান্য বাংলাদেশী বাচ্চাদের সংস্পর্শে আসে বাঙ্গালীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাওয়া-আসার মাধ্যমে তখন তার ভাষাতেও পরিবর্তন হতে শুরু করে। তার ভাষা আস্তে আস্তে আঞ্চলিকতা দোষে দুষ্ট হতে থাকে। ‘চ’, ‘ছ’ এবং ‘স’ সবগুলোই ‘স’ এর মত করে সে উচ্চারণ করতে থাকে। ‘জ’, ‘য’ এর উচ্চারণ করা হয় বাংলায় অবর্তমান ইংরেজী ‘z’ বা আরবী ‘zay’ মত করে। যাবে, খাবে, ইতাদির স্থলে সে বলতে শুরু করে যাবা, খাবা ইত্যাদি। তাকে যতই বুঝিয়ে বলা হোক যে ওভাবে বলাটা শুদ্ধ নয়, সে শুনতে নারাজ। তার বক্তব্য হলো তার সব বন্ধুরা তার বাবা-মার মত করে বাংলা বলেনা। তাই সেও বলবেনা, বরং তার অন্যান্য বাংলাদেশী বন্ধুদের মত করেই সে বলবে। এটা বিরাট এক সমস্যা।

সন্তানদের বাংলা শেখানোর ক্ষেত্রে অন্য আরেকটি সমস্যা হলো অধিকাংশ পিতামাতার নিজেদেরই বাংলা সম্পর্কে অজ্ঞতা। কিছু এলাকার লোক আছেন যারা মনে করেন তাদের ভাষাটাই বাংলা থেকে আলাদা। ফলে তারা বাংলা শেখানোর পরিবর্তে ছেলেমেয়েদের তাদের নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষাই শুধু শেখান। তাদের মতে তাদের অঞ্চলের ভাষা এক আর সারা বাংলাদেশের ভাষা অন্য আরেকটি। ফলে তারা নিজেদেরকে বাঙ্গালীই ভাবেননা। সুতরাং শুদ্ধ বাংলা শেখানোর কোন প্রয়োজনীয়তা তারা উপলব্ধি করেননা।

ভাষা সংক্রান্ত অভিভাবকদের দুর্বলতার আরেকটি দিক হল, অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীই শুদ্ধ করে বাংলা বলতে এবং লিখতে পারেননা। বাংলা বর্ণগুলোর শুদ্ধ উচ্চারণ অধিকাংশ বাংলাদেশী পিতামাতাই ঠিক মত করতে পারেননা। একবার এক বাচ্চাকে দেখলাম সে তার চাচাকে ডাকছে এভাবে, “সাস্‌সু” [sassu]। জিজ্ঞেস করাতে সে বলল সে তার চাচাকে ডাকছে। বলা হলো ওটা সাস্‌সু নয় চাচ্চু। তার বক্তব্য হলো বাবা-মা তাকে ওভাবে উচারণ করতে শেখায়নি। একটি পত্রিকায় কাজ করার সুবাদে বাংলাদেশী বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পাঠানো অসংখ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পড়ার সুযোগ হয় আমার প্রতি সপ্তাহে। এতে শিক্ষিত লোকদের বাংলা লেখা পড়তে গেলে বিরক্তিতে মন ভরে যায়। অসংখ্য বানান ভুল, অসম্পূর্ণ বাক্য, অশুদ্ধ বাক্য গঠন, ইত্যাদি অতি সাধারণ ব্যাপার। কখনো কখনো তারা কি ব্যক্ত করতে চেয়েছেন তার পাঠোদ্ধার করতেই হিমশিম খেতে হয়। ভাবতে তখন কষ্ট হয় যে আমরাই এক জাতি যারা মাতৃভাষার অধিকারের দাবীতে জীবনের কুরবানী দিয়েছি। এই দুর্বল ভাষাজ্ঞানের অধিকারী পিতা-মাতারা তাই সহজেই তাঁদের সন্তানদের বাংলা শেখাতে পারেননা।

বাংলাদেশী বাঙ্গালীদের বাংলা উচ্চারণের দুর্বলতার কারন হলো দেশেই বাংলা উচ্চারণ রীতি শেখানো হয়না স্কুলে। ফলে বিভিন্ন এলাকার লোকজন নিজের মতো করে বাংলা পড়তে শেখেন। অনেক অঞ্চল আছে যেখানে ‘প’ ও ‘ফ’ এর একই উচ্চারণ এবং ‘চ’ ও ‘ছ’ এর একই উচ্চারণ করা হয় ‘স’এর ঢঙে; পার্থক্য করা হয় শুধু ছোট আর বড় বলে। একই অবস্থা ‘দ’ ও ‘ধ’, ‘ড’ ও ‘ঢ’ এবং আরো অনেক বর্ণের বেলায়। দন্ত্য ‘স’ তার নিজস্ব উচ্চারণ হারিয়ে বাংলায় হয়ে গিয়েছে তালব্য ‘শ’ এর ন্যায়। ফলে সমস্যা বেড়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক কোন ব্যবস্থা থাকলে হয়তো বাংলা ভাষা শেখানো কিছুটা সহজ হত। কিন্তু প্রবাসের বিভিন্ন জায়গাতেই এরকম প্রতিষ্ঠানের রয়েছে বিরাট ঘাটতি। কোথাও প্রতিষ্ঠান থাকলেও তার সমর্থনের রয়েছে মারাত্মক অভাব। যথাযথ সমর্থন না পেয়ে উদ্যোক্তারা শেষ পর্যন্ত ঝিমিয়ে পড়েন। আর তাদের বাংলা শেখানোর উদ্যোগে পড়ে ভাটা।

সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি প্রবাসীদের ছেলেমেয়েদের মাতৃভাষা চর্চার পেছনে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় তাহলো পরিবেশ। অনেক বাচ্চারা কথা বলতে শুরু করে সুন্দর বাংলা দিয়ে, কিন্তু একটু বড় হলেই আর ওরা বাংলা বলতে চায়না এবং এতে অনভ্যস্থ হয়ে পড়ে। এ সমস্যাটা সবচেয়ে বেশী প্রকট হয়ে পড়ে যখন তারা স্কুলে যেতে শুরু করে। স্কুলের ভাষা, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইংরেজী, বলেই বাচ্চারা সাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাদের বন্ধু এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে ঐ ভাষায় কথা বলতে তারা এত বেশী অভ্যস্থ হয়ে পড়ে যে তারা আর কোনভাবেই বাংলা বলতে পারেনা। বরং বাংলা বলতে জোর করার মানে হয় তাদেরকে আযাবে নিক্ষেপ করার মত। স্কুল ছাড়াও তারা প্রতিদিন মিডিয়ার, বিশেষ করে টেলিভিশনের মুখোমুখি থাকছে ঘন্টার পর ঘন্টা, যার ভাষা বাংলা নয়। সেখানেও তারা বাংলা বিমুখ হয়ে গড়ে উঠে।

কিছু কিছু অভিভাবক আছেন যারা বাংলা শেখা বা বলার জন্য সন্তানদের কোন পরিবেশই দেননা। তাঁরা তাদের সন্তানদের মাতৃভাষাই বানিয়ে দেন ইংরেজী। কারন তাদের বাচ্চারা কথা বলতে শুরু করলেই তাঁরা তাদের সাথে ইংরেজীতে কথা বলা পসন্দ করেন, যদিও বাচ্চারা বড় হয়ে তাদের বাবা-মায়ের ইংরেজী উচ্চারণ নিয়ে হাসাহাসি করতেও দ্বিধা করেনা। এশ্রেণীর অভিভাবকরা বুঝেননা যে এখানকার বাচ্চারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ইংরেজী শিখবে। ইংরেজী তাদেরকে বলে শেখাতে হবেনা; বরং তাদের যা বলে শিখিয়ে অভ্যেস করাতে হবে তা হলো মাতৃভাষা।

প্রকৃত ব্যাপার হল বিদেশে সন্তানদের বাংলা শেখানো অত্যন্ত কঠিন একটি বিষয়। তবে আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠা থাকলে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিলে সন্তানদের মোটামুটি চলনসই বাংলা শেখানো সম্ভব। এক্ষেত্রে পিতামাতাকে সচেতনভাবে পারিবারিক পরিবেশে বাংলার চর্চা করতে হবে। আঞ্চলিকতা বাদ দিয়ে শুদ্ধ চলিত বাংলায় সন্তানদের সাথে ঘরে নিয়মিত কথা বললে তারা তখন অন্য বাঙ্গালী ছেলেমেয়েদের সাথে বাংলা কথা বলার সমস্যায় পড়বেনা। ফলে বাংলা বলতে তারা উৎসাহিত হবে। নাহলে তারা বাঙ্গালীদের ভাষার বিভিন্নতা দেখে এ ভাষা বলা থেকে বিরত থাকবে। এছাড়াও তাদের জন্য শিক্ষণীয় অথচ আকর্ষণীয় বাংলা মিডিয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যা দেখে তারা বাংলা শিখতে পারবে ও বলতে উৎসাহিত হবে। আর সরকারী পর্যায়ে বাংলাদেশী কুটনৈতিক মিশনগুলো বাংলা শেখানোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা দিতে পারে অথবা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের পৃষ্ঠপোষকতা দান করতে পারে।
নিউ ইয়র্ক, ১ ফেব্রুয়ারী ২০০৮

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভাষা শিক্ষাপ্রবাসভাষা শিক্ষাপ্রবাস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দেশ-বাংলা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৮

 

  • ৪৯ টি মন্তব্য
  • ৬৬১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
comment by: মানবী বলেছেন: কিছুদিন আগে কাছাকাছি এই প্রসঙ্গে একটি পোস্ট করেছিলাম তাই এই পোস্টটি পড়ার আগ্রহবোধ করছি।

সময় করে পড়ার ইচ্ছে থাকলো। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫০
comment by: নাবিক বলেছেন: আমার অনেক ছাত্র-ছাত্রী বলে, আমরা ভালো ইংরেজী জানি আর ভালো সিলোডি জানি, বাংলা কইতাম পারিনা।

কানাডা সরকার একটা ভালো কাজ করেছে। এখানে হেরিটেজ প্রোগ্রামের আওতায় সরকারী খরচে মাতৃভাষা শেখানোর জন্য স্কুল করা যায়। আমি অনেককে জানি যারা স্কুল খুলে পয়সা নিচ্ছেন কিন্তু একদিকে স্টুডেন্ট পাচ্ছেন না, অন্যদিকে সরকার থেকে পয়সা নিয়ে উনারা নিজেরা বাড়তি আয় করছেন। ভাষা নিয়েও আমরা ব্যাবসা করতে দ্বিধা করিনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদেরকে কমপক্ষে একটা ভাষা কোর্স হিসেবে নিতে হতো।হতে পারে তা জার্মান, আরবী, স্প্যনিস কিংবা তালিকাভূক্ত অন্য কোন ভাষা। কিছুদিন আগে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাকেও এ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে। কিন্তু ছাত্র পাওয়া যাচ্ছেনা।

বাংলা উচ্চারণ নিয়ে দুটো মজার কথা বলি।

আসলাম ভাই আড্ডা দিতে এসেই বললেন অনেক দেরী করে আসলাম, মনে কিছু নিসনা। নাম আসলাম আর ক্রিয়া আসলাম এর বানান এক হলেও উচ্চারণ ভিন্ন।

এমন আরেকটি উদাহরন হলো,

বাস টার্মিনালের পাশেই আমরা বাস করি।

দুই বাসের বানান এক হলেও অর্থ ও উচ্চারণ দুটোই ভিন্ন।

ভালো লেখা। প্লাস দিলাম।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫২
comment by: রাগিব বলেছেন: ইন্টারেস্টিং বিষয়। পুরো ব্যাপারটাই বেশ গুরুত্বপূর্ণ ... প্রবাসী বাবা-মাদের জন্য বাচ্চাদের বাংলা শেখানোটা দরকারী বিষয়। কিন্তু দুঃখ লাগে, কিছু কিছু কুলাঙ্গার বাবা-মা আবার বাংলার বদলে বাচ্চারা ইংরেজিতে কথা বললেই খুশি হয়।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: সমস্ত "কুলাঙ্গার" বাবা-মারা নিজেদের অশুদ্ধ ইংরেজী উচ্চারণে সন্তানদের সাথে কথাবার্তা বলতে পসন্দ করেন। এরা বুঝেনা যে তাদের ছেলেমেয়েরা বিদেশে এমনি এমনিই ইংরেজী শিখবে। আর ভাবখানা এমন যে, তদের ছেলেমেয়েরা এতে করে জাতে উঠবে।
এটা শুধু বিদেশেই নয়, দেশেও কিছু মানুষের ফ্যাশন হল ছেলেমেয়েদের সাথে ইংরেজীতে কথা বলা।
ধন্যবাদ রাগিব ভাই।

৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: বাংলা খুব কঠিন একটি ভাষা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: বাংলা কঠিন ভাষা, সন্দেহ নাই। কিন্তু নিজের ছেলেমেয়েদের সাথে বাংলায় কথা বললেতো কোন সমস্যা নেই। এতে করে তারা চলনসই কথ্য বাংলা শিখতে পারবে। নিজেদের আঞ্চলিক ভাষাগুলো তাদের সাথে ব্যবহার না করে চলিত বাংলা ব্যবহার করলে তারা বাংলা বুঝতে অভ্যস্থ হত।
ধন্যবাদ।

৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
comment by: নীল েঢউ বলেছেন: অনেক শিক্ষিতো বাবা-মা এই ভুলটা খুব করেন....।ভালো লেখা
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: হুঁ। অনেক শিক্ষিত লোকদের আবার ইংরেজ আমলের গোলামীটা ভাল লাগত। তাই তাদের সব কিছুতেই এদের খুব আগ্রহ।
ধন্যবাদ।

৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০১
comment by: গণ্ডার বলেছেন:
এক্ষেত্রে বাবা মায়ের সচেতনতাই সমস্যা সমাধানে যথেস্ঠ। কারন একটি শিশু স্কুলে যাবার বয়স হবার অনেক আগেই পরিপুর্নভাবে কথা বলতে শিখে যাই । বাংলাদেশে একটি শিশু স্কুলে যেতে শুরু করার আগে বাবা মা পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছ থেকেই বাংলা ভাষা শিখতে পারলে বিদেশে কেন পারবেনা।

আমার ব্যাক্তিগতভাবে য়েটা মনে হয়েছে শতকরা ৯০ ভাগ বাংলাদেশী তাদের সন্তানকে বাংলা না শিখিয়ে ইংরেজি শেখার প্রতি জোর দেন কারন তাদের ধারনা ইংরেজি না জানলে তাদের শিশুরা পিছিয়ে যাবে
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: সহমত। ধন্যবাদ।

৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০২
comment by: গণ্ডার বলেছেন:
~ প্রবাসী বাংলাদেশী
৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৭
comment by: সালিশদার বলেছেন: পোষ্টে পেলাস মাগার লেখক জামাতের রুকন আর ড়াজাকার হবার কারনে ডাবল মাইনাস
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: বাংলা ভাষার বারটা বাজানোর জন্য আপনাকে ব্লক করা হল।

৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
comment by: সবুজ সাথী বলেছেন: গণ্ডার বলেছেন:
"এক্ষেত্রে বাবা মায়ের সচেতনতাই সমস্যা সমাধানে যথেস্ঠ। কারন একটি শিশু স্কুলে যাবার বয়স হবার অনেক আগেই পরিপুর্নভাবে কথা বলতে শিখে যাই ।"

সঠিক হবে "শিখে যায়"।


ভালো পোষ্ট, ধন্যবাদ।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সুন্দর লেখা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: পুরাপুরি প্রতিবন্ধী (অন্ধ, বোবা, কালা) হওয়া স্বত্বেও হেলেন কেলার যদি সব শিখতে পারে, তবে প্রবাসে বাংলাদেশীদের পোলাপানরা বাংলা বলতে না পারাটা বাপমাদের পুরাপুরি ইচ্ছাকৃত গাফলতি।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। তবে গাফলতির সাথে সাথে অনেকের হীনমন্যতাও দায়ী।

১২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮
comment by: লেকবাসি বলেছেন: Bhalo post.
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
comment by: বৃত্ত বলেছেন: ++++++
যাযাদিতে আগেই পড়েছি।
ভালো লেগেছে।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: যাযাদিতে পাঠিয়েছিলাম ফেব্রুয়ারীর শুরুতেই। কখন ছাপালো তা আমার চোখে পড়েনি। আপনি কি জানাবেন, দয়া করে, কত তারিখে ছাপিয়েছিল?
ধন্যবাদ।

১৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: বাংলায় সন্তানদের সাথে কথা বলছি। তাও খুব কাজ হয় না। বুঝে কিন্তু ভাল বলতে পারে না।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: আপাতত বুঝতে পারলেই হল। আপনি তাদের সাথে বাংলায় বলেন বলেই তারা বুঝে। অনেক বাবা-মা ছেলেমেয়েদের সাথে বাংলায় কথা বলেনা। সেখানেই সমস্যা।

১৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
comment by: শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: আবুসামিহা .... বিদেশে বাংলাদেশীদের দেয়াল বিজ্ঞপ্তি বা বাংলা সাইনবোর্ডে বানান বিভ্রাট দেখেছেন কখনো ... আমি কিছু দেখেছি ... মনে পড়লে পেটে খিল ধরে যায়।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: এ নিয়ে মজার একটা লিখা পড়েছিলাম অনেক আগে। এদের অজ্ঞতায় বিরক্ত হই বেশ।
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: একটা কথা বলা হয় নি। লেখাটা ভাল লেগেছে খুব।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ।

১৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
comment by: শাব্বির আহমদ বলেছেন: আমি জেদ্দাতে থাকি। আমি বাংলাদেশ কনসুলেট পরিচালিত একটা স্কুল এন্ড কলেজ এর টিচার। একদিন এক স্টুডেন্টের বাসাতে গিয়েছিলাম। একটা বাচ্চাকে বললাম এদিতে আসো। বাচ্চাটা দেখি কিছু বুঝে না। ওর বাবা বললেন "মাষ্টার হদ্দে ইক্কে আয়।" বুঝুন তাহলে, আসলে অঞ্চলের প‌্রভাব । জেদ্দাতে বাংলা শেখার সুবিধার পরেও এই দশা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: পিতামাতার অসচেতনতার জন্যই এ অবস্থা।

১৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
comment by: সবুজমিয়া বলেছেন: পিতামাতাকে সচেতনভাবে পারিবারিক পরিবেশে বাংলার চর্চা করতে হবে। সহমত +



প্রবাসী বাবা-মাদের জন্য বাচ্চাদের বাংলা শেখানোটা দরকারী বিষয়। কিন্তু দুঃখ লাগে, কিছু কিছু কুলাঙ্গার বাবা-মা আবার বাংলার বদলে বাচ্চারা ইংরেজিতে কথা বললেই খুশি হয়। রাগিব ভাইয়ের সাথে সহমত
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: রাকিব বলেছেন: আমরা ইংরেজী ভাষার বানান ভুল ধরি..কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে তার বালাই নেই।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ

২০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: হুম....

আমি দেখেছি লন্ডনে বসবাস রত অনেক বাঙালী ছেলে মেয়ে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। সেই ছেলে মেয়েদের জন্ম সেখানে। এখন এই ছেলে মেয়ে গুলো জানতেই পারবে না যে শুদ্ধ বাংলা কোনটা। কারণ তাদেরকে শিখানোই হয়েছে আঞ্চলিক ভাষা।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: কারণ তারা মনে করে তারা বাঙ্গালী না, সিলেটি।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
গণ্ডার বলেছেন:
এক্ষেত্রে বাবা মায়ের সচেতনতাই সমস্যা সমাধানে যথেস্ঠ।

সহমত
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫০
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ভালো পোষ্ট। ++
২৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৯
comment by: উম্মে হানী বলেছেন: প্রবাসে বাংলা শেখানো আসলেই কষ্টকর। তবে চেষ্টা ও আন্তরিকতা থাকলে অসাধ্য নয়।
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
২৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: জাপানে বড় হওয়া বাঙালী বাচ্চাদের অবস্থা আরো খারাপ ... বাবা-মা কথা বলে বাংলায়, ডে-কেয়ার বা স্কুলে সব জাপানীতে আবার বাঙালী বাবা-মা'র আন্তর্জাতিক সচেতনতার কারণে সন্তানকে ইংরেজী শেখানোর একটা প্রবণতা থাকে ... তিনভাষা সামলাতে বেচারাদের ভয়াবহ অবস্থা !!! তবে শেষমেষ যেটা দেখা যায় যে বাচ্চাগুলো সবচেয়ে ভালো বলে স্কুলের ভাষাটা ... জাপানীজ ... আমরা অবাক হয়ে ভাবি ক্যামনে পারে!!!!
২৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৭
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিদেশে ছেলেমেয়েদের বাংলা না শিখলে আসলে তারা যাযাবর হয়ে পড়ে মনে হয়। কারন ইংরেজি শিখে তো তারা বাঙালী থেকে ইংরেজ হতে পারে না, তাদের অরিজিন বাঙালীই থাকে, যার ফলে এরা আসলে অসহায় হয়ে পড়ে একসময়। এমন কিছু উদাহরন আসলে ভয়াবহ। আমি আমার পরিচিত এক বাংলাদেশী ফ্যামিলির ৯ বছরে বয়স্ক মেয়েকে বলতে শুনেছি সে তার ব্ল্যাক মাবাবাকে নিয়ে লজ্জিত। সে চায় হোয়াইট বাবামা। কি ভয়াবহ!

আঞ্চলিক ভাষা শেখানোটাকে আমি দোষের বলে ভাবছি না। বাবামারা যে ভায়ায় কথা বলেন সন্তানেরা তো সেটাই শিখবে। এখন বাবা মা যদি তাদের আঞ্চলিক ভাষা বাদ দিয়ে ছেলেমেয়েদের শুদ্ধ বাংলা বলতে শিখান, তবে তো এই বাচ্চারা যখন বড় হবে তখন তারা শুধু শুদ্ধ বাংলাটাই জানবে এবং একই ভাবে তারা তাদের বাচ্চাদেরকেও শুদ্ধবাংলা শেখাবে, এতে করে আঞ্চলিক ভাষাগুলো বিলুপ্তির মুখে পড়বে। আর বাচ্চাদের ভাষা শেখাতে গিয়ে আমাকে যদি আমার মাবাবার মুখের আঞ্চলিক ভাষাটা বাদ দিয়ে শুদ্ধবাংলায় ঘরেও কথা বলতে হয় তবে সেটা স্বস্তাদায়ক নয় বলে মনে করি। এরচেয়ে ভাল ঘরে বাচ্চারা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলুক, স্কুলে তো শুদ্ধবাংলা শিখবে। প্রয়োজনমত পরিস্থিতিতে শুদ্ধবাংলায় বলবে।আর একটু বড় হলে তো তাদের নিজেদের আগ্রহেই তারা শুদ্ধবাংলা শিখবে।
অন্তত আমি, যখন দেখি কেউ শুদ্ধবাংলায় কথা বলছে অথচ তার কোন আঞ্ঝলিক ভাষা জানা নেই, তখন বড় করুনা হয়, মনে হয় শেকড়ছাড়া। তবে এমন অনেক কমই আছেন। বরঞ্চ বেশিঅংশই নিজেদের বাসায় বা একই অঞ্চলের বন্ধুদের সাথে খাটি আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন অন্যান্য ক্ষেত্রে ঝরঝরে শুদ্ধভাষা।
প্রবাসী বাংলাদেশীদের তাই করা উচিত। আঞ্চলিক ভাষা এবং শুদ্ধভাষা দুটোই শেখানো। আর ইংরেজী তো শিখবেই।
২৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: আমার বাচ্চার আঞ্চলিক ভাষা এবং শুদ্ধভাষা দুটোইতেই পারদর্শী, তার প্রধান কারন হলো, বাসায় আমাদের (বাবা/মা) সাথে ইংরেজী বলা একেবারেই নিষেধ বাচ্চাদের। ইংরেজী প্রশ্নের উত্তর দিতেও আমরা বাধ্য নই বাসায়। অনেক সময়ই বাচ্চারা এনজয় করে ভাষার নানান বৈচিত্র।
২৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: খু্বই ভাল এটা
২৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:৪০
comment by: দৃষ্টির ছায়া বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আবূসামীহা, এমন একটি জরুরী বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য।

কেন জানিনা, আমাদের ভাষা আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাওয়ার পরও আমরা হীনমন্যতা কেটে উঠতে পারছি না। আপনার লেখায় তো অনেকটাই উঠে এসেছে। তারপরও প্রবাসীদের মধ্যে প্রায় ৯৯% এরই মনোভাব এমন যে, তারা নিজের ভাষাকে লুকিয়ে রাখতে চায়। বিদেশী ভাষা শিক্ষা করা অবশ্যই ভালো, কিন্তু তাই বলে নিজের ভাষায় বিদেশীদের সাথে কথা বলতে হীনমন্যতা কেন? বিশেষ করে যখন ভারতীয় ও পাকিস্তানীদের সাথে কথা বলতে যায়, তখনি বাংলাদেশীরা যেন মাতৃভাষা ভুলে যায়। এমনকি মাঝে মাঝে স্বদেশীদের সাথেও হিন্দি অথবা উর্দু বলে যেন গর্ববোধ করে বাংলাদেশী! খুবই খারাপ লাগে এসব ব্যাপারগুলো।
২৯. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: বাস্তব পোষ্ট।

 

 


আমার ব্লগে এখন থেকে শুধু প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকে স্বাগত জানানো হবে। কেউ মন্তব্য করতে চাইলে লেখার বিষয় সম্পর্কে করবেন। অহেতুক ও...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ