কিংবা হাত পাখা, না না পাখার হাতল
পাখার চাকাওতো হতো
তবে আমার ভালো লাগে
ন্যাংটা শৈশবের লাঠির আঘাতে
কাচা রাস্তায় ঘুরতে...
আমার মজবুত উরু
ধরে রাখি গেরস্তের ঘর
চনের চালা, নাহয় লড়া বেড়া উগি
গরুবাঁধা খুঁটি কিংবা মুগুর
বর্ষায় বর্শা আমি প্যানেল, আনতা, কোঁচ
আমি মাঝির হাতের লগি হতে চাই
আহা কি ভাটিয়ালি সুর
আমি তার সীমানার চিহ্ন
কাকাতুয়া জরাজীর্ণ
ক্ষেতে পাখি বসা সরুকঞ্চি
টোঁটা আমি, ফলে ফসলে চুম্বন
টেঁটা আমি মাছাহারি
শেষঘর, শবঘর
লাঠিয়াল হাতে লাঠি
রাখাল হাতে বাঁশি
দাঁড়টানা বালকের কাঁধঠেসে বসে
গানশোনা বাঁশ কঞ্চি
বৃদ্ধের ভর বয়ে যাওয়ার শক্তি
তার ভরসা হবার ভার
কাঁধে নিতে চাই
তিতুমীর আমারে করে দিলো বীর
যুগ যুগ বাঁচে বাঁশের কেল্লা
সাঁকো আমি এপারে ওপারে জোড়
ভার বয়ে যাই কুমুরের কাঁধে
তার আগ্নিকুন্ডে আমার শেকড়
বড়শী হয়ে কিশরীর হাতে
আহা! এত মায়া!
স্যারের হাতের তেজী ঘাত
শিশুর গণনা কাঠি
পাহাড়ী ছড়ায় মিতালি ভেলা
শখের মোড়ার কাঠি
দেবা আর পার্বতী জুড়ে
আমি আছি, আমি আছি
আমি এখনো আছি
তোমাদের শোকেস জুড়ে
আমি এখনো আছি
তোমাদের জীবনে, কবরে
আমাকে সমূলে কেন এনেছো তোমরা বাজারে
আমাকে হেলায় ফেলে দিচ্ছ তোমরা বাগারে
আমাকে নাশিলে যত তত কি দিয়োছো আদর
আমিই আপন তোমার, আমাকেই করলে তুমি পর
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



