আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পরানে যে সুর বাজিছে ...............

ফিলিস্তিনীদের জন্য আমার সামান্য সমবেদনা ছাড়া আর কিছু নাই, ভালোবাসা সব অন্যত্র রেখেছি

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

শেয়ারঃ
0 6 0

০১
অফিসে আমার পাশেই বসেন শহীদুল্লাহ সাহেব। তিনি সেদিন বললেন ভয়াবহ এক কাহিনী। এলাকার এক রাজনৈতিক নেতা বাসার কাজের ছেলেকে মেরে ফেলেছে। এরপর নিজের ছেলেকে লুকিয়ে রেখে এলাকার সবার কাছে বলে বেড়িয়েছে, বিপক্ষ দল তার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। নির্বাচন জিতে সেই নেতা ...বড় নেতা হয়ে গিয়েছে রাতারাতি।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, কাজের ছেলের মা-বাবা কিছু বললো না?
না স্যার! অই নেতা টাকা দিয়ে দিয়েছে বাপ-মাকে। টাকা পেয়ে আর ভয়ের চোটে ওরা আর কিছু বলে নাই।

০২
আমার বাসায় রান্না করে এলাকার এক বয়স পঞ্চাশের মহিলা। সে আমার জন্য তিনবেলা রান্না করে। বাসন-টাসন মেজে দেয়। প্রতিদিন মোটামুটি ঘন্টা তিনেক কাজ করতে হয়। তার বেতন মাসে তিনশ টাকা। তারমানে দিনে আমি তাকে দশ টাকা দেই। দশ টাকার জন্য সে তিনঘন্টা কাজ করে। দিনে তার আয় এক ডলারের কম, সুতরাং দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। আমি হিসাব করে দেখেছি ঘন্টায় এই মহিলার বেতন সাড়ে পাচ সেন্ট। আমার নিজের বেতন ঘন্টায় একডলার আট সেন্ট।

০৩
বাংলাদেশ কমন একটা ঘটনা লঞ্চডুবি। ডুবে যাওয়ার এত ভয় থাকার পরও কেন মানুষ দলে দলে উঠে লঞ্চে? উত্তরটা দিয়েছিল একজন বুয়া। আমাদের মেস থেকে তার আয় মাসে পনেরশ টাকার মত। ঈদের ছুটিতে তার বাসার সবার বাড়ি যেতে বাসে লাগে একহাজার টাকা (5X200), আসা যাওয়ায় শুধু ভাড়াই লাগছে দুই হাজার টাকা। লঞ্চে গেলে হাজারখানেকের ভিতর হয়ে যাচ্ছে। লঞ্চে যাওয়া ছাড়া উপায় কি?

যারা মারা যায় পত্রিকায় এক সপ্তাহের মত তাদের এবং আত্মীয়স্বজনদের ছবি থাকে। এরপর সব ভুলে যাই আমরা। আমার যতটুকু মনে আছে, এক বছরে বারশ এর মত মানুষ শুধু লঞ্চ ডুবিতে মারা যায়। (ফিলিস্তিনে হামলায় মৃতের সংখ্যা এখনো এত হয় নাই। টুইন টাওয়ারে কতজন মারা গিয়েছিল? )

০৪
আমার সমবেদনা ফিলিস্তিনী নারী-পুরুষ আর শিশুদের জন্য। আমার সমবেদনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কুত্তার মত মারা পড়া ইহুদীদের জন্য। আমার সমবেদনা ইরাকী জনগনের জন্য।

কিন্তু আমার ভালোবাসার কিছুই এদের জন্য নাই।যে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা ভিক্ষে করে জীবন ধারন করে আমার ভালোবাসা তাদের জন্য। যে মহিলা আমার বাসায় ঘন্টায় সাড়ে পাচ সেন্টের জন্য কাজ করে আর আমার কাছ থেকে প্রতিদিন পেয়াজ,মসলা এইসব চুরি করে নিয়ে যায়-আমার ভালোবাসা তার জন্য রাখা। যে বাবা-মা সামান্য টাকা বিনিময়ে সন্তানের মৃত্যু ভুলে যেতে বাধ্য হয়-আমার ভালোবাসা তাদের জন্য।
নিজের ঘরের মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা না বলে,তাদের জন্য কান্না-কাটি না করে-বাইরের কারোর জন্য আমি ভালোবাসা খরচ করতে পারি না। যে আরব ভাইদের জন্য আমার কান্না কাটি করা উচিত শুধু গরিব বলে তারা আমার প্রাপ্য সম্মান দেয় না। আমার শ্রমিক ভাইকে দেশে ফিরিয়ে দেয়। অর্থ আর নৈতিকতার নিদারুন অপচয় করার পর, মুসলমান ভাই বলেই আমার ভালোবাসার একটা অংশ ফিলিস্তিনীরা পেতে পারে না।

আমার ভালোবাসা নাই ফিলিস্তিনীদের জন্য। আমি বড়জোর সমবেদনা দেখাতে পারি। নিজের লড়াই তারা নিজেরা করুক। আমি তাদের জন্য নিজের একটা __ ও ছিড়ব না।






বিঃদ্রঃ- শেষ লাইনের শূন্যস্থানে চুলের হিন্দি শব্দ হবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪
প্রলাপ বলেছেন: হুমমমম, আমাগো চামড়া বাদামী, তাই আমাগো দাম কম। ব্যাপার না........
অবশ্য নিজেরা নিজেগো দাম না দিলে অন্যরা দিবো কেন?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: যে শিশুটাকে আমার দেশ খাদ্য না দিতে পারায় অপুষ্টিতে মারা গেল- একটা মর্টারের আঘাতে মারা যাওয়ার চেয়ে সেটা অনেক বেশি নিষ্ঠুর।

নিজের দেশের তাকানো দরকার।আগে নিজেরা বাচি-এরপর দুনিয়ার খোজ নিব।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: কে জানি আবার পন্য বর্জনের ডাক দিল।

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
দুরের পাখি বলেছেন: তুই না পলাইবার পথ খুঁজতাছিলি ?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: দুস্ত ,আমি পলামু কুনো সন্দেহ নাই। কিন্তু কারন ত দেশের মানুষগুলা না। সিস্টেম খারাপ। এখানে থাকলে আমার জীবন অপচয় হবে বলে মনে হচ্ছে তাই পলামু।

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
রাতুল" বলেছেন: ভাল লাগে না আড় এইসব!
কষ্ট
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: দুনিয়া খারাপ হইয়া গেছে রে ভাই :(

৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২০
দুরের পাখি বলেছেন: লেখক বলেছেন: দুস্ত ,আমি পলামু কুনো সন্দেহ নাই। কিন্তু কারন ত দেশের মানুষগুলা না। সিস্টেম খারাপ। এখানে থাকলে আমার জীবন অপচয় হবে বলে মনে হচ্ছে তাই পলামু।



পলাইলে , তাইলে আর মাছের মায়ের পুত্রশোক দেখাইয়া কি লাভ ? দারিদ্র বেইচা এনজিওরা ফান্ডিং কামায় । তুই বাহবা কামাইতাছস ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: আমি ত কইতে পারতাম স্কলারশীপ নিয়ে বিদেশে পড়তে যামু, সেটা না কইয়া পলামু কইতাছি। তারমানে আমি জানি এইটা খারাপ করতাছি, কিন্তু কিছু করার নাই। এইদেশে থাকলে আমার জীবন নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না।

প্রাইভেট ভার্সিটির টিচার হওয়া ছাড়া-সম্ভাব্য সকল ধরনের চাকুরি করে ফেললাম। কোথাও শান্তি নাই।

৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: কেউ কোন বালও ফেলাইতে পারবো না। শুন্যে হাত পা ছুইড়া ক্ষ্যামা দিব আবাল, সুশীলরা কয়দিন পর; 'কিছু একটা করছি' এই আত্মতৃপ্তি নিয়া ভুইল্যা যাইবো এই ম্যাসাকার আগের মত।
at the end of the day, ইজরাইল আর তার দোস্তদের সুমতি, দয়ার উপরই নির্ভর করছে প‌্যালেস্টাইনগো বাঁচনের।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: পুরা আরবের বেশিরভাগ দেশ পশ্চাতদেশ পেতে দিয়েছে। ফিলিস্তিনীরা না পাতলে ওরা জোর ত করবেই- সত্য কথা।

৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৫
দুরের পাখি বলেছেন: আহা ! এক 'পলানি' শব্দতেই সাত খুন মাফ ! জয় মা কালী !
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: পলানি বললাম, কারন আমিও জানি কাজটা ঠিক না, তবু করতে হবে। দেশ কি সাত খুন হল না সত্তুর খুন হল সেটা নিয়ে ভেবে আমি নিজে মরতে পারি না।

৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
দুরের পাখি বলেছেন: "at the end of the day, ইজরাইল আর তার দোস্তদের সুমতি, দয়ার উপরই নির্ভর করছে প‌্যালেস্টাইনগো বাঁচনের। "

একমত, তয় প্যালেস্টিনিয়ানগো নিজেগো চিন্তাভাবনারেও যথাযথ পারস্পেক্টিভে নিয়া আসারও কিঞ্চিৎ ভূমিকা আছে ।
৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
আগলিআগলি বলেছেন: অসাধারণ সত্যি লিখেছেন ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন: এই সত্য কথাগুলা তিতা, শুনতে ভালো লাগে না।

১০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
'লেনিন' বলেছেন: ব্রাভো! সত্যি বলার এমন সাহস সবার থাকা উচিৎ!
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। :D

১১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
দুরের পাখি বলেছেন: ও অন্য কথার ফাঁকে তো তোর লেখা নিয়াই কথা বলা হৈলো না ।

অনেকদিন বাদে ইয়াহু মেসেন্জারের একটা অডিবল এর কথা মনে পইড়া গেল লেকাডা পইড়া ,

Would you like some cheese and crackers to go with that whine

:P
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: মনের ব্রিত্রের তিতা সইত্য কথাগুলান বইলা দিলেন। ৭১ সালে বাংলাদেশে যখন পাকিস্তানি কুত্তাগুলা লাখ লাখ মানুষ হত্যা করছিল তখন আরবের দেশগুলা বয়া বয়া হাত মাতের্সিল। সমবেদনা জানানো ছাড়াতো আর কিছু করার নাই। যারা ফিলিস্তিন নিয়া অতিরিক্ত উৎসাহি তারা সেইখানে গিয়া হামাসে যোগদান করতে পারেন, কেই বাধা দিব না। নিজের বাল ছাটার টাইম পাই না, পরের বাল নিয়া এত উত্তেজিত বোধ করছি না। যে যার মতো ভাবলে ভাবেন।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: পুরা একমত আপনার লগে।

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
মুহিব বলেছেন: আমার মত যারা ফিলিস্তিন নিয়ে আহা উহু করে তারা এই পোস্ট পড়ে কিঞ্চিত লজ্জিত হলাম। সহমত বস। তবে ফিলিস্তিনের প্রতি সমবেদনা মুসলমান এজন্য নয়। অসহায়ের জন্য, শিশুদের জন্য।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হুমাইলাম।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: আমিও হুমাইলাম।

১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
নস্যরাজ বলেছেন: দুস্ত, আমি ব্লগ ছাইড়া দিলাম। সেকেন্ড সেমিস্টারের ২টা ক্লাস মাত্র হইছে। জানডারে কয়লা বানাইয়া দিল।সেমিস্টার গ্যাপে মাত্র একটা মৌলিক বই পড়ছি বইলা বকা খাইলাম।
প্রথমদিকে আমারে চিনতে পারছ নাই বইলা মজা নিতাম। পরে দেখলাম তোর সাথে মজা মারলে ইকরামও মজা নেয়। তাই রেগুলার ভিলেন হইয়া গেছিলাম। লেখা-লেখি চালাইয়া যাইছ। মাঝে-মাঝে পড়তে আসমু নি।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: হায় হায় কস কি? মজাই ত কইম্যা যাইব তুই চইল্লা গেলে।

তোরে বকছে কে রে?



আচ্ছা! যেইটা ভালো লাগে সেইটা কর। ব্লগ ছাইড়া দিতে চাইলে ছাইড়া দে। আমি ত ছাড়ি আর ধরি। দেখি তুই কি করবি।

১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
ব্লগে নতুন বলেছেন: হক কথা। নিজের নিয়াই বাচি না আবার পরের কথা। তবে "সমবেদনা শিশুদের জন্য" -- এটাই।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: :)

১৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
কিউরিয়াস বলেছেন: ভাল লাগল রে ভাই, ভাল লাগল।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: :)

১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
নামহীনা বলেছেন: আপনার এই বক্তব্য সৌদী আরব, কুয়েতি ও ঐটাইপের দেশের পাবলিকের জন্য হইলে আমার আপত্তি নাই, কিন্তু ফিলিস্তিনের জনগন ও আমাদের ৭১সালের মতো অবস্হায় আছে সেই বছরের পর বছর ধরেই। তাদের যদি ঐ অন্যান্য আরব রাষ্ট্রগুলির মতো তেল আর দিনার থাকতো তাহলে বোধ হয় এভাবে পড়ে পড়ে মার খেতে হতো না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: ফিলিস্তিনীদের স্বভাব খুব ভালো - এই কথাটা কেনো মনে হলো আপনার?

ফিলিস্তিন নিয়ে একেকজনের একেক মত। ধরে নেন,আমিও একটা কিছু বলেছি।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: আমিও হুমাইলাম।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: :)

২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪
রানা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি ত কইতে পারতাম স্কলারশীপ নিয়ে বিদেশে পড়তে যামু, সেটা না কইয়া পলামু কইতাছি। তারমানে আমি জানি এইটা খারাপ করতাছি, কিন্তু কিছু করার নাই। এইদেশে থাকলে আমার জীবন নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না।

প্রাইভেট ভার্সিটির টিচার হওয়া ছাড়া-সম্ভাব্য সকল ধরনের চাকুরি করে ফেললাম। কোথাও শান্তি নাই..... এভাবেই চমৎকার সব মানুষগুলো বাইরে চলে যাচ্ছে......বাইরে গেলেও সামহোয়ারইন কে ভুইলেন না.....
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: হে হে হে হে
এত ভাইবেন না। আগামী বছরের শেষে যাওয়ার প্লান করছি। প্ল্যান পাল্টাতে আর কতক্ষন লাগে?

সামু ত আমি প্রতি তিনমাসে একবার করে ছাড়ি বা সমস্ত ব্লগ ডিলিট করি। আবার ফিরেও আসি। :P

২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
েদউিত বলেছেন: lets go back to1971.....people all around the world were supporting our fight..I am not talking about head of the states..I am talking about general people....and that should be human attitude...whats happening in GAZA..its simply a war crime...killing children, innocent people by chemical weapons!!!...eliminating gemerations after generations...!!! its not a question of sympathy..it is a question of same feeling....not supporting a just fight..is also a crime....
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: first of all, u should think, is it really a just fight? what about chittagong? are we in good side? just side? what if they (upojati) want to be free? will you support them?


freedom and fight for justice is relative. even it varies from person to person. personally i dont give a fuck about gaza.

২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২০
মনির হাসান বলেছেন: স্রেফ অসাধারন ... ভাই আপনের হাতে কি আছে ?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আমার হাতে কিছু নাই রে ভাই। বেতন পাই নাই এখনো। হাত পুরা খালি।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৫

লেখক বলেছেন: হুমাইলাম।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। :D

২৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২৮
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: এই কমেন্ট টা মানবীর ব্লগেও করছিলাম... আপনার ব্লগেও করছি.. (কুমীরের একবাচ্চা বারবার দেখাতে আপনার আপত্তি থাকলেও আমার কিন্তু নাই ;)... ; আর তাছাড়া মানবী ঐ পোস্ট মুইছা ফেলছেন... সো এক কমেন্ট দুইবার করতে থিওরিটিক্যালী ও কোন বাধা নাই... খিক খিক খিক)...

যাহোক মূল কথায় আসি... এই ব্যাপারটার ব্যাখ্যা সৈ. মুজতবা আলী দিছিলেন - উনারা জিবুতি বন্দরে নাইমা ঐখানের লোকদের দারিদ্র দেইখা খুবই দুঃখিত, আর মর্মাহত হইছিলেন। একই সময়ে মুজতবা আলীর মাথায় এই চিন্তাও আসে যে আরে ভাই দারিদ্র তো আমার দেশেও আছে, তাইলে আমি এত অবাক হইতাছি ক্যান? আর অবাক হইলে তো দেশের মানুষের দারিদ্র দেইখাই অবাক হওয়ার কথা... এরজন্য তো জিবুতি বন্দরে আসা লাগেনা!!

এরপর উনি উনার অবজারভেশন টা তুইলা ধরছিলেন- যে মহাপুরুষরা আশেপাশের কোন কিছুতেই অভ্যস্ত হয়া যান না (যেইটারে ইংলিশে কয় টেকেন ফর গ্রান্টেড), তাই দারিদ্র জিনিসটা তাদেরে সবসময়ই ভাবায়, সেইটা দেশেই হোক আর জিবুতিতেই হোক। আর সাধারণ মানুষরা আশেপাশের এই সব দারিদ্ররে স্বাভাবিক বইলাই ধইরা নেয়, কিন্তু যখন নিজের গন্ডির বাইরে গিয়াও এইটা দেখে তখনই শুধু অবাক হয়। এইখানেই সাধারণ মানুষ আর মহাপুরুষের তফাত। (মুজতবা আলীর লেখা থেকে উদ্বৃতি দিতে পারলাম না; মুখস্হ নাই; তয় আইডিয়া টা এরকমই ছিল বইলা মনে পড়ে)

তো পোস্ট পইড়া মনে হইল আপনে এখনো মহাপুরুষ স্টেজে আছেন কারন আশেপাশের দুর্বিপাক/দুর্দশা এখনো আপনেরে ভাবায়... সো কংগ্রাটস...। কিন্তু যারা গাজা নিয়া চিন্তিত তাদেরেও আমি কংগ্রাটস জানাইতাম চাই কারন তারা মহাপুরুষ হইতে না পারলেও অন্তত এখনো মানুষের পর্যায়ে আছে... আশেপাশেরটা তাদের চিন্তিত না করলেও জিবুতিরটা (এক্ষেত্রে গাজা) তাদেরে ভাবায়; আর এইটাও আশা রাখি যে তারা একদিন মানুষ থাইকা মহাপুরুষ হইব; তারাও গাজার সাথে সাথে তাদের আশেপাশের (এক্ষেত্রে বাংলাদেশ) ঘটনাবলী নিয়া আপসেট হওয়া শুরু করব (এই মুহুর্তে ও যে তারা হচ্ছে না সেইটাই বা নিশ্চিত হয়া কেমনে বলি!!??)

পোস্টে প্লাস... গুড ওয়ান
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: এই কমেন্টটা একটা সুন্দর ব্লগ হতে পারত। একতু কষ্ট করে এটাকে ব্লগ হিসাবে ছাড়েন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: আরে ধূর... আমার বেইল নাই... আর আপনে কন পোস্ট!!! খিক খিক খিক। থ্যংস ম্যান
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: :)

২৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: দেশের মানুষকে অভুক্ত রেখে , শ্রমজীবিদের শ্রমের অর্থ নিশ্চিত না করে ১৮+ পোস্ট দেয়া আর দিন রাত চুমু খাওয়ার ফ্যান্টাসিতে ভুগাটাও আমার কাছে চরম হিপোক্রেসি মনে হয় ।

অবশ্য মাথাবেচা বুদ্ধিজীবি হতে হলে এইসব বোলচাল দিতেই হবে । সেইভাবে ভাবলে ঠিকই আছে । সময় আসলেই নীতিবমি করতে হবে , আর বাকি টাইম কোবতে গান , চুমুর নেশায় মশগুল থাকতে হবে
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনি ত আমার মাথায় মুগুর মারলেন। কুত্তারে রাগাইয়েন না। বিচি কামড়াইয়া ধরমু। :P

৩০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: আমার দেশের মানুষ কষ্টে আছে তার মানে এই না যে আমি অন্যের কষ্টে আগামু না,তাইলে জর্জ হ্যারিসন বা রবিশংকর "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" করতো না,চে গুয়েভারা কংগো বা বলিভিয়াতে মরতে যাইতো না,অ্যালান গীনসবার্গ "সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড" লিখতো না,জোয়ান বায়েজ "বাংলাদেশ" গাইতো না,আর মার্ক ওডারল্যান্ড বাংলাদেশের হয়া যুদ্ধ করতো না বা ফাদার মরিনো রিগন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়া মুক্তিযোদ্ধা আর শরণার্থীদের খাওয়াইতো না। একমাত্র বেয়াকুফেরমত স্যাডিস্টরাই এইখানে প্লাস দিতে পারে,স্যরি দোস্ত,আমি মাইনাস দিলাম।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: দোস্ত,সারা ব্লগ যখন ফিলিস্তিন নিয়া কান্দা-কাটি করতাছে, আমি তখন এর বিরুদ্ধে লিখতে বসছি। মাইনাস যে বহু খামু সেইটা জেনেই ত লিখছি। তোর মাইনাস শুধু মতের ভিন্নতা-এর বেশি কিছু নয় বলে মনে করি।

চে গুয়েভারার কথা বলি। বিপ্লবী হবার আগে সে আর্জেন্টিনা ঘুরে দেখছে। ইনকাদের নিয়ে তার মনের দুঃখের কথা বলছে। এরপর ঘুরতে বের হইছে দক্ষিন আমেরিকা। উত্তরে ত সে তেমন একটা যায় নাই।

চে এর মত হইতে হইলেও ত আগে নিজের দেশটাকে জানতে হবে। মিডিয়া একটা কিছু বলে , আর সেই তালে লাফালে চলবে না।
এইধরনের কথা সমকামী গীনিসের ব্যাপারেও বলা যায়। সবার ক্ষেত্রে এটা সত্য। আমি শুধু এইটাই বলতে চাইছি, সমবেদনা দেখাও ফিলিস্তিনীদের কিন্তু আগে ভালোবাসো নিজের মানুষদের।

৩১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৩
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: কমেন্টামুনা কইরাও লিখতে বসলাম। তোর পয়েন্টগুলো খুব সত্য। কিন্তু সমস্যা হইতেসে আমরা সবকিছুই সরলীকীকরণ করে ফেলি।
মানবতাবাদী তথাকথিত মানবাধিকার কর্মী রা আজ নিশ্চুপ থাকে কেন এইটা বুঝি না। কারণ মনে হয় এতে সমর্থন দিলে সুশীল হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই উল্টো রাজাকার সন্দেহ আসতে পারে।
আমিও খুব বেশি সরলীকীকরণ করে ফেললাম।
সরি দোস্ত। তয় আমি মাইনাস দেই নাই।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: দোস্ত মিডিয়া দেখায় , আর পাবলিক নাচে।

নিজের ঘরটা দেখতে হবে আগে- এর বেশি আর কি বলা উচিত?

৩২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২১
মফিজ পাগলা বলেছেন: কুত্তারা চুলের হিন্দি শব্দ এম্নিতেও ছিড়ে না যতদুর জানি!
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: ঘেউ ঘেউ ঘেউ

৩৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: নিজের লড়াই তারা নিজেরাই করবে।আপনাকে তারা বলেনি যে আসেন,কিছু সাহায্য কইরা যান।সমবেদনা তো সবারই আছে,এবং সেটা প্রকাশ করা ছাড়া আমাদের আর কিছু করারও নেই।
কিন্তু আপনি শেষ লাইনে যেভাবে লিখেছেন যে ওদের জন্যে আপনার বাল ছিড়ার টাইম নাই,তাতে আপনার সমবেদনা তো প্রকাশ পায়ই না,উল্টো ফিলিস্তিনে বিপন্ন মানবতাকে অপমান করা হয়।এই প্রথম আপনার কোনও পোস্টে মাইনাস দিলাম।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: __ ছিড়ার কথাটা আমি আসলে যারা ব্লগে এসে কিলিস্তিন নিয়ে কান্দা-কাটি করে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি। বিপন্ন মানুষকে কটাক্ষ করে না।

আপনার মাইনাস আমি হাসিমুখে গ্রহন করে নিচ্ছি, শুধু এটা ভেবে যে-মতের ভিন্নতা থাকে। কিন্তু হয়ত বড় উদ্দেশ্যটাকে আমরা সমানভাবেই গ্রহন করেছি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৩৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪১
ফারহান দাউদ বলেছেন: কয়েকটা পয়েন্টে তীব্র আপত্তি জানাইলাম।
"মিডিয়া একটা কিছু বলে , আর সেই তালে লাফালে চলবে না।"
তার মানে ফিলিস্তিনে যে মানুষগুলিরে মারা হইতেসে সেইগুলি "মিডিয়া কিছু একটা বলে?" নাকি ছবিগুলা ফটোশপে এডিট করা?
আর যে ফিলিস্তিনের জন্য কান্নাকাটি করে সে নিজের দেশের কথা ভাবে না এমন উদ্ভট একটা আইডিয়া হইলো কেমনে? নাকি নিজের দেশের কথা ভাবলে ফিলিস্তিনের জন্য কান্নাকাটি করা যাইব না বা ইসরাইলের গণহত্যার প্রতিবাদ করা যাইবো না? অপরাধ সবখানেই অপরাধ,সেইটা নাজিদের ইহুদী মারা বা পাকিদের বাঙ্গালি মারা বা ইসরাইলিদের ফিলিস্তিনি মারা,এইটারে আলাদা করে দেখার কোন অবকাশ নাই,তাতে যদি কেউ আমারে বাল ছেঁড়া বুদ্ধিজীবিও কয়,সমস্যা নাই। দেশের মানে বুঝার জন্য আমার ব্লগে বলা লাগে না "আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি",আমার মাথায় পতাকা বান্ধাও লাগে না,বাংলাদেশের মানে যে বুঝে,'৭১ এর গণহত্যার যে বিচার চায়,সে যদি ইসরাইলিদের গণহত্যারও বিচার না চায়,তাইলে তার বাংলাদেশের অর্থ বুঝায় সমস্যা আছে।
৩৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: অতিশয় দুর্বল যুক্তি।

যেকোন মানুষ কয়েকপ্রকারের জীবনযাপন করে।পারিবারিক জীবন, সামজিক জীবন, দেশী এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তার এক ধরনের জীবনযাপন।

এখন আমার মায়ে অর্থাভাবে চিকিৎসায় মারা গেছে বলে জীবনে আর কোন মানুষের চিকিৎসা বা বেঁচে থাকায় আমি সহায়তা করবো না এ কেমন কথা।

সবকিছুকেই কি বৈষয়িক লাভালাভের ব্যাপ্তি মাপা যায় নাকি? বাংলাদেশের মুক্তিযু্দ্ধ নিরপেক্ষভাবে বিশ্লষন করলে তা বাংগালী মধ্যবিত্তের সংগ্রাম।এর সুফলও ভোগ করে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণি।তাই বলে কি কোন কৃষক বলবে বাংলাদেশের স্বাধিনতার কি বালের দরকার ছিলো? সেটা কি গ্রহণযোগ্য হবে।

৭১এর মুক্তিযু্দ্ধ ঠিক কোন বস্তুগত লাভের আশায় একজন অ্যালেন গীনিসবার্গ যশোর রোড কবিতা লেখেন, ঠিক কি অধিকার করতে একজন আন্দ্রে মারলে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতে ট্যাংকসহ যাত্রার ঘোষনা দেন, শুধুই নাম কামানো
আশায় কি কিছু মানুষ "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" এর আয়োজন করে।

এমন বালখিল্য যুক্তিতে হতাশ হইলাম।



৩৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
আখসানুল বলেছেন: আমি এই বিষয়ে কারো কমেন্টের কোন জবাব দিব না বলে ঠিক করেছি। যা বলার সেটা ব্লগেই বলছি। এর বেশি বলতে গেলে অহেতুক গালাগালি শুরু হবে।

সবারই যুক্তি আছে। আমি আমারটা ব্লগে দিয়েছি। এখন সেটার আরো ব্যাখা দেয়ার ইচ্ছে নাই।

যার যা ইচ্ছে মনে করুক। কারো ভালো লাগলেও আমি খুশি, না লাগলেও আমি খুশি।

সবাইকে ধন্যবাদ। :)
৩৮. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯
নয়ন বলেছেন: আপনি আপনার এক্সপ্রেশানটা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। সত্য বলার সৎসাহসের জন্যে ধন্যবাদ।

আরব বিশ্বের নামটা শুনলে ওযু করতে ইচ্ছা করে। মুসলমান হয়ে ওরা যা করে তা ভাষায় বলবার মতো না।
আরবের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রত্যেক ব্যাক্তির ফিডব্যাক ও দেখলাম খুবই নেগেটিভ।
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এগুলো আসলে ওদের নিজেদের কৃতকর্মের ফল। (আমেরিকান শোষণ) কিছু একটা হলে আমরা এইদেশে চিল্লাফাল্লা নাচাকুদা করে শেষ অথচ আরব বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর কিন্তু কোন মাথাব্যাথা দেখা যায় না।
সবচেয়ে মজার বিষয় হলো ওরা হলো আমেরিকানদের সবচেয়ে বড় চামচা আবার ওরাই জঙ্গিদের মদদ দিয়ে থাকে।
৩৯. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২১
লিবিব বলেছেন: আমি শুধু এইটাই বলতে চাইছি, সমবেদনা দেখাও ফিলিস্তিনীদের কিন্তু আগে ভালোবাসো নিজের মানুষদের-ভাল লাগসে এই কথা গুলো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বাহির চিরকালই বাহির, দূর চিরকালই দূর।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ