وَإِمَّا تُعْرِضَنَّ عَنْهُمُ ابْتِغَاء رَحْمَةٍ مِّن رَّبِّكَ
تَرْجُوهَا فَقُل لَّهُمْ قَوْلاً مَّيْسُورًا
এবং তোমার পালনকর্তার করুণার প্রত্যাশায় অপেক্ষামান থাকাকালে যদি কোন সময় তাদেরকে বিমুখ করতে হয়, তখন তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বল।
ব্যাখ্যা--
এই আয়াতে রসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ও তাঁর মাধ্যমে সমগ্র উম্মতকে অভুতপূর্ব নৈতিক চরিত্র শিক্ষা দেয়া হয়েছে যে, কোন সময় যদি অভাবগ্রস্ত লোকেরা সওয়ার করে বা সাহায্য চায় এবং আপনার কাছে দেয়ার মত কিছু না থাকার দরুন আপনি তাদের তরফ থেকে মুখ ফিরাতে বাধ্য হন, হবে এ মুখ ফিরানো আত্মম্ভরিতাযুক্ত অথবা প্রতিপক্ষের জন্যে অপমানজনক না হওয়া উচিত; বরং তা অপারগতা ও অক্ষমতা প্রকাশ সহকারে হওয়া কর্তব্য।
এ আয়াতের শানে-নুযুল সম্পর্কে ইবনে জায়েদ বর্ণনা করেন যে, কিছু সংখ্যাক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর কাছে অর্থ কড়ি চাইত। তিনি জানতেন যে, এদেরকে অর্থকড়ি দিলে তা দুষ্কর্মে ব্যয় করবে। তাই তিনি এদেরকে কিছু দিতে অস্বীকার করতেন এবং এটা ছিল তাদেরকে দুর্ষ্কম থেকে বিরত রাখার একটি উপায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আলোচ্য আয়াতটি নাযিল হয়।
কোন কারণে যদি কাউকে সাহায্য করা সম্ভব না হয়, আমরা যেন সম্মানের সাথে অপারগতা ও অক্ষমতা প্রকাশ করি।
আমরা যেন ভিক্ষুক বা সাহায্য প্রার্থীকে ধমক না দেই।
খুবই নম্র ও বিনয়ের সাথে অপারগতা প্রকাশ করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

