somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটঃ নয় বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্পের কাজ

২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের প্রিয় মাতৃভাষার জন্য মহান আত্মত্যাগের স্মারক আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট। ২০০১ সালে কাজ শুর“ হলেও এখনো পুরোপুরিভাবে শেষ হয়নি ইনস্টিটিউট প্রকল্পের কাজ। রাজনৈতিক জটিলতা, অবকাঠামোগত সমস্যা, আইনগত দিক দিয়ে দীর্ঘসূত্রিতা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজের ধীরতা ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার ফলে সৃষ্টি হয়েছে এ পরিস্থিতির।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রকল্পটির মেয়াদ এ পর্যন্ত মোট তিনবার বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়াও এক বিশেষ অনুরোধে এর মেয়াদ আরো ৬ মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রথমে এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয় জানুয়ারি, ২০০০ থেকে জুন ২০০২ পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয় ৩০ জুন ২০১০।

প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে যেসব কাজ হাতে নেয়া হয়েছে সেগুলো হলো ইনস্টিটিউটের জন্য একটি ভবন নির্মাণ করা, ৪৭০ আসনবিশিষ্ট একটি অডিটোরিয়াম নির্মাণ, একটি ভাষা জাদুঘর ও আর্কাইভ করা, একটি ল্যাংগুয়েজ ল্যাব করা ও একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মানের লাইব্রেরি করা। এর মধ্যে ভবনটি পাঁচ তলা থেকে তিন তলা করা হয়েছে। অডিটোরিয়ামের কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। আর টাকা বরাদ্দে জটিলতা ও সময় মতো কাজ না হওয়ায় জাদুঘর ও আর্কাইভের কাজ এখনো শেষ করা যায়নি। যদিও এর মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বরাদ্দকৃত টাকায় হবেনা বলে ল্যাংগুয়েজ ক্লাবের কাজও করা হয়নি। তাছাড়া লাইব্রেরির কাজও পূর্ণাঙ্গ হয়নি বলে জানা গেছে।

তাই দেখা যাচ্ছে প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ এখনো শেষ না হওয়াতে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুর“ করা যাচ্ছে না। দ্বিতীয় পর্যায়ে গৃহীত কার্যাবলীর মধ্যে আছে- আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ভবনটি ১২ তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ, অডিটোরিয়াম ও ভাষা লাইব্রেরিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, ভাষা বিষয়ে একটি সমৃদ্ধ ও পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট করাসহ অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ।

পৃথিবীর বুকে এমন কোনো ইতিহাস নেই যে, কোনো জাতি তার ভাষার জন্য লড়েছে, প্রাণ দিয়েছে, রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছে। মাতৃভাষায় স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকারের জন্য যে জাতি সংগ্রাম করেছে সে জাতি বাঙালি। আর সে গৌরবময় ভাষা হলো আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা বাংলা। সত্যিই তো আমাদের ভাষার ইতিহাস এক গৌরবের ইতিহাস।

অর্ধশতাব্দী ধরে প্রাণের আবেগে উ”ছসিত হয়ে আমরা মহান একুশে ফেব্র“য়ারি উদযাপন করছি। আজ এই উদযাপন দেশকালের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বসভায় প্রতিষ্ঠিত, অভিষিক্ত। ভাষার জন্য বাঙালিদের এ মহান আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে কানাডার মাদার ল্যাংগুয়েজ লাভার’স অব দ্য ওয়ার্ল্ড নামক একটি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট বাঙালিরা একুশে ফেব্রু“য়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার জন্য প্রথম প্রস্তাব করে। এসব বিষয় বিবেচনা করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ৩০ তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রু“য়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে বাঙালি জাতির উপর অর্পিত হয় এক বিশাল দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালন ও বিরল সম্মান, গৌরবকে সমুন্নত রাখার অঙ্গিকার নিয়ে বাংলাদেশ সরকার দেশে একটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্স্থাপন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে। যেখানে বাংলা ভাষাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভাষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। তাছাড়া বিশ্বের সকল ভাষা সংরক্ষণ ও উৎকর্ষ সাধনের জন্য গবেষণাকর্ম পরিচালিত হবে। আর এভাবেই প্রতিষ্ঠা পায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ভোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি ১.০৩ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গত ২১ ফেব্র“য়ারি ২০১০ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিনি এ উদ্ভোধন করেন। তিনি ইনস্টিটিউটকে সকল মাতৃভাষা চর্চা ও রক্ষা করার জন্য একে একটি বৈশ্বিক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার জন্য সাহিত্যিক, ভাষাবিদ ও গবেষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালের ১৫ মার্চ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান উপস্থিত ছিলেন। ২০০১ সালের এপ্রিলে এর কাজ শুর“ হয়। তারপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় এর নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। প্রথম দিকে পাঁচ তলা ভবনের জন্য এর নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছিলো ১৯.৪৯ কোটি টাকা। পরে নির্মাণব্যয় বৃদ্ধির কারণে ভবনটি তিন তলা করার সীদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং এতে ব্যয় ধরা হয় ১৭ কোটি টাকা।ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রামী বিজয়ের স্মারক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট হবে বিশ্বমানের। এটা বিশ্বের বুকে এক ও অদ্বিতীয় একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকবে। এই ইনস্টিটিউট হবে একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক মানের গবেষকরা এখানে আসবেন এবং বিভিন্ন ভাষার উপর গবেষণা করবেন ও শিক্ষা নেবেন। বিশ্বের সব ভাষার মান রক্ষার জন্য এটা একটা বিশেষ ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে।

কার্যক্রম
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিটের যাবতীয় কাজ মোট ১২টি বিভাগে পরিচালিত হবে। এর কার্যাবলীর মধ্যে আছে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ ও আধুনিক পর্যায়ে উন্নতি করার জন্য যাবতীয় কর্মকাণ্ড হাতে নেয়া। গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে অন্যান্য ভাষার সাথে বাংলা ভাষার কি কি সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আছে সেগুলো তুলে ধরা। বাংলাদেশের বিভিন্ন উপভাষা ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা। তাছাড়া ভাংলাদেশের লোকসাহিত্য, লোক সংগীত, লোককলা, খনার বচন ও প্রবাদ প্রবচন ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা ও সংগ্রহ করা। বছরে অন্তত ২টি করে গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করা। এর মধ্যে একটি বাংলা ভাষার উপর এবং অন্যটি অন্যান্য মাতৃভাষার উপর। বাংলাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষার আদিযুগ ও মধ্যযুগীয় হস্তলিপি ও পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করা। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর ভাষার উপর গবেষণা করে বিভিন্ন দিক তুলে ধরা। বিভিন্ন ভাষার উপর শর্ট কোর্স চালু করাসহ ফলিত ভাষাবিজ্ঞানের উপর পর্যাপ্ত ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব ও কার্যাবলী সম্পর্কে ২৪ ধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে। দেশে ও দেশের বাইরে বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসার করবে, জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি লাভের জন্য প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ গ্রহণ করবে, ইউনেস্কোর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস প্রচার, বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিকীকরণ, বাংলা ভাষার উন্নয়নে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, ভাষা ও তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র জাতি-গোষ্ঠীসমূহের ভাষা সংরক্ষণ ও সে বিষয়ে গবেষণা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন, ভাষা বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান, বিভিন্ন ভাষা ও বর্ণমালা জন্য একটি আর্কাইভ নির্মাণ, ভাষা জাদুঘর নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের একটি লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্রস্থাপন করা, ভাষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়া চ্যানেল স্থাপনসহ ইত্যাদি বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করবে এই ইনস্টিটিউট।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রকল্পটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব ভাষাকে রক্ষা করা, বিভিন্ন ভাষার উপর গবেষণা পরিচালনা করা এবং পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ভাষাগুলোকে পুনোর“দ্ধার করা। তাছাড়া বিলুপ্ত হওয়ার পথে ও বিলুপ্ত ভাষাগুলোর উপর বিভিন্ন ধরনের বিষয় অডিও-ভিজুয়্যাল পদ্ধতিতে দেখানো হবে। পৃথিবীর সব ভাষা ও ব্যাকরণের উপর এ পর্যন্ত যেসব বই প্রকাশিত হয়েছে সেসব বইয়ের সমাহারে সমৃদ্ধ একটি বিশ্বমানের গ্রন্থাগার এখানে থাকবে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে দেশ-বিদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়া, বাংলাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা করার জন্য সুপারিশ করা, ইউনেস্কোর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাংলা ভাষার গৌরবময় সংগ্রামের ইতিহাসকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়া, ভাষার উপর গবেষণার জন্য ফেলোশিপ প্রদান করা এবং ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর ভাষাসমূহকে রক্ষা করার জন্য ভাষা আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা।

মাতৃভাষা বাংলাসহ পৃথিবীর সকল মাতৃভাষার উপর গবেষণা, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সমন্বয় সাধন করা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষা, বর্ণমালা, প্রকাশিত বই, ক্যাসেট, ভিডিও ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ, পর্যালোচনা এবং তথ্য বিনিময় করা। কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল ভাষা সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করে জাদুঘরের মতো আধুনিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করা এবং ইন্টারনেট ওয়েবসাইট খোলা। বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ভাষাসমূহ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলে তা সংরক্ষণ করা। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত যেকোনো গুর“ত্বপূর্ণ তথ্য বাংলা থেকে বিশ্বের অন্যান্য ভাষায় এবং অন্যান্য ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ করা। যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি প্রয়োজনে সুদক্ষ দোভাষী তৈরি করা। ভাষানীতি প্রণয়নে সরকারকে সহযোগিতা করা। ভাষাশিক্ষা ও পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষা সম্পর্কে জনগণকে আগ্রহী করে তোলা। বিভিন্ন দেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনার ব্যবস্থা করা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংযোগ স্থাপন করা। দেশি বিদেশি বিশেষজ্ঞগণের মাধ্যমে বাংলাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষার উপর গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। ভাষা ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান। বিভিন্ন দেশের ভাষাবিদদের ও বুদ্ধিজীবীদের সদস্যপদ দেয়া ও ফেলোশিপ প্রদান করা।

ইনস্টিটিউটের কাজের অগ্রগতি ও সম্ভাবনা প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মান্নান বলেন, আইনটি পাশ হবার পরপরই সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে। সংস্থাপন মন্ত্রণালয় লোকবল ও সরকার বাজেট দিলেই পুরোদমে এর কাজ শুর“ হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই পুরোদমে এর কাজ চালু হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন। তাই এটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে সরকারের সদি”ছার উপর। তিনি এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপর বেশি গুর“ত্বারোপ করেন।

প্রকল্প পরিচালক জানান, যেকেনো প্রতিষ্ঠান করতে হলে আইনের প্রয়োজন হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এর জন্য একটি আইন তৈরি করা হয়েছে। এটি মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত হয়েছে। আইনটি যাচাই বাঁছাই করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। যদিও আইনটিতে সামান্য কিছু ত্র“টি রয়ে গেছে। সংসদের আগামী অধিবেশনে আইনটি পাশ হওয়ার কথা। এটি জাতীয় সংসদে বিল আকারে যাবে।

আইন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি হবে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী হবেন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক। সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে ইনস্টিটিউট যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। তাছাড়া এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক প্রবিধানমালা থাকবে। ইনস্টিটিউটের উন্নয়ন, পরিকল্পনা বাজেট প্রণয়ন এবং কার্যাবলী পরিচালনার জন্য দুই বছর মেয়াদী একটি বোর্ড থাকবে। পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী হবেন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উ”চ পদস্থ’ কর্মকর্তাগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাগণ বোর্ডের সদস্য হবেন। ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় এই বোর্ড গঠন করবে।

আর ইনস্টিটিউটের অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে বলা হয়েছে এর একটি নিজস্ব তহবিল থাকবে। এছাড়া বিদেশি উৎস, সরকারের অনুমোদনক্রমে গৃহীত অনুদান, নিজস্ব উৎস ও অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগৃহীত হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×