somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবিষ্কারের সেই মুহুর্তগুলো

১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবী একসময় বেশ শান্ত ছিল ধর্ম আর কুসংস্কারের অন্ধকারে। কিন্তু কিছু বিজ্ঞানী আর কিছু সাধনাকারীর চেষ্টায় এই পৃথিবী কেবল পরিবতর্নই হয়নি মানুষের বহুদিনের পুরোনো কুসংস্কারগুলো ভাঙতে সক্ষম হয়েছিলেন তারা। তাদের সেই আবিষ্কারের মুহুর্ত নিয়ে আমার এই লেখা। (এই পোষ্টের সমস্ত লিখা গুলো আমার কল্পনা প্রসূত।)



কোপারনিকাসের সূর্যের আলো



বইটা পাশেই ছিল। হাইপেশিয়ার এই বইটা কোপারনিকাসের খুব কাজেই লেগেছে। এইতো আর একটু পড়লেই হয়ত এই প্রশ্নের উওরটা পাওয়া যাবে।। আরে এইতো এইতো। হ্যা এটাই সত্য। পৃথিবী অবশ্যই সূর্যের চারদিকেই ঘুরে। আনন্দে চোখে পানি এসে গেল তার। নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মনে হল তার। তার ইচ্ছা করছে সারা পৃথিবীকে জানিয়ে দিতে এই সত্য তা। কিন্তু কিন্তু বাইবেলের বিশ্ব কি তা মানবে। মুহূর্তেই কি যেন বিধে গেল কোপারনিকাসের মনে। কিভাবে সে তার তত্ত্ব তা জানাবে......

কোপারনিকাসের পৃথিবী যে সূর্যের চারদিকে ঘুরে সেই আবিষ্কারের মুহুর্ত টুকু।


গ্যাল্যালিও গ্যালিলির দুরবীক্ষন



না না কেপলার যা বলেছেন তাই সত্য। কিন্তু এটাতো প্রমান করতে হবে তাই এত আয়োজন। দূরের জিনিস কাছে এনে দেখার প্রচেষ্টা চলছে। এইতো কাচের এই খন্ড(লেন্স) তা বসিয়ে দিল গ্যালিলিও। তার পর সরু নলে চোখ লাগালেন। আহ দারুন সব কিছু কাছে দেখা যাচ্ছে। সব কিছু যেন হাত বাড়ালেই পাওয়া যাবে। অসাধারন লাগছে মহাশূন্যের নক্ষএগুলো। মন নেচে উঠল তার আজ যেন নতুন দুয়ার উম্মোচিত হল পৃথিবীর সামনে।

গ্যাল্যালিওর দূরবিক্ষন আবিষ্কাকের মুহুর্তটি(কাল্পনিক)।



ডারউইন: আমরা মানুষ



ডারউইন একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন জানালার সমানের একটু দুরের গাছ তার দিকে। মনে একটিই কথা আসলেই কি তাই ? না না ভুরু কুচকে আবার পড়া শুরু করলের তার গবেষনা পএটি। না একই কথা বলছে এতে কোন ভুল নেই। মানুষ তাহলে বিবর্তনের ফসল। হঠৎাত তার মনে হল পৃথিবীতে মানব জাতির মত ভাগ্যবান খুব কম সংখ্যক প্রাণী। এত অসহায় সে, অথচ আজও পৃথিবীতে টিকে আছে। জানালার টুনটুনি পাখির ডাকে তার চেতনা ফিরে এল। তত্ত্বটিকে যে পরিপূর্ন কাঠামোতে রুপ দিতে হবে।

ডারউইনের বিবর্তন মতবাদ আবিষ্কারের মুহুর্তটুকু।



নিউটনের আপেলগাছ



প্রশ্ন অনেক কিন্তু উওর যে কিছুতেই খুজে পাচ্ছে না। তার কেন জানি মনে হচ্ছে যে সব প্রশ্নের উওর একসূ্‌ত্রে গাথা। কিন্তু কি সেটা? মেজাজ টাই চরে যাচ্ছে তার। খাতা আর বইটি নিয়ে নিউটন চলল আপেল গাছের তলায়। তার মেজাজ যখন বিগড়ে যায় তখনই সে আপেল গাছের নিচে চলে যায়। তখন মনের মত করে কিছু পড়াশুনা করতে পারে সে। গাছের তলায় গিয়ে দেখলেন কতগুলো আপেল পড়ে আছে। ঠিক তখন চোখের সামনে একটি আপেল পড়ল তার সামনে। আপেলটা হাতে নিয়ে কি মনে করে যেন উপরের দিকে ছুড়ে মারলেন। স্বাভাবিক ভাবেই আপেলটি আবার মাটিতে পড়ে গেল। হ্যা পেয়ে গেছি পেয়ে গেছি। শরীর মন দুটোই যেন চরম ভাবে ঝাকি খেল তার। পৃথিবী অবশ্যই আকর্ষন করেছে এই আপেল টিকে। যার কারনে আপেলটি নিচে পড়েছে, আর তিনি মাটির উপর দাড়িয়ে আছেন। এর নাম সে দিল অভিকর্ষ। এখন গানিতিক ভাবে তা প্রমান করতে পারলেই হল।

নিউটনের অভিকর্ষ মহাকর্ষ আবিষ্কারের মুহুর্তটুকু।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×