প্রথম আলোর গোলটেবিল বৈঠকে অনেকেই অনেক কথা বলেছে। কেউ কেউ ভাসা ভাসা কিছু কথা বলেই শেষ। অনেকেই বেশ ভালো কথা বলেছেন। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে আব্দুন নূর তুষারের বক্তব্য। ছোট একটা বিষয় অনেক অসাধারণ বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। উনি বলেছেন বখাটেদের প্রায় সবার মোটর সাইকেল আছে। একটা মোটর সাইকেলের দাম দের লাখ টাকা। এই টাকা একজন বখাটে কোথায় পায়? এই প্রশ্নের উত্তরের মাঝে অনেক সমস্যার সমাধান লুকায়িত। মোটর সাইকেল যারা ব্যবহার করে তাদের হেলমেট পরতে বাধ্য করা, লাইসেন্স চেক করা ইত্যাদি আপাত তুচ্ছ বিষয় আসলে তুচ্ছ না। আমি উনার কথা ঠিক হুবহু উদ্ধৃত করলাম না। তবে উনার মূল কথা এরকমই।
আমি উনার কথার সাথে সম্পূর্ণ একমত। ইভ টিজিং এর হাজারটা কারণ আছে। এটা প্রতিরোধ করার জন্যও আমাদের সকলরকম পথে অসংখ্য উপায় অনুসন্ধান করতে হবে। তার মধ্যে এই ব্যাপারটা কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে কী বিশাল লোকসমাগম হয় তা যারা গেছেন তারাই বুঝতে পারবেন। এখানে আমি কোনদিন ইভ টিজিং এর কথা শুনিনি । অথচ এখানে যারা আসেন তাদের অর্ধেকই তরুণী মহিলা। কারণ এখানে আছে প্রশাসনের সার্বিক নজরদারি। মাঝে মাঝে এখানে মোটরসাইকেল নিয়ে এসে 'ভুংভাং' করার হার বেড়ে যেত। তখনই দেখতাম পুলিশ ফাঁড়ির কাছে চেকপোস্ট বসিয়ে লাইসেন্স চেক করা হচ্ছে। ব্যাস সব কিছু আন্ডার কন্ট্রোল। আর সন্ধার পর অবশ্যই পার্ক ত্যাগ করতে হবে। সন্ধার পর মেয়েদের পার্কে থাকার বেসিক্যালি আমি কোন যুক্তি পাই না। হ্যাঁ আপনি হয়ত বলবেন এতে মেয়েদের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে। কিন্তু যেখানে জীবন মরণের প্রশ্ন সেখানে গণতান্ত্রিক অধিকারের মূল্য কতটুকু বলুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

