যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, ভারতীয় মুশরিকদের পণ্য ব্যবহারে মুসলমানদের সতর্ক থাকতে হবে।
কারণ তারা রুটি, বিস্কুট, চিপস, জেলি, জুস, ফুট পাউডার ও কোমল পানীয়সহ সকল প্রকার পণ্যেই নাপাক গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর ব্যবহার করছে। নাউযুবিল্লাহ!
এছাড়াও টুথপেস্টসহ সর্বপ্রকার ব্যবহার্য দ্রব্য সামগ্রীতেও তারা নাপাক গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর ব্যবহার করছে। নাউযুবিল্লাহ!
যা খাওয়া ও ব্যবহার করা মুসলমানদের জন্য শুধু সম্পূর্ণরূপে হারামই নয় বরং জাহান্নামী হওয়ারও কারণ বটে।
তাই ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশের সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি ও ধর্মীয় বিধি নিষেধ পালনে ও সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, ভারতীয় মুশরিকদের পণ্য ব্যবহারে মুসলমানদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ তারা রুটি, বিস্কুট, চিপস, জেলি, জুস, ফুট পাউডার ও কোমল পানীয়সহ সকল প্রকার পণ্যেই নাপাক গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর ব্যবহার করছে। নাউযুবিল্লাহ! এছাড়াও টুথপেস্টসহ সর্বপ্রকার ব্যবহার্য দ্রব্য সামগ্রীতেও তারা নাপাক গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর ব্যবহার করছে। নাউযুবিল্লাহ! যা খাওয়া ও ব্যবহার করা মুসলমানদের জন্য শুধু সম্পূর্ণরূপে হারামই নয় বরং জাহান্নামী হওয়ারও কারণ বটে। তাই ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশের সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি ও ধর্মীয় বিধি নিষেধ পালনে ও সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সম্প্রতি ভারতের সকল খাদ্যদ্রব্য ও কোমল পানীয়সহ সকল প্রকার দ্রব্য সামগ্রীতে গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর মিশ্রিত করার ঘোষণা দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, খবরে প্রকাশ- ভারতের হরিদ্বারে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের রাষ্ট্রীয় সেবক সংস্থার এক মুখপাত্র বলেছে যে, “শিগগিরই গো-মূত্র ভারতীয় সমাজ ও অর্থ ব্যবস্থায় একটি বিপ্লব সাধন করবে। (নাপাক) গো-মূত্র থেকে প্রস্তুত ওষুধপত্র স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেই শুধু বিপ্লব সাধন করবে না, কোমল পানীয়ের ক্ষেত্রেও দেশটিতে বিরাট একটি পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।” নাউযুবিল্লাহ!! ভারতের রাষ্ট্রীয় সেবক সংস্থার ওই মুখপাত্র আরও জানিয়েছে, “সম্প্রতি (নাপাক) গো-মূত্রকে অন্যতম উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে কোকাকোলার মতো একটি পানীয় তৈরির জন্যও তারা একটি ফর্মুলা তৈরি করেছে এবং তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার জন্য লক্ষেèৗতে একটি পরীক্ষাগারে প্রেরণ করেছে। এনার্জি ড্রিংক হিসেবে তারা এর গুরুত্ব ও উপকারিতাও ব্যাখ্যা করে। তার প্রত্যাশা হচ্ছে বোতল ও টিনে নাপাক গো-মূত্র দ্বারা তৈরি কোমল পানীয় বাজারে আসতে শুরু করবে অতিশীঘ্রই।” নাউযুবিল্লাহ! সে গর্ব করে আরও বলেছে যে, ইতোমধ্যে ভারতবর্ষে বিস্কুট তৈরি থেকে শুরু করে গায়ে মাখার সাবান এবং টুথপেস্ট তৈরি পর্যন্ত সর্বত্র গো-মূত্র বিশেষ করে ষাঁড়ের মূত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। এর চাহিদা এবং ব্যবহারও বাড়ছে। তরল পানীয় বাজারে বের হলে গো-মূত্রকে শিল্প পণ্যের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বিপ্লব সাধিত হবে বলে ভারতীয় মুশরিক জঙ্গি যবন, ম্লেচ্ছ অ¯পৃশ্যরা আশা প্রকাশ করে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, তাদের দেয়া এই তথ্যকে আমরা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করি। কারণ এই উদ্বেগ ভারতের মুসলমানসহ ভারত থেকে পণ্য আমদানিকারক মুসলিম দেশসমূহের কোটি কোটি মুসলমানদের হালাল-হারাম অনুভূতি ও বিশ্বাসকে ঘিরে। তাছাড়া নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবেও আমাদের এ ব্যাপারে একটা অতিরিক্ত উদ্বেগ রয়েছে। কেননা ইসলামী শরীয়তের ফতওয়া মুতাবিক গো-মূত্র নাপাক ও হারাম এবং নাপাক ও হারাম বস্তু দিয়ে তৈরি বস্তুও নাপাক ও হারাম। বাংলাদেশে অন্যদেশের পণ্য অবৈধভাবে প্রবেশকারী দেশসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ ভারত। সরকারিভাবে আমরা এই দেশটি থেকে যত পণ্য আমদানি করি তার থেকে বেশি অবৈধভাবে প্রবেশ করানো হয় বেসরকারি তথা চোরাচালানের মাধ্যমে। নাউযুবিল্লাহ! যার ফলে নাপাক গো-মূত্র, গোবর দিয়ে তৈরি রুটি, বিস্কুট, চিপস, জেলী, জুস, ফুট পাউডারসহ অন্যান্য পণ্য এ ছাড়া টুথপেস্টসহ সর্বপ্রকার ব্যবহার্য দ্রব্য সামগ্রীও অতি সহজে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করে এবং সাধারণ মানুষ না জেনেই এই হারাম পণ্যগুলো খায় ও ব্যবহার করে। যা মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগী বিনষ্ট হওয়ার কারণ হয়ে থাকে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “হে মানুষেরা! তোমরা যমীনে যা হালাল ও পবিত্র তা থেকে খাও আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না। নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।”
আর হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “ওই দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম ও অপবিত্র গেজা বা খাদ্য দ্বারা তৈরি হয়েছে।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, মুশরিকগুলো মুসলমানদের চির শত্রু। তারা চায় ছলে-বলে-কৌশলে মুসলমানদেরকে জাহান্নামী করতে। যেহেতু তারা জানে যে, মুসলমানদের ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে- হালাল ও পবিত্র গেজা বা খাদ্য। হারাম ও নাপাক খাদ্য জাহান্নামী হওয়ার কারণ। তাই তারা খাদ্যদ্রব্যে সুকৌশলে হারাম ও নাপাক যেমন অ্যালকোহল বা মদ, শূকরের চর্বি, গো-চনা, গোবর ইত্যাদি মিশ্রিত করে মুসলমান দেশে রফতানি করে। যাতে মুসলমানগণ সেগুলো খেয়ে তাদের ঈমানী কুওওয়াত ও রূহানীয়ত নষ্ট হয়ে যায়। ইবাদত-বন্দেগী, দোয়া কবুল না হয় এবং জাহান্নামী হয়। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, মূলকথা হলো- যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, ভারতীয় মুশরিকদের পণ্য ব্যবহারে মুসলমানদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ তারা রুটি, বিস্কুট, চিপস, জেলি, জুস, ফুট পাউডার ও কোমল পানীয়সহ সকল প্রকার পণ্যেই নাপাক গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর ব্যবহার করছে। নাউযুবিল্লাহ! এছাড়াও টুথপেস্টসহ সর্বপ্রকার ব্যবহার্য দ্রব্য সামগ্রীতেও তারা নাপাক গো-মূত্র বা চনা এবং গোবর ব্যবহার করছে। নাউযুবিল্লাহ! যা খাওয়া ও ব্যবহার করা মুসলমানদের জন্য শুধু সম্পূর্ণরূপে হারামই নয় বরং জাহান্নামী হওয়ারও কারণ বটে। তাই ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশের সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি ও ধর্মীয় বিধি নিষেধ পালনে ও সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০১১ রাত ১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



