আমার প্রিয় পোস্ট
- রমযানের ঈদ বাজারে পোশাকের বলিউড ফ্যাশন! - রাজনীতি
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-৩ - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-১ - বিবর্তনবাদী
- আমার সংগ্রহে থাকা বৃষ্টির কয়েকটা ছবি - মাহমুদুল হাসান রুবেল
- হুদারা কেন বেহুদা হয় - শিবানী
- প্রথমআলো ও ডেইলিস্টার এহেন নারী নির্যাতনের কোন ছবি দেয়নি কেন কেউ বলতে পারেন? - িদদারুল আলম বাননা
- কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ২৮ অক্টোবর লাঠি বৈঠা নিয়ে এত মানুষ মারতে পারলেন .. - আহসান মোহাম্মদ ক
বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষরা কেন পেরে উঠতে পারছে না?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩২
ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের জন্মকালীন রাষ্ট্রীয় মূলনীতির একটি। ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির নেতৃত্বেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম হয়েছিল। বর্তমানেও সারা পৃথিবীতে এই মতবাদের জয় জয়কার। পাশ্চাত্য চায় যে কোন মূল্যে বাংলাদেশে ধর্মনিরপক্ষে শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে। এই শক্তির প্রতি ভারতের রয়েছে প্রকাশ্য সমর্থন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা শুধু নয়, সারারণ ভারতীয় নাগরিকেরাও তাদের সমর্থনে অনবরত কাজ করে যাচ্ছে, লিখে যাচ্ছে ইন্টারনেটের বিভিন্ন ফোরাম ও ব্লগে। বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীটির মধ্যে এই শক্তির সমর্থন অতি প্রবল। মিডিয়াও তাদের সমর্থক। তারপরও তারা জনসমর্থন পাচ্ছে না। ভোটের রাজনীতিতে বার বার তারা পরাজিত হচ্ছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, কেন? এর উত্তর খুজতে কয়েকটি ঘটনা সাহায্য করতে পারে।
১. ১৬ আগস্ট রাতে আমার ছোট চাচা ফোন করে জানালেন যে, তার ছেলের নামে কেস হয়েছে। পুলিশ তাকে খুজছে। সে পালিয়ে রয়েছে। আমার পুলিশ অফিসার বন্ধুদের মাধ্যমে তার জন্য আমি কিছু করতে পারি কিনা। কি কেস হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বললেন যে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে স্থানীয় কলেজে বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন না করায় সে এবং ছাত্রলীগের আরও কিছু কর্মী কলেজের মহিলা প্রিন্সিপালকে লাঞ্ছিত করেছে। এ ধরণের আরও ঘটনা ঘটছে যার ফলে সাধারণ মানুষ শুধু যে তাদেরকে অপছন্দ করে তাই নয়, বরং তাদেরকে ভয়ের চোখে দেখে এবং তাদের হাত থেকে বাচতে দলে দলে জাতীয়তাবাদীদেরকে ভোট দেয়।
২. ইন্টারনেট এখোনো বাংলাদেশের শিক্ষিত এবং উচ্চ মধ্যবিত্তের নাগালে। এই শ্রেণীর তরুনদের মধ্যে ব্লগিংএর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ব্লগগুলোর শীর্ষে রয়েছে সামহোয়ার। সামহোয়ারের রাজনৈতিক পোষ্টগুলো দেখলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির সমর্থকেরা নোংরা ভাষায় গালি গালাজ করা এবং উগ্রতা ও অসহিষ্ঞুতা প্রদর্শন করতে কোন ধরণের সংকোচ বোধ করে না। ভিন্নমতের সমর্থককে যারা কথায় এভাবে আক্রমণ করে তারা বাস্তবে আরও কত উগ্র হতে পারে!
এই উগ্রতা ও অসহিষ্ঞুতাই ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির জন্য কাল হয়েছে এবং তারা একটা জনগণভীতির চক্রে পড়ে গেছে। তারা দেখছে, জনগণ তাদেরকে ভয় করে, অপছনন্দ করে, ফলে তারা জনগণের উপর নির্ভর করতে পারে না এবং জনগণকে ঘৃণা করতে থাকে। জনগণ এটি বুঝতে পেরে তাদেরকে আরও বেশী অপছন্দ ও ভয় করে। যার ফল গিয়ে পড়ে ভোটের বাক্সে।
বিবর্ণ বলেছেন:
সামহোয়ারের রাজনৈতিক পোষ্টগুলো দেখলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির সমর্থকেরা নোংরা ভাষায় গালি গালাজ করা এবং উগ্রতা ও অসহিষ্ঞুতা প্রদর্শন করতে কোন ধরণের সংকোচ বোধ করে না।
লেখক বলেছেন: পোস্টগুলো দেখলে আমার বক্তব্যে সত্যতা বুঝতে পারবেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আরিফুর রহমান আরিফ বলেছেন:
বিম্লেষণগুলো যথার্থ হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
এখানে আপনারা এক মৌলিক ব্যপার বুঝতে ভূল করছেন। সেটা হচ্ছে ধর্মনিরুপেক্ষতা হচ্ছে নিজেই একটা ধর্ম। এই ধর্মের অনুসারিরা আজ থেকে নয় বরং বহু আগে থেকেই এই আচরণ করে আসছে। যেমন এর জনক যুক্তরাষ্ট্র যদিও নিজ দেশে এর প্রতি খুব শ্রদ্ধাশীল অন্য দেশের বেলায় তা নয়। পুজিবাদি স্বার্থের খাতিরে ধর্মনিরুপেক্ষতাকে বছরে সহস্রবার ধর্ষন করেতও রাজি এই যুক্তরাষ্ট্র। পৃথিবীর বহুদেশে আমরা দেখি ধর্মনিরুপেক্ষতাবাদের জনকদের প্রত্যক্ষ মদদে ক্ষমতাসীন বহু স্বৈরাচারী। যেমন সৌদি আরব বস্তুত ধর্ম রাজতন্ত্রের উপর প্রতিষ্ঠি্ত। এই জনকদের ধর্মনিরুপেক্ষতা সেইখানেই প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পায় যেখানে তা তাদের পুজিবাদের স্বার্থ হাসিলের অনূরূপ হয়। আসলে যে কোন রাজনিতী ও রাষ্ট্র বিশেষজ্ঞ একমত হবেন যে ধর্মনিরুপেক্ষতা আদতেই কোন মতাদর্শ নয়। এ হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী বেনীয়াদের ঝোপ বুঝে কোপ মেরে স্বার্থ উদ্ধার করার এক অব্যর্থ হাতিয়ার!
লেখক বলেছেন: আপনার এ কথার সাথে একমত যে, ধর্মনিরপেক্ষতা হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী বেনীয়াদের ঝোপ বুঝে কোপ মেরে স্বার্থ উদ্ধার করার এক অব্যর্থ হাতিয়ার!
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
ৃ
অরণ্যচারী বলেছেন:
মাইনাস।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
ভাঁড়ামী কইরা লোক হাসানো ভালো । সওয়াব হইবে।
জাহান৮২ বলেছেন:
হুম.....।
ত্রিভুজ বলেছেন:
"ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের জন্মকালীন রাষ্ট্রীয় মূলনীতির একটি।"
এই তথ্যটি সঠিক নয়... জন্মকালীন সময় বলতে যদি মুক্তিযুদ্ধকে ধরেন তাহলে বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষতার কোন বিষয় জড়িত ছিলো না।
শয়তান হন্তারক ভাল বলেছেন। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা দেখবেন সব ধর্মের বিষয়েই উদার.. শুধুই ইসলামে তাদের এলার্জি। ইসলাম ফোবিয়া কতপ্রকার ও কি কি সেটা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের দেখলে টের পাওয়া যায়....
আরিফুর রহমান আরিফ বলেছেন:
@রাঙা মীয়া, আপনার রসজ্ঞান খুব প্রখর দেখছি (অথবা, উল্টোটা বোধ বুদ্ধি খুব কম) তা না হলে এই পোস্ট পড়ে হাসি পাচ্ছে। বরং সময় থাকতে কান্না কাটি করে নেত্রীকে আরেকটা শক খাওয়ার আগেই সাবধান করে দিন।
কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগন এটা চায় না। একটা দেশের জনগনই ঠিক করবে তারা কি চায়। যুক্তরাস্ট্র আর ভারত কি চাইলো সেটা বড় বিষয় নয়।


















