আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পরানে যে সুর বাজিছে ...............

আমার দশটি পুরানো (৩৬+) কৌতুক

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

শেয়ারঃ
0 44 0

০১.
ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি-তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই। চোর-বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। " ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য? " একজন কাচুমাচুভাবে বলল " আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে। " সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে "কামে" লাগায়...ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম-শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।
এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো, শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল। উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল
- খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?
- না হুজুর। আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দুরের একটা শহরে যাই।



০২.
বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, " এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।"

আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, " এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি"

পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল
- কি তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?
-হুমমমম...তোরা বুঝোস না কিছুই।এমন কাম করছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না।


০৩.
তিনবন্ধু গেছে মরুভূমিতে ঘুরতে। সেইখান ঘুরতে ঘুরতে দেখে একজন লোক মরমর। তাকে বাচানোর জন্য অনেক চেষ্টা করল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারে নাই। লোকটা তাদের হাতে মারা গেল। তবে মারা যাবার আগেই তাদের বলল, তোমরা আমাকে বাচানোর অনেক চেষ্টা করছ। তোমাদের উপর খুশী হয়ে আমি খোদার কাছে প্রার্থনা করলাম। হে খোদা তুমি এদের
একটা করে ইচ্ছা পুরন করো। তারপর তাদের বলল তোমরা কোনো একটা উচু জায়গায় উঠবা।এরপর চোখ বন্ধ করে দিবা লাফ। লাফ দেয়ার সময় চিৎকার করে বলবা তোমরা কি চাও। খোদা তোমাদের সেটা দিবে।

কয়েকদিন পর তিনজন গেছে সুইমিং পুলে। উচু বোর্ডে উঠছে লাফ দিবে। একজনের মনে পড়ল দোয়ার কথা। লাফ দেবার সময় সে চিৎকার করে বলল- টাকা। সাথে সাথে সে শুন্যে মিলিয়ে গেলো আর গিয়ে পড়ল টাকা ভর্তি একটা সুইমিং পুলে। দ্বিতীয়জন লাফ দেবার সময় চিৎকার করে বলল-সেক্স। সে গিয়ে পড়ল সুইমিং পুল ভর্তি মেয়ের মাঝে। তৃতীয় জন বোর্ডে উঠে ভাবছে কি চাইবে কি চাইবে। সে দৌড় দিল।লাফ দেয়ার আগ মুহুর্তে তার প্যান্ট রেলিং এ আটকিয়ে গেছে।

আর সে চিৎকার করে বলে উঠল- oh shit


০৪
এক লোক অতি বিকট শব্দে বায়ু ত্যাগ করে। তার যেমন বিকট আওয়াজ তেমনি উৎকট গন্ধ।তার বউ বিরক্ত।
-তুমি কি এটা ইচ্ছা করেই করো নাকি?
-ইচ্ছা করে আবার করা যায়?
-কি জানি। তবে তোমার জ্বালায় ত আর থাকতে পারছি না। দেখো কমাতে পারো কিনা।

এত কথা পুরোটাই নষ্ট হয়েছে। পরদিন সকালেই আবার বিকট শব্দে কাজ শুরু করেছে। বউ বিরক্ত হয়ে বলল
-তুমি যেভাবে চালিয়ে যাচ্ছো তাতে কদিন কিন্তু পাদ দিতে গিয়ে নাড়ি-ভুড়ি বের হয়ে যাবে।
-তুমি কি সব কথা বলো। নাড়ি-ভুড়ি বের হবে কেনো?
-বের হবে ...একশবার হবে...তুমি জোর করে এমন বিকট আওয়াজ করো।

একদিন সকালে সে অভ্যাসগত ভাবেই বিকট শব্দে ত্যাগ করছে। তার বউ আর শুয়ে থাকতে পারল না। উঠে যেতে যেতে বউয়ের মাথায় এসেছে এক বুদ্ধি। নীচে নেমে ফ্রিজ থেকে মুরগি বের করল। এরপর মুরগির নাড়ি-ভুড়ি নিয়ে এসে স্বামীর পাজামার ভিতর দিয়েছে ঢুকিয়ে। চুপ করে নেমে এলো। রান্না করতে করতে দুই কান খাড়া করে রাখছে সে। কখন তার স্বামী চিৎকার করে ঊঠবে।

কিছুক্ষন পর যথারীতি এক চিৎকার। বউয়ের মুখটা আনন্দে ভরে গেছে। এইবার হইছে উচিত শিক্ষা।

আধা ঘন্টা পর নেমে এসেছে জামাই। এসেই বলে
-ও বউ ,তুমি ঠিকই বলেছিলে। এতো জোরে পাদ দেয়া ঠিক না । আজকে সকালেই পাদ দিয়ে ত নাড়ি-ভুড়ি বের হয়ে গিয়েছিল আমার।
-তাই নাকি?
-তবে বলছি কি আর। তবে খোদার রহমতে, একটু চেষ্টা করে সমস্তটা আবার ভিতরে ভরে ফেলতে পারছি।

০৫
এক দম্পতি এসেছে ডাক্তারের কাছে। স্বামীটা বেশ বয়স্ক কিন্তু স্ত্রী তরুনী। তাদের সমস্যা হলো বাচ্চা হচ্ছে না। ডাক্তার স্ত্রীর কিছু পরীক্ষা করলেন। স্বামীটিকে বললেন আপনার স্পার্ম টেস্ট করতে হবে। তাকে একটা specimen cup দেয়া হলো। বলা হলো কাপটাতে স্পার্ম(বীর্য) নিয়ে আসবেন।
পরদিন লোকটা খালি কাপ নিয়ে এসেছে।
ডাক্তার বলল, কাপ খালি কেনো?
-বাসায় গিয়ে বাম হাতে অনেক চেষ্টা করলাম। পারলাম না। পরে মনে হলো ডান হাতে চেষ্টা করি। সেই হাতেও হলো না।
-এটা হতে পারে...আপনার বয়স ত আর কম হয় নাই। তা সাহায্য করার জন্য বউকে ডাকতে পারতেন।
-বউকে ডাকছি ত। সে হাত দিয়ে চেষ্টা করল ...হলো না...মুখ দিয়ে চেষ্টা করল ...হলো না...
- হয়। মাঝে মাঝে এমন হয়। তা অন্য কাউকে ডাকতে পারতেন।
-ডাকছি ত। বউয়ের বান্ধবীকে ডাকছি।
-বউয়ের বান্ধবী????
-সেও চেষ্টা করে পারল না।
-পারল না?? ডাক্তারের ভ্রু কুচকে গেছে।
-এরপর বউয়ের বন্ধু এলো। সেও চেষ্টা করল... পারল না।
ডাক্তার অবাক- বলেন কি? আপনার বউয়ের দোস্ত??একটা ছেলে??
-তবে আর বলছি কি?যাক, সারা রাতে পারলাম না। সকালে হাসপাতালে এলাম। হাসপাতালে এসে নার্সকে বললাম সাহায্য করতে।
- আমার নার্সকে?
-হ্যা। সেও চেষ্টা করল। পারে নাই।
-আপনি ত দেখি সবাইকে দিয়ে চেষ্টা করছেন।
-তা করছি। তবে আপনি বাকি আছেন।
-আআআআমি??? ডাক্তার তোতলাচ্ছে...
-হ্যা। দেখেন ত চেষ্টা করে কাপটার ঢাকনাটা খুলতে পারেন কিনা?




ক্লাস ফোরের দুইটা ছেলে কথা বলছে
-দোস্ত ,গতকাল থেকে আমার খুব মন খারাপ।
-কেনো?
-মলি ছয়মাস আগে আমাকে গন্ডার বলেছিল। আমার চামড়া নাকি গন্ডারের।
-ছয়মাস আগে গন্ডার বলেছে আর তোর গতকাল থেকে মন খারাপ?
-হু......... গতকালই যে চিড়িয়াখানায় প্রথম গন্ডার দেখলাম।

০৭
কুস্তি প্রতিযোগিতা চলছে। প্রথম রাউন্ড থেকেই দশাসই এক আমেরিকান সবাইকে হারাচ্ছে। কেউ তার সাথে লড়ে উঠতে পারছে না। এক্সময় সবাইকে হারাতে হারাতে সে পৌছে গেলো ফাইনালে। সেইখানে বাংলাদেশী মদন গেছে লড়তে।মদনও ফাইনালে উঠছে। ফাইনাল শুরুর আগে বাংলাদেশের কোচ বলল
"বাবা মদন!ফাইনালে উঠছোস তাতেই আমরা খুশী। আমেরিকানটার সাথে ত পারবি না। হারামজাদার " মাইনকা চিপা" থেকে দূরে থাইক্যা ফাইট করিস"
মদন রিংয়ে ঢুকছে। কিছুক্ষন দূরে দূরে থাকছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারে নাই। আমেরিকানটার হাতে খাইছে ধরা। আমেরিকানটা মাইনকা চিপা দিয়ে ধরছে। বাংলাদেশের কোচ কয় আরে মদন কি কইলাম তোরে...দুরে দূরে থাক। এইটা বলে বেচারা মাথা নিচু করে ফেলছে। হার এখন সময়ের ব্যাপার। একটু পরেই বিকট এক চিৎকার। কোচ অবাক হয়ে মাথা তুললো। কি হইছে?

হইছে জবর কান্ড। মদন দেখি আমেরিকানটারে চাইপ্পা ধরছে। আমেরিকানটা একটু ধাপাধাপি কইরা হার মানলো।

পুরষ্কার নেয়া শেষে কোচ মদনরে জিগাইলো, রিং এ কি হইছিলো রে? জিতলি কেমনেরে বাপ?
মদন কয়- ওস্তাদ। আপনের কথা শুইন্যা ত দূরে দূরে থাকতে চাইছিলাম। কিন্তু ক্যামনে জানি মাইনকার চিপায় পইড়া গেলাম। চিপার চোটে মনে হইতেছিলো দম বন্ধ হইয়া যাইব...জ্ঞান হারানোর ঠিক আগে আগে দেখি মুখের সামনে দুইটা বিচি ঝুলতাছে...আমি ভাবলাম হাইরা ত যাইতাছি...দেই শালার বিচি কামরাইয়া। গলাটা বাড়াইয়া দিলাম একটা কামড়। আর আপনে বিশ্বাস করতে পারবেন না, নিজের বিচিতে নিজের কামড় পড়লে কি দানবের মত এনার্জি পাওয়া যায়।


০৮
এক শহরে পরকীয়ার খুব চল। কমবেশী সবাই করছে। এরাই আবার চার্চে গিয়ে ফাদারের কাছে কনফেশন করে তারা কি করেছে। বৃদ্ধ ফাদার এইসব শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এক রবিবারে তিনি সবাইকে বললেন আর কেউ যদি আমার কাছে পরকীয়ার কথা স্বীকার করে তবে এই শহর আমি ছাড়ছি। শহরের লোকজন আবার ফাদারকে খুবই পছন্দ করে। এরা ভাবল পরকীয়ার নতুন কোন শব্দ বা কোড ব্যবহার করতে হবে। শহরবাসী এরপর থেকে পরকীয়ার জন্য ব্যবহার করতে লাগল "আছাড়"।

" ফাদার! আমি আছাড় খাইছি এই সপ্তাহে......"

নতুন পদ্ধতি খুব ভালো কাজ করে। ফাদার কিছুই টের পাননা। একদিন বৃদ্ধ ফাদার মারা যান। তার জায়গায় নতুন আর অল্পবয়স্ক একজন ফাদার আসে। সে ত আছাড় খাওয়ার কথা শুনতে শুনতে অবাক। সে গেলো শহরের মেয়রের কাছে।
" মেয়র! আমাদের শহরের রাস্তাগুলো ঠিক করা দরকার। লোকজন প্রচুর আছাড় খাচ্ছে"
মেয়র বুঝলেন বেচারাকে কেউ আছাড়ের মানে বুঝিয়ে দেয় নাই। আর বেকুব ফাদারটা চলে এসেছে সরাসরি তার কাছে। তার হাসি চলে আসল।
ঠিক এমন সময় ফাদার বললেন, "আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে"


০৯
সিন্ডেরেলার কথা বলছি। তার বয়স হয়েছে অনেক। তার স্বামী মারা গেছে। সে এখন রাজবাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। তার জীবনের শেষ দিনগুলো গ্রামের সহজ-সরল পরিবেশে কাটচ্ছে। হাস-মুরগী, গরু ছাগল এইসব পালছে। তার জীবন শান্ত আর নিরুদ্রব। একদিন হঠাৎ করেই তার পরী মা এসে উপস্থিত। পরী মার বয়স বাড়ে নি একটুও। কিন্তু সিন্ডেরেলা হয়ে গেছে বুড়ি। পরী মার সিন্ডেরেলাকে দেখে খুব মায়া লাগল।
বলল " আহা! আমার সবচে ভালো মেয়েটা বয়সের ভারে ক্লান্ত!"
সিন্ডেরেলার বয়স হতে পারে। কিন্তু তার ব্যাবহার ঠিকই আগের মত আছে। সে পরী মাকে আদর আপ্যায়ন করে বসালো। খুব উজ্জ্বল একটা পাথর দিল উপহার। প্রচুর আদর যত্নে পরী মার মন গলে গেলো।
সে দিল সিন্ডেরেলাকে একটা আঙ্গটি। এই আংটি ঘষে সে তিনটা ইচ্ছা পুরন করতে পারবে। পরী মা চলে যেতে সিন্ডেরেলা ভাবতে বসল কি চাওয়া যেতে পারে। আংটি ঘষে প্রথম ইচ্ছা প্রকাশ করল "আমি আবার চব্বিশের যুবতী হতে চাই" সাথে সাথে তার কুচকানো চামড়া মসৃন হয়ে গেল। তার হারানো যৌবন পুরোটাই ফিরে এলো। সে উচ্ছল হয়ে উঠল। হাততালিও দিলো একটা খুশীতে। তখনই মনে পরল তার স্বামীর কথা। সে ত আর বেচে নাই।
ঠিক আছে। আমি নতুন কাউকে পছন্দ করব। এরপর তার মনে হলো নতুন কেউ ত তার নাতির বয়েসী হবে। এমন সময় একটা ছাগল ডেকে উঠল। ছাগলের দিকে চোখ পড়তে তার মনে হলো এটাকে যুবক বানিয়ে নেই। তাহলেই ত বয়েসের ঝামেলা থাকবে না, কোন নাতির দোস্তকে বিয়ে করতে হবে না । সিন্ডেরেলা আংটি ঘষে বলে উঠল "এটাকে যুবক করে দাও।" সাথে সাথেই ছাগল্টা খুব সুন্দর ঝলমলে পোষাক পড়া যুবক হয়ে গেলো। তার দিব্যকান্তি। গ্রীক দেবতার মত পেটানো শরীর। যুবকটা সিন্ডেরেলার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসল। সিন্ডেরেলার সাথে সাথে বুকের ভিতরটা কেমন করে উঠল। এইরকম বুক মোচড় দিয়ে ওঠা তার কত বচ্ছর আগে যে হয়েছিল!!

সিন্ডেরেলা সাথে সাথে আংটি বের করল আবার।
বলল " এই যুবককে রাজা করে দাও আর আমাকে রানী। আমাদের জন্য খুব জমকালো প্রাসাদ, অনুগত সৈন্য বাহিনী আর প্রছুর ধনসম্পদের ব্যাবস্থা হোক।" সাথে সাথেই ক্ষুদ্র কুটির বিশাল প্রাসাদ হয়ে গেলো। সিন্ডেরেলা আর যুবকটা খুব সুন্দর করে সাজানো একটা রুমে উপস্থিত। যুবকটা এগিয়ে এসে সিন্ডেরেলার হাতে একটা চুমু দিল। সিন্ডেরেলার সমস্ত রক্ত নেচে উঠেছে। সে যুবকটির ঘনিষ্ঠ হয়ে বসল। যুবকটি এবার অত্যন্ত সুরেলা গলায় বলল,
-তুমি সুখী?
সিন্ডেরেলা হেসে বলল -"আমি খুব সুখী। দেবতার মত সুন্দর তুমি, আমার স্বামী। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ না" -আচ্ছা তোমার কি মনে আছে তুমি আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছিলে একবার?
-না ত । আমার মনে নাই।
-স্বাভাবিক। তবে আমার মনে আছে। সেদিন আমি ভাবছিলাম একদিন তুমি খুব আফসোস করবে আমাকে দেয়া কষ্টের জন্য।
- কষ্ট ত জীবনের অংশ। আমি ভাবি না সেটা নিয়ে। এখন আমি সুখী। সে ঝুকে পড়ে যুবকটাকে একটা চুমু দিল। তার একটা বিশেষ ইচ্ছে জেগে উঠছে। এতদিন পর জেগে উঠা ইচ্ছেটাকে সে উপভোগ করছে। সে আস্তে করে বলল তবে তোমাকে না জেনে কষ্ট দেয়ার জন্য আমি দুঃখিত।
-হুমমমম...আমাকে খাসী করার জন্য এখন তোমার আসলেই দুঃখ করা উচিত।




১০
এক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানী ঘুরতে বের হয়েছে আমাজনে। যেহেতু এটা একটা কৌতুক তাই আপনি এতক্ষনে বুঝে ফেলেছেন এরা ধরা পড়েছে জংলীদের হাতে। জংলীরা তিনজনকে একটা কুড়েঘরে আটকিয়ে রেখেছে। খুব চমৎকার একটা ফল খেতে দিচ্ছে তাদের। এই ফল খেয়ে তাদের চামড়া খুব মসৃন হয়ে যাচ্ছে। যেন তাদের যৌবন ফিরে আসছে। এরা তিনজনেই খুশী। এই সুখ অবশ্য বেশীদিন সইল না। একদিন সকালে জংলী সর্দার এল। এসে প্রথম ধরেছে পাকি-টাকে।
-তুমি কিভাবে মরতে চাও?
পাকিটা বলল তোমারা যে ফলটা খেতে দাও,সেই রকম মিষ্টি কোন ফল নিয়ে আস যেটা বিষাক্ত। ওটা খেয়েই আমি মরব।
তার ইচ্ছা অনুযায়ী লাল একটা ফল নিয়ে আসা হল। পাকিটা "পাকিস্তান জিন্দাবাদ" বলে ফলটা খেয়ে ফেলল। তার এসে গেলো গভীর ঘুম যা আর ভাঙ্গে না। বাংগালী আর ভারতীয় দুইজন এরপর দেখল ভয়াবহ ব্যাপারগুলা।

জংলীরা পাকিটার মাথা আলাদা করে সেটাকে মমি করে রাখল । বাকি শরীরের চামড়া ছাড়াল। এরপর সেটা দিয়ে বানাল ছোট একটা ক্যানু(canoe)। এইসব দেখে ভারতীয় আর বাঙ্গালীর অবস্থা খারাপ। পনের দিন পর জংলী সর্দার আবার এল। এইবার ভারতীয়টার পালা। ভারতীয়টাও "জয় হিন্দ" বলে ফল খেয়ে মারা গেল। তার মাথার মমি করা হল, চামড়াটা দিয়ে বানানো হলো ক্যানু। কিছুদিন পরে বাঙ্গালীর পালা।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে মরবে? সে চাইলো একটা কাটা চামচ। এরপর কাটা চামচটা দিয়ে নিজের শরীরের নানা জায়গায় আঘাত করতে করতে বলল,"খানকির পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা"

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
প্রলাপ বলেছেন: ৩৬+ পোস্ট, শিরোণামে লাগানো হউক
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

পালটিয়ে দিলাম।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: ;)

৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
ফয়সাল আকরাম বলেছেন: হাসতেই আসি.... :D

৬ নম্বরটা লেখার সময় কি বস আইয়া পরসিল নি আখসানুল ভাই... ? :P
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

আমি সব সময় অফিসেই লিখি। বসের কাছে ধরা খাওয়ার ভয় কাজ করে না। :P

৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২১
শেরজা তপন বলেছেন: আমি কিন্তু হাসলাম মনখুলে....ধন্যবাদ
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: বস্.................

দশে পুরা দশ......;)

বিশেষ ধইন্যাপাতা সহযোগে সুকেশে থুইলাম।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

ধন্যবাদ

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: বস আপনে সত্যিই গুরু।
৬,৮,১০ আগে পড়া তবে সবগুলোই অসাধারণ হইছে।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

আপনি যে হারে লিখছেন, তার কাছেই ত যেতে পারি নাই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
ভেংচুক বলেছেন: কয়েকডা আগে পড়া ছিলো
তয় আবার বেফক মজা পাইলাম
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: শিরনামেই বলে দিয়েছি , এইগুলা পুরান মাল। ছয় মাস আগে লিখেছিলাম। আগে ত পড়া থাকবেই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: শালা র ..............++++++++++

আপনেই আসল বস ... মন খুইলা হাসলাম
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
যীশূ বলেছেন: সংগ্রহে রাখার মত পছন্দ হইছে।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: :)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
হাশেম বলেছেন: ঝাক্কাস....
খুবই সুন্দর কালেকশন। অনেক মজা পাইলাম। ধন্যবাদ।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। :)

১৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: আখসানুল ভাই আপনার ইয়াহু আইডিটা কেমনে পাওন যায় বলবেন কি?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: akhsanul_islam_16

১৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
একা আমি বলেছেন: দারুন... অনেক ধন্যবাদ... আরো চাই... :D
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: আমি নিয়মিত লিখি। মাঝে মধ্যে চেক কইরেন আমার ব্লগ। পাবেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

১৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২০
মুহিব বলেছেন: ইয়ং পোলাপানকে দয়া করে ৩ নং কৌতুক শুনাবেন। আর আপনি দয়া করে কৌতুক লেখা ছাড়বেন না।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: কৌতুক আমি নিয়মিত লিখি। তবে ভালো যা ছিল তার বেশিরভাগ লিখে ফেলেছি। যেগুলা মাথায় আছে, তার বেশিরভাগ লিখলেই আমি ব্যান খাইয়া যামু।

২০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
বলাক০৪ বলেছেন: ব্রেক টাইমে পড়লাম। জোশ হয়েছে।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: আঙ্কেল, আপনি তো কৌতুক জিনিয়াস।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: ভাতিজা, এমতে কইও না, নাম ফাইট্টা যাইব।

( ইস্টুডেন্ট থাকার সময় প্রতিবছর ক্লাসের জোকার/ফানি/ ফাজিল ছেলে নির্বাচিত হইতাম। )

২২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
ল্যাটিচুড বলেছেন: বিয়েতে যৌতুক হিসেবে কৌতুক দেওয়ার ব্যাবস্থা থাকলে .........
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: যৌতুক তারাই নেয় যাদের বিচি শর্ট থাকে, :)

২৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯
অর্ন্তমুখী বলেছেন: জটিল।বহুৎ হাসছি।প্লাসাইলাম। :)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

২৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
সুদীপ্ত বলেছেন: প্রত্যেকটাই আগে পড়া ছিল...... ১ আর ৫ নাম্বার আমার শোনা সেরা ২টা জোকস।

১০০০০০০০০০০+
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক।
৯ নং টা আমার সেরা কৌতুক বলে মনে করি। কিন্তু আফচুসের বিষয়,এই কৌতুকটায় কেন জানি অন্যরা মজা পায় না।

২৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
নিঃসঙ্গ বলেছেন: জুটিল জুক্স দঢ়ুর হইছে।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

২৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৫
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: "আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে" :D



১০নাম্বারটাও জট্টিল।।।। B-)
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ;)

২৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: ++

৬ নম্বর টা বাদে ......
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: 6 নংটা ক্লাসিক জোকস, কমন পড়ছে তাই।

২৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আসলেই ৩৬+...ব্যাপক মজা পাইছি!!!
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক

২৯. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: রেজওয়ান শুভ বলেছেন: ++

৬ নম্বর টা বাদে ......
ঠিকইতো,ওটা বেশি কমন।প্রায় সবাই জানে।
বেশিরভাগ আগে পড়া থাকলেও ভাল লাগল আবারও পড়ে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। (আজকে ঠিকই উত্তর দিসি। :P )

৩০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৭
'লেনিন' বলেছেন: হা হা হা.... কয়েকটা পড়া ছিলো তারপরও মজা পেলাম।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৩১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
রিজভী বলেছেন: ব্যাপকসসসসসস মজা পাইলাম। :)

+
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যনাদ। :)

৩২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০০
শিট সুজি বলেছেন: কয়েকটা পড়া ছিলো তারপরও মজা পেলাম।
৩৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৭
জাতেমাতাল বলেছেন: ১, ৫ আর ৮নং আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে।
৩৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০২
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফতের ভাষায়_ "অনেকদিন মনে বরাখার মত শট!!!!" ( ২নম্বরটা আসলেই সেইরকম শট!!!)
৩৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
হাল্ক বলেছেন: @ জাতে মাতাল, সুজি, হিমালয়- ধন্যবাদ
৩৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
হাল্ক বলেছেন: @ অক্ষর- ৩৬+ ত, বয়স হবার আগেই পড়ে ফেলছেন। ঠিক বয়সে পড়লে বলতেন অচলীল না। :P
৩৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
অক্ষর বলেছেন: মনের দিক দিয়া তো মাত্র জন্ম নিলাম, তাই হয়তো আরো অচলীল মনে হৈসে
৩৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
হাল্ক বলেছেন: @ অক্ষর- খ্যাক খ্যাক খ্যাক। অচলীল ত কি হইছে? কাপড়ের নিচে সবাই ত নেংটা।
৪০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
অক্ষর বলেছেন: মাত্র জন্ম নেয়া পোলার গায়ে কি আবার কাপড় থাকে নাকি!!!
৪১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৮
ভোরের তারা বলেছেন: অনেক দিন পর খুব হাসলাম। চালিয়ে যান
৪২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
রোহান বলেছেন: ভাই অফিস এ বইসা হাসতাসি আর সবাই তাকায় আছে...
৪৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০০
অঞ্জন সানি বলেছেন: খেক খেক খেক..............................।।পিলাচ
৪৫. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
আরএন বলেছেন: বহুদিন পর এরকম হাসির কৌতুক পড়লাম++++++++++++++++++
৪৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩
শিলু বলেছেন: :P ;) ;) B-)) =p~ B-)) =p~ :-B :-0 !:#P =p~

সুন্দর ............. দারুন ............... দারুনিষ্ট
৪৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
যাযাবর পাখি বলেছেন: ফাটাফাটি....জোশ.....এমন কাম করছি মাছি কুনদিন আর বাপ হইতে পারব না....হা হা হা.....
৪৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০১
নীল বাউল বলেছেন: বুঝতেই পারছেন, কৌতুক শুনে Typical Comment...... কি হতে পারে?
আগেই শুনছি :P

শেষের জোকটার জন্য মাইনাস
৫০. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬
হাল্ক বলেছেন: এই নিকে এখন আমি লিখি। সুতরাং এই ব্লগের কমেন্টের জবাব দেয়া একটু কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

সবাইকে ধন্যবাদ।
৫১. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
অন্যরকম বলেছেন: + এবং হলুদ তারা!!!!!!!

ব্যাপকস হাসছি.....
৫২. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন: ভাই আমি আর স্প্যাশাল কি কইতাম। হাসিলাম আবার কান্দিলামও।
৫৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২২
শামীম হাদী বলেছেন: লেখক বলেছেন: কৌতুক আমি নিয়মিত লিখি। তবে ভালো যা ছিল তার বেশিরভাগ লিখে ফেলেছি। যেগুলা মাথায় আছে, তার বেশিরভাগ লিখলেই আমি ব্যান খাইয়া যামু।

আমারও তো একই ভয়!
৫৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
বাংলার শয়তান বলেছেন: ++
জটিল পোস্ট//...
সিন্ডারেলার টা বেশি জটিল
৬০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
আকাশনীল বলেছেন: লিংক পেয়ে আজ আরেকবার পড়লাম :)
৬৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৬
তানজীল ইসলাম বলেছেন: এত কিছু দেহনের পর কান্দুম না হাসুম বুঝবার পারতাছি না তয় +++ ;)
৬৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৮
তানজীল ইসলাম বলেছেন: আমিতো কৌতুক পড়িনি!!!
কৌতুকই আমারে পড়েছে। থুক্কু আইয়া পড়ছিলাম আর যাইতে ইচ্ছা করে নাই। ++
৬৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২২
সেমহুড বলেছেন: কোর আই সেভেন বলেছেন:
৬৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
আপন ও অধরা বলেছেন: ,"খানকির পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা"
৭০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
আপন ও অধরা বলেছেন: ,"খানকির পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা" :D :D :D
৭১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
আপন ও অধরা বলেছেন: "খানকির পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা" :D :D :D
৭২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
আপন ও অধরা বলেছেন: "খানকির পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা" :D :D :D
৭৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৮
মো: ইউসুফ বলেছেন: সবগুলাই জটিল লাগছে।
৭৫. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১২
ডট কম ০০৯ বলেছেন: ব্যাপক মজা পাইলাম হাস্তে পাইড়া আরাম লাগতেছে।
৮০. ০৫ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
পাগলা দাসু বলেছেন: আখসানুল ভাই, জোসসস !! ;) =p~ =p~ B-)
৮১. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
রোদন রহমান বলেছেন: ও আল্লারে.. আকি খাকি ছাকি ঢাকি..
৮৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৭
রাসেল মাহদুদ বলেছেন: অনেক গুলোই পুরাতন, যেমন নৌকা বানানোরটা অনেক আগেই জানতাম। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কৌতুক। আবার হাসলাম অনেক দিন পর। মনে পরে গেল সেই সব দিনের কথা। আবারো মজা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
৮৬. ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:৩৫
শব্দ সৈনিক বলেছেন: "খানকির পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা" :D :D :D :D :D B-) B-) B-) B-) ;) ;) ;)
হাসতে হাসতে মইরা গেলাম!!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫২৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বাহির চিরকালই বাহির, দূর চিরকালই দূর।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ