আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০টি ব্লগ, আর ব্লগ দিবসের ছবি (বিজয়ী কয়েকজন ব্লগারদের ছবি সহ আপডেটিত) - অন্যমনস্ক শরৎ
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- একজন ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু কেন আজো প্রাসঙ্গিক - তায়েফ আহমাদ
- গল্পঃ নৈঃশব্দ্যের ভাঁজে ভাঁজে - ভাঙ্গন
- ইন্টারেষ্টিং কিছু ওয়েবসাইট..... শেয়ার করতেই হলো - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- অটিজম, নুশেরার পোস্ট, ফারহানের কমেন্ট ও আমার কিছু অর্থহীন রোবোটিক প্রলাপ - রোবোট
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর কিছু উপায় - পথে-প্রান্তরে
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- আমি এভাবেই বাংলাদেশকে আপন করেছি আত্মায় মিলিয়ে.......... - সজল শর্মা
- আহ্ নারী ! ওহ্ নারী ! উফ্ নারী ! ... ... ... হায় নারী !!! - আইরিন সুলতানা
- মা-ই সন্তানের প্রধান অভিভাবকঃ - জুল ভার্ন
- বেবি এ্যালবাম - অপ্সরা
- 'যদি আর বাঁশী না বাজে' - কবি নজরুলের জীবনের শেষ অভিভাষণ - তায়েফ আহমাদ
- আপনার অ্যান্টিভাইরাস নিজেই টেস্ট করুন!! (রিপোস্ট) - অমিত০৯৭
- রঙ যেন মোর মর্মে লাগে, আমার সকল কর্মে লাগে - অপ্সরা
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- এক মুক্তিযোদ্ধার করুন কাহিনী (গল্প নয় সত্য ঘটনা ) - নিলআকাশেরদুঃখ
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- আমাদের মেয়েরা কি পারে, কি পারে না... প্রসঙ্গঃ নারী আমার নারী - জাতেমাতাল
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
কত আজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই দূরকে করিলে নিকট,বন্ধু, পরকে করিলে ভাই।

পোশাকে নারী ----শালীন????!!!!
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
![]()
মেয়েদের পোশাক কেমন হবে? এটা নির্ধারন করবে কে? শালীনতা বোধ দেশ কাল পাত্র ভেদে ভিন্ন ভিন্ন। এটা কোন মাপকাঠি দিয়ে পরিমাপ করবার বিষয় নয়। একটা মেয়ে যে পোশাকেই রাড়ির বাইরে আসুক বা ভিতরে থাক সে যে বয়সেরই হোক না কেন সে যৌন নির্যাতনকারী পুরুষ কর্তৃক যৌন নির্যাতনের স্বীকার হবেই। কোন পুরুষ যখন যৌন নির্যাতনের জন্য কোন নারীর উপর ঝাপিয়ে পড়ে তখন সেই নারীর পোশাক কেমন , সে দেখতে কেমন, তার হাঁটা বা চালচলন কেমন, তার বয়স কত, তার সামাজিক অবস্থান কী কোন কিছুই সে হিসাব করে না। তার মানসিকতা জুড়ে থাকে শুধুই তার জঘন্য প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার বাসনা। যে এই কাজ করে সে নারীকে সব সময় সেই চোখেই দেখে। হোক সে বোরখায় আবৃত্তা নারী বা জিন্স টি শার্ট পরিহীতা নারী।
বোরখা একটি বিশেষ পোশাক যা নারীর শরীরকে খুব যতনে ঢেকে রাখে। কতটুকু যতনে ঢেকে রাখে বোরখা একজন নারীকে? বোরখা কী একজন নারীকে নারী থেকে অন্য কোন প্রানীতে পরিনত করে যা দেখে কোন পুরুষের মনে হবে এটা কোন নারী না? নারীর শারিরীক গঠন দেখেই যদি কোন পুরুষের মনে লালসার জন্ম নেয় তবে কি এই সব পুরুষ মানুষ জাতি ভুক্ত। নারীর পোশাকে যদি তার শরীরের বাকঁগুলি বোঝা যায় তবেই নারীকে ভোগ করবার জন্য পুরুষ লালায়ীত হবে এটা কেমন মানসিকতার প্রকাশ ??
নারীকে দেখলেই পুরুষের চরিত্রের স্খলন ঘটে। এই হাস্যকর কথার উত্তরে কোন যুক্তি দাঁড় করাবার কোন ইচ্ছা আমার নেই। নারী পর পুরুষের সামনে যেতে পারবে না। এই যদি হয় ধর্মের বিধান তার মানে ধর্মই কি পক্ষান্তরে স্বীকার করে নিল না পুরুষ প্রজাতি মানব জাতি ভুক্ত নয়। আমার বাসায় আমার স্বামীর অনুপস্থীতিতে তার ভাই বা বাবা বা বন্ধু এলেন। আমি তার সামনে যেতে পারব না, তার সাথে কথা বলতে পারব না এটা কার জন্য অপমান জনক? একবার ভাবুন তো আপনি এক বাসায় অতিথি হয়ে গেলেন যে বাড়িতে সেই সময় শুধুই নারী সদস্যারা আছে আপনি একজন পুরুষ বলে আপনাকে দরজার বাইরে থেকে বিদায় নিতে হল এটা কি পুরুষ হয়ে জন্ম নেবার কারনে আপনার জন্য অপমান জনক নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের মত কঠোর পর্দাপ্রথার দেশ গুলিতে কি ধর্ষনের স্বিকার মেয়েরা হয় না??
সেখানে কি অশালীন পোশাক দায়ী। আমরা কথায় কথায় অশালীন পোশাকের ধুঁয়া তুলে অপরাধীর পক্ষে অবস্থান করি।
আমাদের দেশের দরিদ্রজনগোষ্ঠীর দুইবেলা ভাত জ়োটেনা। তাদের নারীরা পর্দা করবে কি ভাবে? যার পেটে ভাত নেই সে কি পরনের কাপড়ের চিন্তা করে? পরনের কাপড়ের পর আসে পর্দার কাপড়ের চিন্তা। গ্রামের মহিলাদের মাঠে কাজ করতে দেখি, মাথার কাপড় সামলিয়ে তাদের কাজ করতে বেশ অসুবিধা হয়। এদিকে শাড়ি কোমরে গুজতে গুজতে উঠে গেছে হাঁটুর কাছাকাছি। এতে হাটতে সুবিধা। একজন কে জিজ্ঞাসা করতেই সে বলল আমাদের নিচে কাপড় না থাকলেও চলবে কিন্তু মাথায় কাপড় না থাকলে স্বামী তালাক দেবে।
আমার বাসায় হুজুর আমার মেয়েকে কোরাণ শরিফ পড়াতে আসেন। একদিন আমার ডাক পড়ল। জিজ্ঞাস করে জানলাম বিষয় অত্যান্ত গুরুতর। আমার মেয়ে জিন্সের প্যান্ট পরে ওজু করে কোরাণ শরিফ পড়তে বসেছে। তাই আমার ডাক পড়েছে। আমার মেয়ের এ হেন অপরাধের কারনে আমাকে একটি কোরান শরিফের সম মূল্যের সদগা দিতে হবে। আমি হুজুরকে বললাম ---আপনি আজ যান। পরে আমি যেদিন ডাকব সেদিন আসেন।
জিন্সের প্যান্ট পরে ওজু হবে না একজন নারীর এটা কেমন কথা আমার বোধোগম্য নয়। এই পোশাকটি কি অশালীন? হয়ত অনেকের কাছে। তবে আমার কাছে নয়। নারী আজ এগিয়েছে অনেক পথ। সেই পথ পাড়ি দিতে তাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। চলন্ত বাসে একজন পুরুষ উঠতে পারে তার পোশাকের কারনে একজন মেয়ে পারে না এই পোশাকের কারনেই।
ওড়না না পরলেই পোশাক অশালীন এই মানসিকতা যাদের তাদের সাথে আমার মতের অনেক বিরোধ রয়েছে।
পোশাক একজন মানুষকে সুন্দর করে। তাই বলে সর্বত্র নারীর পোশাক একই রকম হবে এটা ঠিক নয়। অনেক কর্মক্ষেত্রেই নারী পুরুষ একই ধরনের পোশাক পরিধান করে। যেমন ডক্তার নিচে যাই থাক উপরে সবার একই রকম এপ্রন। উকিল উপরে সবার একই রকম কালো কোট, পুলিশ, আনসার। কিন্তু কারখানাগুলিতে দেখা যায় পুরুষের পোশাক আটশাঁট আর মেয়েদের পোশাক ঢিলাঢালা। আর্থাৎ ওড়না শাড়ি বোরখা। এই পোশাকটা যে কতটা বিপদজনক তা বলে বোঝারার নায়।
একটা ছেলে যদি প্যান্ট শার্ট পরে বিশ্ব বিদ্যালয়ে যেতে পারে একজন মেয়ে পড়লেই তা অশালীন হবে কেন?? কেন বলা হবে মেয়েটি উশৃংখল? কেন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলায় না? কেন আমরা তাদের আমাদের সহপাঠী ভাবতে পারি না। কেন ভাবি তারা যৌন আবেদনময়ী? একবারও কেন ভাবি না এই পোশাকটা মেয়েটিকে বাসে চড়তে সহায়তা করবে। দৌড়াতে যেয়ে ওড়না বা শাড়ি সামলানোর মত বিড়াম্বনায় পরতে হবে না। কেন ভাবি না যে এই পোশাকই পারবে মেয়েটিকে আমার সাথে শ্লোগানে মুখরিত মিছিলে আমার মুষ্ঠিবদ্ধ হাতটিকে আরও দৃঢ় করতে। তাকে তার পোশাকের বিড়াম্বনায় থাকতে হবে না। ব্যাস্ত রাখতে হবে না দুই হাত ওড়না সামলাতে বা শাড়িতে ঢাকা শরীরের কোণ অংশ বেড়িয়ে গেল কিনা সেই চিন্তায় তটস্থ থাকতে।
প্রকাশ করা হয়েছে: নারী বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আসল ব্যাপারটা হচ্ছে নারী পুরুষ উভয়রই পরস্ফরের প্রতি সম্মান বোধ থাকতে হবে।
আমি এটাই বুঝাতে ছেয়েছি।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
বিতর্কটি বিশাল। তবে এইটুকু জানি, সমাজ বদলাবে, কেবল সময় লাগবে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সমাজ বদলাবে। অনেক বদলেছেও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমরা যদি আমাদের সন্তানদের মাঝে বপন করতে পারি তবে তো পরবর্তি প্রজন্ম তেই আমরা তা দেখব।
ফারা তন্বী বলেছেন:
এই নিয়ে একদিন আমার সাথেও লাগছিল একজনের। প্লাস দিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারা। সহমত প্রকাশের জন্য।
স্বাগত. বলেছেন:
আপনার আর খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই?
নোংরা মানুষিকতা পাল্টে ভাল চিন্তা করতে শিখুন । তাহলে মানুষ ও আপনার মত সুন্দর হবে
লেখক বলেছেন: আমার খেয়ে দেয়ে অনেক কাজ আছে। কাজ না করলে খাব কি? কে খাবার দেবে???
নোংরামীটা যে কি করলাম বুঝতে পারছি না।
মুহিব বলেছেন:
সব চিন্তা ভাবনা যে ঠিক হবে তার কোন মানে নাই। আপনার কথা ঠিক হোক আর নাই হোক আপনি যে ভাবছেন আর যুক্তি খুজছেন সেটাই ইমপরটেন্ট। আমার মনে হয় ধর্ম নিয়ে আমাদের কথা বলার আগে বাংলাং কুরআন শরীফ ভালভাবে পড়া জরুরী। যেহেতু আমি পড়ি নাই তাই আপনাকে ধর্মীয় কোন বয়ান দিলাম না। আর হুজুরের ব্যাপারে যা করেছেন তার জন্য অভিনন্দন।*আশা করি আপনার পুরুষবিরোধী চিন্তা পরিবর্তন হবে। আপনার সাথে কখনও আমার দেখা হলে আমি খুবই প্রবলেম এ পড়ব।
লেখক বলেছেন: পুরুষ বিরোধী পোস্ট কিভাবে বলছেন? আমি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কথা বলেছি।
রানাকবির বলেছেন:
আমিও আপনার সাথে একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জুল ভার্ন বলেছেন:
ধর্মের বিধান কি বলে-তা আমার কাছে মুখ্য নয়। আমি মনে করি ধর্ম হলো-যারযার তার, আর রাস্ট্র হলো-সবার। জীবনের জন্য ধর্ম হতে পারেনা। যদি ধর্মের জন্যই জীবন হট-তাহলে পৃথিবীতে মানুষ ছারা আর কোন প্রানী থাকতোনা-যেহেতু অন্য কোন প্রানী ধররীয় অনুসাশন মেনে চলেনা। আমি মনে করি-নারীর মর্যাদা হতে হবে একজন মানুষ হিসেবে, অবশ্যই নারী হিসেবে নয়। মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলি এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তানেই নারীত্বের সব চাইতে বেশী অবমাননা হয়।
তোমার মেয়েকে যে হুজুর কোরআন পড়াতেন-সে কোন 'আলেম' নন। শ্রেফ সেপাড়া পড়া একজন কাঠ মোল্লা।
মনের ভিতরেই বাস করে আসল মসজিদ মন্দির!
গুড পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ধর্ম নিয়ে আমি বিতর্কে যাইনি। আমি বলেছি পোশাক পরিবর্তনে কথা যা মেয়েদের কাজে সুবিধা দেবে।এই পোশাক পরিবর্তন না করলে অনেক কাজই মেয়েরা পারা সত্বেও করতে পারবে না। সেই পোশাক পরিবর্ত্নের জন্য আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন।
সামাজিক অবক্ষয় রোধ করবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বোধ।
লেখক বলেছেন: তা থাকতেই পারে। তবে আমার বক্তব্যটুকুও বোঝার ব্যাপার আছে। একটা জিনিস দেখতে দেখতে মানুষের চোখ সয়ে যায়। আমরা মেয়েরা আগে শুধু বিয়ে সংসারের চিন্তা করতাম এখন চিন্তা অনেক বড় সীমানা পেয়েছে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই দরকার দৃষ্টি ভঙ্গী বদলানোর। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই এনে দেবে সুন্দর সমাজ।
রাজামশাই বলেছেন:
ধর্ম যা বলেছে তাহাই পালন করিয়া যাও বিনা তর্কে যদি প্রতিদানের আশা করো । তাহা ভুল না ঠিক তাহা বিচারের দ্বায়িত্ব তোমার নয়। সমগ্র মানব জাতির কল্যানের জন্য তাহা নির্নয় করা হইয়াছে।
পড়িতে থাকো এবং জানিতে থাকো তোমার ধর্মে কি নির্দেশ রহিয়াছে ?
লেখক বলেছেন: আমি ধর্ম নিয়ে বিতর্ক করতে বসিনি। আমি বাস্তবতার নিরিখে আলোচনা করছি।
রিকসায় বসে রিক্সার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে যেয়ে বাসের আকায় পিস্ট হওয়া মেটির কথা বলছি। মটোরসাইকেলের চাকায় শাড়ি পেঁচিয়ে রাস্তায় ছিটকে পরে মারা যাওয়া সেই নারীর কথা বলছি। ওড়না সামলাতে যেয়ে হাত থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের তলায় পিস্ট হওয়া সেই শিশুর কথা বলছি।
লেখক বলেছেন: বাবুয়া কে???? কোন ব্লগার হলে আমি সে সম্প্ররকে কিছু জানতে চাচ্ছি না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অলস ছেলে বলেছেন:
আমি বিকালে সর্টস আর গেঞ্জি পড়ে হাটতে বের হই, খুব আরাম, আর সুবিধাজনক তো অবশ্যই
লেখক বলেছেন: আমার বক্তব্য খুব পরিস্কার। আমি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কথা বলেছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জটিল বলেছেন:
আমি আদম হাওয়ার যুগ কে মিস্করি ।অন্তত শকুন্তলার মত বিল্ববদনের যুগই তো আরামপ্রদ ছিল !
প্রথম থেকেই সবাই এসব দেখে অনেক অভ্যস্ত থাকত ফলে আর এরকম কোন কিছু নিয়ে আলোচনা হতনা ।
তবে সবার মনমানসিকতা যেহেতু সমান নয় এজন্যে জৈবধর্মের তাগিদ এবং এর প্রতিক্রিয়া বিভিন্নরকমের হবেই তা বলাইবাহুল্য ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
ইমদাদ৩০০৯ বলেছেন:
নারির পোরদা করা উচিত তার মানে এই নয় তাকে বোরকা পোরতে হবে। তবে রুচিশিল পোশাক পরিডান করা উচিত।কিছু কিছু বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে.......
লেখক বলেছেন: দ্বিমত থাকতেই পারে। আমি কুরুচী সম্পন্ন পোশাকএর কথা কি কোথাও বলেছি??
কল্পনা করুন কোন ছেলে শাড়ী আথবা সালোয়ার কামিজে সেজেছে।কেমনবিদঘুটে হবে ব্যাপারটা।
বাঙালী নারীর স্বাভাবিক সৌন্দর্য শাড়ী,সালোয়াড় কামিজে।তবে প্যান্ট শার্ট নিয়ে এত মাথা ব্যাথা কেন?
আপু দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেন না।আর আপনার এই লেখার অনেক কথার সাথেই আমি একমত।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: একটা কথা বলি শার্ট প্যান্ট কি পুরুষের পোশাক???
বাংগালী পুরুষের পোশাক কী???
আমি কুরুচী পুর্ণ পোশাকের কথা কোথাও বলিনি।
আমি এমন কট্টর মুসলীম দেখেছি যারা বিয়ের পর মেয়েকে শুধু তার বাবা এবং ভাই এর সাথে কথা বলতে দেয়। সে শুধু তিনজন পুরুষকেই চেনে ১। তার বাবা ২। তার ভাই ৩। তার স্বামী।
এটা কি কোন মানুষের জীবন হতে পারে???!!
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
দৃষ্টি ভঙ্গীর পরিবর্তনটাই মূল...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রিকসায় বসে রিক্সার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে যেয়ে বাসের চাকায় পিস্ট হওয়া মেয়েটির কথা বলছি। মটোরসাইকেলের চাকায় শাড়ি পেঁচিয়ে রাস্তায় ছিটকে পরে মারা যাওয়া সেই নারীর কথা বলছি। ওড়না সামলাতে যেয়ে হাত থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের তলায় পিস্ট হওয়া সেই শিশুর মায়ের কথা বলছি।
এম রাসেল বলেছেন:
আপনি মুসলিম কিনা আমার সন্দেহ হচ্ছে। যদি তাই হন তাহলে পর্দা সম্পর্কে এমন বিরোধপুর্ণ মন্তব্য করতে পারেন না। আমার কথা হচ্ছে পর্দা নিয়ে। তবে তা যে বোরখা হতে হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু আপনি যেভাবে পশ্চমাদের গীতি গাইলেন তাতে মনে হচ্ছে আপনি আসলেই ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞ।
ইচ্ছার বিরুদ্ধেও বলতে হচ্ছে যে, একজন পুরুষ কি ওড়না না পরলে তার কোন গোপন অঙ্গ পরিলক্ষিত হয়? একজন পুরুষ কি একটা সেন্টু গেন্জি পরে দৌড়ালে তার কোন অঙ্গ বিশ্রীভাবে দুলে? কোন পুরুষের কি ঋতুস্রাব হয়? যার ফলে তাকে সতর্কভাবে চলতে হয়। কোন পুরুষ কি গর্ভধারণ করে? উত্তরে একবাক্যে বলেন, না। তবে কেন এভাবে নারী পুরুষের পোশাকের ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করছেন।
আপনি যদি মুসলমান হন, তবে ধর্মীয় গ্রন্থগুলো ভালভাবে পড়বেন। আর আপনার কথার ভুলের জন্য তওবা করবেন। কারণ যেখানে সৃষ্টকর্তা পর্দার ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন, সেখানে আপনি তার বিপক্ষে যুক্ত দেখাচ্ছেন।
লেখক বলেছেন: আপনার মত মুসলমান এর জন্য আমার পোস্ট নয়। ইসলাম আপনাকে এই শিক্ষাই দিয়েছে যে নির্দ্বিধায় নিজের কুরুচী পুর্ন বক্তব্য লিখতে হাতে বাধে না।
যা বোঝার ক্ষমতা আপনার নেই তা বুঝেছি বলাটা মুর্খতারই লক্ষন।
অগ্রজ বলেছেন:
আপনার মত 'মহামানব' আরো জন্ম হলে নারীদের আর কোন দুশ্চিন্তা থাকত না
লেখক বলেছেন: আপনি ভুল করেছেন এটা কোন নারীবাদী পোস্ট নয়। যদি নারী তার মনের কথা খুলে বলে তবে হে মানব সন্তান আপনার গায়ে জ্বালা ধরে কেন??
উমর বলেছেন:
আসসালামু আলাইকি ইয়া আখি ( আপনার প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক হে বোন), নীচে আমার মতামত ব্যক্ত করলাম:
পোষাক অনেক পরের বিষয়, প্রথমত আসি বিশ্বাসের কথায়।
আপনি বিশ্বাস করেন আমি আল্লাহতে বিশ্বাসী, ভাল কথা কিন্তু কেমন বিশ্বাসী? আপনার কর্মে আপনার বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটবে। বাস্তবে কি তাই ঘটছে?
ইবলিশ যাকে সবাই শয়তান নামেই ভাল করে চেনে, সে কি আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাসী ছিল? সে কি আল্লাহর সাথে অন্য কারো পুজা করতো? এই প্রশ্নদুটির উত্তর হচ্ছে: না। তাহলে সে বিতারিত হলো কেন? কারণ, সে তার বিশ্বাসের স্বীকৃতি অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করেনি।
"(স্মরণ কর) যখন আমি ফেরেশতাদের বলেছিলাম, তোমরা সবাই আদমকে সিজদা কর, তখন তারা সবাই সিজদা করলো, কিন্তু ইবলীস ছাড়া (সে সিজদা করলো না); সে ছিল (আসলে) জ্বীনদেরই একজন, সে তার মালিকের আদেশের নাফরমানী করলো" (সূরা আল কাহাফ : ৫০)
ইবলিশ ঠিকই বিশ্বাস করতো এই জন্যই বলা হয়েছে //সে তার মালিকের আদেশের নাফরমানী করলো// , সে তার বিশ্বাসের স্বীকৃতি অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করেনি। যার ফলশ্রুতিতে যা হলো:
"আল্লাহ তাআলা বললেন, যাও (দূর হয়ে যাও এখান থেকে , তাদের মধ্যে) যারা তোমার(শয়তানের) আনুগত্য করবে, তোমাদের সবার শাস্তি হচ্ছে জাহান্নাম, আর (জাহান্নামের) শাস্তিও পুরোপুরি দেওয়া হবে।" (সূরা বনী ইসরাঈল:৬৩)
কাজেই আপনি যদি সত্যিই বিশ্বাসী হোন তাহলে আপনার বিশ্বাসের স্বীকৃতি অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করাই কি যুক্তিযুক্ত নয় কি?
এবার আসি পোষাকের কথায়। বিশ্বাসী পুরুষদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে:
"মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। " ( সূরা আন নূর:৩০)
দৃষ্টি নত করে রাখতে বলা হয়েছে, আজকে আপনার চারপাশে তাকান বিশ্বাসী পুরুষ খুজে পেতে কষ্ট হবে, কারণ একটাই এরা বিশ্বাসের স্বীকৃতি অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করছে না, কুরআন যদিও পড়ছে কিন্তু তা রিডিং পড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ, কুরআন নিয়ে চিন্তা-গবেষণাও করছে না।
মুমিন নারীদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে:
"ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।" (সূরা আন নূর:৩১)
মুমিন নারীদেরকেও বলা হয়েছে দৃষ্টি নত রাখতে। আপনার চারপাশে তাকান বিশ্বাসী নারী খুব কমই খুজে পাবেন। অর্থাৎ নারীরাও বিশ্বাসের স্বীকৃতি অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করছে না।
আমরা যারা বিশ্বাসের স্বীকৃতি অনুযায়ী কর্মসম্পাদন করছি না তারা কিভাবে আশা করতে পারি যে সবকিছূ ঠিকমত চলবে?
আমরা স্রষ্টার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে পারি, নাস্তিক হতে পারি, নাফরমানী করতে পারি আমরা কত স্বাধীন! আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এই স্বাধীনতা দিয়েছেন। যে মানুষ যেভাবে চাবে সে সেভাবেই চলতে পারবে। কিন্তু একদিন স্রষ্টার কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।
যারা বিশ্বাসী তারা কিভাবে চলবে, তাদের পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য কি, কোন কাজ করলে আল্লাহ খুশি হবেন আর কোন কাজ করলে তিনি অসন্তুষ্ট হবেন তা আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলে দিয়েছেন। বিশ্বাসীদের কাজ হলো এটা বিনা দ্বিধায় মেনে নেওয়া, কোন দ্বিমত নেই, কোন প্রশ্ন নেই।
কোন জিনিসের সৃষ্টিকর্তা যখন কোন একটা যন্ত্র বা প্রডাক্ট তৈরী করে সে তার সাথে একটা user guide দিয়ে দেয় যাতে করে যন্ত্র বা প্রডাক্টটির সর্বোচ্চ ভালো ব্যবহার করা যায়। ঠিক তেমনি আল্লাহ তাআলা মানুষ বানানোর পর একটি user guide দিয়ে দিয়েছেন আর তাহলো কুরআন, যাতে করে তারা সঠিক পথে চলতে পারে।
পরিশেষে, আপনি যেমতেরই হোন না কেন, আপনার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। জোর-জবরদস্তি করে বিশ্বাস অর্জিত হয় না, এইটা আত্মিক ব্যাপার তবে সত্য দিনের আলোর মতোই সামনে প্রকাশিত যারা মানবে তারাই সফলকাম হবে।
এতগুলো কথা লিখলাম আপনার সাথে মতামত ব্যক্ত করার জন্য আপনাকে হেয় করার জন্য নয়।
ভাল থাকবেন, মহান আল্লাহ আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে হিফাজতে রাখুন এবং আপনাদের ইলম জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন। আমীন।
লেখক বলেছেন: আমি হাত তুলে খোদাকে বলছি খোদা তুমি তোমার এই অধম বান্দাকে একটু জ্ঞান দাও একটু হেদায়েত কর।
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
লেখক কইছেনঃ আমার বাসায় আমার স্বামীর অনুপস্থীতিতে তার ভাই বা বাবা বা বন্ধু এলেন। আমি তার সামনে যেতে পারব না, তার সাথে কথা বলতে পারব না এটা কার জন্য অপমান জনক?কোথায় বাবা আর কোথায় বন্ধু!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: আমি এমন কট্টর মুসলীম দেখেছি যারা বিয়ের পর মেয়েকে শুধু তার বাবা এবং ভাই এর সাথে কথা বলতে দেয়। সে শুধু তিনজন পুরুষকেই চেনে ১। তার বাবা ২। তার ভাই ৩। তার স্বামী।
এটা কি কোন মানুষের জীবন হতে পারে???!
প্রজন্ম একুশ এই শ্রেনীর মুসলমানদের সম্পর্কে জানুন এবং তার পর মন্তব্য করুন।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
বুঝতেছিনা, আমরা নারী পুরুষ ভেদ কেন করতেছি? মানুষ হিসাবে বিবেচনায় কী দোষ? এই ধরণের 'কে ভালো কার দোষ খোঁজ়া' টাইপ পোস্ট সজ্ঞানে মাইনাস। মাফ করবেন আপু!
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টের প্রধান উদ্দশ্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ।
নারি পুরুষের দ্বন্দ্ব নয়। আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গীর পরিবর্তন।
রিকসায় বসে রিক্সার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে যেয়ে বাসের চাকায় পিস্ট হওয়া মেয়েটির কথা বলছি। মটোরসাইকেলের চাকায় শাড়ি পেঁচিয়ে রাস্তায় ছিটকে পরে মারা যাওয়া সেই নারীর কথা বলছি। ওড়না সামলাতে যেয়ে হাত থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের তলায় পিস্ট হওয়া সেই শিশুর মায়ের কথা বলছি।
এদের জন্যই বলেছি মেয়েরা পথে নেমেছে জীবনের প্রয়োজনে। পোশাক যদি ধীরে ধীরে বদলে যায় তবে তো নারীর পথ চলতেই সুবিধা হয়।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
এম রাসেল@ যতটুকু জানি, সামহয়্যারইন ব্লগ সাঈদীর ওয়াজ মাহফিল না যে ইচ্ছামত অশ্লীল কথা বলবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অচেনা সৈকত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি ভালো থাকুন।
নকীবুল বারী বলেছেন:
অচেনা সৈকত বলেছেন: এম রাসেল@ যতটুকু জানি, সামহয়্যারইন ব্লগ সাঈদীর ওয়াজ মাহফিল না যে ইচ্ছামত অশ্লীল কথা বলবেন। হা হা প গে
এই পোষ্টে কিছু নয়া এলেমদারের কমেন্ট দেখতাছি। উনাগো মায়াগো দেখলে উনাগো ওজু নষ্ট হইয়া যায়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নকীবুল বারী।
মাহমুদ ফয়সাল বলেছেন:
সমাজে সবাই আপনার মতন করে ভাবলে সমস্যা ছিল না..কে করবে সেই পরিবর্তন
কিন্তু ক্ষতি তো নারীর হয়ে যায়....
আসলে... থাক। বলে লাভ নেই
লেখক বলেছেন: হ্যা ক্ষতি তো নারীরই হয় । তাইতো চাই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
জাগো নারী জাগো বহ্নিশিখা ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
এই যে আমার চুল কাল, তাই মাথার উপরে থাকে। আমার জুতা কাল, সেটাও কী মাথার উপরেই রাখা উচিত? নাকি পায়ের নিচে পড়ব?যুক্তিটা কী হাস্যকর না?
পোস্টের মাঝে কী যুক্তি দিয়ে কোন যুক্তিতে গেলেন? চুল আর জুতা আলাদা জিনিস। তাই না? দুইটার কাজ আলাদা। সিম্পল ফ্যালাসি অনেকে ধরতে পারে নি।
প্রথম ৭৫% এর সাথে সম্পূর্ণ একমত। কিন্তু, শেষে এসে ফ্যালাসি না করলেও হত।
নারীরা যা ইচ্ছা পড়ুক, সেটা নিয়ে আমার সমস্যা নাই। কিন্তু, আপনার ফ্যালাসির মানুষকতা পছন্দ হয়নি, তাই মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আমার লেখা আমার মতামত আপনার পছন্দ হবেই এমন কোন কথা নেই। পড়েছেন আপনার মন্তব্য প্রকাশ করেছেন এই জন্যই আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাইসাব এখন কেমন আছেন। রাত হয়ে যাওয়ায় সেদিন আর কালপূরষ'দার সাথে যেতে পারিনি।
লেখক বলেছেন: রিকসায় বসে রিক্সার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে যেয়ে বাসের চাকায় পিস্ট হওয়া মেয়েটির কথা বলছি। মটোরসাইকেলের চাকায় শাড়ি পেঁচিয়ে রাস্তায় ছিটকে পরে মারা যাওয়া সেই নারীর কথা বলছি। ওড়না সামলাতে যেয়ে হাত থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের তলায় পিস্ট হওয়া সেই শিশুর মায়ের কথা বলছি।
এদের জন্যই বলেছি মেয়েরা পথে নেমেছে জীবনের প্রয়োজনে। পোশাক যদি ধীরে ধীরে বদলে যায় তবে তো নারীর পথ চলতেই সুবিধা হয়
এখন একটু সুস্থ্য দোয়া করবেন। ভালো থাকুন ভাই।
বিবেক হীন বলেছেন:
মেয়েদের পরদা মানে বোরকা পরা না। বরং এমন পোশাকের কথা কোরানে বলা হয়েছে যা দ্বারা তাদের গোপন অংগ স্পষ্ট হয়ে না ওঠে। এই নিয়ম ফলো করে কিছুটা ঢিলাঢালা প্যান্ট (সেটা জিন্স হোকনা কেন) অবশ্যই গ্রহনযোগ্য। তবে শার্ট বা টিশার্ট জাতীয় পোশাকে কোরানের নিয়মটা রক্ষা করা যায়না বলে আমার মনে হয় এর সাথে একটা ওড়না পড়া উচিত।
লেখক বলেছেন: আমি ওড়না পরার বিড়ম্বনার কথা বলেছি।
আমি কুরুচী পূর্ন পোশাকের কথাও বলিনি?
রিকসায় বসে রিক্সার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে যেয়ে বাসের চাকায় পিস্ট হওয়া মেয়েটির কথা বলছি। মটোরসাইকেলের চাকায় শাড়ি পেঁচিয়ে রাস্তায় ছিটকে পরে মারা যাওয়া সেই নারীর কথা বলছি। ওড়না সামলাতে যেয়ে হাত থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের তলায় পিস্ট হওয়া সেই শিশুর মায়ের কথা বলছি।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মেয়েরা বড়ই কনফিউজ! এখনও তারা ভাবে সে কি করলো না করলো, লোকে কি বলে! লোকেদের বলায় তাদের অনেক কিছুই আসে যায় না হলে যে ভালো জায়গায় বিয়ে হবে না তাদের: হয়তো এটাই তাদের ডিপেন্ডেন্সি!তবে এটা হয়তো একদইন চেন্জ্ঞ হবে!
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনি কোথায়? কেমন আছেন? আপনাকে ব্লগে দেখে খুব খুশি লাগছে?
একদিন চেন্জ্ঞ হবেই। মানুষ প্রয়োজনের তাগিদেই এই চেঞ্জ করবে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আমি তো জানি বোরখা পড়াই বিধান। এতে ক্যাচালের কি আছে?
লেখক বলেছেন: বোরখাটা ভাই আপনি পরেন তাইলে আর ক্যাচাল থাকে না।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আসলে দেখার চোখ সুন্দর হলে সব কিছুই সুন্দর দেখায়। আগে মনকে সুন্দর করা চাই। তাহলে চোখের ভাষা ও সুন্দর হবে। সূক্ষ্মভাবে দেখলে বুঝা যায় এই সুন্দর পৃথিবীতে একমাত্র মানুষই বেমানান।
নারীর তৈরি হতে হবে তার নিজের মত করেই। কোন পুরুষের অশুভ ইচ্ছাকে পূরণের জন্য নয়। নারীকে এটা আগে বুঝতে হবে। নারী এবং পুরুষ উভয়কেই মানবিক গুনাবলী অর্জন করতে হবে। পুরুষকে ও বুঝতে হবে কাউকে শিকল দিয়ে আটকিয়ে বন্দী করা যায় কিন্তু তার মন জয় করা যায় না--শান্তি পাওয়া যায় না।।।।।
ধন্যবাদ লেখককে।।।।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এটা দেখতে বলছি।
Click This Link
দুনিয়া এগিয়ে গেছে, নতুন টেকনোলজি এসেছে এবং আসছে, অনেকে ব্লগিঙও করছে - কিন্তু রাস্তায় বেপর্দা নারী দেখলেই শারীরিক উত্তেজনা বাড়ে (ভদ্র ভাষাতেই বললাম), আর অতৃপ্ত মনকে শান্ত করার জন্যে ঐ নারীকে দোররা মারতে ইচ্ছা করে এমন মানসিকতার মানুষ এখনো আছে তার প্রমাণ উপরের কিছু কিছু কমেন্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লোকের,সমাজের মানসিকতা পাল্টাবে
সময় লাগবে
কিন্তু আমি আশাবাদী আমিও আশাবাদী। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দ্বিমত থাকতেই পারে তবে তা অবশ্যই যুক্তিযুক্ত হতে হবে। ধন্যবাদ।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আমি তো পুরুষ। পুরুষের বোরখা পড়ার বিধান নেই, এটা জানেন না?
লেখক বলেছেন: কি ভাবে জানবো বলুন?? আমার মত নির্লজ্জ বেহায়া মহিলার সাথে কথা বলে তো আপনি আপনার পর্দা নষ্ট করছেন তাই-----
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
পোস্টে আমি কমেন্ট দিয়েছিলাম খেয়াল নেই, এখন দেখে মনে হল, কমেন্টটা রুড ছিল । স্যরি। এত রুড কমেন্ট দেয়া উচিত হয় নি আমার, আন্তরিক ভাবেই দুঃখিত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ পাগলা। আশা করি আপনি আমার বক্তব্যটুকু বুঝতে পেরেছে। আমি কোন নারীবাদী পোস্ট দেই নি। আমি মনে করি আমি অশালীন কিছু বলিনি। সমাজের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে একটা পারিবর্তনের কথা বলতে চেয়েছি।
ফ্যালাসির মানসিকতা আমি দেখাইনি।
আসলে ইংরাজী সভ্যতার খপ্পরে পড়ে আমরাও দিন দিন অসভ্য হয়ে পড়ছি কিনা তা এখন ভাববার সময় এসেছে।
লেখক বলেছেন: আমি অতি আধুনিকতার কথা বলিনি বা আধুনিকতার কথাও বলিনি। আমি যুগের সাথে প্রয়োজনের তাগিদে পরিবর্তনের কথা বলেছি।
শয়তান বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখলাম ।
লেখক বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষন থাকুক। আপনি ভালো থাকুন ধন্যবাদ।
কাব্য বলেছেন:
"আমরা মেয়েরা আগে শুধু বিয়ে সংসারের চিন্তা করতাম এখন চিন্তা অনেক বড় সীমানা পেয়েছে। "
হুমমম সীমানা বড়,আর সেই সীমানার চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে হলে সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে এগোনো দরকার।আর যেহেতু আমাদের অনেক কিছুই সয়ে গেছে, আর তাই সেই সয়ে যাওয়াকে পরিবর্তনের জন্য আস্তে ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করার দরকার।ক্ষণিকের মাঝে কোনো কিছুর পরিবর্তন মঙ্গল করা ভালো নয়!
"ক্ষণিকের মাঝে আসা জিনিস ক্ষণিকেই চলে যায়"
লেখক বলেছেন: আমি তো সবাইকে পোশাক পরিবর্তন করতে হবে এমন কথা বলিনি। আমি বলেছি কেউ যদি তার সাচ্ছন্দ্যবোধ করে এমন পোশাক পরে কর্মক্ষেত্রে যায় তবে তা যেন আমাদের সবার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়। এমন যেন না হয় এই কারনে তার পথ চলা বাধা গ্রস্থ্য না হয়।
এই পোশাক কেউ যদি পরে কথাটা ভালো করে মনে রেখ?? কেউ যদি পরে?
সবাই পরবে কেন? যার ভালো লাগবে পরবে যার লাগবে না পরবে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অগ্নিশিখা বলেছেন:
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লাগেনি।আমার ভাবতে লজ্জা লাগে ওই ৯ জন আর আমি একই বৈজ্ঞানিক নাম শেয়ার করি। শুধুই করুনা হয় , আর কিছু না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের আপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
সামছা আকিদা জাহানের সাহসী পোষ্ট পড়ে ভাল লাগলো। মেয়েদের পোষাক কি হবে এবং কি ধরনের পোষাকে সে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে-- এটা নিয়ে তার মতামত সে জানাতেই পারে। তার জীবন, তার ভাল লাগা আর মন্দ লাগা নিয়ে তার স্পষ্ট মতামত আমার ভাল লেগেছে।কিছু কিছু মন্তব্য খুবই আপত্তিকর, এবং এক কথায় ফালতু... কোন পুরুষ যদি মনে করে আল্লার পেয়ারে বান্দা হওয়ার সোল এজেন্সি শুধু মেয়েদের, এটা সে ভাবতেই পারে... তাদের উপর উপদেশ... আল্লাহ পুরুষদের ঘাড়ের উপর একটা মাথাও দিয়েছেন এবং সেই মাথাটা আল্লাহতায়ালা খাটাতেই বলেছেন। এই মাথার সঠিক এস্তেমাল করলে হয়তো পুরুষকুল বুঝতে পারবেন তাদের সব পোষাকও এমন কিছু শরীয়ত মোতাবেক না। আল্লার পেয়ারে বান্দা হওয়ার কোশেশ পুরুষদের করা উচিত।
৩৪ নং কমেন্ট এর উত্তর যোগ্য জবাব হয়েছে... সামছা আকিদা জাহানকে অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনশিয়ানা ভায়া।
তাজা কলম বলেছেন:
একটা ছেলে যদি প্যান্ট শার্ট পরে বিশ্ব বিদ্যালয়ে যেতে পারে একজন মেয়ে পড়লেই তা অশালীন হবে কেন?? কেন বলা হবে মেয়েটি উশৃংখল? কেন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলায় না? কেন আমরা তাদের আমাদের সহপাঠী ভাবতে পারি না। কেন ভাবি তারা যৌন আবেদনময়ী।আসলে প্রয়োজন মেয়েদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন।
সুন্দর বিশ্লেষণে যুক্তি নির্ভর দারুণ লেখা। খুব ভাল লেগেছে প্রিয় লেখক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
আমার ২৩ নং কমেন্টের জবাবে বুঝতে পারলাম, আপনি বিয়ের পর শুধু আপনার স্বামী, তার বাবা, তার ভাইকে দেখেই সন্তুষ্ট না। আপনি আপনার স্বামীর বন্ধুটিকেও দেখতে চান।আসলে মানুষের চাওয়ার শেষ নেই।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই চাই। এমন কি আমার স্বামীর সাথে যদি আমার এডযাস্টমেন্ট এ সমস্যা হয় তবে আমি আবার ও ফিরে এসে নতুন পথে চলতে চাই।
আপনার নাম প্রজন্ম একুশ হা হা হা । হয় মানটা বদলান।নয় নামটা।
টংকেশ্বরী বলেছেন:
বেশ কিছু কমেন্টস পড়ে মনে হলো, মেয়ে দেখলে উনাদের ওজু নষ্ট হয়ে যায় । যাই হোক, ওরা এমনেও মানুষ হবে না, ওমনে ও হবে না। আমি যদি ও প্লাস দিয়েছি আপনাকে , তবু একটা কথা না বলে পারছি না, এভাবে কিছু বদলাবে না..... নিজের মতো চলুন। পথে বাধা আসলে সাধ্যমতো লড়ুন। ব্যস........... আমার পৃথিবী আমাকেই গড়ে নিতে হবে আমার মনের মতো করে........... ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনার কথাগুলি আমার ভাল লেগেছে এবং এই যুদ্ধই সবাই করে যাচ্ছে এই সমাজের প্রতিটি নারী পুরুষ।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
এসব 'পুরুষ তন্ত্র' অহেতু-একঘেয়ে আলাপ। এর চেয়ে বরং ধর্মকে ভাল মত কানে ধরে কাঠ গড়ায় দাড় করিয়ে দিতে পারলে আপনার ভাব প্রকাশ সাহস, সততা, স্বচ্ছতা তিনটাই পেত। কাপড় দিয়ে নারীকে মুড়ানোর অর্থই হল নারীকে "পশু বা পদার্থ" রূপে জ্ঞান করা এবং ধর্মের নাম করে নবী মুহাম্মদ ও তার কোরআন ঠিক এই কাজটিই করে গিয়েছে। আপনার কপাল খারাপ, দুর্গতিনাশী দেবী দুর্গার ঘরে বা মমতাময়ী মাতা মেরির বিশ্বাস আলয়ে আপনার জন্ম হয়নি। তা হলে স্বধর্মের পশুত্ব ও পোষাক ভাবনা আপনাকে দংশন করতোনা। তারপরেও আবার মধ্যযুগীয় কোরআন পাঠের আসর বসে আপনার ঘরে, তা কীসের দায়ে কোমলমতি শিশুদের এই কোরআন পাঠের দায় চাপিয়ে দিচ্ছেন বলুন তো? স্ববিরোধিতা হয়ে গেলনা?আফ্রিকার কালো মানুষেরা যদি শেতাঙ্গ হতে না পারার কষ্টে প্রকৃতি, ধর্ম, ঈশ্বরকে কাঠ গড়ায় দাড় করিয়ে বিচার চাইতো, বিচারটা কে করতো বলুন? কালো হয়ে জন্মানোটা প্রকৃতির অবিচার, কালো হয়ে জন্মে সাদাদের কাছে কোন ঠাসা থাকতে হয়-এসব বর্ণবাদের যুগ শেষ হয়ে যায়নি।
পশ্চিমে এসে থাকলে বুঝবার কথা, প্রকৃতি নির্বাচনে বলবান পুরুষের পছন্দ নারীদের কে শীতের দিনেও ফিতে ঝুলা ব্লাউজ আর স্কার্ট পরতে উৎসাহিত করছে। পুরুষেরা তখনও ঠিকই জিনস-জ্যাকেটের মাঝে আরাম দায়ক উষ্ণতায়, কিন্তু তাদের চক্ষু ভিত্তিক উষ্ণতারও অভাব মেটাচ্ছে ললনারা, শীতেও অনাবৃত থেকে। আমাদের দেশীয় নিয়ম উল্টে আটোসাটো পোষাক আর জিনস মেয়েদের বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে ' পশ্চিমা পুরুষের পছন্দ'। ছেলেরা বড় জোর থ্রি কোয়ার্টার পরবে ,হাটুর নিচ ঢেকে, কিন্তু মেয়েদের বেলায় সেটা হাটুর উপর তোলা চাই। আটো সাটো জিনস পরা ছেলে এ যাবৎ দেখলাম না প্রবাসে।
প্রচন্ড গরম বলে স্কুল, কলেজ, অফিসে যদি স্যান্ডো গেঞ্জি পরে কোন পুরুষ ঢোকে, সাথে সাথে তাকে পুলিশ এসকোর্টে সন্দেহজনক পাগল হিসেবে নিয়ে যাবে। আমরা বাঙালি পুরষরা বিরক্ত হয়ে বলব, বেটা ছেলের বুকের আবার কী ঢাকনি? বেটা ছেলের বুক তো বাংলা নাটকেও দেখায়, কেউ অশ্লীলতার প্রসঙ্গ টানেনা। অথচ ভিজিটর ডেস্কে ৪০ উর্ধ যে মহিলা তাকেও সেই সরু সুতায় ঝুলানো ব্লাউজ পরানো হয়েছে। পুরুষ ওভাবে দেখতে চায় বলেই এমন পোষাক নির্বাচন এমনকি লিপস্টিক থেকে সকল নারী প্রসাধনও পুরুষের পছন্দ মোতাবেকই হচ্ছে দুনিয়া ব্যাপী। তবে সমস্যা কী জানেন?
খোলা মেলা হয়ে বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করার স্বাধীনতাটা [প্রকৃতিগত ভাবে সবারই এ কাজটি করতে ভাল লাগে] (যদিও মেয়েরা জোর দাবি করেন, তাদের সজ্জা একান্তই নিজের কাছে ভাল লাগার জন্য!!!!) পশ্চিমে পুরুষরা নারীদের দিয়েছে। সজ্জা প্রিয় নাচুনে বুড়িরা পুরুষের ঢাকের বাড়ি পেয়ে "পোশাকী স্বাধীনতার" চর্চা করলে সেটিও যে "পুরুষের নির্বাচন" সে অভিযোগ কেউ করছেনা। আপনার কপাল খারাপ, বাঙালি রক্ষণশীল পুরুষেরা নিজেদের যৌন দুর্বলতা বশত অহেতু চক্ষু তৃপ্তি থেকে বাচতে চাইছে, কিন্তু সেটা নারীদের উপর ধর্মীয় অনুশাসনের খড়গ হিসেবে নেমে আসছে।
লেখক বলেছেন: আপনার কপাল দেখে হিংসা হচ্ছে। এমন শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন যে ভাগ্যহত কে হাতে ধরে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে আপনি কপাল পোড়া।
সবার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ যে দেখাতে পারবে তার জন্য এই পোস্ট ।
আপনার মন্তব্য থেকে বুঝলাম-- নারীর অর্ধ নগ্ন দেহ আপনি প্রায় দেখতে পান ---আমার পোস্টেও তাই দেখলেন। আমার মন্তব্যের ঘরে আর না লিখে সরাসরি একটা পোস্ট দিয়ে দেন।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আপনি দেখি পায়ে পড়ে ঝগড়া করেন। এটা তো ঠিক ভালো লাগলো না। কোরআন-হাদীস পড়েন। বুঝতে পারবেন।
আর নিজেকে নির্লজ্জ বেহায়া বলার মানে কি? নারী জাতি আসলেই ঝগড়াটে।
লেখক বলেছেন: পোস্ট টা আমার আপনি এসেছেন আমার পোস্টে। আমি আপনার পোস্টে যাইনি। ধন্যবাদ।
প্রথমে বলতে চাই, আমাদের মূল চিন্তাটা আসলে কি, অনুভবটা আসলে কি? আমরা নারীরা এগিয়ে আসছি, আসতে চাই, আসবো। এখন আমাদের প্রচলিত যে পোশাক সেটা আসলেই আমাদের চলার পথের অন্তরায় কিনা?
আমাদের সালোয়ার-কামিজ, শাড়ী, ওড়না কোনটাই আমাদের উন্নতির অন্তরায় নয়। আপনি চলার পথের সুবিধার কথা বলেছেন। কিছু দুর্ঘটনার কথা বলেছেন। সেগুলো কিন্তু দুর্ঘটনাই, এক্ষেত্রে মেয়েদের কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হয় বৈকি।
রিকশাতে যাদের ওড়না পেঁচায়, খোঁজ নিলে দেখবেন এরা বেশির ভাগই ওড়না পিন-আপ করে পরে না, তাই বারবার হাত দিয়ে ওড়না সামলানো লাগে। আমরা অনেকেই বাসা থেকে একবারই সিফটেফিন দিয়ে ওড়না ঠিকভাবে ভাঁজ করে পরে বের হই, সারাদিন আর তাতে হাত লাগানোর দরকার হয় না, সামলানোরও দরকার হয় না, এমনিতেই সেট হয়ে থাকে।
হ্যাঁ, শাড়ী নিয়ে চলাচল অনেক সময় অসুবিধা বিশেষ করে আমাদের মতো কিছুটা অল্পবয়সী মেয়েদের জন্য, মা -খালারা ঠিকই সামলাতে পারেন। যেহেতু আমরা আজকাল সবসময়ে শাড়ী পড়তে অভ্যস্থ না, বিশেষ কোন প্রোগ্রামে হয়তো পরি।
আর জিন্সের কথা বলছেন? না, অযু হয়নি, এ কথা ভুল। পর্দা হয়নি, তাও ভুল। তবে আমি শীতপ্রধান দেশে এসে জিন্স পরতে গিয়ে শীতের হাত থেকে যেমন বেঁচেছি, তেমনি অস্বস্তি হয় খেতে, যেহেতু বেল্ট পরা থাকে, কেমন যেন পেট চেপে থাকে। হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসতে অসুবিধা হয়। নামাযে ঊঠা -নামা করতে, সিজদা দিতে খুবই কষ্ট হয়। তাই সারাটা শীতকাল যতক্ষণ ল্যাবে থেকেছি, চেয়ারে বসে নামায পড়তে হয়েছে। এরপর যখন গরমকাল এলো, আবার ঢিলেঢালা সালোয়ার পরা শুরু করলাম, আমাদের পোশাক যে কতটা আরামদায়ক, সেটা খুব ভালভাবেই বুঝেছি। গরমে জিন্স, মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়, আমার কাছে।
আর পর্দার জন্য বোরকাই পরা লাগবে, এটা ঠিক নয়, ঢিলেঢালা পোশাক। বোরকাতে - শাড়ীতে আমারও পা জড়িয়ে যায়, আবার অনেকে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।
আর গ্রামের মহিলাদের পর্দার কথা বললেন? আসলে তাদের স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব আছে। স্ত্রীটি কিন্তু মাথায় কাপড় দিচ্ছে স্বামীর ভয়ে, আল্লাহ্র ভয়ে নয়, তাই তার কাপড় হাঁটুর উপরে থাকাকে সেও সমস্যা মনে করছে না, তার স্বামীও সমস্যা মনে করছে না।
আর অর্থের অভাবে পর্দা করতে না পারা, আর জ্ঞানের অভাবে বা ইচ্ছার অভাবে পর্দা না করা কিন্তু সমার্থক নয়। পর্দা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। আর এটা আমাদের আইডেন্টিটি। সমস্যা হলো, আমাদের সমাজে মেয়েদের পর্দার কথাই বেশী প্রচলিত, সে অনুযায়ী পুরুষের পর্দার কথা আলোচনা হয় না, তাই আমরা নারীদের পর্দার ব্যাপারে ভুল বুঝি।
আর ছেলেদের পোশাকের অনুকরণ করলেই যে আমরা নারীরা খুব আধুনিক হয়ে যাব, বা আমাদের মন-মানসিকতার খুব পরিবর্তন হয়ে যাবে তা কিন্তু নয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখেছি, অনেক মেয়ে জিন্স-ফতুয়া পরছে, অথচ সে পড়াশোনা, ল্যাবওয়ার্ক, চলাফেরায় ছেলেবন্ধুর উপর নির্ভরশীল। শপিং-এ যেতে হবে ছেলেবন্ধু বা স্বামী ছাড়া যেতে পারে না। দূরে কোথাও জার্নি করতে হবে , একা যেতে পারে না। রাতে করে অফিস থেকে বা ক্লাশ থেকে বাড়ি ফিরতে হবে, পরিবারের কারো গিয়ে নিয়ে আসতে হয়। তাহলে কি লাভ এ ধরণের পোশাক পরে?
লেখক বলেছেন: এখন আমাদের প্রচলিত যে পোশাক সেটা আসলেই আমাদের চলার পথের অন্তরায় কিনা?
আপু আপনার এখানেই বুঝবার ভুল। আমি অন্তরায় বলিনি। কেউ যদি ওড়না ছাড়া অন্য পোশাক পরে তবে যেন আমরা তার চলার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়াই। আমরা তার পোশাকের কারনে তাকে যেন বিব্রত না করি। সবার প্রতি সবার শ্রদ্ধাবোধ টুকু যেন থাকে তবেই সমাজের অনাচারগুলি কমবে। পরস্পরের প্রতি সম্মান বোধ তৈরী হতে হবে। তবেই আমরা আমাদের ছেলেমেয়েরা একে অপরকে প্রতিপক্ষ ভাবব না।
আমি আমার কর্মজীবনের ১৮বছরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তার আলোকেই বলছি এই সমাজ বদলাবে শুধু পারস্পরিক শ্রদ্ধা বোধের দাড়া।
এই শ্রদ্ধা বোধ তৈরী হতে হবে পরিবার থেকে। একটি মেয়েকে তার পরিজন মেয়ে হিসাবে বড় করবে না যদি তার পরিজন দেখে চারিদিকে মানুষ বসবাস করে।
আমি সেই সব নাড়ির কথা বলেছি যে নারি পথ চলে। যে নারী সমস্ত বাধা অতিক্রম করে মাথা তুলে দাঁড়াতে চায়।
যে বলে জ্বলে পুড়ে মরি ছাড়খার তবু মাথা নোয়াবার নয়।
আমি আধুনিকতার কথা বলিনি আমি একজন নারীর স্বাচ্ছন্দ বোধ করে এমন পোশাকের কথা বলেছি।
রিক্সায় ওড়না পেঁচায় যে সব নারীর তাদের বেশির ভাগেরই দেখা গেছে ওড়নাটা আটকানো ছিল গলার সাথে অথবা কামিজের সাথে সেপ্টিপিনের সাহায্যে।
মটরসাইকেলেও একই ঘটনা। যদি ওড়না আটকানো না থাকত তবে হয়ত শুধু ওড়না টাই চাকায় যেত হতভাগী গুলি নায়।
অনেক কথা বললাম-- আমার লেখার উদ্দেশ্যই ছিল এবং আছে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি।
ধন্যবাদ।
টংকেশ্বরী বলেছেন:
@ নাজনীন১, শেষ প্যারাগ্রাফটার জন্যে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: ৫৫ নং কমেন্টের উত্ত্র দেখুন। ধন্যবাদ।
একদমঠিক বলেছেন:
ছেলেদের ও কিনতু চোখের পরদা করতে হয়।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আমাদের ধর্মই বলেছে একজন নারীর দিকে কোন পুরুষ যেন দ্বিতিয়বার না তাকায়।
কয় জন তা মানে বলুন???
নুশেরা বলেছেন:
স্বাচ্ছন্দ্যবোধটা অনেক বড় ব্যাপার... শুধু মেয়েদের অ্যাকসেস আছে এমন এক বুটিকে (চট্টগ্রামে) দেখেছিলাম মালিকপক্ষ গ্রাম থেকে কিছু মেয়েকে এনেছেন বিক্রয়কর্মী হিসেবে, জিন্সটিশার্ট পরিয়ে... বেচারারা এমনিতেই শহরে নতুন এসে কাহিল তার মধ্যে ঐ বস্তু পরে কিছুক্ষণ পরপরই অস্বস্তিকর ভঙ্গিতে পরিধেয় ঠিকঠাক করছে... ... দৃষ্টিকটু লাগায় ম্যানেজার ভদ্রমহিলাকে বলেও ফেলি। তিন বছর পর আবার গিয়ে দেখি টিশার্টের বদলে ফতুয়া আর ওড়নার মতো দেখতে স্কার্ফ দেয়া হয়েছে তোমার লেখায় অনেকগুলো পয়েন্টে ভালো যুক্তি আছে, কিন্তু কথা ওইটাই, বিশ্ব যখন চাঁদে বসতি করার চিন্তা করে তখন আমাদের স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনের লক্ষ্যমাত্রা পুনঃনির্ধারণ করা লাগে... আমাদের কয়জনের চোখ আর মন পরিণত ও প্রস্তুত! রাস্তার পাশে হাঁটুপর্যন্ত তোলা শতছিন্ন শাড়ী আর ব্লাউজবিহীন মহিলা শ্রমিকদের ঘোমটা মাথায় ইটভাঙ্গা দেখলে বোঝা যায় কাপড়টা কোথায় জরুরি...
আমি একটা এসিড বার্ন কেইস দেখেছিলাম, মেয়েটা বোরখা পরেছিলো, নাইলনের কাপড় আর গালের চামড়া, কান সব গলে মিলেমিশে গেছে... এর পর থেকে পর্দা আর নারী নির্যাতনের ব্যস্তানুপাতিকতার উদাহরণ দেখলে এমন ত্যক্ত লাগে...
অনেক কথা বলে ফেললাম অগোছালো...
তুমি কেমন আছো বলোতো? একটু আগে একটা পোস্টে দেখলাম ভাইয়ের শরীর খারাপ ছিলো... ভালো থেকো সবসময়...
লেখক বলেছেন: নুশেরা ভাল আছ? একটু ঝামেলায় আছি তোমার ভাইয়াকে নিয়ে। আশা করি ও দ্রুত সুস্থ্য হয়ে উঠবে দোয়া করো।
আমি আমার পোস্টে নারীর পোশাক যা পরে সে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে তা পরলে যেন সে বাধার সম্মুখিন না হয় এই বোধটুকু আমাদের সবার মধ্যে তৈরী হলেই সমাজের অনাচার গুলি কমবে তাই তুলে ধরতে চেয়েছি।
খুব হাস্যকর লেগেছে অনেকে না বুঝেই লম্বা লম্বা বয়ান করেছে।
আসলে একজন নারী তার স্বাচ্ছন্দ্যবোধের কথা বলেছে তা তাদের পছন্দ নয়।
তুমি ভালো থাকো ।
জানজাবিদ বলেছেন:
ধর্মে বিশ্বাস করাটা একজন মানুষের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপার। বিশ্বাস যদি করি তাহলে ধর্মের অনুশাসন পুরোপুরি মানাই উচিত। তবে আমাদের দেশে ধর্ম বিশ্বাস না কবেও সামাজিক পারিপার্শিক কারণে ধর্মের অনেক বিধি নিষেধ অনেকে মেনে চলে। এই ভন্ডামী থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া ধর্মকে নিয়ে টানাটানি নয়। আমি বার বার বলছি আমাদের সবার মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। সবাইকে যদি আমরা সম্মান করি তবে সমাজের অনাচারের কারনে কাউকে কাঁদতে হবে না
ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
দূর্ভাষী বলেছেন:
আপু আজ ইসলাম ধর্মের প্রতি মানুষ বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ছে গোড়ামী আর অজ্ঞানতার কারনে। ইসলামে পর্দার যে বিবরন আছে সেখানে কোথা ও বোরকা এর কথা বলা নেই, আছে শালীন পোশাকের কথা। আর মোটা চাদর উদাহরণ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। নাজনীন ১ এর সাথে আমি এক জায়গাতে একমত তা হলো টাইট জিন্স পরলে নামাজ পড়ার সময় উঠা বসা করতে সমস্যা হয়, কিন্তু জিন্স মানেই টাইট নয়।
আর হুজুর ওজু না হওয়ার যে ফতোয়া দিয়েছেন তা ঠিক নয়। বরং জিন্স প্যান্ট কখনই শালীনতা বিরোধী বা বেপর্দা হওয়ার মত পোষাক নয়।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আমি আগেও বলেছি আবার ও বলছি নারীর পোশাক যা পরে সে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে তা পরলে যেন সে বাধার সম্মুখিন না হয় এই বোধটুকু আমাদের সবার মধ্যে তৈরী হলেই সমাজের অনাচার গুলি কমবে তাই তুলে ধরতে চেয়েছি।
ধন্যবাদ দুর্ভাষী। জিন্স টাইট হতে পারে লুজ হতে পারে। আমরা কামিজ চুরিদার পাজামা পরিনা। পাঞ্জাবী চুরিদার ওড়না পরি। আপনারা পাঞ্জাবী চুরিদার ওড়না পরেন।
যদি কেউ ওড়না ছাড়া স্বাচ্ছন্দ বোধ করে তবে তাকে হেও যেন কেউ না করি।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আপু আমি মনে হয় আমার কথাটা ক্লিয়ার করতে পারি নি। আমি আসলে বলতে চেয়েছি যে যেমন পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে সেই পোশাক পড়াই যুক্তি যুক্ত। তবে সে সাথে সমাজের চোখে খাপ খাওয়ানোরও একটা ব্যাপার আছে। আমার নিজের কোনো পোষাকেই এলার্জী নাই। কিন্তু সমাজের অনেক মানুষ আছে যারা মুখে অনেক বড় বড় কথা বলে, কিন্তু মানসিকতায় সেই সংকীর্ণতাই ধারণ করে। এবং এখন পর্যন্ত এরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ।
তবে আশার কথা হচ্ছে পরিবর্তন হচ্ছে।
আরেকটা কথা... আমার কাছে শালীনতা, পোশাকে বা বাহ্যিক আবরণে নয়। শালীনতা আমার কাছে মানসিক একটা প্রাকটিস হিসেবেই বিবেচিত হয়।
@নুশেরান্টি- আপনার
//রাস্তার পাশে হাঁটুপর্যন্ত তোলা শতছিন্ন শাড়ী আর ব্লাউজবিহীন মহিলা শ্রমিকদের ঘোমটা মাথায় ইটভাঙ্গা দেখলে বোঝা যায় কাপড়টা কোথায় জরুরি...//
এই কথাটার পরিপ্রেক্ষিতে একটু বলতে চাই। এখানে কিন্তু শুধু পর্দার জন্য মাথায় কাপড় দেয়া হয় না বলেই আমার ধারণা। এখানে রোদ থেকে কিছুটা ছায়া পাবার জন্য, মাথায় বোঝা নেবার কাপড়টাকে এক যায়গায় স্টেডি রাখার জন্য... মূলতঃ কাজের সুবিধার জন্যই এক্ষেত্রে মাথায় কাপড়টা দেয়া হয়ে থাকে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সমাজ বদলাবে। অনেক বদলেছেও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমরা যদি আমাদের সন্তানদের মাঝে বপন করতে পারি তবে তো পরবর্তি প্রজন্ম তেই আমরা তা দেখব।
সৌদি আরবে ছেলে মেয়ে সবার পোশাক কিন্তু মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢাকা এবং ঢিলা ঢালা। তার কারন কিন্তু সে দেশের বৈরী আবহাওয়া। ধূলিঝড় ও প্রচন্ড রোদ থেকে বাচার জন্যই ঐ পোশাক ওখানে।
নুশেরা বলেছেন:
@ বৃত্তবন্দী, সেটা ঘটে। তবে আরও ঘটনা আছে। এইসব শ্রমিকরা দিনচুক্তির। তাই লাঠিহাতের সুপারভাইজার থেকে রাজমিস্ত্রি সবাই মোটামুটি নিগ্রহের উপর রাখে। একটা পপুলার ঝাড়ি হইলো, ওই বেটি মাথার কাপড় পড়ে ক্যান! ছাতার নীচে বসলেও। আমার গপসপের বদভ্যাসের কারণে এদের সাথেও বহুত আলাপ হইছে লেখক বলেছেন: তোমার ও এই অভ্যাস আছে। আমিতো এই অভ্যাসের জন্য কত হাসাহাসির সম্মুখিন হই।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
হুঁ, সেটাও একটা কারণ...আমি আসলে নিজের বদভ্যাসের কারণে মূলতঃ অতটুকু জেনেছিলাম, বাকিটা জানতে পারি নি, হয়তো ছেলে বলেই...@নুশেরান্টি
লেখক বলেছেন: @ বৃত্তবন্দী চারিদিকে অনেক ঘটনা ভাই সেই সব ঘটনার মধ্যেও আছে ঘটনা। আনন্দ বেদনা। মানসিক উদারতা মানষের থাকলেই সমাজটায় এত কান্না থকবে না।
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন:
হায়রে আপু, সব একই অবস্থা। পোশাকে স্বাচ্ছন্দ যদি না থাকে তাহলে তা পরে কি লাভ।আর আমার চরম বদভ্যাস হলো কর্মজীবি নারীদের বিভিন্ন বিষয় অবজার্ভ করা। কর্ম জীবি বলতে শুধৃ চাকুরীজীবি নয় সকল পেশার নারী তাইসে বুয়া হোক আর প্রধানমন্ত্রী হোক।
আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পর্দার জন্য বোরকা পরে এমন মেয়ের সংখ্যা এখন বাংলাদেশে খুবই কম।
গ্রামের মা-চাচীরা পরেন সামাজিক কারনে, আর শহরের বা গ্রামের মেয়েরা পরে ফ্যাশন হিসাবে। আর শহরে এক শ্রেণীর মেয়েরা যারা বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত তারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাত থেকে বাচতে বোরকাকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে।
নাজনীন ১ এর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বলব ওড়না যদি ব্যবহার করতে হয় তাহলে যেন সেফটিপিন ব্যবহার করি নইলে ওড়না ব্যবহার না করাই ভালো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। আপনার বক্তব্য ভাল লাগল। আমি আশা করি একদিন সব কিছুর পরিবর্তন হবে। সবাই সবাইকে শ্রদ্ধা করবে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আপনার পোস্ট বলে আমি পড়তে পারবো না? কমেন্ট করতে পারবো না?তাইলে ব্লগে লেখছেন ক্যান? ফ্রেমে বান্ধাইয়া ঘরে টানাইয়া রাখলেই পারেন।
আজব!
আজকালকার শিক্ষিত মেয়েরা যে কি!!
দাদী-নানীদের মতো খালি ঝগড়া করে। কইলাম কুরানের কথা, হাদিসের কথা আর সে তাড়ায়ে দিতাছে। মান ইজ্জত নিয়ে আর থাকা গেল না বুলগে।
লেখক বলেছেন: হা হা হা ।ভাইয়া ভালো থাকুন। কুরান হাদিস বহুত জ্ঞানের জিনিস বুঝি নাই।
মনপুরা বলেছেন:
কোন পোশাকে নিজের শলিনতা বজায় থাকবে এটা শুধুমাএ ঐ মেয়েটাই নির্ধারন করতে পারবে যদি মেয়েটির মধ্যে শালিনতা বোধ থাকে। শুধুমাএ বোরখা পরলে মেয়েটি শালিন বা ফতুয়া,চিসস মেয়েদের শালিনতা থাকে এটা ভাবা মনে হয় ভুল হবে।
লেখক বলেছেন: আমার কথাটা শুধুই পোশাকে স্বচ্ছন্দবোধ এবং তার থেকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বোধ ----- ধন্যবাদ আপু এক কথায় সুন্দর বুঝিয়েছেন।
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
সামছা আমার ৫১নং কমেন্টের উত্তরেঃআমাদের তো অনেক কিছুই করতে ইচ্ছা হয়। সব ইচ্ছাকে যদি বাস্তবায়ন করতে যাই, তাহলে তো পরিবার, সমাজ কিছুই টিকবেনা।
আপনি আমার নাম নিয়ে হেসেছেন।
বর্তমান প্রজন্ম মানে যা ইচ্ছা তাই করার স্বাধীনতা নয়, উচ্ছৃংখলতা নয়। সভ্যতা ও আধুনিকতার মানে আমার কাছে শৃংখলা ও নিয়মের সুদৃঢ় বন্ধন, পারষ্পরিক সম্মানবোধ, বিজ্ঞানমনস্কতা, শিক্ষা। ইচ্ছার মাত্রাতিরিক্ত স্বাধীনতা অনেককিছু গড়তে দেয়না।
আমি অতটা ধার্মিক নই, কিন্তু ধর্মকে ধন্যবাদ। ধর্ম সমাজকে স্ট্যাবিলিটি দেয়।
আমি আমার কথা যুক্তি দিয়ে না বলে আপনাকে অফেন্ড করেছি। ক্ষমাপ্রার্থী।
লেখক বলেছেন: আমাদের তো অনেক কিছুই করতে ইচ্ছা হয়। সব ইচ্ছাকে যদি বাস্তবায়ন করতে যাই, তাহলে তো পরিবার, সমাজ কিছুই টিকবেনা-----
অনেক কিছু করতে ইচ্ছে করে এবং করেন কিন্তু তার পরও সমাজ তার আপন নিয়মে টিকে যায়। উদাহরন দিতে এখন ইচ্ছে করছে না।
আপনি আমার নাম নিয়ে হেসেছেন।
বর্তমান প্রজন্ম মানে যা ইচ্ছা তাই করার স্বাধীনতা নয়, উচ্ছৃংখলতা নয়। সভ্যতা ও আধুনিকতার মানে আমার কাছে শৃংখলা ও নিয়মের সুদৃঢ় বন্ধন, পারষ্পরিক সম্মানবোধ, বিজ্ঞানমনস্কতা, শিক্ষা। ইচ্ছার মাত্রাতিরিক্ত স্বাধীনতা অনেককিছু গড়তে দেয়না। ------
আমার পোস্টে কোথায় আপনি উচ্ছশৃংখলতা পেলেন। আতি আধুনিকতা পেলেন বা যা ইচ্ছা তাই করবার আকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেলেন।
আমি বলেছি আমরা যদি পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই তবেই সমাজ থেকে এত কান্না বহুলাংশে কমে যাবে।
আমার সহপাঠী কে আমি শ্রদ্ধা করলে আমিও অন্যের কাছ থেকে শ্রদ্ধা পাব। পোশাকটা সে তার স্বচ্ছন্দমত পরবে। এই পোশাক জেন তার বিকাশের অন্তরায় না হয়।
আমি এখানে কোন নারীবাদী পোস্ট দেই নি এবং আমি এই নারীবাদীতেও বিশ্বসী নই। সবার জন্য কর্ম নির্ধারিত। আমার কাজ আমি করব। সেই কাজে যেন উদ্ভট কিছু মন্তব্য বা ফতোয়া এসে হাজির না হয়।
ধর্মকে ধর্মের জায়গায় রাখুন। আমি ধর্ম নিয়ে টানা টানি করিনি। আমার লেখাটা খুব সহজ এবং সাবলীল বলেই আমি মনে করি।
আমি আমার চারপাশের সবাইকে সম্মান করতে শিখব। সে হতে পারে আমার বাবা , বস বা বাসার সুইপার , কাজের লোক।
তেমনি সম্মান করবো সকল নারীকে সে হতে পারে মা, বস সুইপার, কাজের লোক সহকর্মী বা সহধর্মিনী।
নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা চেয়ে বেড়াচ্ছি কারন ওরাই সবচেয়ে বেশি অশ্রদ্ধা পাত্র। ওদের শ্রদ্ধা করলেই সমাজ থেকে অনেক কান্না থেমে যাবে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মানুষ মানুষের জন্য। তাই মানুষই মানুষকে সাহায্য করে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আপনি তো দেখি কোরআন হাদিস নিয়ে ফাজলামি করতেও ছাড়েন না!খুবই হতাশ হলাম। একটা বাঙ্গালী নারীর কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না।
একটা আবোল তাবোল বিষয় নিয়ে কয়দিন ধরে ব্লগে উস্কানিমূলক নাজায়েজ আলোচনা করেই চলেছেন। খুবই দূঃখজনক।
লেখক বলেছেন: আপনার দুঃখের ভাগি হতে পারলে খুশি হতাম কিন্তু খোদা তেমন করেও সৃষ্টি করেন নি।
খোদা পুরো সময় দেননি মানুষ করে গড়তে রেখেছেন আধা আধি করে।
তবুও তুমি আমার বলেছেন:
আপনার মস্তিষ্ক বিকৃতির সু-স্পষ্ট লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি, সেই সাথে পথভ্রষ্ট হবারও। জানিনা এর থেকে ফিরে আসার কোন উপায় বা পথ আপনার আছে কি-না। না থাকলে আপনার প্রতি আফসোস।
লেখক বলেছেন:
আপনার প্রফাইলের ছবিটি আপনার পরিচয় বহন করছে।
লেখক বলেছেন: আমার কথা বুঝলে আর মন্তব্য করতেন না। যাই হোক সবার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ যে দেখাতে পারবে তার জন্য এই পোস্ট ।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ সামছা আকিদা জাহানঃ
আপনাকে আমার বেশ ভালো লেগেছে। আমি কয়েকদিন আগে হঠাৎ ভাবলাম এই লোকটার সাথে একটু ঝগড়া করলে কেমন হয়। তাই শুরু করলাম। কিন্তু আপনি পা দিলেন না.....
যদিও আমার কথাকে তীব্রভাবে উড়িয়ে দিলেই আমি বেশী খুশি হতাম। কন্ঠ আরো বেশী বলিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন। এমন হতে হবে যেন কোন অন্যায়ই পরাস্ত করত না পারে।
আমার মন্তব্যগুলো প্রত্যাহার করছি। সেগুলো মনের কথা ছিল না। পোস্ট ভালো হয়েছে। সহমত।
শুভ কামনা রইল। লেখা চলুক। পড়বো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নাচারী। প্রথমে ভেবেছি তীব্রভাবে কথা বলব কিন্ত কি ভাবে বলব ভেবে পাছিলাম না। তাই তৃতীয় মন্তব্যএর উত্তর দেবার আগে আপনার ব্লগ ঘুরে এসেছি। আপনার প্রফাইলের লেখা পড়ে আমি আপনার ৬৫নং মন্তব্যের উত্তর লিখতে যেয়ে হেসে দিয়েছি।
বুঝে ফেলেছিলাম আপনি দুষ্টামী করছেন। তবুও কিছু দ্বিধা ছিল।
ভালো থাকুন। দেখেছেন কি ভাবে স্বিকার করে ফেললাম আমি আপনাকে চেনার চেষ্টা করেছি।
তবুও তুমি আমার বলেছেন:
আগামীর তসলীমা নাসরীন আপনার জন্য শুভ কামনা। দোয়া করি আপনার জন্য এমন http://www.purenudism.com/ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হোক। যেখানে আপনি এবং আপনার অনুসারীগন থাকতে পারবেন স্বাচ্ছন্দে।
লেখক বলেছেন: আপনার ঘাড়েতো দেখি তসলীমার ভুত ভালই চাপছে। কি রাত্তে তসলীমার ভয়ে ঘুম হয় না।
তসলীমার কপাল ভালো আপনাদের মত কিছু পাঠক পেয়েছিল তাই তার নাম সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে।
আপনাকে বলেছি আমি--- সবার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ যে দেখাতে পারবে তার জন্য এই পোস্ট ।
এই কথার অর্থ বোঝেন না ? এত মুর্খ আপনি।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আমাদের বাঙ্গালী মেয়েদের সমস্যা কি জানেন? ওই যে কামিনী রায় বলেছেন না, ''পাছে লোকে কিছু বলে''? সেটাই আসলে মূল সমস্যা। আজকাল বাবা-মায়েরা অনেক স্মার্ট। মেয়েরা জিন্স পড়বে, এটা নিয়ে গবেষনার কি আছে? যা ভালো মনে করে সেটা করে ফেললেই তো হয়, ল্যাঠা চুকে যায়। কারো অনুমতির তো প্রয়োজন নেই। তবে শুধু পোষাক বলে কথা নয়, যেহেতু আমদের রাষ্ট্র বা আমরা নিরাপত্তা দিতে পারি না কোথাও কোথাও, সেই সব জায়গাগুলোতে বাস্তব প্রেক্ষিতটা মাথায় রাখা উচিৎ নিজের স্বার্থেই।
আবার শুধু পোষাক বদলালেই হবে না। ভেতরটা বদলাতে হবে সবার আগে। ওটাই আসল।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আমি পোশাক যার জন্য অন্তরায় হবে তার জন্যই বলেছি। যে নিজেকে আমি মেয়ে আমি মেয়ে বলে নেকা সাজাবে তার জন্য আমার কোন কথাই নেই।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
একটা কথা কেউ বলে না, আত্মবিশ্বাস আননের জন্য একখান জিনিস ছাড়া সেইটা কখনোই হয় না সেইটা "জিম"। জীমে গিয়া গায়ে গতরে শক্তি বানাইয়া ভালা একখান শেপ আইনা রাস্তা দিয়া হাইটা যাইবো। সে একখান কথা কইবো তারে একখান মুক্কা নগদে! পার কথা পার মুক্কা, এই পলিসি নিয়া চললে কারো কিছু কওনের থাকতো না!মাগার আফচুষ বাঙ্গালী এইটাও বুঝলো না!
লেখক বলেছেন: আত্মবিশ্বাসের জন্য জীম??!!!
তা হলে দৈহিক শক্তির জন্য কোথায়????
ঠিক বলেছেন মেয়েদের দৈহিক শক্তিও বৃদ্ধি করা দরকার আত্মবিশ্বাসের সাথে সাথে। তবে রে ভাই খালি মারা মারি লাগবে। পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দিতা বাড়বে।
দরকার মানসিক পরিবর্তন।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
@তবুও তুমি আমার- কি ব্যাপার রে ভাই? আপনারা সব কিছুতে তসলিমার ভুত দেখেন কেন? তসলিমা রে তো আপ্নেগো মতন মৌলবাদীরাই প্রমোট কৈরা এত উপ্রে তুলছেন।ভাবনা প্রকাশের জন্যেও কি আপ্নেদের পার্মিশন লৈতে হৈবে?
গ্রো আপ এটুকুই শুধু আপ্নের লিগা আমার কথা।
লেখক বলেছেন: তবুও তুমি আমার কে বোধ হয় তসলীমার ভুত তাড়া করে। রাত্রে তসলীমার ভয়ে ঘুম হয় না।
ওনার প্রফাইল ছবিটা দেখেছেন??? কি আর বলল। যেমন রুচী তেমন কাথাবার্তা। ছবির সাথে কথার কোন মিল নাই।
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আসলে যে কোন পোশাকই বিভিন্ন ভাবে পরা যায়,শাড়ী সালোয়ার কামিজও ইচ্ছা করলে চরম বিরক্তিকর টাইপ করে পরা যায়,আর ইচ্ছা থাকলে জিন্স ফতুয়াও শালীনভাবে পরা যায়।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মম। আমার পোস্টের উদ্দেশ্যই কিন্তু পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ যেন আমরা তৈরী করতে পারি।
রাজীব বলেছেন:
স্বাগত. বলেছেন:আপনার আর খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই?
নোংরা মানুষিকতা পাল্টে ভাল চিন্তা করতে শিখুন । তাহলে মানুষ ও আপনার মত সুন্দর হবে
২০ নং মন্তব্য টি কি লিখলো?
এখানে এত আজে বাজে মন্তব্য এসেছে যে সব পড়তে ইচ্ছে হয় নি।
আমি মালয়েশিয়াতে বেশীরভাগ পর্দানশীল নারীকে দেখেছি জিন্স পরতে, অথচ তাদের হাত পর্যন্ত দেখার উপায় নেই কারন হাতে গ্লভস ও মাথায় হিজাব রয়েছে। জিন্স কোন মতেই খারাপ পোষাক নয়।
কাপড়ের পাজামা পড়লে দোষ হয় না জিন্স পড়লে দোষ হবে কেন? ঐটি মোটা কাপড় বলে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
হা হা হা উদা ঠিকই বলেছে।
জমিই আসলে করা উচিৎ। আমার মতো একটা পুচকে ছোকড়া কি আর লাইলা আলীরে টিজ করতে সাহস পায়?
আমরা তো টিজ করি সব নন্দিনী ঘোষরে।
লেখক বলেছেন: হা হাহা , খুব মজা পেলাম।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এম রাসেল বলেছেন: আপনি মুসলিম কিনা আমার সন্দেহ হচ্ছে। যদি তাই হন তাহলে পর্দা সম্পর্কে এমন বিরোধপুর্ণ মন্তব্য করতে পারেন না।আমার কথা হচ্ছে পর্দা নিয়ে। তবে তা যে বোরখা হতে হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু আপনি যেভাবে পশ্চমাদের গীতি গাইলেন তাতে মনে হচ্ছে আপনি আসলেই ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞ।
ইচ্ছার বিরুদ্ধেও বলতে হচ্ছে যে, একজন পুরুষ কি ওড়না না পরলে তার কোন গোপন অঙ্গ পরিলক্ষিত হয়? একজন পুরুষ কি একটা সেন্টু গেন্জি পরে দৌড়ালে তার কোন অঙ্গ বিশ্রীভাবে দুলে? কোন পুরুষের কি ঋতুস্রাব হয়? যার ফলে তাকে সতর্কভাবে চলতে হয়। কোন পুরুষ কি গর্ভধারণ করে? উত্তরে একবাক্যে বলেন, না। তবে কেন এভাবে নারী পুরুষের পোশাকের ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করছেন।
আপনি যদি মুসলমান হন, তবে ধর্মীয় গ্রন্থগুলো ভালভাবে পড়বেন। আর আপনার কথার ভুলের জন্য তওবা করবেন। কারণ যেখানে সৃষ্টকর্তা পর্দার ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন, সেখানে আপনি তার বিপক্ষে যুক্ত দেখাচ্ছেন।
এই কমেন্টে কিছু কুশ্চেন আছে যার এনসার আমি মনে হয় জানি:
একজন পুরুষ কি ওড়না না পরলে তার কোন গোপন অঙ্গ পরিলক্ষিত হয়?
উত্তর: নারী পুরুষএর দিকে টাকাইলেই গুন অঙ্গ দেখুম এমুন বদ স্বভবেরর লুক জনের জন্য একজন ভালা লোক এতো কস্ট করবো কেন? তার চেয়ে এইডা কি ভালা না যে ঐ বদটারে পিটায়া নামাজ কালামের দিকে মন জুগায় দেওন, আর কওন," ফের যদি কুনো অকামে দেখছি দোররা বেত্রাঘাত কুনডাই মাটিত পড়বো না" সে্সটেমডা কি এইডাই হওন উচিত না? দুই চারটা বদেগো লিগা কোটি কোটি মানুষগো এমুন ক্যারফার মধ্যে ফেলানোর কুনো মানে হয় না। যতদূর দেখছি স হী হাদিস গুলান আর আয়াত গুলান পড়লে নিজের চোখরেও সংহত করনের কথা কইছে আর কে কি পড়লো সেইডার দিকেও একটু নজর কম দিবার কইছে, এইটা না কইয়া মহাজন আপনে কি কইলেন? অর্ধেক সত্য কওনও কিন্তু ইসলামে সাপোর্ট করে না!
একজন পুরুষ কি একটা সেন্টু গেন্জি পরে দৌড়ালে তার কোন অঙ্গ বিশ্রীভাবে দুলে?
ভাইজান আমাগো এলাকায় দুই তিনডা বডি বিল্ডাররে সেন্টু গেন্জ্ঙী পড়াইয়া দৌড়াইলে দেখবেন আসলেই কি ঝোলে! গান্জ্ঞুইটা আর হুজুর খেজুর গো চিকনা মারা ফিগারের কি কুনো দাম আছে? অবশ্য আগেকার আমলের মতো পেটমোটা হুজুর আর দেখা যায় না, তারা টো পান্জ্ঙাবী পড়লেও ভালগার লাগে আমার যেই না দেহের সাইজ!
কোন পুরুষের কি ঋতুস্রাব হয়?
ভাইজান কি ২৪/৭ সময়ের কথা কইলেন নাকি? এমুন জ্ঞান পান কই থিকা ৬-৭ দিনের জন্য সারা মাস ঠাটায়া ঘুরবার হইবো এইটা কেমুন কথা?
আমাগো স্রস্টা যেমন জোর তাগাদা দিছেন পর্দার লিগা আবার পরে এইডাও কইছে দ্বীনের ব্যাপারে জোর জুলুম না করতে আর অন্যেরে না জ্বালাইতে বা অন্যরে কাফের কইতেও মানা করছে! কিন্তু আমাগো কামই হইলো নামজ কালাম পইড়া অন্যের বাড়ীর দরজায় উকি দিয়া একটা প্যাচ লাগাই দিয়া আসা!
ভালা থাকেন মমিন ভাইডি!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উদা ভাই। আমার আর কিছু বলার নাই। আপনি একটা মন্তব্য করেছেন মেয়েরা নিজারাই কনফিউজড আসলে তাই। মেয়েদের তো স্বাধীন চিন্তা করার ক্ষমতাই নাই। ছোট বেলা থেকেই নিজেকে বাঁচীয়ে চলার শিক্ষা দেয়া হয়। মাথা তুলে দাড়াতে দেয় না।
সনিয়া মির্জা টেনিস খেলবে কিন্তু স্কার্ট পরতে পারবে না । কেনরে বাবা তোর দেখতে খারাপ লাগলে দেখিস না তা না আরও কুৎসিত ভাবে দেখে?
ধর্ষনকারী ধর্ষিতার বিচার আগে করে।।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
উদা'র কমেন্টের পরে আর বলার কিছু নাই।
তোর মতো আমি এ্যটাক করতে পারি না রে। মনে চায় অনেক কথা শুনিয়ে দেই। কিন্তু পরে মনে হয় কি লাভ এদের কথা শুনিয়ে দিয়ে? ওরা তো অবিকশিত, সভ্যতার আলো বিবর্জিত।
আর অবিকশিত মস্তস্ক নিয়ে মানুষ অনেক কথায় বলতে পারে। কোন কিছুতেই তাদের মাথায় দুনিয়াটাকে ঢুকানো সম্ভব না।
এরাও ব্লগে লেখে! এরা ব্লগের ঠিকানা কই পায়? ধর্মটারে পুরা নষ্ট করে ছাড়লো।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন । ধন্যবাদ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
পোস্টের কনটেন্টে +।মন্তব্য কয়েকটা পড়ার পর আর ভাল্লাগে নাই।
লেখক বলেছেন: ধান্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: এত্তো ইমোর ব্যাবহার আর আমি একটিও ইমো ব্যাবহার করতে পারহি না।
তাজা কলম বলেছেন:
নতুন পোষ্ট দিন প্রিয় লেখক।
লেখক বলেছেন: ব্লগে বসার সময় পাচ্ছি নারে ভাই দৌড়ের উপর আছি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঠিক রে ভাই। কত্তদিন পর ব্লগে বসলাম। এক্ষুনি উঠতে হবে।
মুনিয়া বলেছেন:
কথা অনেকগুলোই আমার মনের কথা। আবার অনেকগুলো পুরো বিপরীত। লজিক আছে আবার সেগুলোর কাউন্টার লজিকও আছে...কে কী বললো এটা মেয়েরা খুব ভাবে। আমাদের দেশে যারা বোরকা পড়ে তার পিছনেও থাকে ফ্যামিলির প্রেশার। আর যারা শরীরটার ২০% এর বেশি ঢাকে না তারাও কোন প্রেশারেই করে। দেখতে ভাল লাগতেই হবে। স্মার্ট লাগতেই হবে। কুল হতেই হবে।
আমি যে পরিবারে বড় হয়েছি, তাতে ইনার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ভাবতেই বেশি শিখেছি। কিন্তু যখন আমারই হবু আর্কিটেক্ট বান্ধবীকে দেখলাম মায়ের চাপে সুতি ছেড়ে জর্জেট পরতে হচ্ছে, সার্ভেতে যাওয়ার সময়ও কানে দুল, হাতে ব্রেসলেট মুখে মেকাপ দিতে হচ্ছে ইচ্ছার বিরুদ্ধে। আর্কিরা এলোমেলো থাকে- দেখতে কেমন লাগে কামলার মত- বিয়ে নাকি হবে না!!!
মেয়েদের চিন্তা করার ক্ষমতাটা ডেভেলাপ করা দরকার- আর ডিসিশান নেওয়ার সাহস।
শালীনতার ধারণা আপেক্ষিক সত্যি। তবে একটা মিনিমাম থাকবেই। এ নিয়ে পরে কথা বলা যাবে।
পোস্টের জন্য থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনিয়া।
আপনি যে কথা বলেছেন সেই সম্পর্কে আসলেই আর একদিন আলোচনা করবো। আমরা মেয়েরা কি ভাবে যে এত্ত রুচিহীন হই। আমি অবশ্যই শালীনতার কথা বলেছ। যোর দিয়েছি কারও স্বাচ্ছন্দ দায়ক পোশাকের কারনে অন্য কেউ যেন তাকে টিজ না করে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান যেন থাকে।
ভাঙ্গন বলেছেন:
অনেক সাবলীল আলোচনা।গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।
অনেকেই দেখছি জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেছেন।
আমার পড়তে বেশ ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাঙ্গন। ভালো থাকুন।
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন:
আসলে পোষাকে যার নিজস্ব একটা ঢং আছে। আমরা যত তর্ক বিতর্কেই যাই না কেন যে পোশাকে নিজেকে স্বাছন্দ বোধ মনে হবে সে সেই পোশাকেই পড়বে। ====================================
তবে হ্যা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে কুরুচিপূর্ণ পোশাক থেকে বিরত থাকা। কাজের প্রয়োজনে নারীকে রাস্তায় নামতে হয়। আর চলতে হয় হাজারো লুলুপ দৃষ্টির মাঝখান দিয়ে। এই কথাটা মেয়েদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: কেন এই লোলুপ দৃষ্টি???
কেন আমরা মানুষ হতে পারি না??
মনে রাখে বলেই তো মেয়েরা কনফিউজড থাকে পাছে লোকে কিছু বলে।
কেন নেই সম্মানবোধ-শ্রদ্ধাবোধ একে অপরের প্রতি???
নারী কি বাজারের বড় মাছ বা মিষ্টির দোকানের মিষ্টি????
ভালো থাকুন ধন্যবাদ।
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
কে কি পরিধান করিলো না করিলো তাহাতে আমার কিছুই আসে যায় না। বোরকাও দেখাতে পারে- জিন্সও ঢেকে রাখতে পারে। যারা দেখায় তারা দেখাক- আমি আমার মতই চোখ খোলা রাখি। যারা সংযত তাদের প্রতি সংযত দৃষ্টি রাখি নয়নে ও মনে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রাতমজুর বলেছেন:
আমার মতে, ব্যপারটা মূলত এ্যটিচ্যুডে। ছেলেদের হোক আর মেয়েদের - শালীনতাটা পুরোটাই ব্যাক্তি-রুচির ওপরে। পুরা সি-থ্রু গেটআপ ছেলে-মেয়ে কারোই শালীনতা যেমন ফোঁটায় না, তেমনি চাইলে কাপড়ের পোঁটলা হয়েও অশালিন হওয়া যায়।
গুছিয়ে বলতে পারলামনা খুব একটা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমার বক্তব্য ছিল পারস্প্রিক শ্রদ্ধাবোধের উপর।
রাতমজুর বলেছেন:
পারস্প্রিক শ্রদ্ধাবোধের ব্যপারটা আসে কিন্তু পরিবার থেকে। পরিবার এবং পরিবেশ - এদুটো বদলাতে হবে লেখক বলেছেন: বদলাতে হবেইতো রে ভাই। সেই আশায় আছি। জানি দিন বদলাবেই।
সবাক বলেছেন:
ধীরে ধীরে
লেখক বলেছেন: জানি দিন বদলাবেই। ধন্যবাদ ভাই।
আবু সালেহ বলেছেন:
আসল ব্যাপারটা হচ্ছে নারী পুরুষ উভয়রই পরস্ফরের প্রতি সম্মান বোধ থাকতে হবে। জিন্স-টি শার্ট পড়লেই সেই মেয়ে আজেবাজে মেয়ে আর বোরকা পড়লেই যে হুরপরী এই ধারনা করা ঠিক না। আসলে নারীদের প্রতি কতিপয় পুরুষের নোংরা মানসিকতাই মূল সমস্যা।
তবে শালীন পোষাক অবশ্যই নারীকে পরিধান করা উচিত...অন্যথায় পাগলকে সাঁকো নাড়ানোর কথা মনে করিয়ে দেওয়ার মত হবে আরকি...
আমরা প্রয়াশই পত্রিকায় কোন না কোন ধর্ষনের খবর পেয়ে থাকি....যেসব পুরূষ এর জন্য দায়ী তারা অবশ্যই পশুর সমান....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
ভুরিদত্ত বলেছেন:
সবকটা সিঙ্গল সেক্স স্কুলকে কোয়েড করে দিতে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কথা বলেছি।
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
যে যা পারে তাই পরে ও পড়ে । এটা যার যার মনের ও চাহিদার ও সামর্থ্যর ব্যাপার। এসব বিষয়ে মেনে নেওয়াটা আমার মনের অভ্যাস। কোন অভিযোগ নেই লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। রাগ করবেন না ভাই। রাগলেই হেরে যাবেন। যারা মাইনাস দিয়েছে তাদের মর্মে আঘাত লেগেছে। তাদের
বুঝবার ক্ষমতা থাকলে বুঝত আমি কি লিখেছি।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পোস্টে প্লাস দেয়ার জন্য লগ ইন করলাম। যদিও অনেক আগের পোস্ট- দুটো কথা বলি:
প্রথমে আমার চাকরীজীবনের শুরুর দিককার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলে নিই-
একটা মোবাইল ভেণ্ডর কোম্পানিতে বিএসএস এ ঢুকেছি- বিএসএস হলো সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিটিএস থাকে- চারদিকে তাকালেই বিভিন্ন বিল্ডিং এর উপরে টাওয়ার - এন্টানা দেখবেন- টাওয়ারের নীচে একটা ঘর থাকে সেখানে বেশ কিছু ইকুয়েপমেন্ট থাকে- এসবই হলো বিএসএস এর অন্তর্ভুক্ত।
তো এক জিম্বাবুইয়ান ইনস্টল এক্সপার্ট আমাদের সাথে কাজ করতো। একদিন অফিসেই সে আমাদের মত নতুনদের নিয়ে বসলো- কিছু বিষয়ে টিপস দিতে বা টেকনিক্যল কিছু জ্ঞান দিতে। সেসময়ে ইলেকট্রিকাল থেকেই পাশ করা এক মেয়ে আমাদের কোম্পানিতে ঢুকেছিলো- কিন্তু কাজ করার খুব আগ্রহ থাকার পরেও সে সময়ে একরকম কাজহীনই ছিল মেয়েটা- কিছু ডাটা এন্ট্রির কাজ করতো (পরে অবশ্য সে আরএনপিতে কাজ করে)। আগ্রহের কারণে মেয়েটাও ঐ সেশনটাতে যোগ দিলো।
জিম্বাবুইয়ানটা মেয়েটাকে দেখে একরকম মজাই করলো। হেসে বললো - তুমি বিএসএস এর কাজ শিখে কি করবে? মেয়েটাও জবাব দিল- কেন ছেলেরা পারলে সেও পারবে। তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে, জিম্বাবুইয়ানটা বললো - তোমার পোশাকই বলে দেয় তুমি একাজের জন্য উপযুক্ত নও।
পরে সে জানায়- তার এক বোন ইউরোপে এই মোবাইল কোম্পানিতেই চাকুরি করে- এবং অহরহই তাকে ৫০ মিটারের উপর টাওয়ারে উঠতে হয়। ঐ মেন্টালিটিই তো এখানকার মেয়েদের গড়ে উঠেনি। জিন্স হলো ওয়ার্কিং মানুষের পোষাক- মেয়ে ছেলে নির্বিশেষে। আর, ওড়না নামক জিনিসটা তো একটা বাহুল্য।
ওড়না আসলেই একটা বাহুল্য, কাজের জন্য তো বড়ই অসুবিধাজনক বটেই- কিন্তু মূল সমস্যাটা ঘটায় মানসিকতায়। চলতে ঘুরতে ফিরতে মেয়েদের যত আড়ষ্ঠতা- অন্যের দৃষ্টি এড়িয়ে চলার যে আপ্রাণ চেস্টা - সেটা এই ওড়না সামলানোর অভ্যাস থেকেই তো শুরু! বুকের উপর ওড়না থাকার পরে কিছুক্ষণ পরপর এদিক থেকে ওড়না ধরে একটু টান দেয়া - একটু ঠিক করে নেয়া- এটা একটা অভ্যাসের মত হয়ে দাঁড়ায়- সচেতনভাবে কিছু করতে হয় না- অটোমেটিক এটা চলতে থাকে। সবসময়ই যেন একটা ভয়- সবাই - সমস্ত চোখ তার বুকের দিকে আবদ্ধ!!!
এখানকার পুরুষদের অবশ্যই দৃষ্টি শুভ নয়- মেয়েদের বিভিন্ন অঙ্গ খুজে বেড়ায়- এটা অস্বীকার করছি না- কিন্তু সেটাকে অত গুরুত্ব দেয়ারই বা কি আছে- আর তার ভয়ে তটস্থ থাকারই বা কি আছে?
------------------------
যাহোক, আপনার পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
নারীত্ব-সতীত্ব এসব বিষয় নিয়ে একটা ডিবেট চলছিল- দেখতে পারেন:
Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।মন্তব্য পড়ে খুব ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: হা হা হা । এমন মজা বহুৎ দিন পাই নাই।
বাংলা'র নবাব বলেছেন:
অচেনা সৈকত বলেছেন: এম রাসেল@ যতটুকু জানি, সামহয়্যারইন ব্লগ সাঈদীর ওয়াজ মাহফিল না যে ইচ্ছামত অশ্লীল কথা বলবেন।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অচেনা সৈকত।
পুরো ব্যাপারটাই ভুতুড়ে লাগলো। লেখক বলেছেন, পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধের জন্যই এই পোস্ট। কিন্তু পোস্টের বেশিরভাগ জায়গা জুড়েই তিনি নারীদের পোষাক নিয়ে কথা বলেছেন। এবং এমন একটা পোষাকের কথা বলেছেন যা নারীদের জন্যই অপমানজনক।
আমি একটা জিনিস বুঝলাম না। অচেনা সৈকত এত সুন্দর কথাকে অশ্লীল বললেন অথচ লেখকের কুরুচিপূর্ণ কথাকে তার অশ্লীল মনে হলো না। আজিব... ... ...
লেখক বলেছেন: আপনার নাম বংলার নবাব বদলিয়ে অ্যারাবীয়ান শেঠ রাখুন আর এই প্রফাইল পিকে আপনি সার্ট প্যান্ট পরা তা বদলিয়ে জোব্বা পরুন। আপনার শুভ বুদ্ধির উদয় হলে আমার পোস্টে আসবেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। পারস্প্রিক শ্রদ্ধাবোধই আমাদের সমাজকে মুক্তি দেবে।
ভদ্র বলেছেন:
"""""একটা ছেলে যদি প্যান্ট শার্ট পরে বিশ্ব বিদ্যালয়ে যেতে পারে একজন মেয়ে পড়লেই তা অশালীন হবে কেন?? """""----একজন ছেলে সেলোয়ার কামিজ পড়ে গেলে কেমন দেখাবে?
শালীনতা কেবল নারীর বিষয় নয়। এটি পুরুষেরও মানতে হবে।
প্রথম মানুষ দ্বিতীয় মানুষকে কতটুকু শ্রদ্ধা করবে তা দ্বিতীয় মানুষের রুচিবোধ, চরিত্র ইত্যাদির উপর নির্ভরশীল। এবং পরিহিত পোশাকের ধরণ মানুষের আভ্যন্তরীন রুচিবোধ ও চরিত্রসহ অনেককিছুই প্রকাশ করে। এবং বাস্তব জীবন থেকে শিখেছি, যে নারীর পোশাকে শালীনতার ছাপ থাকে তাকে পুরুষ অধিক সম্মানজনক দৃষ্টিতে দেখে(এ সম্মানটা প্রাকৃতিকভাবেই আসে)। একই কথা নারীর দৃষ্টিতে পুরুষের জন্যও।
আপনি বলেছেন দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর কথা। সবার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাবে কি? ইতিহাস বলে দেয়, মানুষ প্রাণী হিসেবে ভাল বা খারাপের কত চরম সীমায় যেতে পারে।
'''''''আমাদের দেশের দরিদ্রজনগোষ্ঠীর দুইবেলা ভাত জ়োটেনা। তাদের নারীরা পর্দা করবে কি ভাবে?'''''''''
----- পর্দা কি?
দরিদ্র জনগোষ্ঠী বলে কি শালীন পোশাক পড়া যায় না? যাদের সামর্থ্য আছে তারা কি সাহায্য করতে পারে না?
"""""জিন্সের প্যান্ট পরে ওজু হবে না একজন নারীর এটা কেমন কথা আমার বোধোগম্য নয়। এই পোশাকটি কি অশালীন?"""""
-----জিন্সের প্যান্ট পড়লে ওজু না হওয়ার কোন কারণ দেখি না।
তবে, সামরিক বাহিনীতে পরীক্ষা দিতে গিয়ে সকলে দেখলাম, যারা সেখানে জিন্স প্যান্ট পড়ে এসেছে। তারা প্রথম দিনেই বাদ। কারণ কলাপ লেটারে লিখা ছিল শালীন পোশাক আনতে হবে। চাকরির ভাইভাতেও কেউ জিন্স পড়ে আসে না। কারণ, শালীন পোশাক পড়ে আসার চেষ্টা করে।
'''''''''মধ্যপ্রাচ্যের মত কঠোর পর্দাপ্রথার দেশ গুলিতে কি ধর্ষনের স্বিকার মেয়েরা হয় না??
সেখানে কি অশালীন পোশাক দায়ী। ''''''''''''''
-----এ কথার সমর্থনে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাচ্ছি(কতজন ধর্ষনের শিকার হয়, কতজনের শাস্তি হয়, কি শাস্তি হয়, কিভাবে ধর্ষনের শিকার হয় ইত্যাদি)। রিপোর্ট দিলে আমার ব্লগে গিয়ে যে কোন পোস্টে মন্তব্য আকারে লিখে দিয়ে আইসেন।
বাকী কথা পরে হবে।
পোষাক দেশ ও কাল ভেদে ভিন্ন ভিন্ন। কালে কালে পুরুষ নারী সকলের পোষাকেই পরিবর্তন এসেছে। শালীন পোষাকও কিন্তু ব্যাক্তি ভেদে ভিন্নতা পায়। আমি এক পোষাক কে শালীন বলি অন্য কউ সেটাকে অশালীন বলতে পারে। এবং তা বলবেই।
তবে, সামরিক বাহিনীতে পরীক্ষা দিতে গিয়ে সকলে দেখলাম, যারা সেখানে জিন্স প্যান্ট পড়ে এসেছে। তারা প্রথম দিনেই বাদ। কারণ কলাপ লেটারে লিখা ছিল শালীন পোশাক আনতে হবে। চাকরির ভাইভাতেও কেউ জিন্স পড়ে আসে না। কারণ, শালীন পোশাক পড়ে আসার চেষ্টা করে। চাকুরীর কারিকুলাম নিয়ে এখানে কথা হচ্ছে না।সরকারী চাকুরী গ্রহনের পর ট্রেনিং এর মাধ্যমে শিখানো হয় কোন পোষাক কোন সময়ের -- কার সাথে কি পড়তে হয়??
-এ কথার সমর্থনে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাচ্ছি(কতজন ধর্ষনের শিকার হয়, কতজনের শাস্তি হয়, কি শাস্তি হয়, কিভাবে ধর্ষনের শিকার হয় ইত্যাদি)। রিপোর্ট দিলে আমার ব্লগে গিয়ে যে কোন পোস্টে মন্তব্য আকারে লিখে দিয়ে আইসেন। আপনার মত অজ্ঞ ব্যাক্তির সাথে এই বিষয় নিয়ে বিতর্কের ইচ্ছা আমার নেই। আমার এত সময়ও নেই সেই তথ্য নিয়ে আপনার সাথে আলোচনায় বসবো। আপনার মানসিকতা আমার কাছে সুস্পষ্ট।
আপনার উপকারিতার জন্য কিছু রেফারেন্স বুক এর নাম দিতে পারি । জানি সেই সব বই এর তথ্য আপনার কাছে ভুয়া ও মিথ্যা মনে হবে কারন আপনি নিজেকে ছাড়া সব কিছুকেই অসম্মান করার জন্য নিজেকে তৈরী করেছেন। বই গুলির দরকার হলে বললেন।
---- পর্দা কি?
দরিদ্র জনগোষ্ঠী বলে কি শালীন পোশাক পড়া যায় না? যাদের সামর্থ্য আছে তারা কি সাহায্য করতে পারে না?
আপনার সামর্থ কি আছে?? থাকলে কত জনকে দিয়েছে??? এবারে যে তীব্র শীত গেল কতজনকে শীত বস্ত্রদান করেছেন?? সঠিক তথ্য দিলে উপকৃত হব।
যাদের সামর্থ্য আছে তারা কি সাহায্য করতে পারে না? --আপনার এই কথাটি আর ও ভালভাবে প্রমান করলো আপনি বাস্তব পৃথিবী থেকে অনেক দূরে আছেন। এখন ও সোনার চামুচটা মুখ থেকে সরেনি আর চোখের রঙ্গীন চশমাটা বেশ গাঢ় কিছুই দেখা যায় না।
ধন্যবাদ।।
ভদ্র বলেছেন:
""""""""""আমার লেখা আপনাকে শুধুই উত্তেজিত করেছে কারন আপনি আপনার মানসিকতার বাইরেই আসতে পারছেন না। আমার লেখা বুঝবার সামান্য চেষ্টাও আপনার নাই।""""""""""""-----আমি শুধু কিছু প্রশ্ন করলাম। কিছু কথা বললাম। আপনি তার কোন উত্তর ই দিতে পারেন নি। কেবল ভাবের কথা বলে গেলেন। আমাকে বোঝাতে না পারলে মানসিকতা পরিবর্তন হবে কি করে? আপনার লিখা বোঝতে চেষ্টা করেছি বলেই মন্তব্য করেছি।
""""""""পোষাক দেশ ও কাল ভেদে ভিন্ন ভিন্ন। কালে কালে পুরুষ নারী সকলের পোষাকেই পরিবর্তন এসেছে। শালীন পোষাকও কিন্তু ব্যাক্তি ভেদে ভিন্নতা পায়। আমি এক পোষাক কে শালীন বলি অন্য কউ সেটাকে অশালীন বলতে পারে। এবং তা বলবেই।"""""""""""
----পোষাক শিরোনামে আমার ব্লগে একটি লিখা দিব। পড়লে উপকৃত হবেন। আমি আবার এসে মন্তব্যে লিখে যাব।
""""""আপনার মত অজ্ঞ ব্যাক্তির সাথে এই বিষয় নিয়ে বিতর্কের ইচ্ছা আমার নেই। আমার এত সময়ও নেই সেই তথ্য নিয়ে আপনার সাথে আলোচনায় বসবো। আপনার মানসিকতা আমার কাছে সুস্পষ্ট।"""""""""
-----পূর্ণ তথ্য ব্যতীত কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় কি? আমাকে অজ্ঞ বলে আপনি শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন।
"""""""""আপনার উপকারিতার জন্য কিছু রেফারেন্স বুক এর নাম দিতে পারি ।"""""""""
------বইয়ের রেফারেন্স দেন। আমি আপনাকে এমন একটি পুস্তকের রেফারেন্স দিব যাতে কোন সন্দেহ নাই। যার কাছে বিজ্ঞান পরাজিত। সে পুস্তকটি হল মহাগ্রন্থ আল কোরআন। অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ (তফসীরে মা'আরিফুল কোরআন, তফসীরে ফী যিলালিল কোরআন) পড়বেন।
'''''''আমাদের দেশের দরিদ্রজনগোষ্ঠীর দুইবেলা ভাত জ়োটেনা। তাদের নারীরা পর্দা করবে কি ভাবে?'''''''''
-----আরও দরিদ্র হলে কি উলঙ্গ থাকবে? যারা ধনী তারা কেন শালীন পোশাক পড়ে না? দরিদ্রতার সাথে শালীন পোষাকের কোন সম্পর্ক আছে কি? মহানবী মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার অনুসারীরা কঠোর দারিদ্র্যের মধ্যেও শালীন পোষাক পরিধান করতেন।
"""""""আপনার সামর্থ কি আছে?? থাকলে কত জনকে দিয়েছে??? এবারে যে তীব্র শীত গেল কতজনকে শীত বস্ত্রদান করেছেন?? সঠিক তথ্য দিলে উপকৃত হব। """""""
-----আমি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মাটির ব্যাংক কার্যক্রমের সাথে জড়িত। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ে ত্রাণ, শীতবস্ত্র বিতরণসহ অন্যান্য সমাজ সেবামূলক কাজে সামর্থ্য অনুযায়ী অংশগ্রহণ করে থাকি। আপনিও নিশ্চয়ই অংশগ্রহন করেন।
ভদ্র বলেছেন:
""""""""নারীর শারিরীক গঠন দেখেই যদি কোন পুরুষের মনে লালসার জন্ম নেয় তবে কি এই সব পুরুষ মানুষ জাতি ভুক্ত। নারীর পোশাকে যদি তার শরীরের বাকঁগুলি বোঝা যায় তবেই নারীকে ভোগ করবার জন্য পুরুষ লালায়ীত হবে এটা কেমন মানসিকতার প্রকাশ ?? """""""----এটি মানসিকতার প্রকাশ নয়। প্রাকৃতিক নিয়ম। উলঙ্গ নারী দেখলে পূর্ণ যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ দেহের উপর কি পরিমান পোশাক আছে তার উপর ভিত্তি করে সে পরিমান যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এটি আপেক্ষিক।
"""""""পোশাক একজন মানুষকে সুন্দর করে। তাই বলে সর্বত্র নারীর পোশাক একই রকম হবে এটা ঠিক নয়। """"""""""""
------মূল কথা হল পোশাক শালীন হতে হবে।
"""""""একবারও কেন ভাবি না এই পোশাকটা মেয়েটিকে বাসে চড়তে সহায়তা করবে। দৌড়াতে যেয়ে ওড়না বা শাড়ি সামলানোর মত বিড়াম্বনায় পরতে হবে না। """"""""
------শাড়ী ও থ্রী পিচ কোনটিই পূর্ণ শালীন পোশাক নয়। আপনার চারপাশে বিভিন্ন পোশাকধারী নারী থাকে। আপনার পর্যবেক্ষন ই বলে দেবে কোনটি শালীন পোশাক। দৌড়ানো কি মানব জীবনের দৈনন্দিন রুটিনে থাকে?
আপাতত নিচের লিখাটি পড়ে নিন
চিন্তাভাবনার স্বরুপ ও ফলাফল (Click This Link)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমার ব্লগে স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি আছি আমি আছি এখানে। শুধু একটু ব্যাস্ততার জন্য সময় দিতে পারছি না।
অনেক ভাইবোন অনেক কিছু বললেন,মন্তব্য প্রকাশ করলেন আর এইসবের জন্য ই আমাদের ব্লগে আসা কারন ব্লগ তো নিজের মতামত প্রকাশ এবং চিন্তাধারা শেয়ার করার ই জায়গা।
এই দুনিয়ায় সকল কিছু মানুষের জন্যই । তাই মানুষকে বুঝা উচিত কোনটা মন্দ আর কোনটা ভালো সে ছেল হউক আর মেয়ে-ই হউক। ধর্ম,পোশাক,আচার-ব্যাবহার সব মানুষের ই জন্য। আগে মানুষ কে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করার মন মানুসিকতা সবার নিজের ভিতর তৈরী করা উচিত।
কম্পিউটার এই যুগের শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার। অনেক ভালো কাজ যেমন তার দ্বার হয় তেমনি অনেক মন্দ কাজও হয়। কম্পিউটার কিন্তু কিছুই নিজে নিজে করতে পারে না। কারন পরিচালনা তাঁকে কিন্তু মানুষই করে। তাই আমরা যার যার অবস্থানে থেকেই নিজকে,নিজের দৃস্টি ভঙ্গিটাকে বদলাই ইনশাল্লাহ সব বদলে যাবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন সব সময়।
পাঞ্জাবি-জিন্স আমার প্রিয় পোশাক কারন সেল ফোন পকেটস্থ করতে সুবিধা। দেশে ওড়না সহযোগে -- বাইরে ছাড়া। শাড়ি আমার প্রিয়তম পোশাক কিন্তু প্রতিদিন কাজের জন্য উপযোগী না। শারিরীক গঠন অনুযায়ী পোশাক পরা উচিত বলে আমার মত।
আধুনিকতার নামে, নারী স্বাধীনতার নামে অশালীন পোশাক পরিধান চলবে না। এই নিয়ম ছেলেদের জন্যও প্রযোজ্য। আজকাল ছেলেরা যেরূপ অন্তর্বাস দেখিয়ে প্যান্ট পরে--সেটা খুবই দৃষ্টিকটু। তেমনি মেয়েরা গরমের দোহাই দিয়ে জিন্সের সাথে হাতাবিহীন ট্যাঙ্কটপ পরে ঘুরে বেড়াবে আর বখাটেরা শিস দিলে রাগ করবে তা হবে না। বাবা মায়েরা সচেতন হলে ছেলেমেয়েদের রুচিবোধ তৈরিতে--অনেক সমস্যার সমাধান হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
শেখ ইরফান বলেছেন:
ফালতু পোস্ট............। ছেলেদের মত মেয়েরাও একি পোশাক পড়লে তার বেজ্জতির দায়িত্ব তার ই নেয়া উচিত...।। আপনার মেসেজ কি বাংলা কালচার এর সাথে যায়?
লেখক বলেছেন: বাংলা কালচার কি ?? আপনি তার বিশদ বর্ননা দিলে ভাল হত। পোষাক পরলেই বেজ্জতি হতে হবে???? আপনি বোধ হয় আমার পোস্টটি না পড়েনই মন্তব্য করেছেন শুধু। পড়ুন বুঝুন তারপর মন্তব্য করুন।
আমার সাথে আপনার দ্বিমত থাকতে পারে সে ক্ষেত্রে সুন্দর সাবলিল ও মার্জিত ভাবে আপনার মন্তব্য লিখুন নতুবা কোন ন্মন্তব্য করার দরকার নেই।
আমার বোন হিজাব পরে হাটুর একটু নিচে পর্যন্ত ও জিন্স পরে সাথে কেডস পরে । পাজামা বদলে জিন্স পরা যায় তবে হিজাবের সাথে অন্য কিছু কনসিডার নয় ।
আমার বোন স্বেচ্ছায় পরে ।
আল্লাহ আমাদের শয়তান থেকে রক্ষা করুন।
৭৯ কমেন্টের সাথে একমত
মালয়েশিয়াতে বেশীরভাগ পর্দানশীল নারীকে দেখেছি জিন্স পরতে, অথচ তাদের হাত পর্যন্ত দেখার উপায় নেই কারন হাতে গ্লভস ও মাথায় হিজাব রয়েছে। জিন্স কোন মতেই খারাপ পোষাক নয়।
কাপড়ের পাজামা পড়লে দোষ হয় না জিন্স পড়লে দোষ হবে কেন? ঐটি মোটা কাপড় বলে?
শেখ ইরফান বলেছেন:
নোংরা পোস্ট.........
মো: জাফর আল মাসুদ বলেছেন:
শালীনতা তো পুরুষের মধ্যেও থাকতে হবে। লুঙ্গী উঠিয়ে বিশ্রিভাবে হাটা হাটি করবেন, আর সুযোগ পেলে যুবতী মেয়েটার সাইজ কত, খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে বলবেন আস্তগফিরুল্লা! এটা অধিকাংশ পুরুষের স্বভাব। কেন? হাতা কাটা ইন্ডিয়ান স্টাইলের জামা না পড়লে কি মেয়েদের খারাপ দেখায়? ওড়না ছাড়া টাইট ফিট গেন্জীতে জিন্সে কি খুবই স্মার্ট লাগে? আসলে আমাদের মানুষিকতার বিকৃতি ঘটেছে, নিজেস্ব সাহিত্য সংস্কৃতি বাদ দিয়ে অন্যেরটাই ভাল লাগে। সেক্সী কাপড় পড়ে যৌনতা প্রচার করতেও লজ্জা লাগে না। এটা তো সৌদি আরব না যে, আলখেল্লা জাতীয় বোরকা পড়তেই হবে, আবার ওয়েস্টার্ন সো্সাইটিও না খোলামেলা শার্ট গেন্জী হাফ প্যান্ট পড়ে ঘুরবেন, আবার ইন্ডিয়ান কালচারও না।
একটা নীল শাড়ির যুবতীকে দেখে না হয় মুচকী হাসিই দিলেন, কিন্তু হাতা কাটা স্লীভলেস ব্লাউজে, টাইট ফিট জিন্সে নিতম্ভের ভাজ দেখে কু-মন্তব্য তো এ পুরুষে সমাজে হবেই। তাই দৃষ্টি ভঙ্গী পাল্টাতে হবে, অন্ধের মতো অন্যের সংস্কৃতিকে গ্রহন করে নিজের স্বাধীনতা কে বিসর্জন দেবেন না। ধর্ম মানুষকে একটা গাইড লাইন দিয়েছে কিভাবে সৎ চলতে হবে, কিভাবে শালীনতা বজায় রাখতে হবে আর সতর্ক করা হয়েছে সীমালঙ্ঘ থেকে। কিন্তু আমরা এমন ধর্ম পরায়ন, সূট-টাই পড়ে নামাজ হবে না বা শার্ট ইন থাকলে খুলে দিতে হবে, অথবা মেয়েদের জিন্সের প্যান্টে নামাজ হবে না, ইত্যাদি, ইত্যাদি। কারন আমাদের তো সাধারন বুদ্ধি নাই- চলছি অনুকরন করে। পরের বুদ্ধি বিচার বিবেক এসবই তো আমাদের সম্পদ এবং নিতি নির্ধারক!!
তবুও তুমি আমার বলেছেন:
বিরাআআআআআআআট গিয়ানি লোকের গিয়ানি পুষ্টু প্রসব হইয়াছে......................
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























আসল ব্যাপারটা হচ্ছে নারী পুরুষ উভয়রই পরস্ফরের প্রতি সম্মান বোধ থাকতে হবে। জিন্স-টি শার্ট পড়লেই সেই মেয়ে আজেবাজে মেয়ে আর বোরকা পড়লেই যে হুরপরী এই ধারনা করা ঠিক না। আসলে নারীদের প্রতি কতিপয় পুরুষের নোংরা মানসিকতাই মূল সমস্যা।