লালন সাঁই ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক সাধকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি একাধারে বাউল সাধক, বাউল গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। তাঁকে ‘বাউল সম্রাট’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়। গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম তাঁকেই ‘মহাত্মা’ উপাধি দেয়া হয়েছিল (তাঁর মৃত্যুর ১২ দিন পর তৎকালীন পাক্ষিক পত্রিকা মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত 'হিতকরীতে' প্রকাশিত একটি রচনায় সর্বপ্রথম তাঁকে "মহাত্মা" হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়)।
আজকের কর্পোরেট দুনিয়াতেও লালনের ভাব-দর্শন দারুণ ভাবে সমাদৃত। ইট পাথরের মানুষ গুলোও খুজে ফিরতে চাইছে লালন দর্শন। লালনের গান ছিল অধ্যাত্ব ভাবাবেগের ফসল।লোভাতুর মানব মনকে সংযত করে নিজেকে খুজে ফেরাই ছিল লালনের মুল বাণী। আজকের হানাহানির এই সময়ে পৃথিবীর মানুষ দুনিয়াদারিতে খুব বেশী ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই লালন দর্শন এই প্রজন্মের কাছে এত আদৃত।
যেতে পারেন আপনিও : ইন্টারনেটের যুগে কুষ্টিয়া কিভাবে যাবেন সে কথা লিখে পোষ্ট দীর্ঘায়িত করতে চাই না । তবু ছোট কথায় বলে রাখি কুষ্টিয়া শহর থেকে লালনের আখরা রিক্সায় মাত্র ১০ মিনিটের পথ। শহরে বেশ কয়েকটি থাকার ভালো হোটেল আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা কুষ্টিয়া অতিথি পরায়ন শহর, গেলেই বাকী সব এমনিতেই বন্দোবস্ত হয়ে যাবে । এরপরেও অতি সাবধানী পাঠকদের জন্য এক জন লালন ভক্তের নম্বর (রোকন-০১৭১২-৮১০১৪৭) দিয়ে দিলাম । যার কাছে ফোন দিয়ে যাবতীয় তখ্য নিয়ে নিতে পারেন।
তাহলে ঘুরে আসুন আরশী নগর। ও হ্যা ফিরে এসে সব কিছু যেন জানাতে ভুলবেন না !!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

