বাকৃবিতে ছাত্রলীগের দুগ্র'পের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ : এক শিশু নিহত
আজকের তাজা খবর: রাজধানীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ
সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ৪ বছর পূর্তি হল। সরকারের চার বছর পূর্তি অনুষ্ঠান ঢালাও ভাবেই পালন করেছে আওয়ামী লীগ। গণমাধ্যমগুলোতেও বর্তমান সরকারের ৪ বছরের সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেছেন সুচারুভাবে । আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। পুনরায় ক্ষমতায় আসার জন্য জনগনের কাছে সুযোগও চেয়েছেন। দিয়েছেন নতুন কিছু আশ্বাসও । যদিও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এখনো পুরণ করতে পারেননি পুরোপুরি ভাবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরু করে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার কারণে বেশ সুমান কুড়িয়েছেন তেমনি দলের বিভিন্ন কর্তাব্যক্তিদের বেশ কিছু কাজ ও দুর্নীতির জন্য দায়ভার নিতে হয়েছে আওয়ামী লীগকেই। তারই রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে এসেছে আওয়ামী লীগ। সরকারের শেষ সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, রাশিয়ার সাথে সামরিক চুক্তি এবং নিজ দলীয় এমপি গিয়াসের বক্তব্যের ঝড় বইছে মানুষের মাঝে। সমালোচনা ও তর্কে বাতাসের কানও ভারী হয়ে যাচ্ছে।
পিস্তল গিয়াস। আওয়ামী লীগের এমপি। গণমাধ্যম এবং মানুষের মুখে একটি জনপ্রিয় নাম বটে! অবশ্য পিস্তল গিয়াস নামটা গণমাধ্যমেরই সৃষ্টি। আকিকা করে নাম রাখা হয়নি। নিজ কর্মের গুণে ক্যাপ্টেন (অব
সম্প্রতি “মন্ত্রীর দপ্তরে গুলির হুমকি সাংসদ গিয়াসের” এই রকম রসালো হেড লাইনে সরব ছিল গণমাধ্যম গুলো। এমন কি মেজর জিয়ার হত্যাকারী বলেও নিজে স্বীকার করেছেন, এই তাজা খবরে এখন তোলপাড় গোটা দেশ। উল্লেখ্য এর আগেও নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনগণকে গুলি করার জন্য পিস্তল তাক করে সবার নজর কেড়েছেন গিয়াস উদ্দিন। সেই থেকে আলোচনার তুঙ্গে। আর পিস্তল গিয়াসের সূচনাও সেই দিন থেকেই!
পিস্তল গিয়াসের একের পর এক জন্মদেয়া ঘটনা যেন হাতছাড়া করতে নারাজ প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, এতদিন জিয়াউর রহমানের খুনিকে খুজে পাওয়া যায়নি। এখন জিয়াউর রহমানের খুনি জন সম্মুখে। আত্মস্বীকৃত এই খুনিকে গ্রেপ্তার ও বিচারের কাঠগড়ার দাড়করানোর দাবি জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনেরও হুমকি দিয়েছেন। গিয়াস উদ্দিনের কারণে আওয়ামী লীগ আছে বিপদেই। দুই দুইটা ঘটনার পরও আছেন বহাল তবিয়তে! সরকার বা দলের পক্ষ থেকে এর কোন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। পিস্তল গিয়াসে বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ নিবে তা এখন দেখার বিষয়।
পিস্তল গিয়াস নিজেই বিরোধী দলকে আন্দোলন চাঙ্গা করতে সবুজ সংকেত দিলেন। পিস্তল গিয়াস যে, কঠিন ঝড় তুলেছেন তা অকপটেই স্বীকার করতে হবে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা কর্মী ঠাট্টা করে বলেন, পাগল গিয়াস! ময়নসিংহের পাগলা থানায় বাড়ি হওয়ায় পাগলামী তাকে আছড় করছে এমন কথাও বলেন অনেক প্রবীণ নেতা। তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় কথিত আছে, ৫০ টাকা পর্যন্ত ঘুস খান পিস্তল গিয়াস। তারই হয়ত প্রমাণ মিলল সচিবালয়ে! প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ডিও লেটারের ফটোকপির জন্য গুলি করার হুমকি দেন তিনি। সাংবাদিকরা তার কাছে এর সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কি পাগল? মন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে গুলি করার হুমকি দেব?
আসলে পাগলেই পাগলামী করে। এটাই স্বাভাবিক। তবে পাগলের চিকিৎসা পাগলাগারদেই করানো উচিৎ জাতীয় সংসদে নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




