আমার প্রিয় পোস্ট
- সংসার জীবনের আশা-হতাশা, তারপরও গতির পথচলা......... - িফেরাজ খান
- রমযানের ঈদ বাজারে পোশাকের বলিউড ফ্যাশন! - রাজনীতি
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-৩ - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-১ - বিবর্তনবাদী
- হুদারা কেন বেহুদা হয় - শিবানী
- প্রথমআলো ও ডেইলিস্টার এহেন নারী নির্যাতনের কোন ছবি দেয়নি কেন কেউ বলতে পারেন? - িদদারুল আলম বাননা
- কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ২৮ অক্টোবর লাঠি বৈঠা নিয়ে এত মানুষ মারতে পারলেন .. - আহসান মোহাম্মদ ক
সেনাবাহিনী থেকে ইসলামি ভূত তাড়ানোর ‘সেকুলার প্লান’ -- ফরহাদ মজহার
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
বাংলাদেশের জনগণ ইসলামের দোষে দুষিত। খুবই বদ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল সিওভাক্কো এই দোষ থেকে বাংলাদেশকে কিভাবে মুক্ত করবেন তার একটি থিসিস দিয়েছেন। যেহেতু একজন মার্কিন সামরিক অফিসারের সঙ্গে মিলে এই থিসিস প্রণয়ন করা হয়েছে অতএব, আরো তথ্যবিচার করে আমরা আগের কিস্তিতে আশংকা প্রকাশ করেছি- এই থিসিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবার ‘পরিকল্পনা’ই বটে। - অর্থাৎ বাংলাদেশকে ইসলামমুক্ত দেশ হিশাবে কায়েম করা। হার্ভার্ড ইন্টারনেশনাল রিভিউ নামক পত্রিকায় ১৯ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে যৌথ ভাবে এই বিষয়ে লিখেছেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল সিওভাক্কো। এতে আমরা উপকৃত হয়েছি। কারণ বাংলাদেশে কী ঘটতে যাচ্ছে বা ঘটবে তার একটা আগাম সংকেত পেয়েছি আমরা।
ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট হিশাবে কার্ল সিওভাক্কো 6-52 Air Defense Artillery--র হেডকোয়াটার্স এবং হেডকোয়াটার্স ব্যাটারিতে এক্সিকিউটিভ অফিসার হিশাবে ইরাকে মার্কিন দখলদারি প্রতিষ্ঠার জন্য শুরম্নর পর্যায়ে যুদ্ধ করেছেন। মনে রাখা দরকার, সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে তার সঙ্গে আলকায়েদার যোগ আছে এবং তিনি গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্রের অধিকারী। অথচ পরবর্তীকালে মার্কিন তদন্তেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ দুটোই ছিল মিথ্যা প্রচারণা। সর্বৈব মিথ্যা। বাংলাদেশের বিরম্নদ্ধেও ঠিক একই ভাবে দুটো অভিযোগই উঠেছে। এক· বাংলাদেশ ইসলামি সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে এবং আগামি দিনে ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’ আওয়ামী লীগকে যদি ক্ষমতায় আনা না যায় তাহলে সেটা ভয়াবহ সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
দ্বিতীয় অভিযোগ, বাংলাদেশেও এখন (ইসলামি) সন্ত্রাসীরা শক্তিশালী বোমা তৈরি করতে সক্ষম। এই অভিযোগও তোলা হচ্ছে যে বাংলাদেশে আলকায়েদা সক্রিয় এবং ইতোমধ্যে রকেট লঞ্চার ও গ্রেনেডসহ সন্ত্রাসীরা ধরা পড়তে শুরু করেছে। এই অভিযোগ, পাঠকের মনে থাকা উচিত, নতুন নয়। দুই হাজার সালে বিল ক্লিনটন যখন বাংলাদেশ সফর করছিলেন তখনও এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগটাই তোলা হয়েছিল। তখন দাবি করা হয়েছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন যদি দূতাবাসের বাইরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোথাও যাবার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে তাঁর জন্য সেটা খুবই বিপজ্জনক হবে। কারণ আলকায়েদা রকেট লঞ্চার দিয়ে তাঁর হেলিকপ্টার ভূপাতিত করতে পারে। বিল ক্লিনটন মার্কিন দূতাবাসের বাইরে যাননি। তিনি বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাস থেকে বেরিয়ে সিধা ভারতে চলে যান। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত সম্পর্ককে আরো পরিণত করার ক্ষেত্রে তাঁর এই সফর খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট কার্ল জে সিওভাক্কো ইরাকে যখন যুদ্ধ করেছেন, তখনকার অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি লেখা লিখেছেন। সেই লেখায় তাঁর ইউনিটের বাগদাদে যাবার প্রথম চার দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। (দেখুন, http://www.airdefenseartillery.com/ online/September202008/6-52Convoy.htm
সেখানে তাঁর দায়িত্বের কথা বলতে গিয়ে লিখেছেনঃ
As the Headquarters Battery executive officer, I was charged with the details of the route, including building the convoy manifest and order, distributing equipment within the convoy, ensuring that all soldiers knew the route, and coordinating for re-supply. We began by distributing all pluggers (military and civilian Global Positioning Systems), night vision goggles, and SINGCARS radios throghout the convoy order, Waypoints were programmed and everyone learned the route.
হেডকোয়ার্টারের ব্যাটারি একসিকিউটিভ অফিসার হওয়ায় তাঁর ইউনিটকে বাগদাদের পথে নিয়ে যাবার পুরো দায়িত্ব ছিল সিওভাক্কোর। তিনিই কনভয়ের সকলকে মারণাস্ত্র বিতরণ করেন। সব সৈনিক ইরাকে যাবার রাস্তা চেনে কি না সেটাও সিওভাক্কোকে নিশ্চিত করতে হয়। কে কোথায় আছে কে কোন অবস্থায় যেন বোঝা যায় তার জন্য সামরিক ও বেসামরিক উভয় ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বিতরণ করেন তিনি। রাত্রে দেখবার জন্য বিশেষ ধরনের সামরিক গগলসও তিনিই বিতরণ করেন। ইত্যাদি। তাঁর সফরের কয়েকটি ছবিও আছে তাঁর লেখায়। মার্কিন ৬-৫২ এয়ারডিফেন্স আর্টিলারি ইরাকের নজফে তাদের দখলদারি পতাকা কিভাবে পুঁতে দিচ্ছে সেই ছবিটি এখানে পাঠকদের জন্য দিচ্ছি। সেই দিন হয়তো খুব দূরে নয়, যখন মার্কিন সৈন্যরা বাংলাদেশে ইসলামি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবার নামে এই ভাবেই বাংলাদেশের বুকে তাদের নীলকালো তারকাখচিত পতাকা পুঁতে দেবে। কুয়েতের ক্যাম্প ভার্জিনিয়া থেকে যাত্রা শুরম্ন করে ৬০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে সিওভাক্কোর ৬-৫২ এয়ারডিফেন্স আর্টিলারি ইউনিট কিভাবে প্যাট্রিয়ট ব্যাটারিগুলো বাগদাদে সাজিয়েছে, সেই ছবিটিও এখানে ছাপছি। পাঠক আশা করি কার্ল সিওভাক্কো সম্পর্কে খানিক ধারণা করতে পারছেন।
বলা বাহুল্য, কার্ল সিওভাক্কো একজন মার্কিন সেনা অফিসার। শুধু ইরাক নয়, তিনি সেনা অফিসার হিশাবে সৌদি আরব, পোল্যান্ড ও জার্মানিতেও কাজ করেছেন। সজীব ওয়াজেদ জয় আলকায়েদা বা উগ্রবাদী ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে সরব থাকতে পারেন। সন্ত্রাসের বিরম্নদ্ধে তাঁর অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত অবস্থান থাকতেই পারে। বাংলাদেশকে ভালোবাসেন এমন বহু নাগরিক আছেন যাঁরা কোন প্রকার উগ্রবাদ, সহিংসতা বা সন্ত্রাস বরদাশত করেন না। কিন্তু সিওভাক্কোর মতো একজন মার্কিন সেনা অফিসারের সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শুধু বন্ধুত্ব নয়, রীতিমতো আদর্শগত বন্ধুত্ব অবিশ্বাস্যই বলতে হবে। যদি আমরা মনে রাখি, তিনি জন্মসূত্রে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
কার্ল সিওভাক্কো শুধু মার্কিন সামরিক অফিসার নন, তিনি আলকায়েদার প্রচারণা পদ্ধতির ওপর একজন গবেষক। ওয়েস্ট পয়েন্টের কাউন্টার টেররিজম সেন্টার থেকে তাঁর প্রকাশিত থিসিস মার্কিন যুদ্ধ পরিকল্পনার সঙ্গেই সরাসরি সম্পৃক্ত। রণনীতি ও রণকৌশলের দিক থেকেই তিনি সেই গবেষণাটি করেছেন। যুদ্ধে সরাসরি জড়িত নয় সেই সব বেসামরিক মুনাষজনকে (On Combatant) যুদ্ধের বাইরে রাখার ড়্গেত্রে ১৯৯১ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে আলকায়েদার নীতির যে বিবর্তন ঘটেছে, সেই সম্পর্কে সিওভাক্কোর একটি লেখা পাঠক পড়তে পারেন- 'Small Wars Journal' নামে একটি পত্রিকায়। লেখাটির শিরোনামঃ The Erosion of Non-combatant Immunity within Al Qaeda।
আলকায়েদা কিভাবে প্রচারণা চালায় ও জনমত সৃষ্টি করে সেই সম্পর্কে গবেষণা বা সিওভাক্কো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অফিসার হিশাবে যুদ্ধে গিয়ে কিভাবে ইরাক দখল করেছেন ইত্যাদি আমাদের জন্য কোনই গুরুত্ব বহন করতো না, যদি আমরা বাংলাদেশে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে তার সঙ্গে যৌথভাবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের লেখাটি হাতে না পেতাম। বাংলাদেশ ইসলামি সন্ত্রাসীদের দখলে চলে যাচ্ছে বা চলে গিয়েছে ইতোমধ্যেই- একমাত্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেই ইসলাম মোকাবিলার পরিকল্পনা তারা হাজির করেছেন। সিওভাক্কোর সঙ্গে এই পরিকল্পনার মূল সুরটা সামরিক। এর টার্গেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী ইসলামপন্থীদের দখলে চলে যাচ্ছে বা গিয়েছে অতএব সোনাবাহিনীকে পুনর্গঠনের জন্য আওয়ামী লীগকে ড়্গমতায় আনা দরকার। এই থিসিস আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।
জয়-সিওভাক্কোর সেকুলার পস্নানটা কী? বাংলাদেশকে ইসলামের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে কী করতে হবে? কেন জয়-সিওভাক্কোর পরিকল্পনাকে বাংলাদেশকে ইসলামের হাত থেকে রক্ষা বলছি, শুধু ইসলামপন্থীদের কবল থেকে নয়? বাংলাদেশ ইসলামি আচার-আচরণে এতোই বিপদাপন্ন হয়ে পড়েছে যে জয়-সিওভাক্কো প্রশ্ন করছেন, Can the Awami League stop the growing tide of Islamism in a country that has seen the sale of burkas rise nearly 500 percent in the last five years? The answer is yes if it implements the following secular renewal plan
জয়-সিওভাক্কো উদ্বিগ্ন এ জন্য যে বাংলাদেশে গত পাঁচ বছরে বোরখা বিক্রি বেড়েছে ৫০০ গুণ। বোরখা বিক্রির এই বিচিত্র ও বিস্ময়কর হিশাব কোথায় কিভাবে পাওয়া গেল তার কোন হাদিস দেওয়া হয় নি। পাঠক কৌতুক বোধ করতে পারেন, কিন্তু বাংলাদেশে যে ‘ইসলামিজম’ বেড়েছে তার প্রমাণ হচ্ছে পাঁচ বছরে ৫০০ গুণ বোরখা বিক্রি বৃদ্ধি। খুবই উচ্চস্তরের গবেষণা!
জয়-সিওভাক্কো বলছেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা এনে বাংলাদেশে বোরখা বিক্রি বন্ধ করতে হবে। ইসলাম বুঝতে তারা বোরখা ছাড়া আর কিছু বুঝেছেন বলে এই লেখায় মনে হয়নি। বাকিটা সামরিকভাবে ইসলামপন্থীদের মোকাবিলার বয়ান। কিভাবে এই বোরখায় আচ্ছন্ন বাংলাদেশকে মুক্ত করা সম্ভব?
First, it must modernize the curriculum of the madrasses. Secound, It must build proper, secular elementary Schools and hospitals. Third, it should increase the recruitment of secular-minded students into the military from secular cadet academies. Fourth, it must attempt to rehabilitate known extremist clerics. Lastly, and perhaps the most abstract solution, it must push to vanquish Bangladeshi poverty and illiteracy that consistently ranks among the worst in the world. This plan would make the country less hospitable to a growing Islamist movement and help return Bangladesh to its secular roots.
একঃ মাদ্রাসা শিক্ষার পাঠ্যক্রম বদলাতে হবে। দুইঃ সঠিক ভাবে ধর্মনিরপেড়্গ প্রাথমিক স্কুল ও হাসপাতাল বানাতে হবে। (ধর্মনিরপেক্ষ ইস্কুল না হয় বোঝা গেল, ‘ধর্মনিরপেক্ষ হাসপাতাল’ কী জিনিস? এটা বুঝলাম না। বাংলাদেশে খ্রিষ্টধর্মে অনুপ্রাণিত বহু মানুষ হাসপাতাল চালাচ্ছেন, বিপুলসংখ্যায় বিদেশি সাহায্য আসছে খ্রিষ্টীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। তাহলে ‘সেকুলার’ হাসপাতালটা কী? তার মানে কি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম অনুসারীরা হাসপাতাল, স্কুল, সাহায্যসংস্থা বা সেবামূলক কাজ চালালে অসুবিধা নাই?) ‘ইসলাম’ নাম নিয়ে বা ইসলামের বরাতে কেউ যেন স্কুল-হাসপাতাল নামক কর্ম করতে না পারে আওয়ামী লীগকে জয়-সিওভাক্কো সেই প্রস্তাবই দিচ্ছেন।
জয়-সিওভাক্কো অবশ্য পরিষ্কার ভাবেই সৌদি আরব ও কুয়েতের টাকায় চলা স্কুল-মাদ্রাসার কথাও বলছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, যদি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ডিএফআইডি, কানাডিয়ান সিডাসহ সমস্ত পশ্চিমা দেশ থেকে বাংলাদেশ সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে অর্থ নিতে পারে, তাহলে সৌদি আরব, কুয়েত বা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কোন দেশ থেকে অর্থ এলে অপরাধ কোথায়? অসুবিধা কী? সবধরনের বিদেশি অর্থ বা সাহায্য বন্ধের একটা দাবি অবশ্যই করা যেতে পারে। যেমন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের পড়্গ থেকে বাংলাদেশকে নিজের পায়ে দাঁড়াবার কথা বলা হয়। যদি শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের কথাই ওঠে তখন ‘আধুনিক’ ও ‘মাদ্রাসা’ শিক্ষা উভয়কেই ঔপনিবেশিক, সাম্রাজ্যবাদী ও পরাশক্তির আধিপত্য থেকে মুক্তির কথাও বলা যায়। তা না বলে যদি শুধু মাদ্রাসাকেই টার্গেট করা হয় তখন বুঝতে হবে এটা মার্কিন যুদ্ধ পরিকল্পনার নীতি। যদি উভয়ের সংস্কারের কথা ওঠে- যেন স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অকুতোভয় নাগরিক হিশাবে আমরা তরুণদের গড়তে পারি- তখন শিড়্গাসংস্কারের একটা ইতিবাচক অর্থ দাঁড়ায়। পরাশক্তি মাদ্রাসাকে তাদের সামরিক পরিকল্পনায় বিশেষ ভাবে টার্গেট করে, কারণ তাদের ধারণা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বা পরাশক্তির আধিপত্যের বিরম্নদ্ধে প্রতিরোধের ড়্গেত্রে মাদ্রাসা ও মাদ্রাসা শিড়্গা গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতএব একে ধ্বংস করাকে তারা যেমন তাদের পররাষ্ট্রনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে, একই ভাবে তাদের যুদ্ধপরিকল্পনার মধ্যেও মাদ্রাসার ছাত্রদের বিশেষ ভাবে টার্গেট করে। এর বিপরীতে আধুনিক শিক্ষা গোলাম ও অপদার্থ ‘ডি-জুইস’ জেনারেশান পয়দা করে। এরা পরাশক্তির স্থানীয় বরকন্দাজের ভূমিকা রাখে। জয়-সিওভাক্কোর পরিকল্পনা এক দিকে তরম্নণদের এই গোলামির প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা এবং অন্য দিকে মাদ্রাসা শিক্ষার বিরম্নদ্ধে পরাশক্তির যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অধিক কিছু নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ইসরাইল, যুক্তরাজ্য বা ইউরোপের বিরম্নদ্ধে জয়-সিওভাক্কোর কোন বক্তব্য নাই, থিসিস হচ্ছে সৌদি আরব ও কুয়েত বা সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আমাদের দুষমন। এইসব দেশ থেকে টাকা ও অর্থ আসার কারণে বাংলাদেশে গত পাঁচ বছরে ৫০০ গুণ বেশি বোরখা বিক্রি হয়েছে এবং সেনাবাহিনীতে মাদ্রাসার ছেলেরা ঢুকে যাচ্ছে। অতএব ঠেকাও। আওয়ামী লীগকে আগামি নির্বাচনে জয়যুক্ত করে আনো। একমাত্র আওয়ামী লীগই বাংলাদেশে ইসলামের বারোটা বাজিয়ে দিতে সড়্গম। খুবই সুন্দর থিসিস।
জয়-সিওভাক্কোর থিসিসের প্রধান দিক হচ্ছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। এই কথা আগেও বলেছি। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে ইসলামপন্থীরা গেঁড়ে বসেছে- এই প্রচার বেশ কয়েক বছর ধরেই চলছে। ভারতের পত্রপত্রিকায় দেখেছি নাম ধরে ধরে সেনাকর্মকর্তাদের কারা কারা ইসলামি দলের সঙ্গে যুক্ত বা সদস্য তাদের বিরম্নদ্ধে প্রচারণা চলেছে। এইসব পত্রিকা পরিচিত বা বহুল পঠিত পত্রিকা নয়। কিন্তু এই প্রচারণাগুলো চালানো হয়েছে খুবই সফলতার সঙ্গে। তবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ যখন ‘নেগোসিয়েশানের’ জন্য দেখা করেছিলেন, তাকে বাস্তôব অবস্থাটা জিজ্ঞাসা করা কি দরকার ছিল না? যে সকল পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে সে সকল ঠিক বা বেঠিক সেটা কি তার কাছ থেকে জানার সুযোগ ছিল না? সেনাবাহিনীতে “অবিশ্বাস্য হারে ইসলামবাদীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার” ((the astronomical growth of Islamists in the military)) কাহিনী কোথায় পেলেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল সিওভাক্কো?
সেনাবাহিনীকে বিশেষ ভাবে টার্গেট করা ও আওয়ামী লীগকে জিতিয়ে নিয়ে এসে সেনাবাহিনী পুনর্গঠনের যে পরিষ্কার পরিকল্পনা বা আওয়ামী ’ংবপঁষধৎ ঢ়ষধহ’ আমরা জয়-সিওভাক্কোর থিসিসে পাচ্ছি তা কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা দেখবার জন্য এখন আমাদের আগামি নির্বাচন অবধি অপেক্ষা করতে হবে।
হাল্কা ও সহজ চালেই কথাগুলো বলছি। কিন্তু সেনাবাহিনীর পুনর্গঠন আগামি নির্বাচনের একটি ইস্যু- সন্দেহ নাই। পারবে কি আওয়ামী লীগ?
২৪ নভেম্বর ২০০৮। ১০ অগ্রহায়ণ ১৪১৫। শ্যামলী।
ইমেইলঃ
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ডালিয়া সাত্তার বলেছেন:
সেনাবাহিনীকে নিয়ে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র নতুন নয়।
লেখক বলেছেন: তবে, এবারের পরিকল্পনা অত্যন্ত ভয়াবহ ও প্রকাশ্য বলেই মনে হচ্ছে।
হা হা হা হা
লেখক বলেছেন: ফরহাদ মজহার টিপ্পনিটা ভালোই কেটেছেন।
আরিফুর রহমান আরিফ বলেছেন:
কেন যে আওয়ামী লীগ সব সময় ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যেতে চায়!
লেখক বলেছেন: দলটির নেত্রীর ধারণা দেশের মানুষ তাকে ভালো বাসে না।
েপচাইললা বলেছেন:
ফরহাদ ভাই অনবদ্য। তার সাথে ব্যাক্তিগত আলোচনাতেই আমি তার প্রতি মুগ্ধ। লেখনীর ধার তো কমবেশি সবাই জানে। ধন্যবাদ ভাল একটি বিষয়কে সামনে নিয়ে আসার জন্য। সবার দৃষ্টি আকর্ষণ জরুরী। সারা জীবন আমেরিকায় বড় হয়ে জয় (শেখ...!) এখন বাংলাদেশকে নিয়ে বড়ই চিন্তিত। শেখ মুজিব তার জন্য সাম্রাজ্য কিনে রেখেছেন আর কি!
গুষ্টি মারি এই রাজতান্ত্রিক ক্ষমতায়নের।
একজনের ছেলে শুয়ে নিয়েছে দেশে থেকেই আরেকজনের ছেলে স্বপ্ন দেখছে আমেরিকান শালাদের(আক্ষরিক অর্থেই, কেন তা সবাই জানেন)নিয়ে যেভাবেই হোক ক্ষমতার স্বপ্নে বিভোর।
আমরা কোথায় যাই!??
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ধীবর বলেছেন:
দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে ধবংস করার চক্রান্তের ভয়াবহ ফল একবার আওয়ামী লিগ পেয়েছিল। সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহন না করলে, আরো ভয়াবহ ফলাফলের মুখোমুখি হতে পারে তারা। আর মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের জনগণ, সব সময়ই সেনাবাহিনীকে আস্থায় রাখে। সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর সাথে জনগণও থাকবে।
লেখক বলেছেন: এবার দলটি উল্টো পথে এগোচ্ছে। বন্ধু সেজে সেনাবাহিনীকে বিভক্ত করতে চাচ্ছে।
উদার আকাশ বলেছেন:
আমাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ লেখাটা শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
সবুজ আরেফিন বলেছেন:
গুড পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
েছাটন বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
রাজাকারদের ভীড় দেখে চুপ মাইরা গেলাম।ফরহাইদ্যা আবার লেখক!!!একটা ধান্দাবাজ বললেও কম বলা হয়।
লেখক বলেছেন: ফরহাদ মজহারও রাজাকার হয়ে গেলেন?
অচেনা সৈকত বলেছেন:
main lekhata portasi.tarpor apnader mukhosh kholar babostha kortasi,kharan.....
লেখক বলেছেন: আপনার গবেষণামূলক লেখার জন্য অপেক্ষা করছি।
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।
কোডনেম ৪৭ বলেছেন:
@অচেনা সৈকত: আমি ও লেখাটি অনেকখানি পড়েছি।কিন্তু মুখোশ খোলার মতো এখনো কিছু পাইনি...তাই আপনার লেখার জন্য অপেক্ষা করছি....
পারলে একটু দ্রুত লেখাটা দিয়েন...
লেখক বলেছেন: আমিও অপেক্ষা করছি।
সেনা বাহিনীর যে সদস্য স্বাধীনতার পড়ে চাকুরীতে যোগদান করেছিল ৩৬/৩৭ বছরের মধ্যে সে নিশ্চয় অবসর নিয়েছে, আমার প্রশ্ন হলো একটা গুলি না ফুটিয়েও / একটা যুদ্ধ না করেও সেই বীর পুরুষ দেশের কি উপকার করলো? অথচ সে সারা মাসের রেশন তোলে ৩১৭ টাকায়। (একজন পুলিশও তাই)
তার চেয়ে একটা গার্মেন্টস কর্মী অনেক বেশী কাজ করে।
সেনা বাহিনীর পুনর্গঠন অবশ্যই প্রয়োজন।
আর কমরেড (না কি বেশী রেড) ফরহাদ মজহার বি এন পির পত্রিকায় কলম পেষা একজন বুদ্ধি ব্যবসায়ী তিনি তো জয় এর গুষ্টি উদ্ধার করবেনই।
লেখক বলেছেন: রুহুল্লাহ বলেছেন: 'সেনা বাহিনীর যে সদস্য স্বাধীনতার পড়ে চাকুরীতে যোগদান করেছিল ৩৬/৩৭ বছরের মধ্যে সে নিশ্চয় অবসর নিয়েছে, আমার প্রশ্ন হলো একটা গুলি না ফুটিয়েও / একটা যুদ্ধ না করেও সেই বীর পুরুষ দেশের কি উপকার করলো? অথচ সে সারা মাসের রেশন তোলে ৩১৭ টাকায়। '
আওয়ামী লীগের মনের কথাটাই বলেছেন। তার মানে কি তারা চায় না যে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী থাক?
সতেজ বলেছেন:
"কিন্তু সিওভাক্কোর মতো একজন মার্কিন সেনা অফিসারের সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শুধু বন্ধুত্ব নয়, রীতিমতো আদর্শগত বন্ধুত্ব অবিশ্বাস্যই বলতে হবে। যদি আমরা মনে রাখি, তিনি জন্মসূত্রে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্কিত।"বংগবন্ধুর হত্যাকান্ডে CIA জড়িত ছিল।
Click This Link
আর ৭১ এ আমেরিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করছিল এটা সবাই জানে।
লেখক বলেছেন: ক্ষমতায় যাবার জন্য জয় তার নানার হত্যাকারীদের ক্রীড়ানক হতে দ্বিধা করছেন না।
কসওয়ে বলেছেন:
সহমত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সতেজ বলেছেন:
@অচেনা সৈকত ভাই: জয়ের লেখাটাতে হ্য়ত গঠনমুলক কিছু আছে যেটা আমাদের মত আওয়ামী বিরোধী লোকদের নজরে পড়ছেনা। এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন বাআল মিডিয়া কিংবা বুদ্ধি ব্যবসায়ীর লেখা আর্টিকেল চোখে পড়ে নাই। আপনার লেখাটার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। একজন আওয়ামী লীগার ব্যাপারটা কি দ্রিষ্টিতে দেখেন জানার খুব আগ্রহ।লেখক বলেছেন: আমারও আগ্রহ রয়েছে।
তরঙ্গ বলেছেন:
ভেতো বলেছেন: "হ, ফরহাইদ্যা আবার লেখক!!!
সৈকত্যা আবার টিচার!!!
তেলাপোকা আবার পাখি!!!"
যেমন ঢিল, তেমন পাটকেল। আচ্ছা আওয়ামীলীগ সমর্থক হলেই কি এমন গোয়াড় হতে হয়? একজন শিক্ষকের এই মুখের ভাষার ধরণ?
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
ধীবর বলেছেন:
ঢালাও ভাবে রাজাকার বলে অপবাদ দেবার যোগ্যতা কি করে পেলেন @ অচেনা সৈকত? আপনার কি ধারণা জয়ের মত ছেলে ছোকরার (যে বাংলাদেশেই ছিল না, এমনকি বিয়েটাও করেছে বিদেশি, একবার ভারতীয় আরেকবার ফিরিঙ্গি) বিপক্ষ্যে কেউ কিছু লিখলেই সেটা রাজাকারি হয়ে যায়?আপনাদের মত শিক্ষকদের উচিত শিক্ষকতা ত্যাগ করা। নতুবা আমাদের ছাত্ররা আত্মমর্যাদাশিল হিসেবে বেড়ে উঠা শিখবে না।
রুহুল্লাহ, যদি পারেন তো ফারহাদ মাজহারের যুক্তি খন্ডন করুন। একে রাজাকার ওকে বি এন পির দালাল, এসব বলে নিজের দৈন্যতা আর কত ঢাকবেন?
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।
রাজর্ষী বলেছেন:
আমার কথা হল স্বাধীনতার পর ৩০ বছর ধরে ষড়যন্ত্র করে সেনাবাহীনির সহায়তায় আওয়ামীলিগকে ক্ষমতার বাইরে রেখে আপনারা বাংলদেশেকে কতদুর এগিয়ে নিসেন বলেন তো দেখি?লেখক বলেছেন: আমরা তো জানতাম জনগণ ভোট দিয়ে কাউকে ক্ষমতায় বসায়। জনগণ ভোট না দিলেও কি আওয়ামীলিগকে ক্ষমতায় থাকতে হবে?
অচেনা সৈকত বলেছেন:
হ,একজন শিক্ষকের এইরকমই মুখের ভাষার ধরণ।আপনেগো জন্য ঠিকই আছে।লেখাটা পইড়া লই।মতে না মিললে প্রতিবাদ করব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ভেতো@দোষটা বুয়েট কতৃপক্ষের।তেলাপোকা দেইখাও আমারে পাখির পাখনা লাগাইয়া পাখি কইয়া কইয়া ডাকতাছে।ধিক আপনেগো বুয়েট কতৃপক্ষরে।তেলাপোকারে পাখি ডাকে।ছি ছি।
ফরহাদ মজহার ভালো লেখক কিন্তু তার লেখায় অতি বামের গন্ধ পাওয়া যায় । আর অতি বাম ডানের কাছে চলে যায়।
খানিকক্ষণ আগে সুশান্তর একটা লেখা পড়লাম ।
সেনা শাসনে জঙ্গীবাদ একটি অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ দাবি করে সুশান্ত চমৎকার কিছু ক্লু দিয়েছেন।
ধারাবাহিকভাবে সেগুলো হচ্ছে :
এই জরুরী অবস্থার মধ্যেও বিমানবন্দর চত্ত্বরে লালনের ভাস্কর্য ভাঙ্গা। ধর্মের লেবাসধারী একদল উচ্ছৃংখল লোক এটা করেও ঠিকই পার পেয়ে গেছেন। তারপর মুফতি আমিনির প্রেস কনফারেন্সে দম্ভোক্তি- ক্ষমতায় গেলে দেশের সব ভাস্কর্য (তার ভাষায় মূর্তি) ভেঙ্গে ফেলা হবে। শিখা অনির্বাণ দেয়া হবে নিভিয়ে। দেশের সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার উপর সরাসরি এমন হুমকি দেয়ার পর এই বিশেষ মহলকে কিছুই বলা হয়নি।
লেখক এটাকে চিহ্তিত করেছেন এভাবে- যে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে জানানো হচ্ছে মৌলবাদের হুমকির কথা। সঙ্গে তিনি টেনেছেন আলীয়া মাদ্রাসার ছাত্র সেজে শিবির কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তান্ডবের কথা।
তবে আসন্ন নির্বাচনকে বানচাল করতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহের কথা তিনি বলেছেন।
১. কিছুদিন আগে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যে জেএমবি আবারও সংগঠিত হয়েছে এবং ব্যাপক একটি বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে।
২. ক'দিন আগে হরকাতুল জেহাদের নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করে রমনা বটমুল ও শেখ হাসিনার প্রাণনাশের জন্য গ্রেনেড হামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা জানিয়েছে সিআইডি।
৩. আজকের পত্রিকায় শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপ্রতূল বলে জানিয়েছে সরকার। খালেদা জিয়া এবঙ অন্যান্য ভিআইপি প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারের সুপারিশ করেছে তারা।
প্রসঙ্গতই সারা দেশে আ.লীগ ও বিএনপিকে প্রতিহত করে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার পোস্টার ছেড়েছে হরকাতুল জিহাদ।
শুধু সেনা সদস্যরা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে? সাধারণ মানুষ মুক্তি যোদ্ধারা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে না ?
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে মোল্লা কারা? তাদের ক্ষমতায় যাবার কি আদৌ কোন সম্ভাবনা আছে?
ফরহাদ মজহার ভালো লেখক কিন্তু তার লেখায় অতি বামের গন্ধ পাওয়া যায় । আর অতি বাম ডানের কাছে চলে যায়।
খানিকক্ষণ আগে সুশান্তর একটা লেখা পড়লাম ।
সেনা শাসনে জঙ্গীবাদ একটি অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ দাবি করে সুশান্ত চমৎকার কিছু ক্লু দিয়েছেন।
ধারাবাহিকভাবে সেগুলো হচ্ছে :
এই জরুরী অবস্থার মধ্যেও বিমানবন্দর চত্ত্বরে লালনের ভাস্কর্য ভাঙ্গা। ধর্মের লেবাসধারী একদল উচ্ছৃংখল লোক এটা করেও ঠিকই পার পেয়ে গেছেন। তারপর মুফতি আমিনির প্রেস কনফারেন্সে দম্ভোক্তি- ক্ষমতায় গেলে দেশের সব ভাস্কর্য (তার ভাষায় মূর্তি) ভেঙ্গে ফেলা হবে। শিখা অনির্বাণ দেয়া হবে নিভিয়ে। দেশের সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার উপর সরাসরি এমন হুমকি দেয়ার পর এই বিশেষ মহলকে কিছুই বলা হয়নি।
লেখক এটাকে চিহ্তিত করেছেন এভাবে- যে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে জানানো হচ্ছে মৌলবাদের হুমকির কথা। সঙ্গে তিনি টেনেছেন আলীয়া মাদ্রাসার ছাত্র সেজে শিবির কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তান্ডবের কথা।
তবে আসন্ন নির্বাচনকে বানচাল করতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহের কথা তিনি বলেছেন।
১. কিছুদিন আগে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যে জেএমবি আবারও সংগঠিত হয়েছে এবং ব্যাপক একটি বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে।
২. ক'দিন আগে হরকাতুল জেহাদের নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করে রমনা বটমুল ও শেখ হাসিনার প্রাণনাশের জন্য গ্রেনেড হামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা জানিয়েছে সিআইডি।
৩. আজকের পত্রিকায় শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপ্রতূল বলে জানিয়েছে সরকার। খালেদা জিয়া এবঙ অন্যান্য ভিআইপি প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারের সুপারিশ করেছে তারা।
প্রসঙ্গতই সারা দেশে আ.লীগ ও বিএনপিকে প্রতিহত করে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার পোস্টার ছেড়েছে হরকাতুল জিহাদ।
শুধু সেনা সদস্যরা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে? সাধারণ মানুষ মুক্তি যোদ্ধারা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে না ?
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটি আগেও করেছেন।
ফরহাদ মজহার ভালো লেখক কিন্তু তার লেখায় অতি বামের গন্ধ পাওয়া যায় । আর অতি বাম ডানের কাছে চলে যায়।
খানিকক্ষণ আগে সুশান্তর একটা লেখা পড়লাম ।
সেনা শাসনে জঙ্গীবাদ একটি অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ দাবি করে সুশান্ত চমৎকার কিছু ক্লু দিয়েছেন।
ধারাবাহিকভাবে সেগুলো হচ্ছে :
এই জরুরী অবস্থার মধ্যেও বিমানবন্দর চত্ত্বরে লালনের ভাস্কর্য ভাঙ্গা। ধর্মের লেবাসধারী একদল উচ্ছৃংখল লোক এটা করেও ঠিকই পার পেয়ে গেছেন। তারপর মুফতি আমিনির প্রেস কনফারেন্সে দম্ভোক্তি- ক্ষমতায় গেলে দেশের সব ভাস্কর্য (তার ভাষায় মূর্তি) ভেঙ্গে ফেলা হবে। শিখা অনির্বাণ দেয়া হবে নিভিয়ে। দেশের সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার উপর সরাসরি এমন হুমকি দেয়ার পর এই বিশেষ মহলকে কিছুই বলা হয়নি।
লেখক এটাকে চিহ্তিত করেছেন এভাবে- যে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে জানানো হচ্ছে মৌলবাদের হুমকির কথা। সঙ্গে তিনি টেনেছেন আলীয়া মাদ্রাসার ছাত্র সেজে শিবির কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তান্ডবের কথা।
তবে আসন্ন নির্বাচনকে বানচাল করতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহের কথা তিনি বলেছেন।
১. কিছুদিন আগে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যে জেএমবি আবারও সংগঠিত হয়েছে এবং ব্যাপক একটি বোমা হামলার পরিকল্পনা করছে।
২. ক'দিন আগে হরকাতুল জেহাদের নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করে রমনা বটমুল ও শেখ হাসিনার প্রাণনাশের জন্য গ্রেনেড হামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা জানিয়েছে সিআইডি।
৩. আজকের পত্রিকায় শেখ হাসিনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপ্রতূল বলে জানিয়েছে সরকার। খালেদা জিয়া এবঙ অন্যান্য ভিআইপি প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারের সুপারিশ করেছে তারা।
প্রসঙ্গতই সারা দেশে আ.লীগ ও বিএনপিকে প্রতিহত করে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠার পোস্টার ছেড়েছে হরকাতুল জিহাদ।
শুধু সেনা সদস্যরা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে? সাধারণ মানুষ মুক্তি যোদ্ধারা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে না ?
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটি আগেও করেছেন।
ধীবর বলেছেন:
না জেনে শুনে মন্তব্য করাটা আমার স্বভাব নয়। মোল্লারা কবে ক্ষমতায় ছিল বলুন দেখি? বাংলাদেশের মানুষকে জয় এবং তার মা জননি বহিঃবিশ্বে মৌলবাদি হেন তেন বলে অপবাদ দিলেন, আর আমরাও মোল্লাদের ভয়ে অস্থির হয়ে গেলাম। দুঃখিত, এমন কস্টকল্পিত জুজুর ভয়ে আমি ভীত নই। আমরা ধর্মভীরু, কিন্তু ধর্মান্ধ নই। আর হাসিনার নিরাপত্তাহীনতার কথা তো সেই ৮২ সাল থেকেই শুনছি। অবস্থা বেগতিক দেখলে চোখে জল নাকের জল এক করে তিনি নিরাপত্তার জুজু দেখিয়ে বেড়ান। যিনি "মরণপন্ন" অবস্থা দেখিয়ে, চিকিৎসার নামে বিদেশে গিয়ে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বেড়ান, তার কথাতে আস্থা রাখা সত্যি কঠিন।
হুজি, জেএমবি ইত্যাদি যাদের কথা বললেন, তাদের নেতৃবৃন্দকে বহু আগেই পরপারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সুওরাং তাদের ভুতকে ভয় পাবার কি আছে?
"শুধু সেনা সদস্যরা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে? সাধারণ মানুষ মুক্তি যোদ্ধারা কেন বীর শ্রেষ্ঠ হবে না ?"
অতি উত্তম প্রশ্ন এবং সহমত। কিন্তু এ ধরণের সিদ্ধান্ত আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তি নেতৃবৃন্দই নিয়েছিলেন। তাদের অনেকেই জীবিত এবং রাজনীতিতে সক্রিয়। তাদেরকেই প্রশ্নটা করা উচিত।
আমি ব্যাক্তিগত আক্রমনে বিশ্বাসি নই। রাজাকার অপবাদের কারণে অনেক অপ্রিয় কথা লিখতে হয়েছে। এতে আঘাত পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি।
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
জয়ের বিশ্লেষন ঠিক আছে।আর্মিতে নানা আবর্জনা ঢুকে গেছে এবং যাচ্ছে। গত দুই বছরের খেলায় এটা এখন সাধারন মানুষের কাছেও স্পষ্ট হয়ে গেছে যা আগে শুধু গুজব আকারে শোনা যেত। জয় তো এখন বলছে।
দেশের নীতিনির্ধারকরা যত তাড়াতাড়ি এটি অনুধাবন করে কার্যকরী ব্যবস্থা নিবেন ততই ভাল।
সেনাবাহিনী জামায়াত দুজনে দুজনা। দেখতে ভালই লাগে।
লেখক বলেছেন: সেনাবাহিনী সম্পর্কে আওয়ামী লীগের ধারণা আপনার মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে।
আকাশ সুনীল বলেছেন:
জয় এর বাংলাদেশ সম্বন্ধে কোন আইডিয়া নাই। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রান সে যে ধর্মের ই হোক না কেন । আর্মি ও এর বাইরে নয়। এখন জয় যদি চায়, বাংলাদেশের মানুষ বা আর্মি ধর্ম থেকে দুরে সরে যাক , এটা তার অজ্ঞতাই প্রমান করে। আর জংগীবাদ সবদেশেই আছে। জংগীবাদীদের বেশীর ভাগ ও মডার্ন এডুকেটেড। লাদেন বা আইমান আল জাওয়াহিরি এর উদাহরন। আর মার্কিনীরা তো আরো বড় সন্ত্রাসী।তবে জয় যে একটা বড় স্টুপিড তা প্রমান পাওয়া যায় এই লেখায়। আওয়ামীলীগ আর্মির সার্থের বিরুদ্ধে এরকম একটা আইডিয়া প্রচলিত আছে দেশে। আওয়ামীলীগ শরীর থেকে এই গন্ধ দুর করার জন্য আপ্রান চেস্টা চাল্লাচ্ছে । এবার ও অনেক প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাকে নমিনেশন দিয়েছে। কিন্তু জয়ের এই ধরনের লেখা গুলি সব আওয়ামী প্রচেস্টাকে ধুলিস্যাত করে দিবে।
লেখক বলেছেন: জয় কারজাই হতে চাচ্ছেন।
রাজর্ষী বলেছেন:
বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রান ঠিক আছে, কিন্তু একে পুঁজি করে যদি ধর্মীয় জংগী, আর তালেবানি আমদানির চেস্টা করা হয় তাহলে তাকে উৎপাটক করতে হবে।
লেখক বলেছেন: আমেরিকা এবং তাদের সহযোগীরাই কি জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করে নি?
ধীবর বলেছেন:
পুজি করার চেস্টা করা হলেও সেটা মাঠে মারা গেছে। শায়খ বাংলা ভাই গং এখন পরপারে।
লেখক বলেছেন: আমেরিকা এবং তাদের সহযোগীরাই কি জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করেছে।
একবাল হুসেন বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো। ফরহাদ ভাই ফারুক ওয়াসিফদের মতো ভন্ডামী না করে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই আছেন।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বিগব্যাং বলেছেন:
বাল ভাই বলেছেন, ভালো লাগলো। ফরহাদ ভাই ফারুক ওয়াসিফদের মতো ভন্ডামী না করে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই আছেন।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আবূসামীহা বলেছেন:
রাজর্ষী বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রান ঠিক আছে, কিন্তু একে পুঁজি করে যদি ধর্মীয় জংগী, আর তালেবানি আমদানির চেস্টা করা হয় তাহলে তাকে উৎপাটক করতে হবে।=========================
এই উৎপাটন কি বিদেশী দখলদারদের দিয়ে করতে হবে? নাকি আমরা তাদের করদরাজ্যে পরিণত হয়ে সুখে থাকব?
লেখক বলেছেন: জঙ্গীবাদ তো দখলদারিত্বের নতুন অস্ত্র।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
ভাল লেখা, ফরহাদ মজহারকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ম্যাকলাভিং বলেছেন:
তু ফরহাদ মজহার কমিউনিষ্ট হিসাব একুন জামাতের বন্ধু
লেখক বলেছেন: তাই নাকি?
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন:
ফরহাদ মজহারকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভূপর্যটক বলেছেন:
অচেনা সৈকত বলেছেন: হ,একজন শিক্ষকের এইরকমই মুখের ভাষার ধরণ।আপনেগো জন্য ঠিকই আছে।লেখাটা পইড়া লই। মতে না মিললে প্রতিবাদ করব।এর মানে হল, মতে না মিলার আগেই গালাগালি শুরু করেছেন। ধিক!
বুয়েটের একজন শিক্ষক হিসাবে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর অন্তত সুবিচার করুন! দেখা যাচ্ছে, বুয়েটে পড়ানোর মত শিক্ষিত হলেও মানুষের আক্কেলজ্ঞান নাও হতে পারে। খাসিলত সত্যিই এক সাংঘাতিক জিনিষ!
লেখক বলেছেন: শিক্ষকদের আরও সহনশীল হ্ওয়া প্রয়োজন।
রাজর্ষী বলেছেন:
আর এই ভুখন্ডে আমেরিকার সহযাগী ছিল পাকিস্তানী জান্তা, জামাত ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, বংগবন্ধু হত্যাকারীরা। যেমন আফগানিস্তানে তালিবানরা ছিলো তাদের সহযোগী আর ইরাকে সাদ্দাম হোসেন ছিলো তাদের দোসর। পরে দেখলাম যে তাদেরকে উৎক্ষাতের নামে আমেরিকা হামলা করলো।এখানেও তো তাই হচ্ছে দেখছি।
লেখক বলেছেন: এখন আমেরিকার সাথে ইন্ডিয়ার সম্পর্কটা চেপে যাচ্ছেন কেন?
রাজর্ষী বলেছেন:
আবূসামীহা @ ৭১ এর আগে করদ রাজ্য ছিলো কিন্তু এখন নয়। আমরা যে কোন মূল্য স্বাধীন থাকতে চাই, আর কিছু লোক মুসমানিত্বের দোহাই দিয়ে করদ থাকতে চাইসিলো।
লেখক বলেছেন: আমাদের স্বাধীনতাকে বিনষ্ট করার একটি পরিকল্পনা সম্পর্কে ফরহাদ মজহার এই নিবন্ধে লিখেছেন।
জাতিশ্বর বলেছেন:
"বিগব্যাং বলেছেন: বাল ভাই বলেছেন, ভালো লাগলো। ফরহাদ ভাই ফারুক ওয়াসিফদের মতো ভন্ডামী না করে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই আছেন। "
একন বাল ভাই যুতি ব্ললতেন পরহাদ ভাই আম্নেগো সাতে তাইক্কা কি কাম কর্তাচেন তাইলে বড়ই উফকার হৈত।এই বিষয় জুনাব আহসান মোহাম্মদ ক ছাহেবের এহছান কি?
লেখক বলেছেন: ফরহাদ মজহার কার সাথে আছেন, সে বিষয়ে আমার কোন ধারণা নেই। পত্র-পত্রিকায় তার লেখা পড়ি - এটুকুই।
নাম বিকৃত করার শিক্ষাটি নেত্রীর নিকট থেকে ভালোই পয়েছেন, মনে হচ্ছে।
ভূপর্যটক বলেছেন:
রুহুল্লাহ বলছেন, "আমার প্রশ্ন হলো একটা গুলি না ফুটিয়েও / একটা যুদ্ধ না করেও সেই বীর পুরুষ দেশের কি উপকার করলো?" - একটা দেশের সেনাবাহিনী বা গণপ্রতিরক্ষাবাহিনী সম্পর্কে আপনার ধারণা একদম নাদান পর্যায়ের। গুলি ফুটাতে পারলে বা একটা যুদ্ধ করতে পারলেই ওটা সেনাবাহিনী - এসব বাচ্চা মানুষের ধারণা। আপনাকে আমার পূর্ণবয়স্ক মানুষই মনে হয়েছিল, যদিও!
যাক সে কথা, বাচ্চা মানুষের বুঝার মত করেই একটা কথা বলি। সেনাবাহিনী আদার ব্যাপারির কাছে অনেক দূরের ব্যাপার, কাজেই সেনাবাহিনীকে উদাহরণে টানব না।
ধরা যাক, পাড়ার এক মস্তানের সাথে কোন এক কারণে আপনাকে টেবিলে বসতে হচ্ছে কোন একটা নিগোশিয়েশনের জন্য। এখন আপনার পকেটে যদি একটা পিস্তল থাকে তবে আপনার এক রকম অনুভব হবে না থাকলে আর এক রকম, ভেদা মার্কা। শুধু তাই না, এই পিস্তল আপনার গলার স্বর প্রয়োজনে উচু হবে না নিচু হবে, নিগোশিয়েশনে আপনার কোন প্রস্তাব থাকলে তা পেশ করার ঢং কেমন হবে - তা ঠিক করে দিবে, ঠিক করতে পারবেনও। কারণ, পিস্তল পকেটে থাকা লোকটার প্রস্তাব না মানলে লোকটা কি করতে পারে - প্রস্তাব ফিরিয়ে দেবার আগে টেবিলের অপর পাড়ের মস্তানকে তাও তখন ভাবতে হবে। চোখ বন্ধ করে পরিস্হিতিটা কল্পনায় দুমিনিট ভাবুন।
এখন দেখুন, ঐ পিস্তলের গুলি খরচ না করেই আপনি বল অনুভব করতে পারেন, কাজ সম্পন্ন বা আদায় করতে পারেন। একথাগুলো আবার সাধারণভাবে নিয়েন না, যেখানে বলের বা বলপ্রয়োগের একটা ভুমিকা আছে কেবল সেখানে সত্য, কাজের।
কাজেই পিস্তলের গুলি খরচ হয়েছে কিনা তা দিয়ে পিস্তলের দরকার আছে কি না এটা বুঝা যাবে না। ওভাবে বুঝলে তা বালকের বুঝ হবে।
আপনি যদি শান্তিবাদী হন তো মনে রাখুন, শান্তি কায়েম করতে চান তো অশান্তিকারীদের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ করার ক্ষমতা লাগবে। আবার যে সে ক্ষমতা নয়, যাকে বলে ওভার-পাওয়ার একদম সেই আক্ষরিক অর্থে। তবে ড্রয়িং রুমে বসে শান্তিবাদী আলোচনা করতে পারেন, কিছু যায় আসবে না তাতে।
যে কোন ধরণের (কমিউনিষ্ট, ইসলামি বা গণতন্ত্রী) রাষ্ট্রের সাথে একে প্রতিরক্ষার প্রশ্নটা অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পর্কিত। একটা বাদ দিয়ে আর একটার চিন্তা বালখিল্যতা। তবে ব্যারাক নয়, গণপ্রতিরক্ষা দিয়েই একমাত্র গরীব দেশে নিজেকে প্রতিরক্ষা করতে পারে, মাথা উঁচু করে বাঁচাবার উপায়। আবার ঘাবড়াবার কিছু নাই, অর্থনীতির সাইজ যত বড় হবে একাজে খরচ করার সামর্থ ও প্রয়োজন ততই বাড়বে। আশেপাশে তাকিয়ে মিলিয়ে দেখুন, কিছু ঠাহর করতে পারেন কিনা।
৩৮ বছর পার করে ফেলেছি আমরা - আর কি বালখিল্যতার সময় আছে! এখন পরিণত, পরিপক্ক হবার সময়। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এই বিষয়ে একটি সম্পূর্ণ পোস্ট হলে ভালো হয়।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ভূপর্যটক@বুয়েটের শিক্ষকগো সম্পর্কে আপ্নের ধারণা অতি উচ্চ বইলা মনে হইতাছে।নেহাৎ ঐখানে পড়াশুনা করছি বইলা মায়া হয় ভার্সিটিটার উপরে।নাইলে অনেক নিজের চোখে দেখা অনিয়মের কথা সবিস্তারে লেখতে পারতাম।আর হ, শিক্ষকতা আমার ছাইড়াই দেয়া উচিত।কারন,হাজার চেষ্টাইলেও ঐরকম শিক্ষক হইতে পারতাম না।হইতে চাইও না। আর একটা কথা, জয়ের উপরে আমার আশা-ভরসা আছে ব্যাপারটা এমন না।তবে, জামাত-শিবিরকে চিরজীবন ঘৃণা কইরা যাব।মুক্তিযুদ্ধ বইলা একটা ব্যাপার ইতিহাসে ঘটছিল এইটা ভুলি ক্যামনে? আর একটা কথা, শিক্ষাগত যোগ্যতা মানুষের স্বভাব বদলায় না, এটা মানি।আপনারাই কি সেটার প্রমাণ না?নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে পুঁজি করে লিখতে আসিনি এখানে।তাহলে অনেক আগেই বলতে পারতাম,২০০৫ এর প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকটা আমিই পেয়েছিলাম।আপনাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত থেকেই।
তরঙ্গ@বাংলা ভাষাটা আপনার চাইতে খারাপ জানি না।চাইলে শুদ্ধ বানানরীতি আপনাকেও শিখাতে পারি।শিখবেন?
ধীবর@ফরহাদ মজহারকে রাজাকার বলা হয় নি।বলা হয়েছে এখানে ভীড় করা ধান্দাবাজগুলোকে।আপনার রাজনৈতিক দূর্বলতা ইতোমধ্যে প্রকাশিত।কাজেই আপনার মতকে পাত্তা না দিলেও চলবে আমার।
লেখক বলেছেন: সমস্যাটা বুয়েট বা বিশেষ কোন প্রতিষ্ঠানের নয়। সমস্যা হচ্ছে আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া অসহনশীলতা। কেউ কাউকে সহ্য করতে পারছে না। মনে হচ্ছে, পারলে একেবারে শেষ করে দেবে। নেতা-নেত্রীরা এসব করছে ক্ষমতার জন্য। আমরা কেন করছি?
ভূপর্যটক বলেছেন:
বুয়েট শিক্ষকদের সম্পর্কে আমার কোন উচ্চ ধারণা নাই। থাকার কোন কারণও নাই, বরং কুয়ার ব্যাঙদের সম্পর্কে বহু খারাপ অভিজ্ঞতা আছে। তাই বলে, একেবারে নিচু ধারনাও নাই। কারণ, আমি বুঝি বাংলাদেশের মত পিছিয়ে থাকা দেশে প্রযুক্তিগতভাবে যতটুকু কাঠামো বা লোকবলের আমরা আজ যে সহজপ্রাপ্যতা দেখি, যারা বাংলাদেশকে অন্তত চালিয়ে রাখার মত ক্ষমতা রাখে - আজকের এজায়গায় পৌছানোর কষ্টকর দীর্ঘ পথগুলো আমি অনুভব করতে পারি, প্রাপ্য প্রশংসাও করতে জানি। একই সঙ্গে তাঁদের অক্ষমতা, অযোগ্যতা, সমস্যাগুলোকেও আমি চিহ্নিত করতে পারি।আপনি বুয়েটের শিক্ষক বলে আমার কোন উচ্চ ধারণা নাই। আমার সহপাঠি যাদের অনেকেই অধ্যাপক হয়ে গেছেন - এদের সম্পর্কেও আমার কোন আহামরি উচ্চ ধারণা নাই।
আমার লেখাটা আবার পড়ে দেখুন আমি কি বলেছি। কারও বুয়েটের শিক্ষক হতে গেলে তাকে কমপক্ষে ১৭ বছর পড়ালেখার পরিবেশের বড় হতে হয়েছে। এর উপর বাইরে পড়তে গেলে সঙ্গগুণে একাডেমিক জগৎটা কেমন সে সম্পর্কে একটা ধারণা হবার কথা। কারও কোন বক্তব্য সমালোচনা কীভাবে করতে হ্য়, কীভাবে ভাষা ব্যবহার করতে হয় (নইলে একই ভাষা ফিরে আপনার উপর ব্যবহৃত হবে, এবং তা হয়েছেও। ফলে নিজের সম্মান নিজেই নষ্ট করেছেন।) - এগুলো বিবেচনায় নিয়ে বলেছি, এতে আপনার মানসিক গঠনে এখনও একাডেমিক আক্কেল হওয়ার ছাপ পড়ল না। সত্যি বলতে কী কষ্ট পেয়েছি আরও যখন দেখলাম একদিকে বলছেন, main lekhata portasi.tarpor apnader mukhosh kholar babostha kortasi,kharan..... (তার মানে আপনি লেখাটা তখনও আপনার পড়া শেষ হয়নি, আবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন mukhosh kholar babostha kortasi,kharan ) আবার ইতোমধ্যেই ফরহাদ মজহারকে এই লেখার জন্য কোন কারণ উল্লেখ ছাড়াই ধান্দাবাজ বলে গালাগালি দিয়ে ফেলেছেন। তার মানে লেখাটা পড়া শেষ না করেই উত্তেজিত হয়ে গালাগালি দিয়ে ফেললেন। কেন? এই বয়সে একটা একাডেমিক মনের এই চটুল আবেগ কি সাজে?
আওয়ামী লীগ আপনার পছন্দের দল হতেই পারে। জয় বা কোন নেতা একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বসতেই পারে। আবার, অন্য কেউ যেটাকে ভুল বলছে সেটা ভুল কি না সেটা আপনার নিজের জন্য একটা নির্লপ্ত মনে যাচাই এর দরকার বলে মানবেন নিশ্চয়। এরপর সে যাচাইয়ে যদি ভুল মনে করেন তার মানে কিন্তু আপনি দল থেকে খারিজ হয়ে গেলেন না। আপনি তখনও আওয়ামী লীগারই থাকলেন। দল তো ধর্মে নাম লেখানো নয় যে দলের কোন অবস্হান পছন্দ না হলে বিরোধ করলে ধর্মচ্যূত হবেন। বরং বিরোধ করতে মন সায় না দেবার মানে আপনার ভিতরে একটা দলবাজ মন জন্ম নিচ্ছে। আপনার কাছে আপনার একটা ক্রিটিক্যাল মন আশা করা কী খুব অন্যায় হবে?
আবার আলোচনার প্রসঙ্গটা দেখুন, এটা দেশের ব্যাপার, শুধু দলের নয়। অন্যদিকে দেখুন, আলোচনা হচ্ছে জয়ের একটা লেখা নিয়ে। এখানে জামাত-শিবির কত খারাপ সেই কথা তুলে প্রসঙ্গ পাল্টাচ্ছেন কেন? এটাকে ধামাচাপা দেবার কি কোন প্রয়োজন আছে? মুক্তিযুদ্ধ বলে ইতিহাসের একটা ব্যাপার আপনাকে কেউ ভুলতে বলে নাই। বরং প্রসঙ্গটার মুখোমুখি হয়ে ভাল মন্দ বিচার করাটাই কী একটা একাডেমিক মনের কাজ না?
পুরা ব্যাপারটাতে মনে হয়েছে, আপনি এখনও বুয়েটের পরীক্ষা পিছানোর আন্দোলনের একজন ছাত্রই আছেন, বড় হননি। আমার লেখায় আপনাকে আঘাত করা আমার কোন উদ্দেশ্য নাই। এখনও অনেক কিছু আশা করি আপনার কাছে।
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। তবে 'কুয়ার ব্যাঙ' শব্দ ব্যবহার ঠিক হয় নি।
ভূপর্যটক বলেছেন:
কুয়ার ব্যাঙ শব্দটা ব্যবহার করে স্বস্তি পেয়েছি বলা যাবে না। ব্যবহার না করতে পারলে ভাল লাগত, হাজার হলেও আমার শিক্ষক। কিন্তু আসলেই তাঁরা কুয়ার ব্যাঙ। এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে উত্তাল আন্দোলনের দিনগুলোতে বহুবার বাহাস করতে হয়েছে, বহিস্কারের হুমকি মোকাবোলা করতে হয়েছে। আমাদেরকে শেখানোর চেষ্টা হতো ইনজিনিয়ারের সামাজিক ভুমিকা প্রযুক্তিগতভাবে হুকুম তামিল করা, সিদ্ধান্ত নেবার মালিক সরকারের, যারা দেশ চালাবে তাদের। অথচ আজকের পরিণতি দেখুন, তামিম সাহেবকে দেখি পরাশক্তির পা চাটতেছে। মনটা কুয়ার ব্যাঙ করে রাখলে এই পরিণতি ঠেকায় কে?
লেখক বলেছেন: পা চাটার বিষয়টি শুধু ইঞ্জিনিয়ার বা বুয়েটের শিক্ষকদের বলাটা ঠিক নয়। শক্তিশালী মূল্যোবোধ, জাত্যাভিমান ও আত্মসম্মান না থাকায় আমাদের এলিট শ্রেণী সহজেই আত্মবিক্রি করেন। সমস্যাটি ব্যাপক জনগণের, কোন বিশেষ প্রতিষ্ঠান বা পেশার নয়।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
কুয়ার ব্যাঙরে কি কুয়ার ব্যাঙ বলা ঠিক নয় কেনো?লেখক মনে হয় সদুপদেশ টা ভোলেন নি- ''কানাকে কানা এবং খোড়াকে খোড়া বলিও না। তাহাতে তারা কষ্ট পাইবে''।
লেখক বলেছেন: কানাকে কানা বা খোড়াকে খোড়া বলার মধ্যে তেমন কোন মহত্ব নেই। অপরদিকে কোন চক্ষুষ্মান ব্যাক্তিকে কানা বলাটা আতি গর্হিত। ফলে অপরকে নীচু করতে না চেয়ে সম্মান করাটা কি ভালো নয়?
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন:
এখানে আলোচনাটা অযথাই আক্রোশ, বালখিল্যতা আর দলবাজিতার কারণে যথাযথ ফোকাসে যেতে পারছে না। সবাইকে অনুরোধ, জাতীয় নিরাপত্তার মতো অতিশয় সংবেদনশীল একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়ে সংযম ও দায়িত্বশীলতার সাথে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আমরা যেন একে অপরকে বুঝাতে চেষ্টা করি।ফরহাদ মজহারের এই লেখাটির পয়লা কিস্তি পড়ে আমিও অনেকের মতো জয়-সিওভাক্কির আদত লেখাটি খুঁজেপেতে পড়ার চেষ্টা চালাই। ঘটনাটি নিজে আগে বুঝার চেষ্টা করি।
লেখাটি পড়লে অনেকের কাছেই হয়তো অতটা আহামরি গোছের মনে হবে না। কারণ মোটাদাগে ওই-লেখায় বলা অভিযোগগুলো আমাদের মিড়িয়ায়ও কমবেশি পরিচিত, তথ্য হিসেবে নতুনের মধ্যে সেনাবাহীনির মধ্যে মাদ্রাসা ছাত্রের প্রসঙ্গটা ছাড়া।
আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে আগে থেকে থাকলেও, মূলত ২০০১-এ নির্বাচনে জোট-সরকার ক্ষমতায় আসার পর একে মোকাবেলার জন্য আরেকটি জোটবদ্ধ শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগ, বাম ও সেকুলার ধারা বলে পরিচিত দলগুলো নিয়ে পাল্টা ১৪দলীয় জোট গঠন করে। এই ঘটনাটা যদি নিছক বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিক মেরুকরণের ফলাফল দ্বারা পরিচালিত হতো বা আরো পস্ট করে বল্লে, এর সাথে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির গুরত্বপূর্ণ মোড়-বদলের প্রতিক্রিয়ায় গৃহিত নীতির সাথে মেলবন্ধন না ঘটত; অভ্যন্তরীণভাবে ঘটাবার সক্রিয় চেষ্টা করা না হতো তা হলে হয়তো এরূপ নিয়ে আজকের ''সেকুলার প্লান'' আত্মপ্রকাশ করতো না। স্মরণ রাখতে হবে ৯/১১, মার্কিন তথা পরাশক্তিজোটের শত্রু-মিত্র, বিদেশনীতি, টার্গেট ও যুদ্ধ কৌশল একেবারে নতুন করে সাজাতে বাধ্য করে। এর ধারাবাহিকতায় আমাদের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ভাগ্যও নির্ধারিত হয়ে যায়। এই যুদ্ধের অন্যতম টার্গেটে আমার পরিণত হই, চাই বা না চাই-- দোষ থাকুক বা না থাকুক।
বাংলাদেশের বেলায় গৃহীতি পররাষ্ট্রনীতি (সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের আওতায়) ঠিকঠাক করে বাস্তবায়নের কালপর্বে প্রবেশ করতে করতে ২০০৩ সাল শুরু হয়ে যায়। এর আগেই যেহেতু স্থানীয় রাজনীতিক শক্তির মেরুকরণে অলরেড়ি ইসলামিক নামধারি শক্তিগুলো বিএনপির সাথে গাটছাড়া বেধেঁ ফেলেছে, ফলে স্বভাবত এই ''অক্ষশক্তি'' মার্কিনদের জন্য আশু বিপদ ও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মোটা দাগে থিসিসটা ছিলো এতে বাংলাদেশে এইসলামিক রাজনীতির প্রাধান্য ও শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে হুমকি স্বরূপ (আলকায়েদার মতো) দলগুলো এখানে নিজেদের জায়গা করে নিবে। সবচেয়ে বিপদের দিক হলো এর মধ্যে আফগানিস্তান ও ইরাকে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে সমাজিকভাবে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ''মিলিট্যান্ট ইসলামিক ফোর্স'' এর উন্খান ঘটতে পারে। ফলে ক্ষমতাসীন রাজনীতিক দলগুলাকে এদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে দমনের জন্য ব্যবহারের প্রয়োজনীয় বাস্তব আবস্থা নাই। এটা ছিলো মূল মার্কিন থিসিস বা তাদের বাংলাদেশ পারসেপসান্স। এখানে আমি ভারত-ইসরায়েলের তারো আগে থেকেই গৃহীত নীতি ও কৌশলের দিকটিতে যাচ্ছি না।
তো, এই দিকটা মাথায় রেখে যারা টেররিজম গবেষণা বা প্রচার প্রপাগান্ডার ধরণ-ধারণগুলো বুঝতে চান তাদের জন্য হাডসন ইন্সটিটিউটের জার্নাল কাজে লাগবে। আরো অনেক আছে, এখানে বিশেষ করে নাম নিলাম, কারণ বাংলাদেশের অন্তত দুইজনের লেখা এতে পাওয়া যাবে। এক. ইমতিয়াজ আহমেদ ও দুই. আমেনা মোহসিন। সেই তখন থেকেই মার্কিন পারসেপসান্সের আলোকে সেখানে লেখালেখি হাজির আছে। এই ধারার সাম্পতিক উদাহরণ আলী রিয়াজের গতবছর বের হওয়া বইটি। তো, অ্যাকাডেমিক আর মিড়িয়ার মাধ্যমে যে জিনিষটা প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করার আয়োজন চলছিলো, তার সাথে প্রায়োগিকভাবে অর্থাৎ রাজনীতি ও রাষ্ট্রক্ষমতার পুনর্গঠনেরও কর্মসূচি এগিয়েছে সমান তালে (১/১১ যার চুড়ান্ত পরীক্ষা)। এখানেই স্থানীয় রাজনীতির সাথে আন্তর্জাতিক সমীকরণের সম্পর্ক; জায়মান অভ্যন্তরীণ বিরোধের সাথে কিভাবে পরাশক্তির যুদ্ধের মিত্র অনুসন্ধানের মওকা মিলে তার নজির।
ঠিক এখানেই আ. লীগ জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ''সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে'' যুদ্ধের স্থানীয় অংশীদার না হয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি চর্চা করতে পারে নি। বরং নিজেকে আগবাড়িয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র প্রমাণের চেষ্টায় উদগ্রীব থেকেছে। এটাকেই জোট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন আর সরকারে যাওয়ার, এমনকি জাতীয় সরকার নামক ভাগাভাগির পার্ট (সামরিক ও সুশীল মিত্রদের সাথে) হতেও আপত্তি রাখেনি। এখন চলছে তার শেষ পর্ব। এপর্বে মার্কিন সামরিক নীতিনির্ধারকদের আশ্বস্ত করার মতো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও রোড়ম্যাপ ঘোষণা করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। শুধু রাজনীতিক সমঝোতা নয়, সরাসরি ওয়ার স্ট্রাটেজি দিয়েও। তাই এটা আর কোনোভাবে পলিটিকাল সাপোর্টের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নাই। একেবারে মিলিটারি মিনস। একারণেই ভয়াবহ, শুধু আওয়ামী জোটের অবস্থান বা জয়ের মারফতে ঘোষিত হয়েছে বলেই নয়।
এখন নাগরিক হিসেবে আমরা দেখতে চাই এর বাইরে চারদল বা বিএনপির আবস্থান কি? তারা কি আদৌ আমাদের বাচানোর কোনো দায় বোধ করে কিনা, অন্তত এ যুদ্ধের পার্টনার না হয়ে।
আমাদের দিক থেকে আবস্থানটি হওয়া উচিত ধর্মের প্রশ্ন, রাজনীতি ও রাষ্ট্র ইত্যাদিকে আমরা কিভাবে এই যুদ্ধ থেকে আলাদা রেখে আমাদের স্বার্থে বোঝাপড়া করতে পারি সেই পথ অন্বেষণ করা।
লেখক বলেছেন: খুবই সুন্দর বিশ্লেষণ। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সেনা / পুলিশ ৩১৭ টাকায় সারা মাসের খাবার পায় বলে আমাদের সেনাবাহিনী ধ্বংস করতে হবে, এই ধারণা খুবই বিপদজনক। আপনার লেখার ধরণ দেখে মনে হচ্ছে না আপনি বাংলাদেশী।
সাফ্ওয়ান বলেছেন:
ফরহাদ ছাগুর লেখা পুরোপুরি জামাত ঘেঁষা। 'পরাশক্তি মাদ্রাসা' যখন বলে.. তখনি্ বোঝা যায় ছাগুটার দৌড়... খিক খিক খিক!
লেখক বলেছেন: গালি গালাজ করে ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
আরিফুর রহমান আরিফ বলেছেন:
@রুহুল্লাহ, আপনার মন্তব্যটা বড়ই শিশুসুলভ। কোন যুক্তি না দেখাতে পেরে সবকিছু গুলিয়ে পেচিয়ে ফেলেছেন।
লেখক বলেছেন: সহমত
আরিফুর রহমান আরিফ বলেছেন:
@ সাফ্ওয়ান, ফরহাদ মজহারকে গালি দিয়ে নিজের নীচুতা ভালো করেই প্রকাশ করলেন।
লেখক বলেছেন: সহমত
সাফ্ওয়ান বলেছেন:
কেন? ছাগুকে ছাগু বললে 'নীচতা' কিভাবে প্রকাশ পায়? আ.র.আ.?
হায়দার কািরগর বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ ।কিছু চিত্র এখন আমাদের সামনে পরিস্কার । এত দিন আমাদের তথাকথিত প্রগতিশীলরা নিজেদের একটা নিপেক্ষতার মোড়কে আত্নপ্রচার করছিল।
আজ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অনেকেই আওয়ামিলীগের সাথে মিটিং করে সেই মোড়ক উম্মোচিত হল ।
ফরহাদ ভাই এই লেখার মাধ্যমে তাদেরো মুখোসে হাত দিয়েছেন।
আমরা সঙ্গে আছি।
একবাল হুসেন বলেছেন:
আপনাদের পুরো আলোচনাই খুব হাস্যকর।
লেখক বলেছেন: আপনি খুব সহজেই হাসতে পারেন দেখা যাচ্ছে।
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
রাজাকারদের ভীড় দেখে চুপ মাইরা গেলাম।ফরহাইদ্যা আবার লেখক!!!একটা ধান্দাবাজ বললেও কম বলা হয়।
লেখক বলেছেন: ভিন্নমতালবম্বীদের প্রতি আপনাদের এই আচরণই আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণকে বীতশ্রদ্ধ করে তুলেছে। সকলকে হেয় করা, গালি গালাজ করা ও তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার মাধ্যমে আপনারা দিন দিন গণবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছেন।
শিট সুজি বলেছেন:
পকেটে পিস্তল রাখার জন্য সেনাবাহিনীর পেছনে এত বিশাল খরচ বহনের সামর্থ কি বাংলাদেশের জনগনের আছে?:
আরিফুর রহমান বলেছেন:
এ্কারনেই কি আজ এতো অশান্তি?
জলপাই দেশি বলেছেন:
ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ কবি ফরহাদ মজহারের লেখা শেয়ার করার জন্য। বাংলাদেশে এ রকম আরো কয়েকজন ফরহাদ মজহার দরকার।
মাজেদুল হক বলেছেন:
খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা খুব চিন্তার কথা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














