এ ব্যাপরে ড. কামাল হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, এ হত্যাকান্ডের বিচার সেনা আইনে হওয়ার কোন সুযোগ নেই তবে কোন আইনে বিচার হবে সেটার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।
ব্যারিষ্টার আমিরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, এ ঘটনাকে যদি আগেই বিদ্রোহ বলে ধরে নেওয়া হয় তাহলে আসল অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া হবে।আর তার মধ্যে প্রতিয়মান হবে গনহত্যা এবং মানবাধিকার ঘটনা অস্বীকার করেছে রাষ্ট্র।
তবে এ ব্যাপারে শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সুপ্রিম কোটের খ্যাতনামা আইনজীবী বলেছেন, সেনা আইনে বিডিআর বিদ্রোহের বিচারে আইনগত কোন বাধা থাকতে পারেনা।
এ ব্যাপারে অনেকেরই ধারনা সেনা আইনে বিচার না হলে স্বাক্ষ্য প্রমান নিতে নিতে দেশের আইনের যে গতি তা সেই, শেখ মুজিব হত্যা মামলা, যুদ্বাপরাধী বিচার, আওয়ামী লীগের সমাবেশে বোমা হামলা, ১০ ট্রাক অস্র মামলা, কমিওনিষ্ট পাটি`র সমাবেশে বোমা হামলা বা আরও যেসব বিচার লটকে আছে এটাও এমন লটকে থাকবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


