আমার প্রিয় পোস্ট

www.choturmatrik.com/blogs/আকাশ-অম্বর

হাস্য উৎপত্তি

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0





নিঃশব্দে হাত তুললো আদি-মানব। সন্ধ্যাকালীন সূর্যের প্রতিফলিত আলোয় আলোকোজ্জ্বল সেই লোমশ বলিষ্ঠ হাতখানি আচমকা থেমে যাওয়ার আদেশ দিচ্ছে তার পিছু পিছু সন্তর্পণে অগ্রসরমান দলটিকে। তীক্ষ্ণ নীরব উত্তেজনা। জবুথুবু হয়ে থাকা ভীত-সন্ত্রস্ত ও বিভ্রান্ত অন্য সদস্যরা টের না পেলেও একটু দূরের ঐ কাঁটা-ঝোপের মৃদু কম্পন আদি-মানবের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ চোখকে ফাঁকি দিতে পারেনি। শ্বাপদসংকুল এই গিরিপথ দিয়ে এই নিয়ে কতবারই না পার করেছে সে নিজ-গোত্রের ভাগ্যবান কতজনকে! নিয়ে গেছে ঐ আকাঙ্ক্ষিত স্বর্গরাজ্যে যেখানে নাকি দাউদাউ করে জ্বলে এক শক্তিমান্‌ সত্ত্বা! শুকনো পাতা-কাষ্ঠ ছুড়ে দিলে নাকি আরও বেড়ে উঠে আয়তনে! হয়ে উঠে লেলিহান। কি উত্তাপ ওখানে! কি পরম শান্তি! ফিরে এসে কতই না গল্প শুনিয়েছে সে অন্যদের। ওদের চক্‌চকে চোখে জ্বালিয়েছে ঐ শক্তির প্রতিরূপ। জাগিয়ে তুলেছে উদগ্র আকাঙ্ক্ষা। উদ্বুদ্ধ করেছে এই অভিপ্রয়াণের প্রয়াস। সে জানে, বেঁচে থাকার জন্য এর বিকল্প নেই। সে বুঝে গেছে, জীবনে উত্তাপের সন্ধান করতে হয়। শীতল অবস্থায় বাঁচা যায় না।

এবার বাতাসে বিপদের ঘ্রাণ স্পষ্ট। কাঁটা-ঝোপের মৃদু কম্পনও আর অস্পষ্ট নয়। হালকা দীর্ঘশ্বাস ফেললো আদি-মানব! আজও কি সে একাই বেঁচে ফিরবে? সবাই তো আর ভাগ্যবান হয় না! আশার আলো দেখিয়ে আর কতজনকে সে ঐ আরাধ্য লেলিহান শক্তির খোরাক বানাবে? না, এবার সেটা হতে দেয়া যায় না। পোড় খাওয়া কঠিন মুখে সঞ্চিত শীতল বিন্দু-বিন্দু ঘাম মুছে সে পাশেই পরে থাকা বেশ বড় এক পাথরের চাকতি তুলে নেয়, আর আঘাতদানের ভয় প্রদর্শনের অভিপ্রায়ে মুখবিকৃতি করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে অজানা লক্ষ্যবস্তুর দিকে।

ঠিক এই সময়েই। হ্যাঁ, ঠিক এই সময়েই হঠাৎ ঝোপের ভেতর থেকে আকস্মিকভাবে দৃশ্যমান হলো এক নিরীহ কিশোর! সন্ধ্যালগ্নের এই হিম্‌হিম্‌ শীতলতা, নাকি ভীত-উত্তেজনায় মৃদু কাঁপছে সে? ছোট্ট হাতে ধরে রাখা ছোট্ট এক পাথরের হুমকি সত্ত্বেও শান্ত-সৌম্য সেই অবয়ব দেখে হকচকিয়ে উঠে আদি-মানব। আরে! এ তো কোন বিপদ নয়! এ তো সেই, যাকে এই অভিপ্রয়াণে অন্তর্ভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো সে। এ যে বন্ধু, এ যে সখা, এ যে মিত্র! ঠিক এই মুহূর্তে, ঠিক এই উপলদ্ধির ফলে, তার শক্ত-কঠিন ভীতিকর মুখাকৃতির সেই ছায়া মাঝপথেই থেমে গেলো। মিত্রকে স্বীকৃতি জানাতে তার কঠিন মুখ-পেশীগুলো হয়ে গেলো কিঞ্চিত শিথিল। আর সবিস্ময়ে হতবাক সেই আগন্তুক কিশোর এই প্রথমবারের মতন দেখলো এক অস্বাভাবিক দৃশ্য। তার চিরচেনা দীর্ঘকায় বলিষ্ঠ এই দলনেতার মুখে এ কেমন অভিব্যক্তি!




হ্যাঁ, ধারণা করা হচ্ছে যে লক্ষ লক্ষ বছর আগের এইরকম কোন এক দৃশ্যপটেই হয়তো জগত-সংসার দেখেছিলো অবিস্মরণীয় এই মৃদুহাসি (smile), এবং ক্রমান্বয়ে রূপান্তরিত উচ্চহাসি/অট্টহাসি (laughter)! তাই কোন এক সম্ভাব্য বিপদজনক অস্বাভাবিকতা (potentially dangerous anomaly) থেকে উদ্ভূত প্রত্যাশার আকস্মিক লঘুকরণই (deflation of expectation) মানব-প্রকৃতিতে ‘হাসি’ নামক এক অদ্ভুত আচরণের উৎপত্তি ঘটিয়েছে – এটা মোটামুটিভাবে বলা যায় কি? দেখা যাক, মনুষ্য-আহৃত-জ্ঞান কি বলছে।




রামগরুড়ের ছানা/হাসতে তাদের মানা,
হাসির কথা শুনলে বলে,
“হাসব না-না, না-না!”

হাসি। যে সমস্ত চারিত্রিক বৈশিষ্টাবলী আমাদের সত্যিকার অর্থেই ‘মানুষ’ হিসেবে স্বতন্ত্র করে তোলে, তাদের মধ্যে এই অদ্ভুত শাব্দিক বিস্ফোরণের অভিব্যক্তিটিই বোধকরি সর্বাপেক্ষা বিভ্রান্তিকর এবং হেঁয়ালীপূর্ণ। হ্যাঁ, এই প্রকারের অভিব্যক্তি প্রকাশ পায় বিভিন্নপ্রকারের ঠাট্টা, তামাশা, রসিকতা, হাস্যরস, রসবোধ এমনকি শারীরিকভাবে স্পর্শ করার (সুড়সুড়ি, কাতুকুতু ইত্যাদি) মাধ্যমেও। হাসতে না জানলে আমাদের বোধহয় ঐ ‘রামগরুড়ের ছানা’ হয়েই থাকতে হত!

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য-সাধারণ ভাষা হচ্ছে এই ‘হাসি’। বিবর্তনের বিভিন্ন ধাপে পৃথিবীর সম্পূর্ণ অন্যপ্রান্তে, যোগাযোগহীন দুটো সভ্যতার মধ্যে ভাষাগত বিশাল পার্থক্য পরিলক্ষিত হলেও, অদ্ভুতভাবে এই ‘হাসি’ কিন্তু সেভাবে বিচিত্রভাবে বিবর্তিত হয়নি। যদিও এটা নাকি প্রমাণ করে না যে হাসি মানব-চরিত্রের এক সহজাত/অন্তর্জাত ব্যাপার। একটি শিশুর মুখে তার জন্মের দ্বিতীয় মাসেই দেখা দেয় মৃদুহাসির (smile) অভিব্যক্তি। যদিও এটাকে অনেক সময়ই প্রতিবর্তী-ক্রিয়া (reflex action) হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু অচিরেই এটা সমাজ-সম্পর্কীয় হয়ে দাঁড়ায়। আর জন্মের প্রায় চার-মাস পরেই এই পর্যায় থেকে উত্থিত হয়ে উচ্চস্বরের বিস্ফোরিত শ্বাসপ্রশ্বাস-রীতির আচরণ (laughter) এক স্বতন্ত্র অভিব্যক্তির সূচনা ঘটায়। যদিও এক গবেষণায় এটাই নাকি দেখা গেছে যে এক বছরের কমবয়সী বোনোবো শিম্পাঞ্জী আর মানবশিশুকে সুড়সুড়ি দেয়ার ফলে সৃষ্ট হাসির কণ্ঠনিঃসৃত ধ্বনির spectrographic pattern নাকি প্রায় একই। কিন্তু বৈশ্বিক-ভাষা হলেও এক গবেষণায় সনোগ্রাম এ্যনালাইসিস করে এটাই নাকি দেখা গেছে যে আমরা কথা বলার সময় স্বরতন্ত্রীতে যে regular systematic pattern তৈরী হয়, হাসির সময় সেই pattern হয়ে যায় একেবারেই নিয়মবহির্ভূত ও অনিয়মিত। যেন এক স্বেচ্ছাচারী বিশৃঙ্খল অর্থহীন আচরণ!


Sonogram of the five Spanish vowels


Sonogram of a laughter episode


কিন্তু কেন এই ‘হাসি’? আর কেনই বা এই শাব্দিক বিস্ফোরণের পুনরাবৃত্তি?

উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তাবোধ, মানসিক/আবেগগত/স্নায়বিক চাপ থেকে উদ্ভূত কষ্ট/বেদনা লাঘবে জাদুটোনার মত কার্যকর এই ‘হাসি’ মানবজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও একে কিন্তু কখনই সন্তোষজনকভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়নি। ‘হাস্যকর তাহাই যাহা দেখিয়া হাসি পায়’ অথবা ‘আমরা তখনই হাসি যখন কোন হাস্যকর বস্তুর সম্মুখীন হই’ এই জাতীয় সংজ্ঞা বোধহয় কখনই যুক্তিসংগত নয় তথাকথিত প্রগতিশীলদের কাছে! তাই যখন ‘রিলিফ থিউরীর’ (relief theory) মাধ্যমে সিগমুন্ড ফ্রয়েড আমাদের বোঝাতে চান যে মানবপ্রকৃতির সেই জান্তব আদিম সহজপ্রকৃতি (Id) এবং সমাজ-সংস্কৃতির প্রভাবে ‘সভ্য’ ও ‘মার্জিত’ রুচিবোধের (Ego এবং Super-Ego) টানাপোড়েনে সৃষ্ট জটলা এবং অবদমিত আবেগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে সুকৌশলে পলায়ন করার যে কোন পন্থাতেই (যেমন, যৌন এবং বৈরভাবের কৌতুক) আমরা হাসি, তখন কিছুটা হলেও এই যুক্তি আমাদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা পায়, আমরা মেনে নিতে চাই। ফ্রয়েড আরও বলছেন, খুব মানসিক অথবা শারীরিক বেদনা/কষ্ট/উদ্বেগ থেকে কোনক্রমে রেহাই পেলে আমরা Id’তে দমিয়ে রাখা ঐ বিপুল অবাঞ্ছিত শক্তিভাণ্ডারকে আবেগ-অনুভূতির নির্গমন পথ দেখিয়ে দেই হাসির মাধ্যমে, হালকা করি নিজেকে। আবার জার্মানীর সেই হতাশাপ্রবণ দার্শনিক সোপেনহাওয়ার কিন্তু হাসি’কে সংজ্ঞায়িত করতে যেয়ে বলছেন যে, ‘হাসি’ হচ্ছে ‘যুক্তি’ নামক কঠোর, শ্রান্তিক্লান্তিহীন, পীড়াদায়ক এক গৃহশিক্ষিকার বিপক্ষে মানুষের লড়াইয়ে সদা অকুতোভয় এক মিত্র! মানুষ নাকি তখনই হাসে যখন যুক্তিবাদিতা পরাজিত হয়, কাণ্ডজ্ঞানহীন অযৌক্তিকতা যুক্তি ছাপিয়ে কর্তৃত্ব করে (যেমন, আমরা যখন কোন ননসেন্স জোক শুনে হাসি)। কি যুক্তিবাদী সংজ্ঞা! যাই হোক, আইরিশ কবি অস্‌কার ওয়াইল্ডও এই ব্যাখ্যা মেনে নিয়েছিলেন হয়তো! বন্দিদশায় রাণী ভিক্টোরিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, ‘রাণী যদি তার দণ্ডিত অপরাধীদের সাথে এই রকম আচরণ করেই থাকেন, তবে তো তিনি তাদের ধরে রাখারই যোগ্য নন!’

ফ্রয়েড যেটাই বলে থাকুক না কেন, একজন ইথোলজীষ্টের (প্রাণী-আচরণবিদ) কাছে হাসি নামক এই গৎবাঁধা ঘোষধ্বনিরূপের উচ্চারণ কিন্তু এই কথাটাই জোর গলায় বলতে চায় – যে হাস্যরত প্রাণীটি সমাজবদ্ধ অবস্থায় সমাজের অন্য সদস্যদের প্রতি কোন না কোন ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টায় লিপ্ত। কিন্তু হাসির ক্ষেত্রে সেই যোগাযোগের কারণটা কি হতে পারে? হাসির মাধ্যমে আমরা নাকি সচেতন/অসচেতনভাবে গোত্র/সমাজের অন্য সদস্যদের এটাই জানাই যে – এইখানে যেই অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছিলো, সেটার পরিণতি নিতান্তই তুচ্ছ (trivial consequence) এবং তোমরা অযথাই উদ্‌গ্রীব ও উদ্বেলিত হয়ে তোমাদের মূল্যবান সময় ও শক্তি এই ব্যাপারটার পিছে নষ্ট কোরো না। এটাই 'false alarm' theory নামে পরিচিত। আর তখন যে বললাম, গোত্র/সমাজের অন্য সদস্যদের জানাচ্ছি এই 'false alarm' এর ব্যাপারে – তো বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এই অন্য সদস্যরা আসলে নিজ পরিবারের সদস্য যাদের সাথে একই জিন শেয়ার করে থাকি, কারণ তাদেরকে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটা জানানো খুব জরুরী! তাই আপনজনদের মধ্যে হাসির প্রবণতা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পরে। নিকটাত্মীয়দের মধ্যে হাসি তাই এতটাই সংক্রামক! যে একই কারণে আমরা অপরিচিতজনদের মধ্যে সহজে হাসতে চাই না, মোটামুটিভাবে যতক্ষণ না পর্যন্ত তাকে আপন করতে পারছি। আমরা যেন বলতে চাই যে, যদিও আমি জানি এখানে একটা 'false alarm' এর আবির্ভাব হয়েছে, কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তো আমি তোমাদের দেব না, তুমি আমার কে!

আর এই হাসির উৎপত্তির ব্যাপারে যে কথাটা আগেই বলেছি, দুটো শর্ত মোটামুটি মেনে চলে – কোন ব্যাপারে ধীরে-ধীরে বৃদ্ধি পাওয়া এক অজানা কৌতূহল/প্রত্যাশার ক্রমবর্ধমান চাপ/উত্তেজনা এবং সেই ঘটনাপ্রবাহের আকস্মিক বাঁক পরিবর্তন (sudden twist)। কিন্তু এই বাঁক পরিবর্তন অবশ্যই হতে হবে তুচ্ছ, নিরর্থক (রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া কেউ কলার খোসায় পা ফেলে আছাড় খেলে আমরা হয়তো হাসবো। কিন্তু পরক্ষনেই যদি ফুটপাতে তার মাথা থেকে রক্ত বের হতে দেখি, তখন নিশ্চয়ই ব্যাপারটা অন্যদিকে গড়াবে)। তাই কোন এক সম্ভাব্য বিপদজনক অস্বাভাবিকতা (potentially dangerous anomaly) থেকে উদ্ভূত প্রত্যাশার আকস্মিক লঘুকরণই (deflation of expectation) মানব-প্রকৃতিতে ‘হাসি’ নামক এক অদ্ভুত আচরণের উৎপত্তি ঘটিয়েছে – এই কথাটাই 'false alarm' theory বলতে চায়।


এবার জানতে ইচ্ছে হচ্ছে মানব-মস্তিষ্কের কোন অংশ এই হাস্যকর আচরণের জন্য দায়ী। সত্যিকার অর্থে, মস্তিষ্কের কোন নির্দিষ্ট জায়গায় আঙ্গুল দিয়ে দেখানো যাবে না যে এই অংশটিই হাসির জন্য দায়ী। তবে আধুনিক নিউরোফিজিওলজী এটাই জানাচ্ছে যে হাসির উৎপত্তি নাকি মস্তিষ্কের ventromedial prefrontal cortex এর সক্রিয়করণে সংঘটিত হয়, যেখানে এক rewarding activity’র পর endorphin নামক পলিপেপটাইডের উৎপাদন হয়। Rewarding activity’র ব্যাপারে বলতে হয় যে মস্তিষ্কে উদ্দীপনা (stimuli) সৃষ্টির জন্য দায়ী reward center গুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে যেটা কিনা বিভিন্ন বিচিত্র প্রীতিকর অনুভূতির জন্ম দেয়। যাই হোক, আবার এটাও নাকি বলা হচ্ছে যে মস্তিষ্কের limbic system এর amygdala আর hippocampus ও নাকি হাসির সাথে সম্পর্কযুক্ত। আর এই limbic system কিন্তু বেশ শক্তভাবেই prefrontal cortex এর সাথে সংযুক্ত।

কিন্তু এটাই কি সব? হাসি নিয়ে তবে কি আত্মতুষ্ট হতে পারি এখন? নিজ কক্ষের একাকী অট্টহাসির কি হবে তাহলে? কাকে জানাচ্ছি মূল্যবান তথ্য? কিভাবেই বা খুলে দিচ্ছি মানসিক চাপের পপ-আপ ভাল্‌ব? প্রকৃতির নিঁখাদ কিন্তু অর্থহীন অসামঞ্জস্যতা দেখে উচ্চহাসির রহস্য কে বলবে? মানব-ইতিহাসের হানাহানির মূঢ়তা দেখে কে থামাবে সশব্দ হাসি? মানব-আচরণ, শৃঙ্গার, প্রজননের রীতি দেখে স্বয়ং মহাকালের মুখেও কি খেলে না এক নীরব মৃদুহাসি!

হাস্‌তে হাস্‌তে তাই অনেকের মতো বলতে ইচ্ছে করে - Gift of laughter defies analysis. To track it to its source is to make it disappear.


 

প্রকাশ করা হয়েছে: অন্বেষণ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
হাসান মাহবুব বলেছেন: এখন থেকে তো হাসতে গেলে টেনশন লাগবো, ventromedial prefrontal cortex এ যদি কুনো সমস্যা হয়? :(
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: Gift of laughter defies analysis. To track it to its source is to make it disappear.

:)

২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: তারপরও হাসব, ভুরু কুঁচকালে হাসির চেয়ে বেশি পরিশ্রম হয়।:)
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: =p~

৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
তারার হাসি বলেছেন:
পৃথিবীতে যতরকমের অভিব্যক্তি আছে তা বোঝার সাধ্য মানুষের বাইরে।
হাসির সংজ্ঞা জানা হয় না কিছুতেই।
যে হাসে আনমনে সেও জানে না, কি করছে অথবা কি ভাবছে সে।
চমৎকার লিখেন আপনি।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: Gift of laughter defies analysis. To track it to its source is to make it disappear

:)

৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
অপরিচিত_আবির বলেছেন: ফলস অ্যালার্ম থিওরী সম্পর্কে প্রথম জানলাম।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। হা হা প গে তাহলে শরীরের ফলস অ্যালার্ম !!
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আবির।

৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১২
পারভেজ বলেছেন: শুরুটা পড়ে ভাবছিলাম চমৎকার একটা ফ্যান্টাসী গল্প পেতে যাচ্ছি :(
যাইহোক; চমৎকার লেখনী।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: হতাশ করার জন্য দুঃখিত :(

ধন্যবাদ, পারভেজ :)

৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: লিম্বিক সিস্টেম কি প্রাইমারি ইনস্টিংক্ট গুলোর সাথে জড়িত না? মানুষ ছাড়া আর কোন কোন ম্যামাল হাসতে পারে বা কৌতুক বোধ করার ক্ষমতা রাখে? ডলফিনের কি কৌতুক বোধ করার ক্ষমতা আছে?

লেখা ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: লিম্বিক সিস্টেম embryologically মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশের চেয়ে পুরানো।

Click This Link

তবে হাস্যরস-বোধের ব্যাপারটা এক নয় বলে জানি।

হাসি এক অনন্য-মানব-বৈশিষ্ট্য।

অনেক ধন্যবাদ। আপনি এই ব্যাপারে আরও কিছু জেনে থাকলে আমাকে জানালে বাধিত হব।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ, ইমন ভাই।

৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: Why so serious !


হাসি -- হমমমম রোবটদের কে হিউমার সম্পর্কে সচেতন করা কঠিন একটা কাজ হবে ।

হাসির সাথে বুদ্ধিরও একটা সম্পর্ক আছে ।

আবার অনেক ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা মতো কিছু না বুঝেই হাসতে থাকে ।

রাম গরুড়ের ছানা নিয়ে আর কি বলবো :) -- পৃথিবীটা আস্তে আস্তে রাম গরুড়ের দখলে চলে যাচ্ছে ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

মানুষ তো হাসানো কে শিল্পে পর্যায়ে নিয়ে গেছে । বিবর্তনবাদী অথবা যারা হাসির ব্যাখা দেয় তাদের নিয়ে কিছু জোকস বানালে সবচে ভালো হতো ।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: nothing serious, আরণ্যক ভাই !

আপনার কমেন্ট পরে মজাই পাচ্ছি!

ঠিক। হিউমার হেলাফেলার বিষয় নয়। হাসির ব্যাখ্যা - সেটা শুনে হাসি পেলেই কেবল সেই ব্যাখ্যা সার্থক - এমন নিয়ম থাকা উচিত! :)

Gift of laughter defies analysis. To track it to its source is to make it disappear.

'রোবটদের কে হিউমার সম্পর্কে সচেতন করা কঠিন একটা কাজ হবে' - হুম। আপনি কি প্রোগ্রামিং এর দিকে আছেন?

অনেক ভালো থাকেন।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: দেখছি, ইমন ভাই।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, শুভ্র ভাই।

ভালো থাকেন।

১২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: Why so serious! -- জোকারের (হিথ লেজারের) ডায়লগ ।


হমমম প্রোগ্রামিং এ আছি । তবে এতসব উচ্চ পর্যায়ে না । নেটওয়ারকিং রিলেটেড ।


Gift of laughter defies analysis. To track it to its source is to make it disappear.

হাহাহাহা

জাফরের ইকবালের এমন একটা গল্পই ছিলো -- রোবটদের হাসি রসিকতা শেখানো নিয়ে । ঐ খানেই সব ফেইল ।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ব্যাটম্যান দেখি নাই এখনও :(( হার্ডডিস্কে আছে তাও......

প্রোগ্রামিং এ আছেন। আচ্ছা।

আরণ্যক ভাই, একটা কথা জিজ্ঞেস করি? AI এর ব্যাপারে আপনার কি অভিমত? আপনার কি মনে হয়? পারবে পুরোপুরি মানুষ কখনও?

বুদ্ধিমত্তার কথা বললেন। হাসির সাথে বুদ্ধিরও একটা সম্পর্ক আছে । আমারও তাই মনে হয়। কার্বন ন্যানো-টিউবের ব্যাপারটা এক্ষেত্রে কতটুকু ভুমিকা রাখতে পারবে?

Click This Link

১৩. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৪
দীপান্বিতা বলেছেন: বাব্বাঃ! আপনি হাসি নিয়েও এত গবেষণা করেছেন! সব বুঝলাম তা নয়! বোঝার চেষ্টা করছি…শুরুটা বেশ ভাল…:)
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: বুঝতে চাই না। হাসতে চাই। :)

সদা-হাস্যময় আর লাস্যময় জীবন কাটুক !!

শুভকামনা।

০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপু।
শুভকামনা।

১৫. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দ্য ডার্ক নাইট এখোনো দেখো নাই । মুভিখোরদের কাছে এটা অপরাধের সামিল । দেখে ফেলো দেখে ফেলো !

~~~~~~~~~~~~

এ আই --- হমমম আমার এইসব ব্যাপারে আইডিয়া পুরাই ফিকশন নির্ভর । তবে নিজে এই লাইনের বলে কিছুটা আইডিয়া করতে পারি ।
ধরো কম্পিউটারের স্পিড মানে সিপিউ , র‌্যাম , হার্ড ডিস্কের ক্ষমতা এইসব প্রতি দুবছরেরই দ্বিগুন হয়ে যায় ।
সে হিসাবে মানুষের ব্রেনের চে উন্নত কিছু তৈরা করা অবশ্যই সম্ভব । তবে সেটার উপরও সব ডিপেন্ড করে না ।
কত দ্রুত মেমোরী থেকে নিতে পারছে --সেটাও দেখার ব্যাপার । আরেকটা ব্যাকওয়ার্ড কম্পিটিবিলিটি ইস্যু হিসাবে নেটওয়ার্কের স্পিড তো কমই রয়েছে । এই সব কোএক্সিয়াল কেবল বদলে কবে ফাইবার অপটিক ঘরে ঘরে যাবে তার ঠিক ঠিকনা নাই ।

যাই হোক এইসব বলার উদ্দেশ্য হলো -- আমাদের ভিজুয়ালাউজেশন করার ক্ষমতা -- বা শ্রুতি বা গন্ধ নেয়া -- এইসব এ্যাবজর্ব করতে বিপুল পরিমান কম্পিউটিং টাইম এন্ড স্পেস খরচ হয় । সেখান থেকে কোন ডিসিশন মেক করা মানে আবারো বিপুল পরিমান ইনফো খোজা ।

সংক্ষেপে আমার মতে:
থিওরীটিকালী এটা অবশ্যই সম্ভব , মনে হয় আমরা সেই রাস্তা আছি । তবে এটাতে আবেগ বা মানবিক গুনাবলী দেয়া আমার মনে হয় না সম্ভব হবে ।
বুদ্ধিমত্তা সবচে প্রয়োজনীয় জিনিসটাই আমার মানবীয় আবেগ লাগে ।
যদিও আমার কথা অনেকের পছন্দ হবে না ।

~~~~~~~~~~~~~~~
এদের ভাষ্য মতে আর দশ বছর পরই তোমার প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ।
Click This Link
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: চমৎকার আরণ্যক ভাই। অনেক ধন্যবাদ।

দেখা, শোনা, গন্ধ নেয়া থেকে ডিসিশন নেয়ার ব্যাপারটা চমৎকার বলেছেন। যতটুকু বুঝি, এই জায়গাটা খুবই জটিল।

স্পিড সবকিছু নয়। একমত। নিউরণের ব্যাপারে যেমন কানেক্টিভিটিটা আরও বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।

'বুদ্ধিমত্তা সবচে প্রয়োজনীয় জিনিসটাই আমার মানবীয় আবেগ লাগে।' -- অনস্বীকার্য সুন্দর কথা।

দশ বছর অপেক্ষা করি তাহলে! লিংকের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
_______________

আসলে আশাবাদী হতে হয় কথাটা যেমন ঠিক, তেমনি বিভিন্ন বিষয়ে যখন আমাদের জঘন্য সীমাবদ্ধতাগুলো একটু-আধটু উপলব্ধি করি, তখন আশাবাদী ভাবটাকে একটু গণ্ডীর মধ্যে টেনে আনতে চাই। সেটাকে কি নিরাশাবাদী/হতাশাবাদী বলা যায়? আমি বলবো - না।

make me startle humanity
_______________

অনেক ভালো থাকেন।

১৬. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১০
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: এত কিছু জানি না বেশী জানলে শেষে হাসতেই পারব না। এই হাসি আছে দেখেইতো বেঁচে আছি।

ধন্যবাদ ভাই খুব ভালো একটা পোস্ট দিয়েছেন কিচ্ছু জানতামনা এই ব্যাপারে।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, জানতে চাই না। হাসতে চাই। :)

Gift of laughter defies analysis. To track it to its source is to make it disappear.

অনেক ধন্যবাদ, আপু।

০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: হাসি-খুশি :)

১৮. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখাটা বরাবরের মতই গুছানো, ভাবনা-উদ্রেককারী এবং আপনার নিজস্ব স্টাইলে একটা বোনাস গল্পও পাওয়া গেলো শুরুতে!
হাসি নিয়ে এমন একটা লেখা পড়েছিলাম সচলে। সেসময় থেকেই মনে হচ্ছে হাসির চরিত্র এতই বিচিত্র, এত ভিন্ন ভিন্ন বিপরীত পরিস্থিতিতে আমরা হেসে ফেলি যে সেটাকে একটা অ্যালগরিদমে ফেলা খুব কঠিন। সম্পূর্ণ random সংখ্যার মধ্যেও সম্পর্ক বের করা যায়, কিন্তু হেসে ফেলার ঘটনাগুলো তারচেয়েও random। এমনকি হাসির মাত্রা ও চরিত্রও হরেকরকমের। স্মার্ক বলে এক ধরনের হাসি আছে, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য বুঝাতে আমরা যেভাবে মুখ বাঁকাই। দেখা যায় সেসময়ে বডি ল্যাঙ্গুয়েজেও বিশেষ পরিবর্তন ঘটে!
সব মিলিয়ে বেশ ঘোরালো বিষয়। তাই গবেষণা ছাড়া আলোচনা না করাই ভালো, মুখের ও মনের হাসি মুছে যেতে পারে!;)
====
এআই নিয়ে আমার বিশ্বাস যে মানুষের অপরিসীম পরিশ্রম আর সাধনা একটা পর্যায়ে হয়তো এটাকে নিজে নিজে চলতে সক্ষম একটা জিনিসে রুপান্তর করতে পারবে। খেয়াল রাখতে হবে মানুষও কিন্তু ধীরে ধীরে সবকিছু শিখে নেয়। এমনকি আবেগ অনুভূতিরও নাম জানতে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে হয়!
--------
অট. খুব দ্রুত ব্যাটম্যান দেখে ফেলেন। ইউ আর মিসিং সামথিং।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: হাহা! হ্যাঁ, বেশ ঘোরালো বিষয়। মুখের ও মনের হাসি অটুট থাক তাহলে!! ;)

কি খবর, ছন্ন?

হ্যাঁ, এআই এর রূপান্তর নিয়ে আমিও আশাবাদী। কিন্তু যেহেতু এখনও বুকে হাত দিয়ে বলা যাচ্ছে না যে আমরা পারবই, তাই 'বিশ্বাস' করতেই হচ্ছে আপাততঃ যে, অপরিসীম পরিশ্রম আর সাধনা একটা পর্যায়ে হয়তো এটাকে নিজে নিজে চলতে সক্ষম একটা জিনিসে রূপান্তর করতে পারবে, বর্তমানের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও।
_____

সবাই দেখি ডার্ক নাইটের ভক্ত! আর তো পিছিয়ে থাকা যায় না তাহলে !!

১৯. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ডার্ক নাইট নিয়ে কিছু কথা আমার সবসময়েই মনে হয়েছে। (এখানে প্রগলভ হয়ে বলেই ফেলি)।
১. ছবিটা একটা কমিক্সকে কেন্দ্র করে, সুতরাং "ভালো-মন্দের দ্বন্দ্ব, শেষ পর্যন্ত ভালোর জয়, মন্দের পরাজয়"-এর বাইরে কিন্তু কিছু নয়। তবে এই ছবিটি টিঁকে যাবে, কারণ এখানেই ভালোত্বের যে অগ্নিপরীক্ষা, সেটা খুব জোরালোভাবে তুলে এনেছে। চিরন্তন সেই দর্শন- একের জীবনের মূল্য কি অনেকের জীবনের মূল্যের চেয়ে কম না বেশি সেই বিতর্কটাও উস্কে দিয়েছে।
২.কমিক্সের যেটা সমস্যা, আগে থেকেই কাহিনী বুঝা যায়। নায়কের প্রাথমিক পরাজয় আরোপিত মনে হওয়া--এগুলো এখানে নাই। আপনি বুঝবেনও না কোথা থেকে কই গেলো। মাঝের দিকে গিয়া লাগবে টাশকি। ;)
=======
এআই নিয়ে আমার আশাবাদ প্রবল, কারণ একেবারে "আউট অফ নাথিং" আমরা অনেক অনেক সত্য আবিষ্কার করে ফেলেছি। একেবারে সাম্প্রতিক হলো কোয়ান্টাম তত্ত্ব, আর সেমিকন্ডাক্টর (আরো সাম্প্রতিকগুলোর প্রভাব এখনও সেভাবে ফুটে ওঠেনি বলে উহ্য রাখলাম)। কেউ কি ১০০ বছর আগেও কল্পনা করেছিল এগুলোর কথা!
মাঝে মাঝে মনে হয় আদিম সমাজে যদি একটা টিভি পৌঁছানো যেত, সেটা নির্ঘাৎ ঈশ্বরের মর্যাদা পেতো! :P
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ভালো একটা ম্যুভি-পূর্ব রিভ্যিউ পেলাম !! :) হিথ লেজার ভালো অভিনয় করেছে শুনেছি, দেখার সময় হয় নি আসলে।
____

আশাবাদী আমিও, ছন্ন। হ্যাঁ, আজ থেকে হাজার বছর পরে হয়তো 'হাসি' পাবে এই কথা ভেবে যে, আমরা সন্দেহ করেছিলাম এআই এর উৎপত্তিগত সম্ভাবনা নিয়ে। আজ এই মুহূর্তে যদি অতীব বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন/অলৌকিক-জ্ঞানের অধিকারী এক প্রানীর হঠাৎ আবির্ভাব হয়, তাকেও আমরা ছোটখাট ঈশ্বর (তা না পারলেও ইনকার্নেটেড!!) ধরে নিতে পারি!! :P

কোয়ান্টাম/সেমিকন্ডাক্টর ইত্যাদি ঠিক আছে। ব্যাপারটা যখন মনুষ্য-রিলেটেড হয়ে যায় (স্টেম সেল্‌/জিনোম/মস্তিষ্কে কার্বন-ন্যানোটিউব বসিয়ে উচ্চ বুদ্ধিমত্তার প্রানী ইত্যাদি), তখনই মনে হয় খচখচ করে একটু! ;)

'কক্ষে আমার রুদ্ধ দুয়ার' হলেও, এসব ক্ষেত্রে আমি দুয়ার খোলা রাখতে চাই! :)

ভালো থাকা হউক!

২০. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: মানে, এআই তো ঐগুলা দিয়াই বানাইতো সায়েন্টিস্টরা। তাই বলেছিলাম।

আমরা যে ক্লোনিং শিখতেছি পায়ে পায়ে (অনেকে বলেন, পুরোই শিখে ফেলেছি), সেটাও কিন্তু মানবের ক্ষেত্রে বিরাট অগ্রগতি। আবার ধরেন, এখন কত রকমের ওষুধ বেরিয়ে গেছে রোগ বালাই মারতে। আমরা যেমন অতীত জানতে চাইছি, কেউ কেউ ভবিষ্যৎও গড়তে চাইছেন। একটা সময়ে এই আট কুঠুরি নয় দরজার ভেদ ঘুচেও যেতে পারে!
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: হুম। বুঝেছি। ঠিক আছে।

'একটা সময়ে এই আট কুঠুরি নয় দরজার ভেদ ঘুচেও যেতে পারে!'

তাহলে চলুন এগিয়ে যাই।

২১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
অদ্রোহ বলেছেন: আপাতত হাসি আমার কাছে দিল্লী দূর অস্ত।(পরীক্ষা চলছে যে :(()
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ভালো হোক তব পরীক্ষা! তবে এর মধ্যেও 'হাসি' কিন্তু লঘু করে দিতে পারে অহেতুক মানসিক চাপ! :)

২২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৬
দীপান্বিতা বলেছেন: সদা-হাস্যময় আর লাস্যময় জীবন কাটুক !!

শুভকামনা -----আপনাকেও :)
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দীপান্বিতা।

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: :)

২৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৩
তারার হাসি বলেছেন:
কান্নার উৎপত্তি নিয়ে কি লিখবেন?
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: কষ্টের উৎপত্তি - সেটা অজানা থাকলেই বোধহয় ভালো।
তবে সব কান্না তো কষ্টের নয়!

আসলে জানি না কিছুই। জানতে হবে অনেক।

অনেক ধন্যবাদ, তারার হাসি। কেমন আছেন আপনি?

২৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৬
আনোয়ারুল আলম বলেছেন: সবাই AI নিয়ে কথা বলছেন, কিন্তু এর সংজ্ঞাটা কিন্তু বেশ ধোঁয়াটে ।

এখন তো দেখি নতুন এক ডিসিপ্লিন তৈরি হয়েছে । নাম দিয়েছে artificial consciousness ।

salk institute এ জোরসে গবেষনা চলছে এই বিসয়টি নিয়ে। সাথে আছে ক্যালটেক আর জার্মানীর tübingen ইউনিভার্সিটি এবং ম্যাক্স-প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট ।

নিউরাল নেটওয়ার্কে consciousness এর উৎপত্তি হয় কি করে তা নিয়ে প্রথম সিরিয়াস গবেষনা শুরু করেন DNA র সহ আবিস্কারক francis crick । নোবেল প্রাইজ পাবার ৪ বছর পরই তিনি এই বিষয় নিয়ে রিসার্চ শুরু করেন ।

৮০র দশকে MIT র মিডিয়া ল্যাবে সবাই যখন AI নিয়ে লাফালাফি করছিল। francis crick তার একটা আবিস্কারকেও তেমন পাত্তা দেননি। বিশেষ করে, বিভিন্ন ম্যাথেমেটিক্যাল মডেলগুলো তৈরি করে মানুষের মনকে ব্যাখ্যা করার যে চেষ্টা Marvin Minsky আর তার দল করছিল ।

ঠিকই ২০০৫ সালে MIT র ঐ প্রজেক্ট টা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে একটানা প্রায় ১৮ বছর চলার পর ।


এখন christoph koch, Vilayanur S Ramachandran এর দলই বিষয়টিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।

আসলে, খুব সহজে Heuristics algorithm ব্যবহার করে একটা AI সিস্টেম বানিয়ে ফেলা যায়, স্পেসিফিক কোন সমস্যা সমাধানের জন্য ।

এখনকার সংজ্ঞা অনুযায়ী আপনি যত জটিল সিস্টেমই তৈরি করুন না কেন, এগুলো অনেক গুলো Expert সিস্টেমের সমন্বয় ছাড়া কিছু নয় ।

US Navy র কল সেন্টারগুলোতে ওরা দিব্যি এই Expert সিস্টেমগুলো ব্যবহার করছে । DARPA তে এটা নিয়ে গবেষনা MIT র আগেই শুরু হয়েছিল ।

যখন কোন সিস্টেম সত্যি সত্যি নিজ সম্বন্ধে সচেতন হতে পারবে, তখনই না কোন কিছু "বোঝার"(Understanding) প্রসঙ্গটা আসবে । আর তার সাথে কৌতুক ও হাস্যরসের ব্যাপারটা ।

Complex Behavior আর conscious Behavior এক জিনিস না ।AI সিস্টেম গুলোর মূল লক্ষ্যই ছিল Complex Behavior এর মাধ্যমে নিত্য পরিবর্তিত সমস্যাগুলোর সমাধান করার ।

conscious Behavior করতে পারে এমন একটা সিস্টেম হয়তো অতটা চালাক নাও হতে পারে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে । তবে সে জানে তার নিজ অস্তিত্ব সম্পর্কে । বিজ্ঞানীদের চেষ্টা এখন কিভাবে নিজ অস্তিত্ব সম্পর্কে কোন সিস্টেমকে সচেতন করা যায় ।

এটা এমন একটা সেক্টর যেখানে বহুল ব্যবহৃত Turing test ও ফেইল। এখন নতুন একটা ফ্রেমওয়ার্ক খুঁজে বের করার পেছনে ছুটছে সবাই ।


দেখি অন্যকোন দিন এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত লিখবো । (কথা দিতে ভয় লাগে, নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ কম)
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: চমৎকার তথ্যগুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ, ভ্রাতা! ব্যাপারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমারও প্রচুর 'কৃত্তিম-বুদ্ধিমত্তার' প্রয়োজন, 'ঈশ্বর-প্রদত্ত' বুদ্ধিমত্তায় কাজ হচ্ছে না কিছুতেই!

আপনি বিস্তারিত লিখে বাধিত করুন। অপেক্ষায় থাকলাম।

পয়েন্টগুলো থেকে টুকটাক জানার চেষ্টা করবো।
অনেক ধন্যবাদ, আবারও।

২৬. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০০
মানবী বলেছেন: আমার মনে হয় হাস্যউৎপত্তির ইতিহাস অন্যরকম। এই পৃথিবীতে প্রথম হাসিটি কোন শিশু হেসেছিলো আর তা দেখে মায়ের মুখে ফুটেছিলো তৃপ্তির হাসি :-)


খুব সমৃদ্ধ এই লেখাটির তুলনায় আমার ভাবনা বরাবরের মতো সাদামাটা হলেও আমার এমনটিই মনে হয়।

কোন কিছু সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে জ্ঞান সমুদ্রের গভীরে আপনার এই বিচরন অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

হাসি সম্পর্কে চমৎকার লেখাটির জন্য ধন্যবাদ আকাশ অম্বর।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: ব্লগে ঢুকেই আপনার মন্তব্য পেলাম। ভালো লাগলো!

আমার মনে হয় হাস্যউৎপত্তির ইতিহাস অন্যরকম। এই পৃথিবীতে প্রথম হাসিটি কোন শিশু হেসেছিলো আর তা দেখে মায়ের মুখে ফুটেছিলো তৃপ্তির হাসি :-)
-- সত্যিই তো! এভাবে ভাবিনি!

অনুপ্রেরণার জন্য অনেক ধন্যবাদ, মানবী :)




২৭. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
যীশূ বলেছেন: বিরাট পোস্ট। পরে পড়বো।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ভ্রাতা :(

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: দেখছি ইমন ভাই। ধন্যবাদ।

২৯. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭
দীপান্বিতা বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ.....অত সুন্দর ভিডিওগুলো দেখালেন বলে :)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ওহ্‌ ! দেখেছেন তাহলে ! :)

ভালো লেগে থাকলে ধন্যবাদ!

এইরকম কোন কারণে মিউজিক কনসার্ট মনে হয় এটাই প্রথম। আর বড় বড় সব শিল্পীদের অংশগ্রহণে এটার ব্যাপ্তি আরও বেড়ে গিয়েছিলো।

তবে সবচেয়ে বড় যে কারণ, সেই মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের সবচেয়ে বড় গৌরব, এটার জন্য তাঁদের এই অবদান তো স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে আমি কখনও ভুলবো না। আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় এটা। এক অর্থে সূরের এই আয়োজন আমাদের স্বাধীন দেশটাকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো!

অনেক ধন্যবাদ, সিস্‌টার!

৩০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
অপ্‌সরা বলেছেন: হাস্য উৎপত্তির জন্য বিনা কষ্টে হাসতে চাইলে শিবরাম রচনা সমগ্র পড়ো ।

আর কিছুই লাগবেনা।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: বিনা কষ্টে হাসতে চাইলে এমনিতেই হাসা যায়। হাসির এলিমেন্ট চারদিকে তো কম ছড়িয়ে ছিটিয়ে নেই। কিছু করে/পড়ে হাসতে গেলে কষ্ট বেড়ে গেলো তো! (মজা করলাম)



১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, তাজা কলম।

৩২. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৮
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: লেখাটা একটানে পড়ে শেষ করলাম। আমি খুব হাসি। হাসতে হাসতেও হাসি। আপনার এইটা পড়েও খুব হাসলাম। বোকা বোকা হাসি আর কি..
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও খুব হাসি! আপনি পড়লেন বলে সেই হাসির বিস্তৃতি নিয়ে কি আর বলবো!!
ভয়ংকর আনন্দ পেলাম!

শুভকামনা, মুক্তি'দা!

৩৩. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৮
সোহানা মাহবুব বলেছেন: হাসতে নাকি জানেনা কেউ ? কে বলেছে ভাই?
এই দেখোনা কত হাসির খবর বলে যাই!!!
খুব অভিনব একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন। বরাবরের মত ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম।
+++
বন্ধু কেমন আছেন?
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: বেশ আছি! আপনিও বেশ আছেন জানি!

একরাশ হাসিমুখের শুভেচ্ছা!!

৩৪. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৬
বিলাশ বিডি বলেছেন: ভালো লিখেছেন! সম্প্রতি New Scientist জার্ণালের একটা লেখা পড়েছি যেখানে বলা হয়েছে হাসির ব্যাপারটি এখনো বিবর্তন দিয়ে ব্যাখ্যা করে যাচ্ছেনাঃ

Click This Link

একদিন নিশ্চই ব্যাখ্যাটি পাবো!
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: চমৎকার! হ্যাঁ, একদিন নিশ্চয়ই সর্বজনস্বীকৃত ব্যাখ্যাটি পাবো! রহস্যে ভরপুর মানব-জীবন। কিন্তু বেশী রহস্য ভালো লাগে না! তাই অর্থহীন খোঁচাখুচি আর কি!

এ্যাল্ট্রুইজম নিয়ে আমার একটা লেখা ছিলো। আপনি পড়লে ভালো লাগবে।

Click This Link

অনেক ধন্যবাদ।

৩৫. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
জাতি জানতে চায় বলেছেন: জ্ঞানী পোস্ট, এন্টেনার মাথার সাথে ঘেষে চলে গেল। অন আঁর হ্রশ্ন অইল, বলগের মইধ্যে আমারা যেই হাসিটা (ইমো) দিই এইটা কি ফলস্ অ্যালার্ম থিওরীর মইধ্যে হড়ে নি??
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধইন্যা! হ, আঁর ত তাই মনে অয় বদ্দা!

কোন উক্তির শেষে হাসির ইমো দিয়ে আমরা হয়তো বোঝাতে চাই যে, এতক্ষণ ধরে আমি যেই গুরুতর বিষয়টি লইয়া বকর-বকর করিলাম, তাহা নিতান্তই তুচ্ছ (আপনার সাথে সুশীল সম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারটা আরও গুরুত্বপূর্ণ!!)। ভাব-গম্ভীর মন্তব্যের শেষে হালকা সুশীতল বায়ু-প্রবাহ আর কি! :)

৩৬. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
আনোয়ারুল আলম বলেছেন: হাসির উৎপত্তি সংক্রান্ত মজার কিছু তথ্য খুঁজে পেয়েছি । চেক করতে পারেন ;)

প্রথমটা হলো, মুচকি হাসির সাথে, স্বাভাবিক অট্ট হাসির পার্থক্যটা কোথায় ...এটা শিশুদের ক্ষেত্রে গবেষণা করে দেখেছেন জাপানী কিছু বিজ্ঞানী ।
Click This Link

তারপর পিবিএস এর এই ভিডিওগুলিতে পাবেন কাতুকুতু দেয়া হাসির সাথে অন্যান্য হাসির পার্থক্যের ব্যাপারটা ।

Click This Link

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির হাসি বিষয়ক ওয়েবসাইট .. অনেকগুলো লিংক ফলো করে দেখলাম ওয়েবসাইট টা ভালই আছে ।

Click This Link

আপনার মনে হচ্ছে নিউরোলজি নিয়ে একটা আগ্রহ আছে । একটা ছোট পরামর্শ দিই , ভুল করেও evolutionary psychology র পাল্লায় পরবেন না । কিছু লোক যা তা বলা শুরু করেছে এই বিষয়টি নিয়ে, যেগুলোর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নাই ।

সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে , cognitive psychology । নিউরোলজি বা নিউরোসাইন্সের চেয়ে অনেক মজার বিষয় এটি ।

নিউরোলজিস্ট বা নিউরোসাইটিস্টরা যাই আবিস্কার করুক না কেন , শেষে একজন cognitive psychologist ই পারে সেটার বোধগম্য, দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার উপযোগী তত্ব তৈরি করতে।

কোন প্রক্রিয়ায় ১৫-২০ টার বেশি নিউরন যুক্ত থাকলেই নাকি সেটা আর নিউরোলজি বা নিউরোসাইন্সের এখতিয়ারে পরে না , তখন শুধু একজন মনবিজ্ঞানীই পারে এটার ব্যাখ্যা দিতে ; এমন একটা কৌতুক বেশ প্রচলিত মনবিজ্ঞানীদের মাঝে ।

তবে আপনি যদি নিজে এই বিষয়ের এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে মায়ের কাছে মাসির গল্প করার মত হয়ে যাচ্ছে ব্যাপার টা । :D
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: চমৎকার! চমৎকার! কি বলে ধন্যবাদ দেবো আপনাকে, ভ্রাতা! :)

হ্যাঁ, evolutionary psychology নিয়ে ঘুরপাক খেয়েছি ও খাচ্ছি!
তবে নিঃসন্দেহে cognitive psychology নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। বিশেষ করে language, memory, Qualia, consciousness, self এর আভ্যন্তরীন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়ে আমি সারা জীবন কাটাতে পারি!! হাহাহাহা

হ্যাঁ, বেশ কিছু নিউরনের যুগপৎ ফায়ারিং দেখে আঙ্গুল দিয়ে কি বলা যায়, এটাই তোমার স্মৃতি, এটাই তোমার অনুভূতি!

আপনি অনুগ্রহ করে আপনার দৃষ্টিকোণ থেকে এইসব বিষয় নিয়ে লিখলে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো। আমার স্পেশালিটি এই ফিল্ড থেকে বহুদূরে!! মায়ের কাছে মাসি নয় - রূপকথার মত শোনাচ্ছে আমার কাছে আপনার কথাগুলো!! :)

লিংকগুলোর উপর হামলে পরবো!
অনেক শুভকামনা।

১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: শুরু করে দিয়েছি ডাউনলোড! অনেক ধন্যবাদ, ইমন ভাই।

১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেক।

১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: মজার পোষ্ট!!

৪০. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম।
কারণ, বাঁচতে হলে হাসতে হবে!
১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: বাঁচতে হলে হাসতে হবে!

প্রিয়তে নেয়ায় শুভেচ্ছা!

৪১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। ঠান্ডা মাথায় পড়বে হবে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভ্রাতা।

৪২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১০
দীপান্বিতা বলেছেন: হাসতে হাসতে কোথায় ডুব মারলেন! :)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: এই যে, সিস্‌টার!! আপনার মন্তব্য পেলেই মন ভালো হয়ে যায়!!
বেশ কাজে আটকে ছিলাম একটু।
মঙ্গলম!

৪৩. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩
ফেরারী পাখি বলেছেন: হাসতে নাকি জানেনা কেউ কে বলেছে ভাই?
এই দেখনা কত হাসির খবর দিয়ে যাই


ওরে হাসির এত খবর তো আগে জানতাম না। কি আর করা বল তোমার লেখাগুলো বারবার পড়বার জন্য প্রিয়তে রাখি। একবার পড়ে পুষিয়ে উঠতে পারি না।

সব তথ্য মাথায় থাকতে চায়না। বুড়ো হয়েছি তো!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: আহ্‌! ভালো লাগলো, খুব!

মনটা বুড়ো না হলেই সব ঠিক আছে কিন্তু !! :)

৪৪. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: Click This Link


এই পোষ্টটা তোমার ভালো লাগবে মনে হয় -
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: দেখে এলাম আরণ্যক ভাই! ভালো লেগেছে নিঃসন্দেহে।
অনেক ধন্যবাদ।

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: প্রণব'দা! অনেক শুভেচ্ছা!

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: দারুন! ধন্যবাদ, ইমন ভাই।

৪৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
দীপান্বিতা বলেছেন: কাজ শেষ হল!......অনেকদিন কোথাও ঘুরতে যান না!......ছবিও পাই না! :)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: হুম! যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি! ছুঁড়ে ফেলে দেবো সব..... X( :(

দীপ'দি! তোমার কি খবর?

৪৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৬
দীপান্বিতা বলেছেন: খুব ভাল......আরো ভাল লাগবে, আপনি ঝট্‌পট্‌ ঘুরতে বেরিয়ে পরুন আর অনেক সুন্দর সুন্দর ছবি তুলে আমাদের দেখান ....:)
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, দিদি! বের হব। দেখা যাক্‌.....

তোমার জীবন সুন্দর কাটুক!

৪৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
দীপান্বিতা বলেছেন: কি খবর! খুব আড্ডা দিচ্ছেন! :)...নতুন পোস্ট কই!
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: আড্ডা?! হাহাহা! কোথায়?!

কি খবর, দিদি?

নতুন পোষ্ট দিয়েছি তাড়াহুড়ো করে! :)

৫০. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২১
শয়তান বলেছেন: হাসছি :)







-








-






-

কেননা সম্পুর্ন পোস্ট পড়ি নাই। ফাঁকি দিয়েছি ;)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: ফাঁকিবাজি কমেন্টে মাইনাস্‌ ! ;)

৫১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
গোয়েবলস বলেছেন: =p~ =p~ =p~ =p~
এইটারে কি হাসি বলাযাবে?
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: কেন নয়? অবশ্যই! অবশ্যই! গোয়েবলস-হাসির জন্য ধন্যবাদ! :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৪৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
থেমে গেছে। কেউ নেই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ