গ্রামীণফোনের এই সেই লাইলী যিনি..তেরো বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বেগুন ভর্তা দিয়ে ভাত খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি।
আবার নিজের বোকামির কথা ভেবে খানিকটা লজ্জাও হয়। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে কি কেউ বেগুন ভর্তা দিয়ে ভাত খাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়! কিন্তু কি করবেন লাইলী, মোবাইলে প্রধানমন্ত্রীর ফোন পাওয়ার পরই তো তার বুক কেঁপে উঠেছিল অজানা আনন্দে। খুব গুছিয়ে কথা বলতে পারেননি। তাছাড়া, মোবাইল ফোনটিও ছিল তার জন্য ভীতিকর। কারণ তখনও এ যন্ত্রের ব্যবহার পুরোপুরি রপ্ত করতে পারেননি তিনি। হ্যাঁ, এই লাইলী আর কেউ নন। গ্রামীণফোনে কথা বলা প্রথম গ্রাহক। পুরো নাম লাইলী বেগম নুরুন্নাহার। কিন্তু লাইলী নামেই তিনি পরিচিতি পেয়েছেন দেশ-বিদেশে। তেরো বছর আগে ১৯৯৭ এর ২৬শে মার্চ লাইলীর মোবাইলেই ফোন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামীণফোনের শুভ সূচনা করেছিলেন। সময় পরিক্রমায় গ্রামীণফোন দেশের সবচেয়ে বেশি গ্রাহকসমৃদ্ধ মোবাইল অপারেটর। এর গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লাখেরও বেশি। গ্রাহক বাড়ছে প্রতিদিনই। কিন্তু কেমন আছেন লাইলী? তার জীবনই বা কেমন কাটছে? তেরো বছরে কতটা পরিবর্তন তার? তিনি কি এখনও সেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন?
খিলক্ষেত থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে পাতিরা বাজার টেম্পোস্ট্যান্ড। দূরত্ব যতো কমই হোক, বালু নদীর তীরঘেঁষা এ এলাকায় এখনও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। নদীর বালু টেনে এনে ভরাট হয়ে যাচ্ছে সব কিছু। নানা আবাসন কোম্পানি, প্রকল্পের সাইনবোর্ড ঝুলছে। পানির নিচে বিশাল এলাকায় পুলিশ অফিসারদের হাউজিং সোসাইটির নির্ধারিত স্থান লেখা সাইনবোর্ডের সংখ্যাও কম নয়। সরু রাস্তা ধরে ক্ষণে ক্ষণে দামি বিলাসবহুল গাড়ি সোঁ সোঁ শব্দ করে চলে যায়। কিন্তু এ এলাকায় যারা বাস করেন, টেম্পোই তাদের যাতায়াতের অন্যতম বাহন। অনেকক্ষণ পর পর চলে। আর বালু নদীতে অপেক্ষমাণ ট্রলারের সারি। পায়ে হাঁটা মানুষের সংখ্যাও কম নয়। লাইলী বললেন, এখন তো অবস্থা অনেক ভাল। চার পাঁচ বছর আগেও এখানের চারদিকে শুধু ছিল পানি আর পানি। রাস্তায় হাঁটতে গেলে যেন বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যেতো। যোগাযোগের কোনও ব্যবস্থাই ছিল না। বর্ষায় খিলক্ষেত যেতে হতো ট্রলারে। আর অন্য মওসুমে পায়ে হাঁটা ছাড়া কোন পথই ছিল না। বৃষ্টি বাদল হলে কোথাও যাতায়াত করা যেতো না। যোগাযোগের মাধ্যম ছিল চিঠি। সাইকেলে চড়ে প্রতিদিনই ডাকপিয়ন চিঠি দিয়ে যেতো। এক জনের কাছ থেকেই অন্য জনকে খবর দেয়া হতো। ভাবতে অবাক লাগে মোবাইল ফোন কিভাবে পাল্টে দিলো সব কিছু। এখন আমার ছেলেও মোবাইলের মাধ্যমে কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালায়।
পাতিরা বাজার টেম্পো স্ট্যান্ডের পাশেই লাইলীর বাড়ি। মূল সড়ক ঘেঁষেই। শুধু বাড়ি না বলে একটা আবাসিক কাম বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সই বলা যায়। কি নেই এতে? রাস্তার পাশে রেস্তোরাঁ, সেলুন, জ্বালানি তেল বিক্রির দোকান থেকে শুরু করে বসত ভিটা, জেনারেটর হাউজ, বায়োগ্যাস প্লান্ট, ভাড়াটেদের ঘর এবং গরুর খামার। না। শেষ হয়নি এখানেই। লাইলী আঙুল দিয়ে দেখালেন- ওই যে দূরে আমগাছ পর্যন্ত খালি জায়গা দেখছেন, সেটিও আমাদের। একগাল হেসেই বললেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার পরই আমাদের এ পরিবর্তন। একটি মোবাইল ফোন আমাদের জীবনকে এভাবেই পাল্টে দিয়েছে। কিভাবে?
লাইলী বলতে শুরু করলেন, ৯৩-’৯৪ সালের দিকের ঘটনা। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে আমরা কঠিন জীবনেই ছিলাম। লাইলীর স্বামী আতিকুর রহমান। এলাকায় আতিকুল্লাহ নামেই তার পরিচিতি। তিনিও যোগ দিলেন স্ত্রীর সঙ্গে। বলতে শুরু করলেন- বাড়ির সামনে একটি চায়ের দোকান ছিল। আমি সেটি চালাতাম। মাটি কাটতাম। গৃহস্থি করতাম। লাইলী কথা টেনে নিয়ে বললেন, আমার এক ননাস একদিন খবর দিলো। বললো, গ্রামীণ ব্যাংকে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া যায়। ব্যস, শুরু এভাবেই। সাড়ে চার হাজার টাকা ঋণ করি গাভী কেনার জন্য। গাভী কিনি। সকালে গাভীর দুধ বিক্রি করি। আর বিকালে সেই দুধ দিয়ে চায়ের দোকান চালাই। ৪৪ সপ্তাহে ঋণ শোধ করি। পরের বছর আবারও গাভী কেনার জন্য ঋণ নেই। এক বছরেই শোধ দেই। এরপর আবারও কিনি। এরই মাঝে গাভীগুলোর বাছুর হয়। বিক্রি করে দেই। এভাবেই চলছিল। ১৯৯৭-এর প্রথম দিকের ঘটনা। একদিন গ্রামীণ ব্যাংকের আমাদের কেন্দ্র থেকে জানতে চাওয়া হলো- আমরা মোবাইল ফোন কিনতে চাই কিনা। শুনেছি ২০০ দরখাস্ত ছাড়া হয়েছিল। আমাদের ৩৩ নম্বর কেন্দ্র থেকে আমরা তিনজন মোবাইল ফোনের জন্য আবেদন করি। অন্য দু’জনের একজন হাসনা এবং আরেকজনের নাম হাসিনা। তারা আমাদের ডাকলেন। কেন মোবাইল ফোন কিনতে চাই- জানতে চাইলেন। হাসনা বললেন, আমার স্বামী থাকে মালয়েশিয়ায়। তার সঙ্গে কথা বলবো। আর হাসিনা বললেন, আমার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলার জন্যই মোবাইল ফোন দরকার। আমাকে যখন প্রশ্ন করা হলো, আমি তখন বললাম, আমার বাড়ি রাস্তার পাশে। চায়ের দোকান আছে। মোবাইল ফোন পেলে সেখানে এ ব্যবসাও করবো। দেখলাম আমার কথাই তাদের মনে ধরেছে। এরপর তারা আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু করে। আমার বাসায় আসে। কিভাবে ব্যবসা করবো এ নিয়ে হাজারো প্রশ্ন। এক সময় আমি বিরক্তই হয়ে যাই। গ্রামীণফোনের আনুষ্ঠানিক যাত্রার ১৮ দিন আগে আমাকে মোবাইল ফোন দেয়া হয়। বলা হয়, এখন থেকে ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে আপনি কথা বলবেন। সে সময়ের মোবাইল সেট এখনকার মতো ছোট ছিল না। লম্বা ছিল অনেক। ওজনও ছিল। সেটি হাতে নিয়ে আমি ভয়ে কাঁপতে থাকি। কিভাবে কথা বলবো? জীবনে তো এমন যন্ত্রে কথা বলিনি। ইঞ্জিনিয়াররা সাহস দেন। বলেন, আমরা যা বলি আপনি এর উত্তর দেন। প্রথম প্রথম খুবই সংকোচ হতো। ইঞ্জিনিয়াররা ফোন করে জানতে চাইতেন- আমি কি রান্না করছি। বাসার কার কি অবস্থা। কখনও কখনও আমাকে ওয়ান টু’ও শেখাতেন। ফোন বাজলে আমার শরীর ভয়ে কাঁপতো। তখনই বলা হয়, মোবাইল ফোনের উদ্বোধন হবে, আমাকে প্রধানমন্ত্রী ফোন করবেন। এ কথা শুনে আমার শরীরে কাঁপুনি ধরে যায়। ইঞ্জিনিয়াররা বলেন, অতো ভয়ের কি আছে। আপনি তো কথা বলছেন। আপনাকে যা প্রশ্ন করবেন, আপনি এর উত্তর দেবেন। ১৯৯৭-এর ২৬শে মার্চ। কেন্দ্রে হাজারো মানুষ। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশী বিদেশী অনেক অতিথি হাজির। আমাদের এ অঞ্চলের সব মানুষই যেন হাজির অনুষ্ঠানে। আমার বুক কাঁপছে ভয়ে। বেলা ১১টার দিকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোন করলেন। বললেন, আপনি কেমন আছেন। আপনার নাম কি। ছেলে-মেয়ের সংবাদও জানতে চাইলেন। আমি বললাম, ভাল আছি। আরও বললাম, আপা আপনি আসেন। আমাদের দেশ গ্রাম দেশ। দেখতে খুব সুন্দর। বেগুন ভর্তা দিয়ে ভাত খেয়ে যাবেন আপা।
আমার এ কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী হেসে উঠলেন।
বেগুন ভর্তার কথা কেন বললেন?
লাইলী বেগম বলেন, সে সময় বেগুনের মওসুম ছিল। আমাদের বাড়িতেও ছিল বেগুন ক্ষেত। আসলে তাৎক্ষণিকভাবে আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না রাজা বাদশাদের কিভাবে আমন্ত্রণ জানাবো। তবে এখন যদি ফোনে কথা বলতে পারতাম তাহলে অবশ্যই বলতাম- আপা চলে আসেন। বাড়ির কাছেই গাড়ি আসবে। পোলাও মাংস রান্না করে খাওয়াবো। লাইলী দীর্ঘ শ্বাস ছাড়লেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নম্বর তো তার জানা নেই। আবারও স্মৃতি হাতড়াতে শুরু করলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর আমার অবস্থা পাল্টে গেলো। আমি যেন বড় কিছু একটা হয়ে গেলাম। সবাই আমার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতে শুরু করলেন। যারা চেনেন না তারাও ভাবী ডেকে খোঁজ খবর নিতে শুরু করলেন।
ভাগ্য পরিবর্তনের কাহিনীটা বলুন?
আবারও এগিয়ে এলেন তার স্বামী আতিকুল্লাহ। দু’জনে তথ্য দিচ্ছিলেন- ১৮ হাজার টাকা ঋণ নিয়েই গ্রামীণফোনের মোবাইল ফোন পাই। সাড়ে ১০ হাজার টাকা ছিল সিমের দাম। তবে এখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ায় খুব দ্রুতই খবরটা ছড়িয়ে যায় চারদিকে। আশপাশের তলনা, বেলনা, মস্তু, ডুমনি, বারিধ্যার টেক, পাতিরা, সনি, ইছাপুর, পিংলান, গুপিংপুর, রায়ারটেকের মানুষ ফোন করার জন্য আমার দোকানে আসতে শুরু করেন। এ এলাকায় ১০ হাজার মানুষের বাস। মূলত বিদেশ থেকেই ফোন আসতো বেশি। আমার মাসে বিল আসতো ২২ হাজার টাকা। ১৫ হাজার টাকা লাভ থাকতো। মূল আয় হতো ইনকামিং কল থেকেই। ধরেন আরও ১৫ হাজার টাকা। ওই সময় মাসে তিরিশ হাজার টাকা এখানকার কোন চাকরিজীবীও কামাতে পারেনি। বলতে পারেন, আমাদের জীবন বদলে গেলো এভাবেই। মোবাইল ফোনের ব্যবসা করার আগে ২২ শতাংশ জমি ছিল। পরে আরও ১৫ শতাংশ কিনেছি ৬০ হাজার টাকা দরে। এখন সেই জমির দাম ৫ লাখ টাকা প্রতি শতাংশ। দুই ছেলেকে লেখাপড়া শেখাচ্ছি। বড় ছেলে সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে এলএলবি পড়ছে। আমার ইচ্ছে তাকে ব্যারিস্টার বানাবো। ছোট ছেলেটা নাইনে পড়ে। নাইনে পড়ার সময় মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। ওর ফুফু ওকে বউ করে নিয়েছে। চায়ের দোকান থেকে এখন ৫টি দোকান আমার। জেনারেটরের ব্যবসাও করছি। স্ত্রী আর কন্যার জন্য ১০ ভরি স্বর্ণ কিনেছি। সাড়ে ৪ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শুরু। সাহস বেড়ে গেছে। গেলো বছর ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। শোধ দিয়ে ফেলেছি। এবার ২০ লাখ টাকা ঋণের জন্য আবেদন করেছি। বালুর ট্রলারের ব্যবসা করবো। ২ বছরে এ টাকা শোধ দেবো ইনশাআল্লাহ।
মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যবসায়ের সে সময়কার স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে লাইলী বলেন, সকালে আমি দোকানে বসতাম। দুপুরের পর বসতেন স্বামী। আমরা হোম সার্ভিস দিতাম। কেউ হয়তো চিঠি লিখে তার স্ত্রীকে জানিয়েছেন, অমুক তারিখে ফোন করবেন। আমরা সময়মতো মোবাইল ফোন নিয়ে ওই বাড়িতে চলে যেতাম। আর এ কথা শোনার পর ওই একই এলাকার অন্য প্রবাসীরাও এর আশপাশের সময়ে ফোন করতেন। ওই সময়েই আয় হয়েছে বেশি। প্রতি মিনিট ১০টাকা। অনেক সময় দেখা গেছে রাত ৯টায় ফোন নিয়ে গ্রামে গিয়েছি। ফিরেছি শেষ রাত ৩টায়। এক রাতেই দুই আড়াই হাজার টাকা আয় হয়েছে। শুধু যে আয়ের বিষয় তা নয়। আমার এলাকায় মোবাইল ফোনের একমাত্র দোকান হওয়ায় এটি একটি সেতুবন্ধনের স্থান হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করে। প্রথম প্রথম কেউ একজন মোবাইল ফোনে কথা বললে দেখা যেতো তার পাশে ভিড় জমে গেছে। কতজন কত কথা বলেছেন আমার দোকানে বসে। তবে সবচেয়ে বেশি আউট গোয়িং কল হয়েছে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়েই।
তিক্ত অভিজ্ঞতা?
লাইলীর স্বামী বললেন, এখানেও রাজনীতি! আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের শেষ মুহূর্তে মোবাইল ফোন নিয়ে আমাদের দেউলিয়া হয়ে যাবার ব্যবস্থা হয়েছিল। এলাকার আওয়ামী লীগের নেতা রতন সাহেব গুলশানে থাকতেন। আমাকে বলে দেয়া হয়, স্থানীয় কোন কর্মী রতন সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে যেন আমি মোবাইল ফোনটা দেই। কথা রাখতে গিয়ে আমি তা করেছি। চার মাসেই বিল হয় সত্তর হাজার টাকা। আমার তো কেন্দ্রে বিল বাকি রাখার সুযোগ নেই। লাইলী বলেন, আমার বাপের বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে এ সত্তর হাজার টাকা শোধ করেছি। কিভাবে টাকা চাইবো, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর বিএনপি তো রতন সাহেবের ছোট ভাইকে মারধোর করে। বড় ঘটনা হলো, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় নেতারা আমাকে বলে দিলেন, সাবধান এই ফোনে যেন আর আওয়ামী লীগের কর্মীরা কথা বলতে না পারে।
গ্রামীণফোনের প্রথম মোবাইলটির হাল কি?
লাইলী জানালেন, সেই আগের সেট নেই। নেই দোকানও। এখন তো ডবল সিমের মোবাইল সেটের যুগ। তাই ভিআইপি এ নম্বরটিও স্বামীর মোবাইলে ঢুকে পড়েছে। সবার হাতে হাতে মোবাইল থাকায় আগের মতো ব্যবসা নেই। তাই অন্য ব্যবসায়ে মনোযোগী লাইলী-আতিকুল্লাহ। আর এসব ব্যবসায়ে যোগাযোগ রক্ষায় সেই মোবাইলটি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। যদিও এই নম্বরটি বেশি জানাজানি হওয়ায় অনেক অনাহূত কল রিসিভ করতে হয়েছে। কিংবা হচ্ছে মাঝে মাঝে। তাই চার মাস অফ ছিল। যাতে মানুষ ভুলে যায়। এটি চালু হয়েছে ফের। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ নিয়ে লাইলী রীতিমতো সেলিব্রেটিতে পরিণত হয়েছেন। লাইলীর আনন্দ- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. ইউনূস তিনবার আমাদের বাসায় এসেছেন। আমাদের বিয়ের খাটে বসে কথা বলেছেন। স্পেনের রানী সোফিয়াও এসেছিলেন। তিনি আমড়ার ভর্তা খেতে চেয়েছিলেন। যদিও সেটি পারেননি। তবে আমরা তাকে মুড়ি বানিয়ে দেখিয়েছি। আমাদের বাসায় বিদেশী অতিথির কোন হিসাব নাই। প্রতি বছরই আসেন। এই তো ক’দিন আগেও এক ফটোগ্রাফার এলেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকলেন। বললেন, আপনারা আপনাদের মতো কাজ করেন। আমি আমার মতো ছবি তুলবো। তবে আমাদের কাছে এসব ছবি নেই।
রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল
আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]
আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।