somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শীতের তুল্যমূল্য আর একটি সত্তা ...

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







বিড়াল

আমি তখন হাঁটছিলাম আর
দেয়ালের দিকে তাকাচ্ছিলাম
ঠিক বাইরের নয়, ভেতরের দিক
থেকেই দেয়ালের টানা
পরিধির দিকে দৃকপাত।

যদিও ওরা আজ নেই
তবুও শিশুতোষ ইচ্ছার ভার
চোখে উঠছে নামছে।
তখনই ও এলো।
সেই চোরা চাহনি আর
এক্কেবারে চোখাচোখি
দৃষ্টির মূল্য ক্ষণিকের জন্য স্থির-অপলক
একটা সম্মোহনী আবেশ ছেয়ে গেল
এই দ্বিপ্রহরে।

ও চলে যাচ্ছে,লেজ উঁচিয়ে,
ঘাড় ঘুরিয়ে সে কি একবার তাকাবে?
চোখ থেকে এই চোখে?

শাদাকালো মিলিয়ে যাচ্ছে দেয়াল ছাড়িয়ে

দেখবো, ছায়ার আকারে আবারও সে আসছে
ঘন হয়ে রাত্রি হয়ে,
দেয়াল থেকে দেয়ালে হাঁটবে আর
চোখ দুটো জ্বলবে।

- আহমেদ নকীব


Self

I was strolling then and
Was glancing erratically at the wall,
Not from outside, but from within
The encompassing rampart.

Though nonexistent they are,
Yet the burden of the puerile desire
Showing relentlessly in my eyes.

Subsequently it appeared

That cautious look and
Unyielding staring gaze
Mesmerized for a while
At this late night instance.

It’s departing, levitating its appendage
Will it even look back once?
Eye to eye?

Silhouette disappearing on the wall

Will witness time and again, the return of the phantasm
Intensified and benighted,
Wandering amongst the walls with
Incandescent eyes.





শীতের তুল্যমূল্য

আর এই দালানগুলো শীতের হৃদয় ধারন করে
এক একটা অতিকায় শীত হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছে,
কুয়াশায় জমাট বাধা দালানের হাত-পা, ওদের
কাচগুলো সব যেন বরফের চাঁই - গ’লে গ’লে পড়ছে,
আমরা আরেকটা দালানের ছাদে দাঁড়িয়ে এতসব দেখছি -
সেও এক শীতের কুন্ড।

আমরা ডগমগ ক’রে
শীতের সৌন্দর্যের তারিফ করছি,
পকেটে ঢোকানো হাত, শীতের তুল্যমূল্য
জামাকাপড় সব আঁকড়ে ধরছি

দালানের গোড়ায়, অনেক অনেক নিচে,
পোকামাকড়ের তালে হাঁটছে মানুষ,
ওদের শীত এসেছে পায়ের তলায়,
মাটির সমীপে গেঁথে আছে, পদে-পদে;

আর এই দালানগুলো শীতের হৃদয় ধারন করে
এক একটা অতিকায় শীত হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছে।

- আহমেদ নকীব


Equivalence of winter

And these edifices bearing the essence of winter
Are standing resembling winter itself.
Coagulated mist, their limbs have become of, and their
Panes are like clod of ice – melting down,
We are observing these, standing on another building top-
A pit of winter itself as well.

We are overwhelmingly
Gushing over the grandeur of winter,
Putting our hands into the pockets,
Grasping the winter alike garments.

At the bottom of the edifice, far below,
Moving rhythmically like insects are humans,
Frosty sensation in their feet,
Strung adjacent to the mud, at every step…

And these edifices bearing the essence of winter,
Are standing resembling winter itself.






বছরখানেক পূর্বের এক সুদূর অনুপ্রেরণা - ইমন জুবায়ের
ইংরেজী অনুবাদ - আকাশ অম্বর
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
১৪টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×