somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবর্জনা পরিস্কার

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আশেপাশে আবর্জনা পরিস্কার করা কতোটা জরুরী তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানে। যারা নর্দমার গন্ধ ও পচা পানির গর্ত এড়িয়ে সাবধানে পা ফেলে রাস্তা পার হতে চান তা যে আজকাল কতোটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে সেটা বোদ্ধা নাগরিকরা হাঁড়ে হাঁড়ে টের করতে পারছেন। একটু আগে অ:র:পি:র লেখা ক্যামনে কি! ক্যান!!! হ্যান ত্যান ফ্যান পড়ে মনে হলো আমাদের নাগরিক জীবনে আবর্জনা পরিস্কার কতোটা জরুরী হয়ে পড়েছে। তার ধারালো কথার এরোসোলে আবর্জনা আর পোকা মাকড়ের দৌরাতত লাঘব না হয়ে তাদের গুণগুণানি আরও বাড়বে তা আমি জানতাম।

এই প্রশ্নটা শুধু আমার একান্তে মনে আসে না আরও অনেকের ভাবনার মধ্যে এই প্রশ্নটা বারবার ঘুরপাক খায়, স্বাধীনতার ছত্রিশ বছর পর পাকীদের পা চাটা রাজকার জামাতী পোকা মাকড়দের প্রভাব প্রতিপততির পরিসীমা কতোটা? তাদের প্রভাবের ব্যাপ্তি যতোটুকুই হোক না কেন নাগরিক জীবনে আমরা ঠিকই বুঝি ফুটপাথে পড়ে থাকা এক পীস মলের বদবুর ব্যাপ্তি কতোটা বেশী। নাগরিক জীবন থেকে ব্লগীয় জীবন যে খুব একটা আলাদা না তা সবাই জানে। তাই এখানকার ভার্চুয়াল বদবুটা একটু বেশী প্রখর, একটু বেশী নজর কাড়ে।

তাই হাসান মোরশেদ যখন আবর্জনা কোয়ারেন্টাইন করে সতকার করার কথা বলেন তা খুব যুক্তিযুক্ত মনে হলেও ভাবি তার শুরুটা কিভাবে হবে? উততরটা সহজ। এটা একটা নাগরিক দায়িত্ব। যেমন মিউনিসিপ‌্যালিটি বিজ্ঞাপন দিয়ে বারবার বলে আপনার বাসার চারপাশের আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন রাখুন তেমন এই সমাজ থেকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে উতখাত করতে হলে নিজের নিজের বাসা থেকেই শুরু করতে হবে।

তবে কাজটা মোটেও সহজ না। আবর্জনা কিন্তু একটা বাই প্রোডাক্ট। একে অস্বীকার করার উপায় নেই। তাই হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। সৌদী আরব আর পাকিস্তানে মৌলবাদী জঙ্গীরা গত ক'দিন ধরে খবরের শিরোনাম হয়েছে। বাংলা ভাইয়ের সহচররা এখনও ধরা পড়ছে। কিন্তু কেউ কি একবারও ভেবে দেখেছেন মৌলবাদী রাজনীতিকে আশ্রয় সাশ্রয় দিলে জঙ্গীদের উতথান হবে, বিস্তৃতি ঘটবে। তারা নোংরা ছড়াবে। বদবু ছড়াবে। তাই দরকার আবদ্ধ আবহাওয়ার অবসান। সৌদী আর পাকিস্তানে যেমন দরকার গণতন্ত্রের আগমন। তেমনি বাংলাদেশেও দরকার গণতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির বিস্তৃতি আর ঐক্য। না হলে এই দুর্গন্ধের মধ্যেই পার করতে হবে নাগরিক জীবন। তা বাস্তব হোক আর ভার্চুয়াল হোক সেই প্রশ্নটা তেমন জরুরী না।
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×