বাংলাদেশ সম্পর্কে মনমোহনের একটি মন্তব্য এখন ব্যপক আলোচনার বিষেয় পরিনত হয়েছ। যা সকলে জানা , তাই পুনরাবৃত্তি না করেই লিখছি,
মনমোহনের এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে ভারতের কূটনৈতিক মহলে।
যেমন সাবেক ভারতীয় হাই কমিশনার বীণা সিক্রি মনে করেন, কোনো দেশের মানুষকেই 'এভাবে' চিহ্নিত করা যায় না।
ওই পরিসংখ্যান মনমোহন কোথায় পেলেন- তা নিয়েও বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন বীণা সিক্রি।
আমার কথা হল"
মনমোহন সিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী । এবং তিনি না জেনে কোন কথা বলবেন এমনটি আমি অন্তত মনে করি না ।
তবে তার কথার সাথে আরো একটি বিষয় যোগ করেত চাই তা হল, শুধু মাত্র জামাতের ২৫ ভাগ নয় ভারত সম্পের্ক বাংলাদেশের মানুষের বিদ্বেষের পরিমান আরো অনেক বেশী।
পরিমানটা কোন কোন সময় ৮০ ভাগে গিয়েও দাড়াতে পারে। তবে সর্বনিম্ন ৩০ ভাগ এর নিচে না।
এর কারন অবশ্য যৌক্তিক কারন ও আছে। যেমন ভারত বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে দেয়া কথা রাখে না।
যেমন সিডরের সময় ভারত চাল দেয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রাখে নি। গঙ্গার পানি চুক্তি না মানার কারনে বাংলাদেশ মরুভূমিতে পরিনত হওয়ার উপক্রম, তিন বিঘা করিডোরেরর বিষয়টি, সমূদ্রের ব্লক নিয়ে বিরোধ, দক্ষিনতালপট্টি নিয়ে ঝামেলা, সীমান্তে পেলানীর মত অসংখ্য মানুষকে পাখির মত গুলি করে হত্যা সহ হাজারো কারন বাংলাদেশকে ভারত বিদ্বেশী হতে বাধ্য করেছে।
আর আজ যারা, মনমোহনের কথার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করছেন সেই , সেই বীনা সিক্রিরা কিন্তু নিজেদের গা বাচাঁনোর জন্যই করছে।
প্রশ্ন উঠতে পারে তা কেমনে হবে। বরং তারা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কে এই পজেটিভ ধারনার কথা বলছেন।
কিন্তু বিষয়টি ততটা হালকা নয়।
দেখুন আমি তাদের কথা গা বাচানো বলছি এই জন্য যে ,
কোন দেশ যখন বিদেশে কূটনীতিক নিয়োগ দেয় তখন তাদের টার্গেট থাকে , এর মাধ্যমে ঐ দেশে নিজের দেশ সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারনা তৈরি করা। তারা কিন্তু সেটি করতে সক্ষম হয় নি। আর এটার জন্য দায়ী এ যাবত কালে যারা বাংলাদেশে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার মানে ঐ বীনা সিক্রিদের উপরই দায় বর্তায়। ফলে তারা তো মনমোহনের কথার সাথে দ্বিমত করবেনই।
অথচ দেখুন , বৃটিশ কাইন্সিল বলতে আমরা বুঝি এমন একটি স্থানকে, যেখানে রয়েছে শিক্ষার জন্য অবারিত সুযোগ সুবিধা। গবেষনার জন্য উন্মুক্ত স্থান,। আর পুরো বিশ্বের জন্য তারা কি না করছেন। যার কারনে আমাদের কাছে তাদের মর্যদাও উপরে। এটা সম্ভব হয়েছ তাদের কূনীতিকদের কর্মকান্ড এবং বিদেশে দেশের সুনাম রক্ষার জন্য আন্তরিক সরকারী প্রচেষ্ট। অথচ তাদের কি এটি খুবই প্রয়োজন। না হলেই কি তারা চলতে পারে না। পারে। আর এর কারনেই তাদের সাম্রজ্যবাদী মনোভাবটা মানুষ ভুলে যায় ।
অথচ ভারতের আচারন এর ঠিকই বিপরীত। কারন তাদের কাছে বাংলাদেশের মানুষ যেন পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট। ফলে ভারত সম্পর্কে এদেশর মানুষের ধারনা পরিবর্তনের একটি কাজও কি দেখাতে পারবে ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



