শিরোনাম দেখে অনেকে লেখাটি ১৮+ বলতে পারেন।কিন্তু সমাজের চিএ দেখে এরকম শিরোনাম না দিয়ে পারলাম না।কথায় আছে আপনি যদি ময়লা পরিষ্কার করতে যান ,তাহলে আপনার হাতে ময়লা লাগবে।তেমনি সমাজের যখন কোন চুলকানি মাকা ইস্যু নিয়ে ক্থা বলতে যাবেন তখন হয়ত কিছু রূঢ় কথা বলতে যা হয়ত আপনি না বলে পারছেন না।(যাদের চুল্কানি আছে তারা না পড়াই ভাল)।
লেখাটির চিন্তা মুলত মাথায় আসে আজ নিউ মাকেটে জুতা কিনতে যাওয়ার পর।আমাদের বাংলার মেয়েরা আজ আর পিছিয়ে নেই।তারাও পশ্চিমাদের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।পশ্চিমাদের পুরোপুরি নকল করার কাজটি আমরা অত্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করছি।এজন্য আমরা কিছুটা বাহবা পাওয়ার অধিকার রাখি।(মারহাবা মারহাবা)।লিখতে লিখতে একটা কবিতা মাথায় এসে গেল-
“ না না না বলোনা আর বাঙ্গালী ললনা
শিলা কি জাওয়ানি দেখে আমি এখন ক্যাটরিনা
না না না বলোনা আর বাঙ্গালী বালিকা
দাম মারো দাম দেখে আমি এখন দিপীকা।
না না না বলোনা আর বাঙ্গালী অবলা
ইংলিশ মুভি দেখে দেখে আমি এখন পামেলা।।
তাদের নকল করতে গিয়ে বাংলার কন্যারা সুন্দরী হওয়ার জন্য পার্লারে ভিড় জমায়।চট্টগ্রামে আমাদের বাসার রোডেই ৩ টি পার্লার আছে।রাস্তায় হাঁটছে আর মনে হয় এ কথায় অব্যক্ত ভাষায় বলতে চায়-
আমি সুন্দরী আমার দিকে তাকাও না ক্যান??????
আস্তে আস্তে সৌন্দযের কৌটায় ভাটা পড়েছে।আর কত কত ??ক্যাট,কারিনাদের দেখতে দেখতে কিংবা বাংলার মম,মীম,বিন্দু দের দেখে বুঝেছে শুধু রুপ দিয়ে হবে না।পাবলিক আরো কিছু চায়।পাবলিককে আকষণের জন্য কি করতে হবে ?আবে তুমি কি দেখও না নাকি?দেখনা ওখানে কি রকম জামাকাপড় ,শাড়ি পড়ে?
ওওও।তাহলে তো আমার ও ওরকম পড়া উচিত।হুউউউউউউউ
বাহ বাহ কিভাবে মুলাটা দেখিয়ে আমাদের বোনদের ঘোড়া বানিয়ে হাঁটাচ্ছে।ও সরি ঘোড়া না ঘোটকী।
বোনেরা তোমরা কি জানো তোমরা যখন রাস্তা দিয়ে হাঁট আমাদের yoyo যুবকরা কি কমেন্ট করে?না বলে পারছি না তারা তখন সব্জি আর ফল বিক্রেতা হয়ে যায়।পেয়ারা,আপেল,নারকেল,কুমড়া…………।।
কেন তাদের সব্জি আর ফল বিক্রেতা হওয়ার চান্স দাও??তার মানে এই নয় আমি তাদের কাজকে সমর্থন করছি?
তবে তাদের এ কাজে তোমাদের অবদানটুকু just বললাম
শুধু কি পোশাক পড়লেই হবে ?ক্যাট ওয়াক দিলেইতো তা পূর্ণতা পাবে।
যেন রাস্তায় হেঁটে এই সংবাদ দেয়………
-- আমি একটি S..Y আমার দিকে তাকাও না ক্যান?
হে বোনেরা তোমরা কি জানো art & culture নামে তোমাদের এ রকম ড্রেস পড়িয়ে রাস্তায় নামিয়ে শত শত বিলিয়ন ডলার কামিয়ে নিচ্ছে fashion house গুলো।
১৯৮৮ সালে টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত তথ্য অনুযাযী়, যুক্তরাজ্যের বিউটি ইন্ডাস্ট্রিগুলো প্রতিবছর ৮.৯ বিলিয়ন পাউন্ড মুনাফা অর্জন করে থাকে। আর, সমস্ত বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিগুলো বছরে অর্জন করে মাত্র ১.৫ হাজার বিলিয়ন ডলারের মুনাফা।
১৯১০ সালের দিকে ইন্টারন্যাশনাল সিগারেট কোম্পানী গুলো চিন্তা করল যদি মেয়েদের সিগারেট ধরানো যায় তাহলে সিগারেট বিক্রী দিগুন বেড়ে যাবে।তাই তারা এটি মিডিয়াতে জোড়ের সাথে প্রচার শুরু করল ।ফলাফল অচিরেই সিগারেট বিক্রী বেড়ে গেল।আজ ফ্যাশন হাউসগুলো তোমাদের নিয়ে খেলছে।সাবধান!! তোমাদের বানর বানিয়ে খেলছে।
আর কত ঘোটকী আর বানর হয়ে থাকবে।সম্মানিত হয়ে জন্মেছ সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকো।।
আমার এ লেখা পড়ে হয়তো অনেক চুশীল রেগে কমেন্টের বন্যায় ভাসিয়ে দেবেন।কিন্তু ভায়েরা চক্ষু বন্ধ করে রাখলেই কি বাস্তবতা মুছে দেয়া যাবে??????এ সকল কাকারু চিন্তা বাদ দেন।।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


