আমার প্রিয় পোস্ট
- ধর্ম বিষয়ে জানতে চাই (১) এর উত্তর [এই পোষ্টটিই হতে পারে আমার জীবনের সর্বশেষ পোষ্ট] - মাহমুদ মামূন
- বিদ্রোহী (কাজী নজরুল ইসলাম) - সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ
- শেষ কবে আপনি একেবারে নতুন কিছু করেছেন? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- মোবাইলে মানুষ খুনঃ আমার বন্ধুর কান্ড (উৎসর্গঃ স. উ. তরঙ্গকে) - মাহমুদ রহমান
- কঠিন বাস্তবতা (আমার মৃত্যু ভাবনা)... - সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ
- কুরআনিক প্রত্যাদেশের বৈজ্ঞানিক প্রমাণঃ আহমদ দিদাত - মাহমুদ রহমান
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- ইসলামকে শুধু ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না - সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ
কুরআন কোন মানুষের রচনা হতে পারে না। (যুঞ্চিক্ত-এর জন্য যুক্তির জবাব)
২১ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:৩০
"যুঞ্চিক্ত" একটি অযৌক্তিক দাবি নিয়ে ব্লগে বেশ হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। যুঞ্চিক্তের "কোরান ক্যাডা লিখছে (পর্ব -১)? একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ" নামক পোষ্ট-এ বিভিন্ন ধরণের অপক্যশলের মাধ্যমে কুরআনকে আল্লাহর কিতাব নয় বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে কুরআন যে মানুষের রচণা হতে পারে না সেটা ব্যাখা করার চেষ্টা করলাম। কুরআনকে আল্লাহর কিতাব অনেক ভাবে প্রমান করা যায় আমি আমার মতো করে চেষ্টা করলাম।
কুরআনের সূরা আল মুদ্দাস্সির এর ৩০ নং আয়াতটি হলো "আলাইহা তিস'আতা আশারা"
"আলাইহা" মানে তাহার উপর বা ইহার উপর
আর "তিস'আতা আশারা" মানে হলো ঊণিশ (১৯)।
অর্থাৎ পুরাটার অর্থ দাড়ায় "ইহার উপরে ঊণিশ"
কুরআনকে আল্লাহ ১৯ সংখ্যা দারা জটিল এক জাল দিয়ে বেঁধে রেখেছেন। যেটা কোন মানুষের রচণায় খুজে পাওয়া অসম্ভব।
নিচে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো
১। কুরআনে সূরার সংখ্যা হলো ১১৪টি যা ১৯ দারা বিভাজ্য ১৯*৬=১১৪
২। বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহীম বাক্যটিতে আরবী ১৯টি বর্ণ রয়েছে। ১৯*১=১৯।
বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহীম বাক্যে ৪টি শব্দ আছে।
ক) ইসম
খ) আল্লাহ
গ) রাহমান
ঘ) রাহীম
৩। কুরআন শরীফে "ইসম" শব্দটি আছে ১৯ বার, ১৯*১=১৯।
৪। কুরআন শরীফে "আল্লাহ" শব্দটি আছে ২৬৯৮ বার ১৯*১৪২=২৬৯৮।
৫। কুরআন শরীফে "রাহমান" শব্দটি আছে ৫৭ বার, ১৯*৩ =৫৭।
৬। কুরআন শরীফে "রহিম" শব্দটি আছে ১১৪ বার, ১৯*৬=১১৪।
৭। কুরআনে মোট আয়াত সংখ্যা ৬৩৪৬ টি, ১৯*৩৩৪=৬৩৪৬।
৮। কুরআনে ২৯টি সূরা আলিফ, লাম, মীম, রা, সীন এরকম বিচ্ছিন্ন বর্ণ দিয়ে শুরু হয়েছে। মোট ১৪টি বর্ণকে (أ ح ر س ص ط ع ق ك ل م ن ه ي (alif, ha, ra, sin, sad, ta, ain, qaf, kaf, lam, mim, nun, ha, ya.)) একসাথে ১ থেকে ৫ টি করে ব্যাবহার করা হয়েছে।
হিসাব করে দেখা গেছে যে কোন সূরার শুরুতে যে হরফ গুলো রয়েছে সম্পূর্ণ সূরাটিতে সেই হরফগুলোর প্রত্যেকটির মোট সংখ্যা ১৯দ্বারা বিভাজ্য।
৯। সর্ব প্রথম নাযিল হয়েছিলো সূরা আলাকের(৯৬নং) ১ম ৫টি আয়াত। যেখানে শব্দ সংখ্যা ১৯ বর্ণ সংখ্যা ৭৬। আবার পিছন থেকে গুনে আসলে এটি ১৯ নং সূরা। এই সূরায় আয়াত সংখ্যা ১৯ এবং বর্ণ সংখ্যা ৩০৪; ১৯*১৬=৩০৪।
১০। কুরআন শরীফের ১১৪টা সূরার মধ্যে ১১৩টির শুরুতে বিসমিল্লাহ আছে। সূরা তাওবার(৯নং) শুরুতে কোন বিসমিল্লাহ নেই। কিন্তু সূরা নামলের (২৭নং) মধ্যে রয়েছে ২টা বিসমিল্লাহ। মোট বিসমিল্লাহ'র সংখ্যা ১১৪। সুতরাং ১৯*৬=১১৪।
এরকম আরও ভুড়ি ভুড়ি প্রমাণ বিদ্যমান।
এখান থেকে বুঝা যায় যে এরকম ঘোষণা দিয়ে ১বার মিলে যাওয়া স্বাভাবিক, ২বার মিলে যাওয়া কাকতালীয়, ৩বার মিলে যাওয়া অসাধারাণ আর বার বার মিলে যাওয়া অসম্ভব(মানুষের পক্ষে)।
কাজেই কেউ সামান্য যুক্তি দিয়ে চিন্তা করলে খুব সহজেই বুঝতে পারবে যে মানুষের পক্ষে এরকম গ্রন্থ প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
কুরআন যে মানব রচিত কোন কিতাব নয় সেটা বুঝার জন্য এর আর কিছু জানার দরকার আছে কি?
আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে নিচের লিংক গুলো দেখতে পারেন।
১।
২।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:১০
দ্রোহী বলেছেন:
এইটা আগে পড়ছি।
শমশেরআলম বলেছেন:
এইবার ঠিক হইছে। যুক্তির ব্যাখ্যা হইব যুক্তি দিয়া। এখন যুঞ্চি যদি কিছু কয় তো কইল। খামাকা কাইন্দা কাইট্যা ব্যান কইরা মডুরামরে লেলাইয়া গু ছড়াইবো বেশি
কেমিকেল আলী বলেছেন:
ক্লাস নাইনের পাঠ্যতে পড়েছিলাম।
পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ
আশার আলো বলেছেন:
উত্তাল তরঙ্গ সাহেবঃকোরআন ও ইসলাম নিয়ে এ ব্লগে কে কি বলল তাতে একজন মুসলমান হিসেবে আমার কিছু ক্ষতি বৃদ্ধি হবে না। গুলিস্থানের উম্মুক্ত ফুটপাথে প্রতিদিন গ্যারান্টি সহকারে ক্যান্সার/এইডস এর ঔষধ বিক্রী হয়, তাতে কি এমবিবিএস ডাক্তারদের ভাত নষ্ট হবে? দেখবেন এরা মুখ লুকিয়ে আড়ালে থেকেই কথা বলে। প্রকাশ্যে আসতে এদের দুরন্দ সসংকোচ।
আপনি অযথা মাথা গরম করে ভুল করে যাচ্ছেন। কোরআন রক্ষার দায়িত্ব আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন।
আচ্ছা আপনাকে একটা, প্রশ্ন করি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ কতবার ধৈর্য্য ধারন করার কথা স্মরন করিয়ে দিয়েছেন জানেন কি? মুসলমান হিসেবে এটা আপনার জানা দায়িত্ব। জেনে আসুন।
আর একটা কথা, ১৯ বিষয়ক যে পরিসংখ্যান দিলেন সেটা সম্পর্কে আরো ভালো ভাবে জেনে তারপর প্রচারে যাবেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ শব্দটি আছে ২৬৯৯ বার, যা ১৯ দ্বরা বিভাজ্য নয়। আপনি যে বলেছেন ২৬৯৮ বার আছে এটি ভুল তথ্য।
আর সাবমিশন ডট অর্গ নামে যে সাইটটির ঠিকানা দিয়েছেন সেটা মুসলমানদের সাইট নয়। তাদের নেতা 'রশীদ খলীফা' নিজেকে নবী-রাসুল হিসেবে দাবী করে গেছেন। ভালো করে জেনে তারপর প্রচারে নামুন।
না কি আপনি একজন সাবমিটার, 'রশীদ খলীফা' র অনুচর। পড়ুন, জানুন, পরিস্কার করুন। রশীদ খলিফা সম্পর্কে জানতে পারবেন উইকিপিডিয়াতে, আর গুগল তো আছেই!
http://en.wikipedia.org/wiki/Rashad_Khalifa
হাসিব বলেছেন:
৩ নাম্বার লিংকটা আবার চেক করেন
আশার আলো বলেছেন:
উইকিপিডিয়া থেকে-(ঠিক আগের গারবেজ হওয়া মন্তব্যটা মুছে দিতে পারেন।)
Khalifa was initially well-received throughout the Muslim world upon his mathematical discoveries embedded in the text of the Quran. Prominent Shaykh Ahmed Deedat referred to him as a "great servant" of God in his book based on Khalifa's discoveries "Al-Qur'an: The Ultimate Miracle." However, as early as 1976 he became the target of defamation when he made several claims that appeared heretical according to traditional Muslims - such as:
* Hadith (oral) & Sunna (actions) were invented and attributed to Muhammad, they are Satanic innovations
* The Quran's mathematical miracle based on the prime number 19 provides mathematical evidence that the Quran shall be our only source of religious teachings (Appendix 19, Rashad's Authorized Translation)
* No human beings may be mentioned beside the name of God in proclaiming faith or during prayer
* Declaring that prophet Muhammad was the last prophet, but not the last messenger
* Declaring that he is the messenger of the covenant, prophesied in Malachi 3:1-3 and Quran 3:81, and that he had been commissioned to purify the religion of Abraham, Submission from all the Satanic distortions.
Controversy
According to an article in the Tucson Citizen, in June 1979, he was accused of sexual assault, sexual abuse, and sexual contact with a minor. The article reported that the accuser, a 16-year-old-girl, testified at a hearing that Khalifa sexually molested her while recruiting her for a United Nations Aura research project. There was no evidence of intercourse found when the girl was examined at a local hospital. Khalifa pled No contest to all charges.
Assassination
On January 31, 1990, Khalifa was murdered at Masjid Tucson. He was stabbed 29 times and his body drenched in xylol but not set alight. Although nobody has been convicted of his murder, James Williams, an alleged member of the al-Fuqra' sect, was convicted of conspiracy in the slaying. Williams disappeared on the day of his sentencing and could not be found.
CBS News reported that Muslim extremist Wadih El-Hage was "connected to the 1990 stabbing death of... Rashad Khalifa (who) was hated by Muslim extremists (that were) opposed to his teachings. His murderer was never caught, but El-Hage, who was indicted for lying about the case, called the assassination 'a good thing.'"
Submitters' response to controversy
Submitters believe that:
* The true Judaism, true Christianity, and Islam will be consolidated into one religion - complete submission and absolute devotion to God alone
* The existing religions, including Judaism, Christianity, and Islam are severely corrupted and will simply die out, citing the recent exposure of false religionists in the USA, and the removal of such anti-freedom barriers as the Berlin Wall, the Iron Curtain, and the Bamboo Curtain.
Submitters also cite the fact that there was no evidence to substantiate the sex allegations made against Khalifa in 1979, and say that the details reported in the Tucson Citizen article are based on mixed and contradictory testimony. Khalifa did never the less plead "no contest" to the charges.
দ্রোহী বলেছেন:
প্রোবাবিলিটি বলে একজন মানুষের পক্ষে এইটা করার সম্ভাবনা শুন্যের চাইতে বেশী। --প্রোবাবিলিটিকে আমল না দিলে কিইবা বলার থাকতে পারে?
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন:
অমিত্রাক্ষর ছন্দ তো মানুষের সৃষ্টি .... ... একটু চেষ্টা করলে পুরো কাব্যগ্রন্থকেও ওভাবে ছকে ফেলা যেতে পারে। তারপর দেখা যাবে, কিছু কী-ওয়র্ডও মিলে গেছে।.
ভেতরের জীবন-দর্শনটাই জরুরী।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
এই ম্যাথামেটিকাল মিরাকেল ড: রশিদ খলিফার "আবিস্কার", যিনি নিজেই একজন পয়গমৃর দাবী করছিলেন এবং শেষ পর্য়ন্ত তার "কৃতকর্মের" জন্য "আততায়ীর" হাতে খুন হন।পরীক্ষায় দেখা গেছে রশিদ খলিফার এই "১৯" এর দাবী সম্পুর্ণ বানোয়াট। তিনি নিজের "১৯" ততৃকে সার্থকতা দেওয়ার জন্য কোরানকেও বিকৃত করেন। যেমন রশিদ খালিফার কোরানে 9:128-129 এই আয়াতগুলো নেই। আমার কথা বিশ্বাস না করলে নিজে যাচাই করে দেখুন:
Click This Link
http://www.quran.org/quran/quran4/009.qmt.html
যা হোক, এই ম্যাথেম্যাটিকাল মিরাকেল নিয়ে বলার কিছু নেই। এটা ভুয়া। কিূ লিংক দিচছি, পড়ে দেখুন :
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
নেই মানুষ বলেছেন:
ভাই ১৯ নিয়া লাফালাফি কোরার দরকার নাই। মুল জিনিস হল বিশশাস। রিলিজিয়ন এ বিশশাস কোরলে ভাল, না কোরলে ভাগ
রবিনহুড বলেছেন:
''যুঞ্চিক্ত'' যে বিষয় গুলো নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, ইতিহাসে তাকালে দেখা যায় এই বিষয় গুলো নিয়ে ইতি পূর্বে আরো আনেক জ্ঞান পাপী পানি ঘোলা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, এই ধরনের মানুষ পানি ঘোলা করার থেকে বেশী কিছু প্রমান করতে পারে নাই।
যুঞ্চিক্ত কে আমি একটা উপদেশ দিব, সত্যিই যদি আপনার কাছে এই ধরনের আবস্থা বলে মনে হয় তাহলে আপনি একজন আলেম এর সাথে আপনার বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তাহলে আপনি আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন, না হয় তো আপনার বিষয় টিকে সত্য বলে প্রমান করতে পারবেন।
ব্লগে সাধারনত যারা আসেন তারা ধর্ম সম্পকে খুব একটা জ্ঞানী নন। সুতরাং তাদের সাথে এই রকম একটা জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করা মানে বিতর্ক শৃষ্টি করা।
আপনার ইচ্ছা যদি হয় ভূল প্রমান করা তাহলে সেটা এই ব্যপারে আভিজ্ঞ ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলে সেটা প্রমান করা। সাধারন মানুষ যাদের সীমিত জ্ঞান তাদের কাছে আনেক সত্য কেই মিথ্যা বলে প্রমান করা যায়, কিন্তু সেটা বড় কোন বিষয় না.... জ্ঞানী মানুষদের কাছে মিথ্যা বলে প্রমান করতে পারাটাই বড় কথা।
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন:
আশার আলো ভাই আপনার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনি ঠিক বলেছেন "কোরআন ও ইসলাম নিয়ে এ ব্লগে কে কি বলল তাতে একজন মুসলমান হিসেবে আমার কিছু ক্ষতি বৃদ্ধি হবে না।" আসলেই ঠিক কথা। এরা নানা রকম যুক্তি দেখিয়ে ইসলাম আর কুরআনের একচুলও ক্ষতি করতে পারবে না আর আমার বিশ্বাস ও এত ঠুনকো নয় যে ফালতু তর্কে বিশ্বাস ভেঙ্গে যাবে।
"আপনি অযথা মাথা গরম করে ভুল করে যাচ্ছেন। কোরআন রক্ষার দায়িত্ব আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন।" আসলেই মাঝে মাঝে মাথা গরম হয়ে যায়। যেটা মোটেও উচিৎ নয়। কিন্তু এটা মানুষ হিসেবে আমার সীমাবদ্ধতা। আমি আগেই বলেছি আমার জ্ঞান ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে যতটুকু বুঝি ততটুকুই তুলে ধরলাম। আল্লাহ আমার ভুল গুলো ক্ষমা করুন।
"আচ্ছা আপনাকে একটা, প্রশ্ন করি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ কতবার ধৈর্য্য ধারন করার কথা স্মরন করিয়ে দিয়েছেন জানেন কি? মুসলমান হিসেবে এটা আপনার জানা দায়িত্ব। জেনে আসুন।"
কুরআনে 'কতবার' ধৈর্য্য ধারন করার কথা স্মরন করিয়ে দিয়েছেন মুসলমান হতে হলে সেটা জানা জরুরী নয়। কারণ আল্লাহ একবার বললেই সেটা মুসলমানের জন্য কর্তব্য হয়ে যায়। আর আল্লাহ যে বলেছেন "নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের আছেন?" সেটা আমার জানা আছে। কিন্তু সবসময় ধৈর্য্য ধারন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। এটাও আমার সীমাবদ্ধতা।
'রশীদ খলীফা' সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি তার সম্পর্কে জানতাম না।
আর "আল্লাহ" শব্দটার গণনা নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। এখন তো ইচ্ছা হচ্ছে আমি নিজেই গণনা শুরু করি।
আচ্ছা আমাকে ৭৪ নং সূরার ৩০ নং আয়াতটার একটু ব্যাখ্যা দিলে উপকৃত হতাম।
দ্রোহী, [প্রোবাবিলিটি বলে একজন মানুষের পক্ষে এইটা করার সম্ভাবনা শুন্যের চাইতে বেশী।] এটা ঠিক কথা কিন্তু বলে কয়ে ঘোষণা দিয়ে এটা কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন, "রশিদ খালিফার কোরানে 9:128-129 এই আয়াতগুলো নেই। আমার কথা বিশ্বাস না করলে নিজে যাচাই করে দেখুন:
Click This Link
অথচ আপনার দেওয়া লিংকে তো আয়াতগুলো আছে। আর কুরআন শরীফ কোন ব্যাক্তির জন্যই আলাদা নয়। সুতরাং "রশিদ খালিফার কোরানে"
-------------------------------------------------------------------------------
কুরআন যে আল্লাহর কিতাব এখানে অন্য ধরণের একটা প্রমাণ আছে।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
[যুঞ্চিক্ত বলেছেন, "রশিদ খালিফার কোরানে 9:128-129 এই আয়াতগুলো নেই। আমার কথা বিশ্বাস না করলে নিজে যাচাই করে দেখুন:Click This Link
অথচ আপনার দেওয়া লিংকে তো আয়াতগুলো আছে। আর কুরআন শরীফ কোন ব্যাক্তির জন্যই আলাদা নয়। সুতরাং "রশিদ খালিফার কোরানে]
আপনে আসলই একখান উচুমানের আবাল। আপনেরে দুইটা লিন্ক দিছিলাম। প্রথমটায় আয়াত গুলা আছে। কারন ঐটায় রাশিদ খালিফার অনুবাদ নাই। দ্বিতীয়টায় রশিদ খালিফার অনুবাদে ৯:১২৮-১২৯ আয়াতগুলা নাই। আবার দেখেন :
http://www.quran.org/quran/quran4/009.qmt.html
আপনে কি বুইঝাও না বুঝনের ভান করতাছেন?
লাল মিয়া বলেছেন:
ঈশ্বর নিশ্চিতভাবেই আছেন এবং তিনি নিশ্চিতভাবেই একজন তিলেখচ্চর
আব্দুর রহমান রাযীন বলেছেন:
১৯ বলতে কোরআনে কিছু নেই। এটি তে আল্লাহ তা'আলা কোন রহস্যও লুকিয়ে রাখেন নি। এসব কিছু মানুষের বানানো কথা। যদি সত্যিই কিছু লুকিয়ে রাখতেন, তবে রাসূল সা: এ কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। রাসূল সা: যেহেতু স্মরণ করান নি, সেহেতু তাঁর সাহাবাগণ একথা স্মরন করাতেন। বিশেষ করে: আবুবকর, উমর, উসমান, আলী (রাঅতএব, সমুদ্রের উত্তালে'র নিকট আমার শেষ কথা, তিনি যেন এসব সংখ্যা বের করে করে কুরআনের মর্যাদা নষ্ট না করেন। আল্লাহ্ তা'আলা কুরআন নাযিল করেছেন তা থেকে শিক্ষা পাওয়ার জন্য, তাতে বর্ণিত বিষয়ের উপর বিশ্বাস করার জন্য। সংখ্যা বের করে কুরআনের ভাব-মর্যাদা ক্ষুন্ন করার জন্য নয়।
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন:
আব্দুর রহমান রাযীন এবং আশার আলো, আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কুরআন যে আল্লাহর বানী সে বিষয়ে আমার কোন প্রকার সন্দেহ নেই কিন্তু আমি হয়তো জ্ঞানের অভাবে সঠিক ভাবে প্রমান করতে পারতেছি না। আমি এই পোষ্ট টা দিছিলাম শুধু যুঞ্চিক্তের জন্য কারণ তিনি কুরআনের আয়াত বিশ্বাস করেন না শুধু লজিক (!) বিশ্বাস করেন। তবে এই পোষ্ট টা দিয়ে আমিই মনে হয় সবচেয়ে উপকৃত হইছি। ১৯ সংখ্যার মাহাত্যটা আগে আমার কাছে অনেকটা অস্পষ্ট ছিলো এখন অনেকটা পরিস্কার। এখন মনে হচ্ছে এই ১৯শের মানে আসলে সেরকম কিছু না। তাই আমি ১৯-এর চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিলাম। কিন্তু তারপরও কুরআন যে আল্লাহর বানী সে বিষয়ে আমার বিশ্বাস একটুও নড়েনি। কারন কুরআন যে আল্লাহর বাণী কুরআন নিজেই তার প্রমাণ।
আশার আলো বলেছেন:
ধন্যবাদ। তবে ১৯ এর বিষয়টা একেবারে বাদ দিয়েন না। তবে প্রথম কথা হলো বিশ্বাস।ধরেন আমি বললাম "আমরা আসলে ম্যাট্রিক্স এ বাস করিছ (ম্যাট্রিক্স ট্রিয়োলজী দ্রষ্টব্য)। "আপনি,আমি, পুরো মানব সমাজ, ও বিশ্ব" ম্যাট্রিক্স এর আদলে একটি ভার্চুয়াল ওয়ার্লড (সুপার কম্পুটার সিমুলেটেড ওয়ার্লড) এর অন্তর্ভূক্ত, সে যুক্তি খন্ডন করার ক্ষমতা কার আছে! স্রষ্টার সৃষ্ট কম্পুটার সিমুলেটেড ওয়ার্লড এ আমরা সবাই এক একটি কম্পুটার প্রোগ্রাম।
কুরআন পড়ে মুগ্ধ হওয়ার জন্য ওসব লাগে না কখনই...
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন:
এই পোস্ট প্রমাণ করে কোরান কোরান বলে যারা চিল্লায় তারা কেউ কোরান ঠিকঠাক মত পড়ে নাই।যুঞ্চিক্ত যতটুকু রেফারেন্স দিতে পারে তাও পারে না।
একটা বইয়ে বিশ্বাস করে অথচ বইটাই পড়ে নাই, কি আবাল! (যুঞ্চিক্ত'র কাছে ঋণস্বীকার)।
পড়লেই বুঝা যায়।
মানুষ ছাড়া আর কেউ লেখতে পড়তে পারে না।
যুঞ্চিক্ত কুরআন পড়ে নি আগাগোড়া। ওকে জিজ্ঞাসা করুন, উনি রেফারেন্স ঘেটে শুধু অনুবাদ করেছেন। ওসবের বিপরীতে কোন রেফারেন্স দেয়া অর্থহীন। পুরা কুরআনটাই ওসবের বিপরীতে রেফারেন্স। যে কুরআন থেকে আউদা খাউদা আয়াত তুলে দিয়ে বলে এখানে 'আমি বলতে' মুহাম্মদ (সা) নিজেকে বুঝিয়েছেন তাকে বুঝানোর জন্য পুরা কুরআনটাই তুলে দিতে হবে, যেখান 'আমি' বলতে আল্লাহ নিজেকে বুঝিয়েছেন। একটা দশ বছরের বাচ্চাও কুরআন পড়লে এই ধরণের কনফিউশনে ভুগবে না। আল্লায় বিশ্বাস না করা আলাদা কথা। কিন্তু কুরআন না পড়েই সাউন্ড বাইট করা এসব কি ফাইজলামি? এসবের যুক্তিখন্ডন হয় না। তাই করি নি।
এত গভীর বিষয় নিয়ে কথা বলতে হইলে অনেক পড়া উচিত।
কোথায় কুরআন কি একটু বৈজ্ঞানিক শুইনাই উত্তেজিত হওয়াও ঠিকনা (স.উ.তরঙ্গ),
আবার, মুক্তমনায় আবুল কাশেমের বানোয়াট লেখা দেইখা উত্তেজিত হইয়া কাটপেস্ট করাও ঠিকনা (যুক্তি)
আবার, বিবলিক্যালগোরে বাঁশ মেরে এথিস্ট ইমেজ দাঁড় করাইয়া তার আড়ালে অন্য স্ট্রেইনের ধর্মের গুনগান করাও ভন্ডামী (দীক্ষক)
আর পড়লে দুই সাইডই পরা উচিত ... তখন কোনটা কি বুঝতে খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথানা
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
হে হে: আমি রশিদ খলিফার রেফারেন্সগুলা দেওনের আগে ত উপদেশ বর্ষাইতে দ্যাকলাম না জ্বিন সাব! অহন বালু বালু লাগতাছে আনেকেরই বুজতাছি ... করিনা কারণ জানি কি কইব
তো আজকের প্রসঙ্গটা ওভারঅল আসল দেইখা সুযোগমতো কইয়া ফেললাম আরকি

তবে বস, আপনের যদি ধৈর্য্য থাকে পুরানা পোস্ট ঘাঁটার তাইলে দেখবেন অনেক জায়গায়ই মন্তব্য করছি যে বিজ্ঞান/মিরাকল দিয়া কুরআনকে প্রমাণ করার কিছু নাই ... দুইটা আলাদা ডোমেইন ... এইটা সাধারণত তারাই করে যারা দোনোমোনোতে ভুগে
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
[অনেক জায়গায়ই মন্তব্য করছি যে বিজ্ঞান/মিরাকল দিয়া কুরআনকে প্রমাণ করার কিছু নাই ... দুইটা আলাদা ডোমেইন ... এইটা সাধারণত তারাই করে যারা দোনোমোনোতে ভুগে]ত আমিও ত তাই করছিলাম। আপনের বালু বালু লাগে ক্যা? আপনে চামে চামে আমার আর দীক্ষকের গোয়াখান মাইরা কাইটা পড়নের তাল করতাছিলেন (লগে একটু সমুদ্ররে ডলা দিছেন আর কি!)। আবার "বিবলিক্যালগোরে বাঁশ মেরে এথিস্ট ইমেজ দাঁড় করাইয়া তার আড়ালে অন্য স্ট্রেইনের ধর্মের গুনগান করাও ভন্ডামী" এইডা ত আপনের ফরহাদ দাউদরে কওন উচিত আছিল। আপনের জ্বিনের দৃষ্টি এড়াইল ক্যমতে

আপনের যুক্তি কিন্তু আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ... কুল ডাউন ম্যান
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
হে হে: যুক্তি ঠিকি আছে। নিরপেক্ষ সাজবার গেছিলেন কিনা তাই কৈলাম আরকি! পোস্টটা আছিল রশিদ খলিফা লৈয়া। ভুইলা গেছিলেন মনে লয়

আমি নিরপেক্ষ সাজলাম কোথায়? ... আমি কখনই নিরপেক্ষ না ... আমি ধর্মে বিশ্বাস করি, রাজনীতিতে মোটেও উৎসাহ নাই, আর জামাতী\ননজামাতী সব 'রাজাকার-দালাল'দের বিচার চাই ... এই পক্ষ
ভাইরে, আমি তর্ক এড়াই এটা ঠিক ...
কিন্তু এখানে কমেন্ট করছি পোস্টের সাপেক্ষে না ... তাইলে অনেক আগেই কমেন্টাইতাম ...এখানে কমেন্ট করছি 'আরও পড়া উচিত' সেই প্রসঙ্গে ... এবং সেখানে আমার কাছে ধর্ম নিয়ে যারা এরকম বিতর্কমুলক লেখা লেখে তাদের কার কার কি সমস্যা আছে বলে মনে হয়েছে সেইটা কইছি ...এখন আপনের কিসে বালু বালু লাগছে সেইটা আপনে আমারে যুক্তি দিয়া বুঝাইতে পারেননাই
আর আবুল কাশেমের লিংকের কথা বইলা দেওয়াতে আপনার যদি লেগে থাকে তাইলে আমি স্যরি ...
এস্কিমো বলেছেন:
যুক্তিভাই - একটা প্রশ্নের জবাব দেবেন কি। সরাসরি প্রশ্নটা করি। কুরআন মানুষের লেখা - এই বিষয়টা যুক্তিদিয়া জিতে গেলে আপনার কি লাভ? কেন এই বিতর্কে আপনাকে জিততেই হবে?
এস্কিমো বলেছেন:
আপনি এই লেখাটা নিজের যুক্তি হিসাবে বেশ একটা ভাব নিচ্ছেন। ভাইরে গত ৬ বছর যাবত আপনার গুরুদের লেখা পড়তে পড়তে বিরক্ত হয়ে গেছি।এই বিষয়ে একটা লেখা দিয়েছিলাম যথেষ্ঠ সতর্কতার সাথে।
একদল চরম মুসলিম বি্দ্ধেষী লোকের কিছু প্রলাপ জড়ো করে বেশ একটা থিসিস দিয়েছেন। দয়অ করে থামুন। না হলে ঐ লোকগুলোর ইরাক যুদ্ধের মুসলমান নিধনের উল্লাশের কিছু নমুনা পোস্টে দিলেই হয়তো অনেকেই শকট হবেন। সুতরাং সাধু সাবধান!
আতরাফ রহমান বলেছেন:
এস্কিমো, কুরআন মানুষের লেখা কিনা সেই যুদ্ধে যুঞ্চিক্তকে থামিয়ে আপনার লাভ কি?
আতরাফ রহমান বলেছেন:
সাধু সাবধান।
এস্কিমো বলেছেন:
@আতরাফ সাহেব - আমার লাভটা পরিষ্কার। একদিকে আমরা বলছি রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহার করে রাজাকারা নিজেদের রক্ষা করছে, অন্যদিকে আমরা এই ভদ্রলোকদের সুযোগ দিচ্ছি ধর্ম নিয়ে বিতর্ক তৈরী করে মানুষকে বিভক্ত করে রাজাকারদের কমফোর্ট জোন তৈরী করতে। এই বিতর্ক থামলে এক যোগে রাজাকার পিটানো যাবে।
আতরাফ রহমান বলেছেন:
ওকে, মানলাম। রাজাকার খেদানো ১ নম্বর প্রায়োরিটি।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
এই পোস্টের মুল বিষয় আছিল কুরআন কোন মানুষের রচনা হতে পারে না। এর প্রমাণসরূপ রশিদ খলিফার ১৯ ততৃ হাজির করা হৈছিল। সেইটা যাষ্ট খণ্ডন করা হৈছে।
বাকী কে কি করতাছে সেইটা আপ্রাসংগিক। সবাই এইখানে নিজের পছন্দ মতই লিখতাছে। কেউ কবিতা লিখতাছে, কেউ কবিতা, কেউ ছাগু পিতাইতেছে, কেউ যৌন রচনাও লিখতাছে। কেউ বা আবার হুদাই টাইম পাস করনের লাইগা লিখতাছে।
রাজাকার পিটাইতে চান পিটান। আমিও আছি। এর বাইরে কে কি লিখব তা যে লিখে তাগৈ ঠিক করবার দ্যান।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
যুঞ্চিক্তর যুক্তি খন্ডানোর জন্য কোনো বৈজ্ঞানিকের দরকার নেই। একজন ইসলামী স্টাডিজ এর পাশ করা কোরান শরীফ জানা পোলা হইলেই চলবো। বিজ্ঞান বা ফিজিক্স এতো কাবিল হয় নাই ধর্ম ভুল প্রমাণ করার।এর চেয়ে আসেন আমরা রাজাকার পিটাই। এই ক্ষেত্রে এস্কিমোকে ধন্যবাদ জানাই যে এতো সুন্দর কথা বলেছেন। দেশকে অবশ্যই বড় করে দেখতে হবে। আর কোরান শরীফ নিয়া কথা বলতে হইলে বহুত কাবিল হওয়া।ব্লগিষ্ট হইলে চলে না।
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন:
এখানে অনেক অপ্রাসঙ্গিক কথা চলে আসছে। এখানে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা না করার জন্য সবার কাছে অনুরোধ রইলো।এই পোস্টটা আমি আরো আগেই মুছে দিতাম। কিন্তু ১৯ সংখ্যার নামে যে একটা গুজব প্রচলিত আছে সেটা সবার মন থেকে দূর হওয়া উচিত। তাই পোস্টটা রেখে দিলাম।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
রাগিব বলেছেন:
হা হা হা ... এই রাশাদ খলিফার নিবন্ধ নিয়ে উইকিপিডিয়াতে যে কতো কান্ড হয়ে গেছে! দুই পক্ষের মাঝখানে রেফারিগিরি করতে গিয়ে আমার অবস্থা টাইট। তাই এখানে ঐ নিবন্ধটার রেফারেন্স দেখে মজা পেলাম।
মদন বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতির যুঞ্চিক্ত এর কোরআন পড়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের জন্য বলছি। উনি যাই পড়ে থাকুন সেটা তার ব্যপার। উনি যা বলেছেন তা থেকে তার কথা অমুলক এটা প্রমান করুন তাহলেই হবে।
কানা বাবা বলেছেন:
জুদিও অনেকগুলান মাইনাচ দেওনের ইচ্চা কোর্তাচে... না পাইরা এ্যাক্টাই দিলাম...
অফটপিক:
উল্লুকের বৈজ্ঞানিক নাম জানেন্নিকি কেউ?

















.jpg)

