আমার প্রিয় পোস্ট

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন।

কঠিন বাস্তবতা (আমার মৃত্যু ভাবনা)...

০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:১৮

শেয়ারঃ
0 1 0

মাঝে মাঝে বিচিত্র সব চিন্তা মাথায় ভীড় করে।

আমাদের এত সব ব্যস্ততা কিসের জন্য? জীবনটা আর কতদিনই বা টিকবে? ৬০/৭০ বছর থেকে বড়জোর ১০০ বছর? সাধারণত একজন মানুষের গড় আয়ু ৬০ বছর ধরা হয়।

তারমানে কারও বয়স ২০/৩০ হলে সামনে আরও ৩০/৪০ বছর সে হিসাব করে। এই ৩০/৪০ বছর-এর প্রথম ১০-২০ বছর সে কঠোর পরিশ্রম করে বাকি ১০ বছর যাতে সুখে শান্তিতে কাটানো যায়।

আচ্ছা, বাকি ১০ বছর পর কি হবে? আমরা কি একটু ভাবতে পারি না?

আমরা মুসলমানরা পরকালে বিশ্বাসী। তারমানে আমাদেরকে আবার জীবিত করা হবে। তারপর? আমাদের সব কাজের হিসাব নেওয়া হবে। এর মানে কি? শুধু জিজ্ঞেস করেই ছেড়ে দিবে? নিশ্চয় নয়। দুনিয়ার কাজের জন্য পুরস্কার এবং তিরষ্কার দুটাই আল্লাহ রেডী করে রেখেছেন।

আচ্ছা, পরকালের জীবনটা কতদিনের হবে? ১০? ৩০? ৬০? ১০০? ১০০০? ২০০০০? কত বছর? আখিরাত (পরকাল) হলো সেই জিনিস যার শুরু আছে কিন্তু তার শেষের ব্যাপারে বিশ্ব জাহান নীরব। কোথাও এর শেষের ব্যাপারে কিচ্ছু বলা নেই।

তাহলে, আমরা ৩০-৬০ বছরের জীবনের জন্য কী পরামাণ কষ্ট সাধনা করি? আর এই অনন্ত অসীম জীবণের জন্য কী পরিমান কষ্ট করি? আমরা কি বোকা নই?

যারা আখিরাত বিশ্বাস করেন না, তাদেরকে বলি, আখিরাত যদি না থাকে, তাহলে তো আর কিচ্ছু হলো না। আপনারাও বেঁচে গেলেন, আমরা ও বেঁচে গেলাম। কিন্তু একবার চিন্তা করুণ তো আসলেই যদি আখিরাত থেকে থাকে তাহলে? তখন যারা আখিরাতের জন্য কাজ করবে তারা তো বেঁচে যাবে। কিন্তু যারা এটাকে অবহেলা করেছে তখন তাদের কি হবে?

আরেকটা কথা, আপনি কতদিন বাঁচবেন তা কিন্তু আপনি জানেন না। আগামিকলটা আপনার জন্য নিশ্চিত নয়। আগামীকাল কেন? আগামী ঘন্টায়ও আমরা দুনিয়ার হাওয়া নিতে পারব কিনা সে ব্যাপারেও আমরা নিশ্চিত নই।

আচ্ছা, আমরা কি মৃত্যুর পরের জীবনটা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত আছি? এখন আমি আমার জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে একটা গাড়ি যে আমাকে চাপা দিবে না, তার নিশ্চয়তা কে দিবে?

আখিরাতে শাস্তি পেয়ে অপরাধীরা আর্তনাদ করতে থাকবে, আমাকে আরেকবার দুনিয়ায় ফিরে যেতে দেওয়া হোক, তাহলে সারা জীবনটাই তোমার ইবাদত করেই কাটিয়ে দিব।

আসলে কি তাই? মানুষ সুযোগ পেলে আবার সব ভুলে যায়। আচ্ছা, আপনাকে যদি আখিরাতের পর আবার ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আপনি জীবনটা কিভাবে কাটাতেন?

মনে করুন আপনার দ্বিতীয় জীবন এখন থেকে শুরু হলো....

 

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৩১
অমিত বলেছেন: what a pile of crap[/Bswjk..১ বছরের লক্ষ্যহীন জীবন কতখানি বোরিং হতে পারে একবার ভেবে দেখেছেন ??? আর সেখানে অনন্তকাল জান্নাতের লক্ষ্যহীন জীবন ?? মাফ করেন ভাই, আমি দোযখেই যাব..ঐখানে আর কিছু না হোক, একটা লক্ষ্য তো থাকবে..
৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৩৩
আপনি মানুষ না আওয়ামীলিগ? বলেছেন: 'বাল' এর জন্য দোজখই সই। হাসি(না) আফাও তো দোজখে যাইবো। যেই মিথ্যাকতা কয়। নেত্রীর পেছন পেছন চামচারা চলে। যান অমিত। জাহান্নামেই যান।
৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৩৮
অমিত বলেছেন: কি এর লগে কি ?? @বাল
দোযখ থেকে বের হওয়া@ সমুদ্রের ...
৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৩৯
অমিত বলেছেন: আঙ্গুল না দিলে কি হয় না ???@আপনি মানুষ না আওয়ামীলিগ?
৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৪৫
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: এই তো অমিত ভাই লাইনে আসলেন, দোযখ থেকে বের হওয়ার চিন্তাটা দোযখে গিয়েই কেন করতে হবে? আর দোযখ থেকে বের হয়ে আবার সেই লক্ষ্যহীন জান্নাতে যাওয়ার ইচ্ছা কেন?
৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৪৬
আপনি মানুষ না আওয়ামীলিগ? বলেছেন: তাইলে তো আমাকে বুশ মামা আর হিটলার দাদুও বাইর অইয়া যাইবো। ক্যমতে কি?
১০. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৫১
অমিত বলেছেন: ভাইরে এই "তর্কে" যাওয়ার থেইকা ২ রাকাত নফল নামাজ পড়া ভাল..আমিও তোমারে কনভিন্স করতে পারুম না, তুমিও আমারে না..কি দরকার..দোযখ থেইকা বাইর হওনের চিন্তা এখন করুম ক্যান, আগে তো ঢুকি..
১১. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৩
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: তাইতো!! অমিত, দোযখ থেকে বের হওয়ার জন্য আপনি কি কি পন্থা অবলম্বন করবেন? একটু জানাবেন কি?
১২. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৪
অমিত বলেছেন: আইচ্ছা..আমিও আফনেরে একটা ছোট প্রশ্ন জিগাই..এইযে এত নামাজ কালাম পড়তাসেন, দিনে অসংখ্যবার আল্লাহ-র নাম নিতাসেন, ক্যান ??
১৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৪
অমিত বলেছেন: আফনি আমারে কন দোযখ কেমন হবে, তারপর আফনেরে কই..
১৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৫
অমিত বলেছেন: অমুসলিমরাও কি দোযখে যাবে ???@আপনি মানুষ না আওয়ামীলিগ?
১৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:০৩
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: আমি পরকালে বিশ্বাসী। এবং আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে জান্নাত জাহান্নাম দুইটাই আছে। আপনার মতো আমার এত সাহস নাই। আমি আল্লাহকে ভয় করি। সে জন্যই নামাজ পড়ি।

আর আপনি যদি এগুলো বিশ্বাস না করে থাকেন তাহলে ১০ নং প্যারাটা পড়েন।
১৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:০৭
অমিত বলেছেন: কিসু মনে না করলে আফনেরে একটা থট এক্সপেরিমেন্ট করতে কই..ধরেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আছেন, কিন্তু পরকাল বলে কিছুই নাই..কর্মফল বলেও কিছু নাই..এরম যদি হয় অবস্থা, তাইলে কি আফনে এত নামাজ কালাম পড়তেন ?? আপনি নিজেই কিন্তু একটু আগে কইলেন নামাজ পড়েন ভয় থেইকা..
১৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:১০
অমিত বলেছেন: আসলে তর্কটা কই যাইতাসে সেইটা মনে হ্য় ধরবার পারসি..বাদ দেন...ভ্য়টয় না, ভালবাইসা নামাজ পড়েন..আর আমগো মত পাপিতাপি গো লাইগা একটু দোয়া পইড়েন..
১৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:১০
অমিত বলেছেন: ভাল থাইকেন...আসসালামু আলাইকুম..
১৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:১৪
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: অমিত, ওয়ালাইকুমুস্সালাম। আপনার জন্য দোয়া রইলো। আল্লাহ আপনাকে সহজে বুঝার তৌফিক দিন।
২০. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:১৬
অমিত বলেছেন: যা তৌফিক ছিল সব আপনারাই নিয়া নিসেন, আমরা সব বদনসিব বান্দা...
২১. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:২০
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: ধূর ভাই, কিসব বলেন! চিন্তা কইরেন না। তৌফিকের কোন অভাব নাই। আপনিও পাবেন। ইনশাআল্লাহ।
২২. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৯
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: [আমরা মুসলমানরা পরকালে বিশ্বাসী। তারমানে আমাদেরকে আবার জীবিত করা হবে। তারপর? আমাদের সব কাজের হিসাব নেওয়া হবে। ... যারা আখিরাত বিশ্বাস করেন না, তাদেরকে বলি, আখিরাত যদি না থাকে, তাহলে তো আর কিচ্ছু হলো না। আপনারাও বেঁচে গেলেন, আমরা ও বেঁচে গেলাম। কিন্তু একবার চিন্তা করুণ তো আসলেই যদি আখিরাত থেকে থাকে তাহলে.....]

উত্তর:
১) আপনে ধৈরাই লৈলেন ক্যান আপনে মুসলিম, আপনে আখিরাতে বিশ্বাস করেন বৈলা আপনে দোজখের আগুন এড়াইবেন, আর যারা আপনের গডের কনসেপ্টে বিশ্বাসী না, তারা হগোলেই দোজখে যাইব? আপনের ধর্মটাই যে একমাত্র সত্য ধর্ম তা কি আপনে প্রমান করছেন?

২) এই দুনিয়ায় হাজার হাজার ধর্ম আছে। একেক ধর্মের গডের কনসেপ্ট একেক পদের। অনেক ধর্মে আখিরাতের কনসেপ্টই নাই। যেমন বৌদ্ধ ধর্ম। আবার হিন্দু ধর্মে আছে আখিরাতের বদলে "পুনর্জন্মের" কনসেপ্ট। কাজেই আপনের আল্লাহর বদলে হিনদু গড আসল গড হৈলে আপনে আখিরাতে বিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও দোজখে (নরকে) পুড়বেন। খ্রীস্তান গড আসোল গড হৈলেও আপনের ক্ষেত্রে একৈ ব্যাপার ঘটব।

৩) আপনে ধৈরাই লৈছেন যে, যে ব্যাডা আখিরাতে বিশ্বাস কোরে, হেই ব্যাডারেই গড বেহেসতে পাডাইব। আর আখিরাতে বিশ্বাস না করলে গড দোজখে পোড়াইব। তাইলে কি ভালা বা খারাপ কামের কওন মুল্য নাই, খালি পরকালে বিশ্বাস কোরি কি না করি হেইডা দিয়াই বেহেসত-দোজখ নির্ধারিত হৈব? হেইডা কেমন সুবিচার? হেই বিচারক কেমন গড? আপনেই কন! আসল গড ত এমন না হওনেরি কথা। আপনের লেখায় আসোলে মামদো ভুতের মোত গড আর দোজখ লৈয়া ভয় দেখাইছেন বাচচা পোলাপাইনের লাহান। দেখেন চিন্তা কৈরা।

আপনের লেখায় আরো দুর্বলতা আছে। সবগুলা আমি কৈতে পারলাম না এখানে। আপনে একটু কষ্ট কৈরা অভিজিত রায়ের প্যাসকালের ওয়েজারডা পৈড়া লন।
২৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:২৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সমস্যাটা এক জায়গায়- সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে কি নেই। এটার সল্যুশন হলে বাকী সবটার সল্যুশন হয়।

বর্তমান এই সাইন্সের যুগে স্রষ্টার অস্তিত্ব আছে কি নেই তা জানতে খুব বেশি জ্ঞান থাকার প্রয়োজন নেই।
আগে মানুষ পৃথিবীর বাইরে কিছু জানত না। এখন অনেক কিছুই জানে। মহাশুন্যে পৃথিবীর অবস্থান খুবই ছোট, এর উপর যাবতীয় যা কিছু আছে তার সব কিছুকেই সে কেন্দ্রের দিকে টানে। নির্দিষ্ট দুরে গেলে তা আর থাকে না। অনেক শক্তিশালী বলের টানে পৃথিবী ঘুরছে নিজের অক্ষের উপর ও সূর্যের চারপাশে। চতুর্দিকে শুধু মহাশক্তির খেলা। এ শক্তিগুলোর নিয়ন্ত্রণ আপনা থেকেই হচ্ছে? বিবেক কি বলে?
দুনিয়ার অভিজ্ঞতা আমাদেরকে বলে যে, nothing can be done from nothing
যেহেতু product আছে সেহেতু তার producerঅবশ্যই আছে........ এটাই হচ্ছে যুক্তির দাবী। সৃষ্টিকর্তার সন্ধান না পেলেই ভীষণ অবাক হতাম।
২৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৪৩
অমিত বলেছেন: যু.ক্ত@ পোলাডারে ছাইড়া দ্যান..
মাহমুদ রহমান@ ভাই বিশ্বাস করতাসেন করেন..বেহুদা সাইন্স, লজিক টানেন ক্যান। বিবেক দিয়া কি কিসু প্রমাণ করন যায় ?? যে লজিক দিয়া আপনি প্রমাণ করবেন ঈশ্বর আছেন, তার থেইকা ১০০ গুণ জোরালো লজিক দিয়া প্রমাণ করন যাইব যে তিনি নাই..প্রমাণ করতে পারলে কি ধর্মকর্ম ছাইড়া দিবেন ?? এই ব্লগের লেখকের কথা আমার ভাল লাগসে..উনি সহজ কথায় কইসেন যে উনি ভয় পান..এর উপর তো কথা নাই..তয় আপনার বক্তব্য পইড়া মনে হইল যে আপনি লজিক দিয়া এইসব মানেন..তা আপনার লজিক যদি ভুল প্রমাণ করতে পারি তাইলে কি আপনে এসব ছাইড়া দিবেন ?? এককাজ করেন, "ঈশ্বরের অসাধ্য কিছু নাই"-কথাটা নিয়া একটু চিন্তা ভাবনা করেন...
২৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৪৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি মানি, লজিক এবং সাইন্স আমার এই মানাকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।

যুক্তি দেয়া যাবে দেন, মানা করছি?
২৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:০০
অমিত বলেছেন: একটা প্রাইমারি হইয়া যাক..আমার আগের মন্তব্যের শেষ লাইনে কোটেশনের মধ্যে থাকা বাক্যটা ঠিক না ভুল ???
২৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:০৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: প্রশ্নটাই অবান্তর, প্রভুর ডেফিনেশন জানেন তো........ উদ্দেশ্য প্যঁচানো, সেটাতো পরিস্কারই বুঝতে পারছি।
২৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:১০
অমিত বলেছেন: লে হালুয়া, বাঘ ভাইবা ব্যাঙ !!! হ আপনিই ঠিক, আমিই ভুল..(?)
২৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:১৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: মানে?...... আমি সবসময়ই ঠিক আছি।
৩২. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:২৪
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: আবাল মাহমুদ রহমান


Who is producrer of the producer himself? If we understand your logic has to have a producer. Assuming that premise is true, who is the creator of the producer? It becomes a circular argument my boy? Does not it
৩৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার প্রশ্নটাও অবান্তর@ আইজুউদ্দিন

ধরলাম সৃষ্টিকর্তার একজন সৃষ্টিকর্তা আছে...... পরের প্রশ্ন কি? তার সৃষ্টিকর্তা কে? এভাবে ইনফিনিটি লুপ চলবে.......

এবার মনে করুন, আপনি একটা পোষাক বানাবেন। কাপড় নিয়ে মার্কেটে গেলেন। একজন দর্জিকে বললেন, সে রাজী হল না অন্যজনকে দেখিয়ে দিল। সেখানে গেলেন তারও একই জবাব। চলতে থাকল ইনফিনিটি লুপ। প্রোডাক্ট হিসাবে আপনার পোষাক তৈরি হবে? হবে না।

ঠিক সেরকম । স্রষ্টার স্রষ্টা- এই লুপ চলতে থাকলে, প্রোডাক্ট হিসাবে শুধু মানুষ কেন কোন কিছুরই অস্তিত্ত থাকত না।
৩৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪৪
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: That is it my friend, Since it is circular argument you answered your own question. Since a creator has to have a creator as your said, there is no such this as creatorThat is it my friend, Since it is circular argument you answered your own question. Since a creator has to have a creator as your said, there is no such this as creator
৩৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৪
অমিত বলেছেন: তাইলে তো তোমার লজিক ক্য় যেহেতু একের বেশী দর্জি আছে তাহলে একের বেশি ঈশ্বর আছে ??
৩৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৬
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: একের বেশি ঈশ্বর যদি মাইনা লয় তাইলে কিন্তুক ইসলাম দরা, খীয়াল কইরা
৩৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: এই জন্যই তো উনি এমন যার কোন তুলনা নাই। তিনিই শেষ তিনিই শুরু। তিনি না থাকলে আমরা থাকি কিভাবে?

বল আল্লাহ এক, অদ্বিতীয়।
আল্লাহ সবকিছু থেকে মুখাপেক্ষীহীন- সবই তাঁর মুখাপেক্ষী।
না তাঁর কোন সন্তান আছে, আর না তিনি কারও সন্তান।
এবং কোন কিছুই তার মত (সমতুল্য) নয়।
(সুরা ইখলাস)
৩৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:০০
মাহমুদ রহমান বলেছেন: অমিত বুঝেন নাই? আরেকবার পড়ুন আমার মন্তব্য।
৩৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: মাহমুদ রহমান উনি আইল কইতেকা একবার কইটাসেন প্রডাক্ট তাকলে প্রডিউসার তাকব আরেকবার কইটাসেন নাই? খোনটা ঠিক!
৪০. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: মাহমুদ রহমান উনি আইল কইতেকা একবার কইটাসেন প্রডাক্ট তাকলে প্রডিউসার তাকব আরেকবার কইটাসেন নাই? খোনটা ঠিক!
৪১. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:০৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: শুরুটাই তো উনার থেকে, একটা জায়গা থেকে তো শুরু হতেই হবে। বললামই তো উনি এমন যার তুলনা হতে পারে এমন কিছুই নেই।
৪২. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১২
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: হা হা তোমার যুক্তি নাই তাই আবার উল্টাইলা। পড়াসুনা কতদূর, ছোট ভাই? আরেকটু পড়েন
৪৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৫
অমিত বলেছেন: ভাইয়া, আমি তো কইসি তুমি ঠিক আমি ভুল..তাও মিছে খুনসুটি ?? তাইলে কই, তিনি না থাকলে আমরা থাকি কিভাবে?- তোমার এই প্রশ্ন অবান্তর..মানুষ কুকুর অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ, কিন্তু কুকুরের অস্তিত্ব মানুষের অস্তিত্বের উপর নির্ভরশীল না..তুমি আমার প্রথম প্রশ্নটাকে বলেছ অবান্তর..এইটা কিন্তু ঠিক না যে তুমি জান না, তার মানে এইটা না যে ব্যাপারটা নাই..সর্বশক্তিমান, কথাটা একটা ভুল ধারণা, কারণ কথাটা একটা ইনফিনিট লুপের সৃষ্টি করে...আসল কথা হইল, তোমার লগে তর্ক কইরা জমতেসে না..তোমার প্রশ্ন পছন্দ না হলে তুমি কইতাস অবান্তর !!! তুমি দর্জি নিয়া একটা উদাহরণ দিলা, সেই একই লজিক তোমার কইলে তুমি কইলা যে এইটা তার বেলায় খাটে না..এক খেলার দুই নিয়ম হইলে চলে ??
৪৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৭
অমিত বলেছেন: এই যে তুমি কইলা উনার থেকে শুরু, আবার একটু আগে কইলা প্রডাক্ট মানেই প্রডিউসার থাকবো...আবারো কইতাসি বিশ্বাস করবা কর, কেউ তোমারে না করে নাই..তয় লজিক নিয়ে আইস না..
৪৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:২১
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: দুনিয়ার অভিজ্ঞতা আমাদেরকে বলে যে, nothing can be done from nothing
যেহেতু product আছে সেহেতু তার producerঅবশ্যই আছে........

এইডা কুযুক্তি। nothing can be created from nothing - এইডা অনেক অনেককাল আগে লুক্রিতাস কৈছিল। ঐডা নিউটোনিয়ান পদার্থবিজ্ঞানের জন্য ঠিক আছে। লুক্রিতাস যখন ঐডা কৈছিল তখনও কোয়াণটাম মেকানিকসের জনম হ্য় নাই। কোয়াণটাম ফিজিকস খুব ভালা মতৈ দেখাইছে যে ভার্চুয়াল পার্টিকেল হাইজেনবার্গের আনসারটিনিটি প্রিনসিপাল মাইনা শুন্য থেইকা উতপন্ন হয়। আমার কথা বিশ্বাস না হৈলে এই লিনকটা পৈড়া দেহেন

আর তা ছাড়া প্রোডাক্ট থাকলেই প্রডিউসার থাকব, এই কথাডাও পুরা সত্যি না। আকাশের রংধনুডার কথাডাই ধরেন, এইডা কোন প্রোডিউসারের কেরামতিতে তৈরি হ্য় নাই, হৈছে ফিজিকসের কতগুলান নিষ্প্রান ল মাইন্যা!

আর তাছারা সব কিছুর পিছনেই প্রোডিউসার আছে কৈয়া ফাল পাইরা গড এর কাছে গিয়া থাইমা জাইতাছেন কেলা? আপনের কওয়া নিয়ম তো আপনেই ভাংতাছেন!!!!
৪৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:২২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: অমিত আপনার কথা আমি বুঝতেছি না । হয়ত , দর্জির উদাহরণটা বুঝেন নাই ।

আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন, নাই থেকে কোন কিছুর সৃ ষ্টি হতে দেখেছেন? আপনাদের দর্শনে এটার ব্যাখ্যা কি ?
৪৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:২৫
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: বিগ বাঙের আগে কি ছিল আবাল মাহমুদ।

৫০. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩০
কেমিকেল আলী বলেছেন: হাইজিন বার্গের আনসারটেইনিটি প্রিনসিপাল, ভাইরে ভাই, এইডা বানান কইরা লিখতেই আমার ৩০ মিনিট গেছে গা, আর এই থিওরী পড়তে দিলে হাইগা দিমু!!
মাফ করা যায় না আঈজু?
৫১. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩২
কেমিকেল আলী বলেছেন: নাই থেকে হয় ঘূর্নিঝড়, ক্লিয়ার না ব্যাখ্যা দরকার আছে?
৫২. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩২
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: মাহমুদ রহমান কতা বড়ই ছাগলীয় আ্যাট টাইমষ
৫৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: হাইজেনবার্গের আনসারটেইনটি প্রিন্সিপাল দিয়ে এই প্রমাণ যথেষ্ট বলে মনে হয় না। এটা প্রোবাবিলিটি। একটা নির্দিষ্ট স্থানে থাকার সম্ভাব্যতা কতটুকু সেটাই বের করে। আমার কাছে মনে হয়েছে এটা এমন একটা থিয়রি যার প্রকৃত অবস্থা আমরা বুঝতে পারি না। অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি।
৫৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৪৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার রং ধনুর উদাহরণটা চমৎকার বটে! সবকিছুই তো নিয়মের অধীন, নিয়মটা বেঁধে দিয়েছে কে?
আমি একটা সিস্টেম দাঁড় করালাম। বহু মেকানিজমের মাধ্যমে শেষে একটা আউটপুট পেলাম। জাস্ট একটা সুইচ টিপব, এখান থেকে ওখানে, ঔখান থেকে সেখানে এভাবে শেষে একটা আউটপুট পাব । কেউ যদি বলে যে কতগুলো নিয়মের মাধ্যমেই কেবল এগুলো হচ্ছে তখন আমার কেমন লাগবে? তাকে কি বলব, তুমি মিথ্যা বলেছ?
৫৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫২
অমিত বলেছেন: "অমিত আপনার কথা আমি বুঝতেছি না । হয়ত , দর্জির উদাহরণটা বুঝেন নাই ।
আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন, নাই থেকে কোন কিছুর সৃ ষ্টি হতে দেখেছেন? আপনাদের দর্শনে এটার ব্যাখ্যা কি ? "-যেহেতু আমি জানি না,তার মানে এই না যে একটা ব্যাপারের কোন ব্যাখ্যা নাই ...আর তাছারা সব কিছুর পিছনেই প্রোডিউসার আছে কৈয়া ফাল পাইরা গড এর কাছে গিয়া থাইমা জাইতাছেন কেলা? আপনের কওয়া নিয়ম তো আপনেই ভাংতাছেন!!!!

৫৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৬
এস্কিমো বলেছেন: অনেক্ষন যাবত পড়ছিলাম, আর ধৈর্য্য ধরতে না পেরে নাকটা গলালাম।

একটা প্রশ্ন - সবার জন্য - যারা বিতর্কটা চালাচ্ছেন।
এই পর্যন্ত কি একজনও আস্তিককে দেখেছেন কোন নাস্তিকের কথায় বা যুক্তিতে অভিভূত হয়ে নাস্তিক হয়েছে অথবা উল্টাটা?

যখন আস্তিক এবং নাস্তিকরা তর্ক করে তখন ক্রমাগত দু'জনই মৌলবাদের দিকে অগ্রসর হয়। এখানে একজনকে দেখলাম অভিজিত রায়ের লেখা পড়ার জন্যে পরামর্শ দিচ্ছেন। অভিজিত রায়টা কে? যতটুকু জানি উনি নাস্তিকদের মধ্যে একজন মৌলবাদী।
এখন প্রশ্ন হলো মৌলবাদী কে বলবো? যখন বিতর্কের যুক্তি ফুরিয়ে যায় - উনি তখন রেগে উঠে সিআইএর ভয় দেখান।

সুতরাং আসুন - নিজের বিশ্বাস নিয়ে থাকি - এবং সকল মৌলবাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকি।

শেষ কথাটা বলি - যখন একজন নাস্তিক আস্তিক হয় সেটা ঘটা করে ঘোষনা দিয়ে নিজের কৃতিত্ব দিয়েই হয়। ঠিক একই ভাবে আস্তিক নাস্তিক হলে সালমান রুশদীর মতো বই লেখে।

আসুনর বরঞ্চ সবাই মিলে রাজাকার ঠেংগাই!
৫৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৯
অমিত বলেছেন: এস্কিমো, ভাইরে ঠিক এই কথাটা আমি একদম শুরুতে বলেছিলাম..কতবার সবার কথা মাইনা নিলাম, তাও ডেখি জিগায়...
৫৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:০৭
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি কোনদিকে গেলেন, স্তিকনিরপেক্ষ? হা হা......

ইসলাম যে বিশ্বাস ছড়িয়েছে সেটাই বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিস্তৃতি লাভ করছে। বহু উদাহরণ দেয়া যাবে আস্তিক হওয়ার।
!@@!591431 !@@!591432 !@@!591433 !@@!591434 লেখক নিজেও একজন নওমুসলিম।
৬০. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:১৪
এস্কিমো বলেছেন: @অমিত, একদল মানুষ মনে করে তর্ক করে বা যুক্তি দিয়ে অন্যেকে স্বপক্ষে আনবে। আমি বাজী ধরে বলতে পারি - তর্ক বা যুক্তি শুধু যুক্তির জন্ম দেয় - যা মানুষকে নিজের বিশ্বাসের খোলসের ভিতর আটকে দেয়। একজন মানুষ যদি ধর্ম বিশ্বাস করে তাতে কি মহাভারত অসুদ্ধ হবে যে তাকে নাস্তিক বানাতে হবে, বা একজন অবিশ্বাসীকে আস্তিক বানানোর জন্যে তর্ক করার মধ্যে বুদ্ধি মানের চিহ্ন বহন করে না। কিছু মানুষকে দেখছি ব্লগে এসে ইসলাম প্রচার করার চেষ্টা করছে। হয়তো সেটাকে তারা তাদের কর্তব্য মনে করেন।

আবারো বলছি - মৌলবাদী শুধু ধর্ম বিশ্বাসীদের মধ্যে থাকে না - সেটা নাস্তিকদের মধ্যেই আছে।

মুসলমান হিসাবে ওয়াজিদের একটা কথা জানা থাকার কথা - "লাকুম দু নিকুম ওয়ালিয়াদ্বীন" - যার বিশ্বাস তার নিজের।

৬৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:১৯
বিজলীর খড়ি বলেছেন: পরকালের কনসেপ্ট বেসিকালি একটা বৈজ্ঞানিক কনসেপ্ট। এটা ছাড়া জগতের কোন কিছুরই হিসাব মিলে না।
৬৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:২২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: থ্যাঙ্কু এবরিবডি। এখন উঠি।
আসসালামু আলাইকুম।
৬৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:২৫
এস্কিমো বলেছেন: মানুষের সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে ধর্ম যেমন বিকশিত হয়েছে বা রূপান্তরিত হয়েছে তেমনি নাস্তিকতা যুক্তির বলে শক্তিশালী হয়েছে। তারপর আমরা আছি সবাই মিলে মিশে। যতক্ষন না একদল অন্যদলে পা মাড়িয়ে না দিচ্ছে ততক্ষন কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। যতদিন মানুষ আছে ততদিন ধর্ম এবং এর বিপক্ষে মতামত থাকবে। শুধু আমাদের শিখতে হবে কিভাবে মানুষ হিসাবে আমরা পরষ্পরের মতকে শ্রদ্ধা করতে পারি। আশা করি পারবো, কি বলেন। কিন্তু রাজাকারদের মানুষ হিসাবে গন্য করা যাবে না বলে যখন ওরা ধর্মের কথা বলতে আসবে তখন ওদের সাথে বিতর্ক না করে ঠেঙগাতে হবে।
৬৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:২৯
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: "আপনার রং ধনুর উদাহরণটা চমৎকার বটে! সবকিছুই তো নিয়মের অধীন, নিয়মটা বেঁধে দিয়েছে কে?"

হ আপনের লজিকে ত নিয়ম বাইন্ধ্যা দেওনের জন্য একজনই আছে, সেইডা গড! মাগার জখন একৈ নিয়মে বন্যা, খড়া, দুর্ভিক্ষে বা সুনামীতে হাজার হাজার শিশু আর নিরপরাধ মানুষ মৈরা যায় তখন আবার সেইডা গডের নিয়মে পড়ে না- কন স্রেফ ন্যাচারাল ক্যালামিটি।

তাইলে আপনের লোজিক আনু্যায়ী খাড়াইল কি?
১) সব কিছুর পিছেই কারণ আছে
২) মাগার গডের পিছে কোন কারণ নাই

অথবা:
১) সব কিছুর পিছেই প্রডিউসার আছে
২) মাগার গডের কোন প্রডিউসার নাই।

আপনেরে ক্যামনে বুঝাই যে, আপনের দুই নমৃর নিয়ম এক নমৃর নিয়মরে ভাংতাছে।

আর বাই দ্য ওয়ে, হাইজেনবারগের প্রিনসিপাল সমভাবনা, মাগার ভারচুয়াল পারটিকেল কোন সমভাবনা না, ঐডা প্রোডাক্ট। আর ঐডা উতপন্ন হৈছে শুন্য থেইকা। আগে বুঝেন আমি কি কৈতাছি। হের পরে জবাব দিয়েন।
৬৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৩
অমিত বলেছেন: জি জি ঠিকই বলেছেন..শুভেচ্ছা@বি.খড়ি
৬৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪
এস্কিমো বলেছেন: @ যুঞ্চিক্ত, আজ কমপক্ষে একজনকে নাস্তিক না বানিয়ে বোধ হয় ছাড়ছেন না। ভাই, নাস্তিক ভাইদের ভাত মারা গেছে সোভিয়েত পতনের সাথে সাথে - যে দুই চারজন তেলাপোকার মতো বেঁচে আছে - তাদের যুক্তি তর্কের বহর দেখলে মনে হয় এক একজন বুদ্ধির জাহাজ। সব টুকুইতো বলেন ধার দেনা করে এবং কেহ না কেহ সেটা বিশ্বাস করে লিখে গেছে। দয়া করে রাত দুপুরে ওয়াজ থামান।
৬৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪
অমিত বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাইয়া, ভাল থেক...
৭০. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৯
অমিত বলেছেন: এস্কিমো@ কি লাভ কন ?? একটু আগেই তো কইলেন..আপনার প্রত্যেক কথার বিপরীতে একের অধিক যুক্তি দেওয়া যায়, কিন্তু কি লাভ ???
৭১. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৯
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: এস্কিমো,
আইচছা আপনের কথায় মুল্য দিয়া থামতাছি।
মাগার এই থ্রেড ত আমি খুলি নাই।
আমি খালি আমার অভিমত প্রকাশ করছি। আপনে যেমন করতাছেন আপনের।
আর নাস্তিক হৈলেই কমিউনিস্ট বা সোভিয়েট হৈব নাকি? আমেরিকায় কি নাস্তিক নাই?
আর বাই দ্য ওয়ে, আমি ত কোথঅ কৈ নাই ্যে আমি নাস্তিক। কৈছি নাকি? আমি খালি কুযুক্তি খনডাইছি।



৭২. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৪০
এস্কিমো বলেছেন: এদিকে একজন নাস্তিক ভাই মনের আনন্দে ঝেড়ে যাচ্ছেন - অন্যদিকে দেখুন একদল ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের জন্য [wjsK=http://www.somewhereinblog.net/blog/skyshellblog/2870950ওয়াজ নসিয়ত করে দুনিয়া আর আখেরাতের ছোয়াব কামাই করছেন।

দুইদলই সমস্যার কারন। একটা আধুনিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে এই দুই দলই সমান সমস্যা।

ধন্যবাদ, অমিত - আমিও কেটে পড়ছি...
৭৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৪২
এস্কিমো বলেছেন: স্যারি লিংকটা ঠিকমতো হয়নি - দেখুন

ওয়াজ
৭৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫২
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: It is a farce to call any being virtuous whose virtues do not result from the exercise of its own reason. -- Mary Wollstonecraft


Question with boldness even the existence of God; because if there be one, He must approve the homage of Reason rather than that of blindfolded Fear. -- Thomas Jefferson

৭৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:১৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ''আপনের দুই নমৃর নিয়ম এক নমৃর নিয়মরে ভাংতাছে।''- এই জন্যই তো তিনি প্রভু।

আর তর্ক নয়, আমার কথাকে অগ্রহণযোগ্য মনে হলে হতে পারে, কিন্তু আপনাদের বিশ্বাসের কোন ভিত্তি নেই- সায়েন্টিফিক প্রুফ তো অবশ্যই নেয়। আছে শুধু প্রচারণা, এ ক্ষেত্রে সাইন্সকে ব্যবহার করছেন। যেটা ডারউইনের মতবাদকে নিয়ে অনেকদিন চলেছে।
৭৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:২০
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: তা ডারউইনের মতবাদ সায়েনস না, ত সায়েনস কোনডা? আদম হাওয়া ইবলিস আর গন্ধম ফল? হাসাইলেন ভাই।

বিশ্বাসের প্রভু কোলে লৈয়া থাকেন, মাগার লজিক কপচাইয়েন না।
৭৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: কেউ কেউ জানেনা ,কার সাথে তর্ক করতে হয়,আর কাকে দিতে হয় স্নেহপূর্ণ উপহাসের হাসি।
৭৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪২
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: হুম্... আমি কি বলতে চাইলাম আর কথা কোত্থেকে কই চলে গেল?
৮০. ০৮ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০১
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: যুঞ্চিক্ত বলেছেন "আপনে ধৈরাই লৈছেন যে, যে ব্যাডা আখিরাতে বিশ্বাস কোরে, হেই ব্যাডারেই গড বেহেসতে পাডাইব। আর আখিরাতে বিশ্বাস না করলে গড দোজখে পোড়াইব। তাইলে কি ভালা বা খারাপ কামের কওন মুল্য নাই, খালি পরকালে বিশ্বাস কোরি কি না করি হেইডা দিয়াই বেহেসত-দোজখ নির্ধারিত হৈব? হেইডা কেমন সুবিচার? হেই বিচারক কেমন গড? আপনেই কন! আসল গড ত এমন না হওনেরি কথা। আপনের লেখায় আসোলে মামদো ভুতের মোত গড আর দোজখ লৈয়া ভয় দেখাইছেন বাচচা পোলাপাইনের লাহান। দেখেন চিন্তা কৈরা। "

আপনি মনে হয় আমার পোষ্ট পুরাটা পড়েন নাই। তা নাহলে আপনার এই ভুল ধারণা হতো না।

আমার পুরা পোষ্ট-এর উদ্দেশ্যই ছিলো যে, আখিরাতে বেহেশত পেতে হলে, আপনাকে দুনিয়ায় অবশ্যই ভালো কাজ করতে হবে। আর আপনি বলছেন..........?
৮১. ০৮ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২২
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: যুঞ্চিক্ত, আপনি মনে হয় ডারউইনের ভক্ত। আচ্ছা ডারউইন তো বলেছে যে ৬শত কোটি বছর পর বানর থেকে মানুষের সৃষ্টি হয়েছে। ৬০০ কোটি বছর পর যখন বানর মানুষ হতে পারল এখন তো তাদের বয়স আরও বাড়ছে সে হিসেবে বনে জঙ্গলে নিত্য নতুন মানুষের সন্ধান পাওয়ার কথা। আর ডারউইনের হিসাব অনুযায়ী মানুষও বিবর্তিত হয়ে এতদিনে আরও উন্নত কোন প্রানীতে পরিনত হওয়ার কথা। তাহলে দেখা যাইতো আপনি আর আমি আর মানুষ থাকতাম না, অন্য কিছু হতাম। যাকগে সে কথা। আসলে ডারউইনের মতবাদটা যেমন বিদঘুটে তেমনই হাস্যকর। ডারউইনের বিবর্তনবাদতো বহু আগেই ফেল মারছে। তবু সেটাকে জড়িয়ে ধরার কারণ বুঝলাম না। আপনি তো ভালোই যুক্তিবিদ, আপনার যুক্তি কি বলে? এতদিনে আরও বানর কি মানুষ হওয়ার কথা ছিলো না? নাকি একজন হয়েই বন্ধ?
৮২. ০৮ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: আঈজুদ্দিন চৌধুরী,
আচ্ছা আপনাকে একটা ছোট্ট প্রশ্ন করি, ধরুণ আপনি হঠাৎ খেয়াল করলেন যে আপনার টেবিলে একটা পানির গ্লাস। যেটা আগে ছিল না। তাহলে আপনার মন সহজেই বলে দিবে যে এটা নিশ্চয় কেউ রেখে গেছে। ঠিক কিনা? নাকি আপনি বলবেন যে গ্লাসটা এখানে নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে?

এটা আমরা আমাদের সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারি।

কিন্তু আমরা সৃষ্টি রহস্য জানি না বলে সহজে চিন্তা করতে পারি না।

আচ্ছা আপনি মানুষের বডিটাকে একটু খেয়াল করেন,
তার দুইটা হাত আছে। দুইটা পা আছে। একটা মাথা আছে মাঝখানে একটা পেট আছে। আপনার কথা অনুযায়ী এগুলো সবই নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে। আরও ভালো করে খেয়াল করুণ মানুষের খাওয়ার জন্য একটা পথ আছে সেটাকে মুখ বলে। এবার চিন্তা করেন আমাদের হাতে যদি কনুই না থাকতো তাহলে হাত গুলো হতো একটা লাঠির মতো আপনি হাজার কসরত করেও এই হাত দিয়ে কিছু মুখে দিতে পারতেন না। তারপর ভাবুন, আঙ্গুলের কথা, আপনার আঙ্গুল গুরোতে দেখুন ৩ টা ভাজ আছে, এই ভাজ গুলে না থাকলে হাতটা হতো একটা কাঁটা চামচের মতো। শুধু তাইনা বৃদ্ধ আঙ্গুলটা যদি না থাকত তাহলে আপনি আপনার খাবার যেমন ধরতে পারতেন না তেমনি কোন কাজই ঠিক মতো করতে পারতেন না। হাতের কথা বাদ দিলাম। এবার দেখেন আপনার চোথের দিকে, কি সুন্দর প্লেসমেন্ট!! আচ্ছা একবার চিন্তা করুণ তো চোখ গুলো যদি কপালের নিচে না হয়ে আপনার পেটের ভিতর হতো? পোখের কথা বাদ দিলাম, আপনার যদি নাকটা যদি গালের ভিতর হতো তাহলে কেমন হতো? আচ্ছা এটা ও বাদ দিলাম, এবার দেখেন আপনার শরীরের ভিতর, আপনার মুখের সাথেই একটা পাইপ ফিট করা আছে পাকস্থলী বরাবর। আচ্ছা, এই পাইপটা যদি না থাকতো তাহলে আপনার খাবার যাই মুখে দিতেন তা ফুসফুসে চলে যেত বা অন্য কোথাও চলে যেত। তারপর এখানেই শেষ না। পেটের মধ্যে এমন মেকানিজম আছে যেটা দিয়ে আপনার খাবার থেকে প্রয়েজনীয় অংশ বের করে শরীরে নিয়ে যাচ্ছে এবং ড্রেইনেজ এর ব্যবস্থাও আছে। আচ্ছা পায়ু পথ যদি না থাকতো তাহলে কি অবস্থা হতো? পেটের ভিতর সব লোড হয়ে সেখানেই কাত। এরকম আরও হাজারও ঘটনা আছে যেগুলো চিন্তা করলেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ত টের পাওয়া যায়। আচ্ছা, একটা প্রানহীন গ্লাস যদি আপনা আপনি টেবিলের উপর সৃষ্টি হতে না পারে, তাহলে এত সুন্দর মেকানিজম সমৃদ্ধ মানবদেহটা আপনা আপনি কিভাবে সৃষ্টি হতে পারে? মাথায় কি একবারও আসে না, এর পিছনে নিশ্চয় কোন সৃষ্টিকর্তা আছে?
৮৩. ০৯ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: "এই দুনিয়ায় হাজার হাজার ধর্ম আছে। একেক ধর্মের গডের কনসেপ্ট একেক পদের। অনেক ধর্মে আখিরাতের কনসেপ্টই নাই। যেমন বৌদ্ধ ধর্ম। আবার হিন্দু ধর্মে আছে আখিরাতের বদলে "পুনর্জন্মের" কনসেপ্ট। কাজেই আপনের আল্লাহর বদলে হিনদু গড আসল গড হৈলে আপনে আখিরাতে বিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও দোজখে (নরকে) পুড়বেন। খ্রীস্তান গড আসোল গড হৈলেও আপনের ক্ষেত্রে একৈ ব্যাপার ঘটব।"

আপনি একটু খেয়াল করেন, আপনি বলেছেন, "অনেক ধর্মে আখিরাতের কনসেপ্টই নাই। যেমন বৌদ্ধ ধর্ম।" তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম সোটাই আসল ধর্ম। তাহলেতো আর সর্গ ও নাই নরক ও নাই। সেক্ষেত্রে কাউকেই আর নরকে যেতে হবে না। আবার বল্লেন হিন্দু ধর্মে আছে "পুনর্জন্মের" কনসেপ্ট। এখন যদি হিন্দু ধর্ম আসল ধর্ম হয় তাহলে আমি বারবার জন্মাতে থাকব আর জীবন যাপন করতে থাকব। সেক্ষেত্রেও নরকে জ্বলার কোন সম্ভাবনা নাই।

কিন্তু এবার চিন্তা করেন, ইসলামে পরকাল সম্পর্কে একটা সুন্দর কনসেপ্ট আছে যেখানে সৎকাজের জন্য পুরস্কার এবং অসৎকাজের জন্য শাস্তি আছে। এখন স্বাভাবিক ভাবেই যে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী হবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করবে তার পরকালের ভয় থাকবে এবং অন্যদের তুলনায় তার আচার আচরণ সুন্দর হওয়ার কথা।
এবার আপনি চিন্তা করেনতো ইসলাম-ই যদি সত্যিকার ধর্ম হয়ে থাকে তাহলে অন্যদের কি হবে?
৮৪. ১২ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩২
কাশেম বিন আবু বকর বলেছেন: খুবই ভালো লেখা হয়েছে। আল্লাহ পাক আমাদের হেদায়েত করুন।
৮৫. ১২ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৪
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন : এবার আপনি চিন্তা করেনতো ইসলাম-ই যদি সত্যিকার ধর্ম হয়ে থাকে তাহলে অন্যদের কি হবে?

ঐটাই সমস্যা। সবাই নিজের ধর্মটারেই আর নিজের গডের কনসেপ্ট টারেই সত্য ভাবে। এই খানেই প্যাসকালের ওয়েজারের ব্যর্থতা। কারণ সবাই ভাবে নিজের ধর্ম মাইনাই দোজখ এড়াইব
৮৬. ১২ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৩
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: যুঞ্চিক্ত, আপনি আবার একটু সরে গেলেন মূল কনসেপ্ট থেকে।

অন্য ধর্মে তো দোযখের কনসেপ্টই নাই (আপনার আগের বক্তব্য অনুযায়ী)। তাহলে অন্যরা এড়াতে যাবে কেন?
৮৭. ১২ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১১
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: আপনে আমার কথাই বুজতাছেন না। আমি কৈছি বৌদ্ধ ধর্মে আখিরাতের কনসেপট নাই। অন্য সব ধর্মে ত কৈ নাই। খ্রিষ্টান ধর্মে যেমন দোজখের কনসেপ্ট ভালা মোতি আছে। সমস্যা হৈল জে জার ভারশানটা সত্য ভাইবা দোজখ এড়াইব ভাবতাছে।

আপনে ফিলসফি আগে পৈড়া লন "আখিরাত যদি না থাকে, তাহলে তো আর কিচ্ছু হলো না। আপনারাও বেঁচে গেলেন, আমরা ও বেঁচে গেলাম। কিন্তু একবার চিন্তা করুণ তো আসলেই যদি আখিরাত থেকে থাকে তাহলে? তখন যারা আখিরাতের জন্য কাজ করবে তারা তো বেঁচে যাবে" - এইগুলা লেখনের আগে। এই ইস্যুগুলা অনেক আগেই ভালামত ট্যাকল করা হৈছে
৮৮. ১২ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৭
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: আরও একটা কথা। আপনে আগে এক জায়গায় কৈছেন, "আমার পুরা পোষ্ট-এর উদ্দেশ্যই ছিলো যে, আখিরাতে বেহেশত পেতে হলে, আপনাকে দুনিয়ায় অবশ্যই ভালো কাজ করতে হবে। আর আপনি বলছেন..........?"

ভাল কাজ কৈরাই যদি বেহেস্তে যায় তাইলে হুদাহুদি আখিরাতের ভয় দেখাইতেছেন ক্যান? ভালা কাজ কৈরা এক নাস্তিকও বেহেস্তে যাইতে পারে তাইলে। সো আপনের যুক্তি আবারও মাঠে মারা যাইতাছে।
৮৯. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৬
ফজলে এলাহি বলেছেন: আখেরাতের অনন্ত জীবনের তুলনায় দুনিয়ার জীবন কতটা তুচ্ছ তা ভাবলে হাত-পা-মাথার কলকব্জা সব যেন বন্ধ হয়ে যায়, যেন এই বুঝি সময় ফুরিয়ে এলো, এই বুঝি মালাকুল মউত এসে ডাক দিল।

চমৎকার চিন্তার একটা ব্যবস্থা করেছেন এই পোষ্টে জাযাকাল্লাহ্। সময়ের হিসেবটা নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছে আছে ইনশাআল্লাহ্।
৯০. ১৫ ই মে, ২০০৭ ভোর ৪:০২
ত্রিভুজ বলেছেন: চমৎকার ভাবনা... সবগুলো মন্তব্য সময় করে পড়তে হবে.. সুতরাং প্রিয় পোষ্টে উঠিয়ে রাখছি...


এবং ৫
৯১. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪১
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: ফজল ভাই, ত্রিভুজ ভাই,
আপনাদেরকে ধন্যবাদ।

আসলে মৃত্যু বড়ই পাঙ্কচুয়াল তার সময়ের কোন হেরফের হয় না। তারপরও আমরা মৃত্যুকে ভুলে যাই। আর মৃত্যুর কথা স্মরণ করলে আসলেই বড় ভয় হয়।
৯২. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৩
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: যুঞ্চিক্ত,
কেন শুধু শুধু আপনার নামটাকে হালকা করতেছেন? কিছু বলার সময় একটু ভেবে উত্তর দিতে পারেন না? আপনার নাম দেখে আপনারে বেশ বুদ্ধিমান বলে হয় কিন্তু আপনি আপনার নামের স্বার্থকথা রাখতে পারেন নি।

আপনি বলেছেন, "ভালা কাজ কৈরা এক নাস্তিকও বেহেস্তে যাইতে পারে তাইলে।
আচ্ছা, আপনি কি কখনও গাধা নিয়ে ঘোড়ার সাথে দৌড় প্রতিযেগিতায় নামবেন? নিশ্চয় নয়। কারণ আপনি ভালো করেই জানেন যে একটা গাধা দৌড় প্রতিযেগিতায় কখনও ঘেড়ার সাথে পাড়ার কথা নয়। নাকি আপনি বলবেন যে, একটা গাধাও দ্রুত গতিতে দৌড়িয়ে ঘোড়ার আগে যেতে পারে?

আসলে সবকিছুই বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। যে বিশ্বাস করে যে আল্লাহ আছে জান্নাত, জাহান্নাম আছে তার কাজ আর যে বিশ্বাস করে যে এগুলো নাই তার কাজ কখনও সমান হতে পারে না। আপনার মাথায় যদি সামান্যতমও ঘিলু থাকে তাহলে সেটা বুঝার কথা। যে ব্যক্তি আল্লাহকে বিশ্বাস করে না, তার কাছে জান্নাত কি আর জাহান্নাম কি? কেন সে দুনিয়ায় ভালো কাজ করবে? তার কাছে তো দুনিয়াটাই সব কিছু। সে তার সমস্ত সুখ দুনিয়া থেকেই পেতে চাইবে। সুতরাং একজন নাস্তিক ভালা কাজ কইরা বেহেশতর যাবে, আপনার মতো যুক্তিবাদী মানুষের মুখে এধরণের অযৌক্তিক দাবী মানায় না।
৯৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২০
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: ভাই আপনার আই কিউ খুব কম মনে হচ্ছে, মনে কিছু নিয়েন না। নিজেরে ঘোড়া আর আমগো গাধা ভাইবা যদি সুখ পান ত তাতেই সই! আপনে আপনার কথা কৈতে থাকেন ঘোড়ার লাহান।
৯৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৬
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: ঘোড়া আপ গাধাতো একটা উপমা মাত্র। নাকি উপমাও কম বুঝেন? আমিই পরিষ্কার করে দেই উপমাটা টানলাম এইটা বোঝানোর জন্য যে মানুষ যেরকম বিশ্বাস করে সেরকমই কাজ করে। সুতরাং একজন নাস্তিক কিধরণের কাজ করবে সেটা এখান থেকে পরিষ্কার হওয়ার কথা।
৯৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: [একজন নাস্তিক কিধরণের কাজ করবে সেটা এখান থেকে পরিষ্কার হওয়ার কথা।]

ঠিকি কৈছেন। নাস্তিকরা খুব খারাপ। খুব বদমায়েশ। দোজখই তাদের গন্তব্য, ঘোড়া বাবাজি।

৯৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: চলে গেলেন তো এটাকিং মুডে, শেষ পর্যন্ত কি আর করবেন। আমাকে ঘোড়া ডেকে যদি শান্তি খুজতে চান।
৯৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: ঘোড়া ত নিজেরেই নিজে কৈছেন। আর আমরা গাধা।
ঠিকি কৈছেন। নাস্তিকরা খুব খারাপ। খুব বদমায়েশ। মাইনাই ত নিলাম আপনের কথা
৯৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
বিবেক সত্যি বলেছেন: খুব সুন্দর পোষ্ট,
মনের মাঝে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ...

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭২৫৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি দুর্বার আমি ভেঙ্গে করি সব চুর্মার! আমি অনিয়ম উশৃঙ্খল আমি দলে যাই যতো বন্ধন যতো নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
wahidxp@yahoo.com,
shomudrer_uttal_torongo@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ