আমরা জানি, বাংলা সনের প্রবর্তক সম্রাট আকবর। যারা বিসিএস দিয়েছেন বা দিচ্ছেন তারা কমবেশি সবাই এ ব্যাপারে জানেন। আর অন্যরা জানেন পত্রিকার পাতা থেকে ।
কিন্তু এ জানাটা ভূল জানা। সে সময় বাংলা বিহার ঊরস্যা অঞ্চলে ৪ ধরনের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হতো । এছাড়া আরো দু-তিনটি ক্যালেন্ডার ব্যবহারের প্রমান পাওয়া যায় । একাধিক ক্যালেন্ডার থাকায় এবং একই নামের মাসের ঊপস্থিতি থাকায় প্রশাসনিক কাজে সমস্যা করতো । যা একটি প্রমিত ক্যালেন্ডার গ্রহনের প্রযোজনীয়তা কে বাড়িয়ে দেয় । তাই আকবর তার মন্ত্রী সভার টোডরমল (ভুমি / খাজনা সংস্কার কাজে তার নাম মোগল ইতিহাসের একটি মাইল ফলক ) কে দায়িত্ব দেন একটি প্রমিত ক্যালেন্ডার ঠিক করার জন্য ( ঊইকিপিডিয়াতে আছে ফতেঊল্লা সিরাজি – এর নাম, যিনি ছিলেন মোগলদের জ্যতিষী ) । তিনি হিন্দু ক্যালেন্ডারের সাথে হিজরী ক্যালেন্ডারের একটি কম্বিনেশন করে তৈরি হয় বাংলা সন ।
১৯৬৬ সালে একবার কমিটি করে সংস্কার করা হয় বাংলা সনের । সে সময় সিদ্ধান্ত হয় বছরের প্রথম ৫ মাসের দৈর্ঘ্য হবে ৩০ দিন এবং বাকি ৭ মাসের ৩১ দিন। প্রতি ৪ বছর পরপর ফাল্গুন মাসে ১টি দিন যোগ হবে । সে সময় হতে বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ পালন করা হয় ১৪ এপ্রিল কিন্তু যারা মূল হিন্দু ক্যালেন্ডার ফলো করেন তারা পহেলা বৈশাখ পালন করেন ১৫ই এপ্রিল । এখনো পশ্চিম বঙ্গে পহেলা বৈশাখ পালন করা হয় ১৫ই এপ্রিল। যেহেতু হিন্দু ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান মূল ক্যালেন্ডারকে অনুসরণ করা হয় আমাদের দেশে লাংগলবন্দে যে পূন্যস্নান করা হয় তা হিন্দু ক্যালেন্ডারের পহেলা বৈশাখ, ১৫ এপ্রিল। এ সম্পকে ভাল ভাবে জানতে আপনার কোন আপনি কোন হিন্দু বন্ধুর সহায়তা নিতে পারেন ।
ভিন্ন মত থাকতে পারে । আসুন শেয়ার করি ।
bangle calendar
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




