কালের কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক আবেদ খানের পদত্যাগ নিয়ে আমাদের দেশের শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় টাটা কোম্পানীর দালাল পত্রিকা দৈনিক প্রথম আলোতে একটি সংবাদ সেই সকাল থেকেই শোভা পাচ্ছে। সংবাদটিতে মন্তব্যও পড়েছে অনেক। আমি এতোদিন মনে করতাম প্রথম আলো হয়তো কালের কন্ঠকে ভয় পায় না। কিন্তু এখন দেখিছ তারা কালের কন্ঠকে ঠিকই ভয় পেত। আবেদ খান কালের কন্ঠ থেকে পদত্যাগ করুক আর যাই করুক এই সংবাদটাকে সকাল থেকে কলাম লিড করে রাখার যৌক্তিকতাটা কি তা বুঝি না।
যাই হোক আমি এই সংবাদে মন্তব্য করলাম। প্রথম মন্তব্যটি ছিল এমন.....''আবেদ খানের পদত্যাগে প্রথম আলোর এতো খুশি হওয়ার কারণ দেখছি না। প্রথম আলোর সাথে কালের কন্ঠ কখনোই পেরে ওঠেনি। আর উঠেবেও না এটা কালের কন্ঠের জন্মের আগে জানতাম। কারণ প্রতিদ্বন্দ্বির মন- মানসিকতা নিয়ে বাজারে আসলে অবশ্যই তার কিছু না কিছু কুফল থাকে। আর কালের কন্ঠ তো বাজারে আসছে সংবাদ পরিবেশন করতে না প্রথম আলোর সাথে যুদ্ধ করতে। যুদ্ধ করার পলিসি নিয়ে যখন তারা আসছেন তখন সবাই এটাই ধরে নিয়েছে আর যাই হোক কালের কন্ঠের কাছ থেকে সংবাদ অন্তত পাওয়া যাবে না।
কালের কন্ঠ যদি যদ্ধ করার পলিসি বাদ দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করতে পারতো তাহলে তাহলে প্রথম আলোর সংবাদ বদলে দেয়ার সংস্কৃতিকে পরাজিত করতে পারতো কারণ সে অস্ত্র কালের কন্ঠের ছিল। আর আজ সেই অস্ত্র আবেদ খান সাহেবকে তারা হারাল।
প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে যদি একক ভাবে কোন পত্রিকা সংবাদ পরিবেশনে খ্যাতি অর্জন করে থাকে তবে তা করছে সম্পাদক আবেদ খান, গোলাম সারওয়ারের মতো সাংবাদিকদের দ্বারা। এক্ষেত্রে আমি শ্রদ্ধেই মতিউর রহমান সাহেবকে ক্রেডিট দিতে পারছি না। তাকে আমার বরাবরই পলিসি মেকার বলে মনে হয়। তিনি একক ভাবে কোন সংবাদ করেন না। তার সংবাদ পরিবেশনের পেছনে বড় কোন উদ্দেশ্য থাকে। তা কখনো হয় দেশের জন্য মঙ্গলজনক কখনো বা ক্ষতির। জানি হয়তো এই মন্তব্য প্রকাশ নাও হতে পারে। তবে এটা সত্য আমি প্রথম আলোকে কখনোই একক সম্পাদকের পত্রিকা বা একক মালিকের পত্রিকা বলি না।
প্রথম আলোর সাথে রয়েছে বেলা, বাপার, আসক এর মতো সংস্থা। আর আছে কিছু বৈদেশিক স্বার্থ।''
মন্তব্যটি দীর্ঘক্ষন ঝুলিয়ে রেখে অবশেষে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে প্রথম আলো।
এরপর দিই দ্বিতীয় মন্তব্য। দ্বিতীয় মন্তব্যটা হল.....''আবেদ খান খুবই ভাল কাজ করেছেন কালের কন্ঠ থেকে পদত্যাগ করে। নিজের মান নিয়ে চলে এসেছেন। তাকে অভিন্দন।''
এই মন্তব্যটিও অনেকক্ষন ঝুলিয়ে রেখে পরে প্রকাশ করে।
মন্তব্য তিন যা দিয়েছি তা প্রকাশ করবে না এটা আমি জানি শুধু ওদের মন্তব্যটি পড়ানোর জন্য দিয়েছি। মন্তব্যটি হল....
"কি ভাই, মন্তব্য মডারেটর, প্রথম আলোর বিপক্ষে কোন মন্তব্য প্রকাশ করতে এতো খারাপ লাগে কেন? এটা তো নিরপেক্ষতা হল না। আপনাদের সম্পর্কে মানুষের ধারণা কি তা যদি আপনার প্রকাশ না করেন তাহলে কিভাবে নিরপেক্ষ হলেন। ভাই স্বভাব বদলান। আগে নিজেদের স্বভাব বদলান তার পর না হয় সংবাদ বদলাবেন। আপনার তো দেশ বদলে দিয়েছেন। সুদখোর ইউনুসকে দিয়ে, টাটার দালাল রেজওয়ানা হাসানকে দিয়ে। দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করতে বিজিএমইএ ভবনের পেছনেও লাগতে আপনারা ছাড়েন নাই। ভারতের দালালি বাদ দিয়ে দেশের কথা ভাবুন। কাজে দিবে।"
যথারীতি এই মন্তব্যটিও প্রকাশ করেনি প্রথম আলো। তাই আমিই প্রকাশ করে দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


