somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুসলমানের পক্ষে তো কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর নির্দেশ বাদ দিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ জারি করা এবং তা পালন করা কোন মতেই সম্ভব নয় এবং তা কখনই জায়িয হবে না।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আল্লাহ পাক সুবহানাহু তায়ালা তিনি বলেন, আমি যা নাযিল করেছি তা পালন করো।
আল্লাহ পাক তিনি পর্দা ফরয করেছেন। কাজেই বান্দা-বান্দীদের উচিত পর্দা করা ও করানো।
বাংলাদেশে জনসংখ্যার কমপক্ষে ৯৫% মুসলমান আর বাকি ৫% হচ্ছে সমস্ত বিধর্মী মিলে যেমন হিন্দু ৩% থেকেও কম; খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও উপজাতি মিলে ২% থেকেও কম। এছাড়া অন্যান্য বিধর্মীরা যৎসামান্য রয়েছে। যেমন ইহুদী মাত্র ৭২ জন ইত্যাদি।
আশ্চর্যের বিষয়, ৯৫% মুসলমানের দেশে কোর্ট কি করে পর্দা বিরোধী রায় দিতে পারলো?
আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি করে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর বিরোধী কোর্টের রায়কে প্রাধান্য দিয়ে পরিপত্র জারি করে শরীয়ত, সংবিধান ও সরকারের বিরোধিতা করতে পারলো? অতএব, ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না’ এ প্রতিশ্রতিবদ্ধ সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং পর্দা বিরোধী উক্ত নির্দেশ বাতিল ঘোষণা করে সংশ্লিষ্টদের সম্পর্কে শরঈ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, আল্লাহ পাক তিনি পূর্ববর্তী নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি নাযিলকৃত তিনখানা কিতাব- তাওরাত শরীফ, যাবূর শরীফ, ইনজীল শরীফ এবং একশখানা ছহীফা শরীফ-এর হুকুম এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মানব রচিত সকল মতবাদের নিয়ম-নীতি বাতিল ঘোষণা করে উনার যিনি হাবীব, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হিদায়েত দানকারী, সতর্ককারী, সুসংবাদ দানকারী হিসেবে, দ্বীন ইসলাম দিয়ে, কুরআন শরীফ দিয়ে, হাদীছ শরীফ দিয়ে যমীনে পাঠিয়েছেন। কাজেই আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের পর উনার প্রতি নাযিলকৃত কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর হুকুম বা আদেশ-নিষেধের বিপরীত অন্য কোন বাতিল ধর্ম ও মতবাদের নিয়ম-নীতি বা আদেশ-নিষেধ গ্রহণ করা কোন মুসলমান বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য জায়িয নেই। তা সম্পূর্ণরূপে কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম ও মতবাদের নিয়ম-নীতি বা আদেশ-নিষেধ গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে কখনোই কবুল করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা আলে ইমরান : আয়াত শরীফ- ৮৫)
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মুসলমান বান্দা-বান্দী ও উম্মতকে যেখানে ইসলামের হুকুম বা আদেশ-নিষেধের বিপরীত অন্যসব বাতিল ধর্ম ও মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং পরকালে ভয়াবহ পরিণতির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে যে মুসলমান বান্দা-বান্দী ও উম্মত অন্য সব বাতিল ধর্ম ও মতবাদের নিয়ম-নীতি পালন করবে এবং তা অন্যকে পালনের ব্যাপারে আদেশ-নির্দেশ করবে তার পরিণতি কত কঠিন ও ভয়াবহ হবে- তা চিন্তা করতে হবে। এ বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, “আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন সে মুতাবিক যারা হুকুম বা আদেশ-নিষেধ করবে না তারা ফাসিক, যালিম ও কাফির।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বোরকা পরতে বাধ্য করা যাবে না এবং একই কারণে কোনো ছাত্রীকে নির্যাতন, হয়রানি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ না করার নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্রও জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে বোরকা কিংবা ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা এবং ছাত্রীদের খেলাধুলা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেয়া অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয় ওই পরিপত্রে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, পরিপত্রে আরো বলা হয়, ছাত্রীদের সুশিক্ষা ও মেধা বিকাশের জন্য বোরকা পরতে বাধ্য করা এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কাজকর্মে অংশগ্রহণে বাধা দেয়া কোনোক্রমেই কাম্য নয়। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানবাধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা জারি করা হলো। এই নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ড তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, সূরা নূরের ৩০ নম্বর আয়াত শরীফ-এর মধ্যে পুরুষদের ক্ষেত্রে পর্দার বিধান উল্লেখ করে আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মুসলমান পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেনো তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত আবরুকে হিফাজত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতার কারণ। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক জানেন, তারা যা করে।” একইভাবে মুসলমান মহিলাদের ব্যাপারে তিনি ইরশাদ করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি মুসলমান মহিলাদেরকে বলুন, তারা যেনো তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরুকে হিফাজত করে এবং তারা যেনো তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। প্রয়োজনে বাইরে বের হলে যেনো পরিপূর্ণরূপে পর্দা করে বের হয়।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় শতকরা পচাঁনব্বই ভাগ মুসলমানের এই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্দেশকে কি করে জারী করে পরিপত্র দিতে পারলো?
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মুসলমানের পক্ষে তো কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর নির্দেশ বাদ দিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ জারি করা এবং তা পালন করা কোন মতেই সম্ভব নয় এবং তা কখনই জায়িয হবে না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনায় সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে। আর বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারেরও প্রতিশ্রুতি হলো ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাশ হবে না।’ কাজেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় কথিত পরিপত্র জারি করে শরীয়ত, সংবিধান ও সরকার বিরোধী কাজ করেছে। তাই মুসলমানদের এই দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকারের উচিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অতিসত্বর বাতিল করে মুসলমানদের মুসমানিত্ব হিফাজতের উদ্দেশ্যে কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর হুকুম পর্দা পালনের নির্দেশ জারি ও বাস্তবায়ন করা। একইসাথে ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না’ এ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে পর্দা বিরোধী নির্দেশ ও পরিপত্র জারিকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে শরঈ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×