somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Qualia

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




ঘন জঙ্গলে ছাওয়া ছোট এই রেল স্টেশনটা বড়ই নিস্তব্ধ। গভীর এই রাতে চারপাশে জনমানবের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। খটাখট্‌ শব্দে তড়িঘড়ি করে চলে যাওয়া সদা-ব্যস্ত ঐ ট্রেনটার অন্তর্ধানে খাঁ খাঁ নিস্তব্ধতা আছড়ে পড়ছে টাইম্প্যানিক মেমব্রেনে। ধারালো ছুড়ি দিয়ে দেড়-ইঞ্চি পুরু করে করে কাটা যাবে সেই নিস্তব্ধতা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাজিয়ে রাখা যাবে মানস-প্রকৃতির প্লেটে। এই নিস্তব্ধ বোবা প্রকৃতি যেন এক পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগী। নড়ন-চড়নহীন। চলৎশক্তিহীন। স্টেশন-মাষ্টারের ঘরের ঠিক সামনের ঐ পঁচিশ পাওয়ারের বিদ্যুত-বাতিটার মধ্যেই শুধু হৃদশক্তির কম্পন অনুভূতি। আর গহীন কালো জংলী-অন্ধকারের ভেতর দিয়ে দৃশ্যমান ঐ গোলগাল চাঁদটাতেই নিহিত আছে যত নিউরনের মায়াবী খেলা। তার ছন্দময় কম্পন। তার অবিশ্বাসী আচরণ। তার স্মৃতিমধুর প্রতারণা। প্রবল পরাক্রমশালী চেতন-অবচেতনের তারণায় হৃদশক্তির কম্পন অগ্রাহ্য করে তাই এগিয়ে যাই অন্ধকার অনিশ্চয়তায়। উচ্চতর উন্মত্ততায়। জৈবিক আকাঙ্ক্ষায়। জৈবিক? হ্যাঁ। জৈবিকই তো। পায়ের তলার ঐ শিশির ভেজা লতা-গুল্ম-ঘাস-আগাছা দলিত-মলিত করে, স্যাঁতস্যাঁতে ঐ মেহগনি গাছের চুম্বনে, কাম-ভাবে হাত বাড়িয়ে দেয়া ঐ বটের ঝুরির আলিঙ্গনে কি ভোগসুখ! কি অপার তৃপ্তি! শিরশিরে অনুভূতিগুলোর কি অবিশ্বাস্য দক্ষতায় নখের মূল থেকে তরতরিয়ে উঠে আসা বাম হাতের ঐ এপিডার্মিসের স্তরগুলো ছুঁয়ে। আর তারপর কি নির্মমতার সাথেই না ওদের শরীর-সাম্রাজ্য দখল! ফলশ্রুতিতে হয়ে যাই নিথর ঐ প্রকৃতির মতন পক্ষাঘাতগ্রস্থ। নড়ন-চড়নহীন। চলৎশক্তিহীন। একান্ত ব্যক্তিগত ঐ অনুভূতিগুলোর কাছে কি অসহায় ব্যক্তি-মানুষ! কি মূল্য ঐ গোলগাল কদাকার চাঁদখানার? কি মানে ঐ জংলা জায়গার ঝি ঝি আচরণের? কি মানে ঐ অন্ধকারাচ্ছন্ন রহস্যময়তার? কি মূল্য এইসব ভ্রান্ত রূপায়নের? এক অকিঞ্চিতকর মনুষ্য-চেতনার কাছে কি মূল্য এইসব মিথ্যে প্রতিরূপের? কি ব্যাখ্যা? প্রকৃত ভাবখানির কি রূপদান আদৌ সম্ভব মনুষ্য-ভাষার ঐ সীমাবদ্ধতায়? ঐ কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁক গলে আমার একান্ত সব অনুভূতি কি তোমায় জানানো সম্ভব? উত্তর নাই। তাই বুনো জন্তুর মতন দাপাদাপি। আক্রোশে ফেটে পরা। কাকে জানানো যায় সেই আকুল অস্থিরতা? কাকে বোঝানো যায় আত্মপ্রকৃতির সে স্বকীয় ভাষা? কাকে দেখানো যায় সেই মানস-নদী – অঝোর ধারার বৃষ্টিতেও এক ফোঁটা জল যেখানে শুধুই এক মরীচিকা। কেবল শূন্যতার জলোচ্ছ্বাস।




এই অদ্ভুত জগতখানিতে মনুষ্য-চরিত্রের অহমিকা ও দম্ভ চূড়ান্ত পর্যায়ে উত্থিত হয় যখন মানুষ নিজেই উপলব্ধি করে তার মানবিক জীবন কতই না সমৃদ্ধ – তার সকল চিন্তা, অনুভূতি, আবেগ এবং তার অহং বা সত্তা কতই না উন্নত ও সম্পদশালী! স্বতন্ত্র সেই মানবিক-রূপের একান্ত পরিচয়টাই সেই হোমো-সেপিয়েনের প্রকৃত পরিচয়! এই চেতন/অবচেতন ধারনাতেই তাই সে নিমগ্ন হয় নিজেকে নিয়ে এবং এক মহা-তৃপ্তির আচ্ছাদনে বাঁধা পরে সে। সভ্যতার ধারক ও বাহক হিসেবে নিজেকে জাহির করতেই তার কালক্ষেপণ এবং সাথে চলে উচ্চমার্গীয় শিল্প-চর্চা। হ্যাঁ, নিঃসন্দেহে এগুলোই এক স্বতন্ত্র মানব-চরিত। তার অনন্য বৈশিষ্টের ধ্বজাধারী! তবে এইসব মনুষ্য-ভাবের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া-চর্চা যে নিতান্তই মস্তিষ্কের প্রোটোপ্লাজমের ‘মৃদু নগণ্য সক্রিয় একনিষ্ঠ কার্যকলাপ’ – সেটা বোধকরি বলার অপেক্ষা রাখে না। নশ্বর জীবন, প্রকৃতি, অনুভূতি, আবেগ, শ্রদ্ধা, প্রেম, ভালোবাসা সবকিছুই তাই ইন্দ্রিয় বা সংবেদনসম্বন্ধী। ঐন্দ্রিয়ক। প্রকৃত-ভাব খানির অস্তিত্ব কোথায়?

আপনাকে আপনে যে জন জানে,
আপন আত্মাকে দেখেছে নয়নে।

সবে বলে আমি আমি,
আমি কে তা কেউ না জানে।


হ্যাঁ, আত্মা-পরমাত্মা/প্রকৃত ভাবখানির অস্তিত্ব কোথায়? কোনটা আমার আত্মপ্রকৃতি (Self) আর কোনটাই বা আমার চেতনা/অনুভূতি (Consciousness)? হাজার-হাজার বছর ধরেই মানব-জাতি তিতিব্যাস্ত দেহ-মন (body and mind), মায়া-বাস্তবতা (illusion and reality), বস্তু-আত্মা (substance and spirit) ইত্যাদির ভেদ-বিভেদ নিয়ে। হয়েছে মহা-তর্ক। রয়েছে অনেক মত-বিভেদ। সেই এরিষ্টোটল (De Anima লেখাটি উল্লেখযোগ্য) থেকে শুরু করে দেকার্ত (René Descartes), এবং হাল আমলের Jerry Fodor, Daniel Dennett এবং John Searle। আরও অনেকে। কার যেন উক্তি ছিলো যে – ‘এইসব ব্যাপার নিয়ে প্রচুর লেখা-লেখি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু জানার পরিমাণটা নিতান্তই নগণ্য।’ সবে বলে আমি আমি/আমি কে তা কেউ না জানে। জানলেই বা কি হতো! আর যেহেতু লেখালেখি হয়েই গেছে প্রচুর, তাই এই ব্লগীয় সীমাবদ্ধতায় সেই ধৃষ্টতা নাই দেখানো যাক, আপাততঃ।

তবে ইন্দ্রিয় বা সংবেদনসম্বন্ধী হলেও, সেই ‘রূপায়নের রূপায়ন’ বা ‘প্রতিরূপের প্রতিরূপ’ (representation of the representation) কি তবে একান্তই ব্যক্তিগত অনুভূতির সংমিশ্রণ? অন্য কেউ কি এটার হিস্যা হতে পারে? বুঝতে পারে, একই ভাবে? জংলী-অন্ধকারের ভেতর দিয়ে দৃশ্যমান ঐ গোলগাল চাঁদটা দেখামাত্রই যে বিচিত্র অনুভূতির জোয়ার পরিলক্ষিত হয় অথবা রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় লোভনীয় কাবাবের গন্ধ শুঁকে যেই বিচিত্র নান্দনিক স্মৃতি বা চিন্তার আকস্মিকতায় ঘুরপাক খেতে হয়, সেটা কি একান্তই নিজস্ব? স্ব-দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক? ‘তুমি আমায় কতটুকু ভালোবাসো/কতটুকু শ্রদ্ধা করো/কতটুকু ঘৃণা করো?’ – এইসব প্রশ্নেরও কোন উত্তর হতে পারে কি?




Qualia, (একবচন Quale) শব্দটি ল্যাটিন, যার মানে দাঁড়ায় “what sort” অথবা “what kind”। দর্শনে এই কথাটার দ্বারা সজ্ঞান/সচেতন অভিজ্ঞতার এক বৈশিষ্ঠ্যমূলক গুণ/অবস্থাকেই বোঝায় যা অবশ্যই মনোগত/মনঃকল্পিত। বাস্তব অভিজ্ঞতার স্বরূপে, ইহা এমন এক জিনিস যেটার ভেতর দিয়ে আমরা প্রতিনিয়তই যাওয়া-আসা করি। আমরা সবাই। তাই নামকরণটাই যা অপরিচিত হতে পারে, বিষয়বস্তু কিন্তু মোটেই নয়। একটা গোলাপ ফুলের গন্ধ, একটা লাল রঙ অথবা একটা ব্যথার অনুভূতি আমরা যেভাবে অনুভব করি/উপলব্ধি করি – এসব আসলে মানসিক অবস্থার একটা ‘what it is like’ প্রকৃতি। যে ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে, আমাদের সবারই একেবারেই স্বতন্ত্রভাবে ব্যাপারগুলো অনুভব করার ‘প্রবণতা’। ‘প্রবণতা’ না বলে আসলে বলা উচিত আমরা যেভাবে ‘অনুভব করি আর কি’ – সত্যিকার অর্থে কোন প্রকার নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই। আমেরিকান দার্শনিক Thomas Nagel তাই বলছেন যে, “An organism has conscious mental states if and only if there is something that it is to be that organism — something it is like for the organism.” খাইসে! মানে কি! তিনি আরও বলছেন, “Subjective aspect of the mind may not ever be sufficiently accounted for by the objective methods of reductionistic science”। সেই পুরানো কথা! ‘What is it like to be a bat?’ – নামক পেপারে Nagel বলছেন, “You’ll never know what it’s like to be a bat”। এটা বাঁদুড়ের রাডার পদ্ধতির Qualia এবং তার সাথে তৎসংলগ্ন বাঁদুড়ের সামগ্রিক মানসিক-জীবনব্যবস্থা যেটা মনুষ্য-মাত্রই অনুধাবন করা অসম্ভব। খুব ছোট করে Nagel এই চমৎকার কথাটাই বলছেন। একই ব্যাপার ব্যক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, তবে এখানে ব্যাপারগুলো আরও জটিল অবশ্যই।

একটা ‘গোলাপ ফুলের গন্ধ’ আমাদের কাছে ‘শুধুই গোলাপ ফুলের গন্ধ’ নয়। একটা গোলাপ ফুলের গন্ধ আমাদের চেতন মনে একসাথে অনেক কিছুর সম্ভাবনা নিয়ে আসে। সম্ভাবনাগুলো এক অর্থে অসীম (!)। হতে পারে সুন্দর ঘ্রাণের অনুভূতি (কিন্তু সেটাই ‘গোলাপ’ নয়), হতে পারে রঙ, হতে পারে ছোট বেলার এই ফুল-জড়ানো কিছু স্মৃতির ঝলক, হতে পারে গোলাপ মুখে রোমিও’র জুলিয়েটের বারান্দায় উঠার প্রস্তুতির এক অনর্থক মুহূর্ত, হতে পারে কোন এক সময় কোন বিয়েবাড়ির টেবিলের উপর রাখা কোন এক ফুলদানির মাঝে এক গোলাপের উপস্থিতির মুহূর্ত, হতে পারে ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে যাওয়া মুহূর্তে এক ছন্নছাড়া কিশোরীর হাতে সজীব গোলাপের উপস্থিতি, ইত্যাদি এবং অসীম। তাই একটা ‘গোলাপ ফুলের গন্ধ’ আমাদের কাছে ‘শুধুই গোলাপ ফুলের গন্ধ’ নয়। এবং তারপরও, এই গোলাপ Qualia প্রত্যেকটি স্বতন্ত্র ব্যক্তির কাছেই স্বতন্ত্র। সামগ্রিকভাবে তাই আমি কখনই কাউকে বোঝাতে পারবো না একটা ‘সাধারণ গোলাপের ঘ্রাণ’ আমার কাছে আদৌ কেমন। এটা সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য।

কিন্তু....হ্যাঁ, কিন্তু থাকে তারপরও।

American Center for Brain and Cognition এর ডিরেক্টর এবং নিউরোলজিষ্ট Vilayanur Subramanian "Rama" Ramachandran এর মতটা কিন্তু আবার ভিন্ন। দেখা যাক তিনি কি বলতে চান। তিনি আমাজন জঙ্গলের এক ইলেকট্রিক-ফিশ (তড়িৎ-মাছ!) নিয়ে একটা thought experiment করলেন। ধরে নিলেন সেই ইলেকট্রিক-ফিশ খুবই বুদ্ধিমান্‌ (হয়তো আমাদের মতই intelligent আর sophisticated!)। কিন্তু তার এমন এক ক্ষমতা আছে, যেটা আমাদের নাই – ইলেকট্রিক্যাল ফিল্ড অনুভব বা সেন্স করার ক্ষমতা, যেটা হয়তোবা মাছটি তার চামড়ার কোন বিশেষ অংশ দিয়েই অনুভব করে। তো, এখন আমরা তো হচ্ছি বুদ্ধিমান্‌! আমরা যদি এখন ঐ মাছটার নিউরোফিজিওলজী সম্পর্কে বিস্তর পড়াশোনা করি এবং শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে আসি যে মাছটার শরীরের ঐ ইলেকট্রিক-অংশ এইভাবে ইলেকট্রিক্যাল-কারেন্ট transduce করছে, এটা এইভাবেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যাচ্ছে, মস্তিষ্কের কোন অংশ এটা এ্যানালাইজ করছে, সেইখান থেকে পাওয়া সব তথ্য দিয়ে কিভাবেই না সেই মাছটি শত্রুকে ধোঁকা দিচ্ছে অথবা শিকার করছে, ইত্যাদি ইত্যাদি – তবে কি আমরা জেনে গেলাম ঐ মাছটির ব্যাপারে সবকিছু? হুম! ঐ মাছটা যদি শুধু কথা বলতে পারতো, সে হয়তো বলে উঠতো, “হে ভাই ও বোনেরা, তোমরা তো সবকিছুই জানলে ও বুঝলে। কিন্তু তোমরা তো এটা কখনই বুঝতে পারবে না যে ইলেক্ট্রিসিটি ‘অনুভব’ করতে আসলে কেমন লাগে!”

Qualia নিয়ে তিনটি বেশ self explanatory বিধানও রামচন্দ্র দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এটা Three Laws of Qualia নামেই পরিচিত। এগুলো হচ্ছে,

First, qualia are irrevocable: I cannot simply decide to start seeing the sunset as green, or feel pain as if it were an itch.

Second, qualia do not always produce the same behaviour: given a set of qualia, we can choose from a potentially infinite set of possible behaviours to execute.

Third, qualia endure in short-term memory, as opposed to non-conscious brain states involved in the on-line guidance of behaviour in real time.


ফিরে আসছি ঐ ইলেকট্রিক-মাছটির কথায়। হ্যাঁ, মাছটির ঐরকম দম্ভ সহকারের মন্তব্যের সাথে রামচন্দ্র একমত পোষণ করেননি। তিনি শুধু মনে করেন, ব্যক্তি মানুষের ঐসব একান্ত অভিজ্ঞতার মাঝে যেই সূক্ষ্ম পর্দা বা প্রতিবন্ধক আছে, এটা শুধুই epistemological বা জ্ঞানের/দর্শনের/তথ্যের প্রতিবন্ধকতা। হ্যাঁ, তিনি মনে করেন, হাজার হাজার বছরের সেই বস্তু-আত্মা-মন ইত্যাদির মাঝে পার্থক্যের যে অনতিক্রম্য উলম্ব-দেয়াল সেটা আসলে আপাতদৃষ্টিতে প্রতীয়মান মনে হয়। আর এটার উৎপত্তির একমাত্র কারণ আর কিছুই নয়, ভাষা (Language)! তিনি বলছেন এই ভাষার প্রতিবন্ধকতার জন্যই আমরা আমাদের অনুভূতিগুলো রূপায়িত বা interpret করতে পারি না। অনুভূতিগুলোর মূল ভাবখানি ট্রান্সলেশনেই হারিয়ে যায়! তাই ব্রোকা’স এরিয়া বাদ দিয়ে আমরা যদি সরাসরি নিউরন কানেক্টিভিটির মাধ্যমে (by using a bridge of neurons) তোমার আমার নিউরনগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারি, তাহলেই কেল্লা ফতে! আমরা বুঝতে পারবো একে অপরের Qualia! আর নয় বুঝতে ও বোঝাতে না পারার সীমাবদ্ধতা, আর নয় ভুল বোঝাবুঝি, আর নয় তোমার অপার রহস্য! তোমার সব কিছুই আমার কাছে উন্মুক্ত! হাহ্‌! ধন্যবাদ হে আশাবাদী ও মেধাবী রামা!







Everyone wants to understand art. Why not try to understand the songs of a bird? Why does one love the night, flowers, everything around one, without try to understand them?

- Picasso


সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২২
৩৬টি মন্তব্য ৩৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×