সামাজিক মূল্যবোধ দেশে নেই বললেই চলে। তা না হলে কি কেউ একসাথে একাধিক প্রেম করতে যায়?? এবার একসাথে ডাবল প্রেম মানে দুইজনের সাথে একসাথে প্রেম করতে গিয়ে জীবন দিয়ে তাঁর প্রাশচিত্ত করতে হলো বরিশাল মমতাজ মজিদুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সোনিয়াকে। একই সময়ে দুজনের সাথে প্রেম করার কথা প্রকাশ হয়ে গেলে দুজন প্রেমিক যুক্তি করে ধর্ষণ করার প্লান করে।ধর্ষণের পর দুই প্রেমিক [বরিশালের বাজার রোডের হক মিষ্টান্ন ভান্ডারের কর্মচারী বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ভুতেরদিয়া গ্রামের হোসেন আলী হাওলাদারের ছেলে রাশেদ হাওলাদার (২২) ও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরকলমি গ্রামের মৃত রত্তন চৌকিদারের ছেলে শাহিন ওরফে হারুন (২৫)] মিলে প্রেমিকাকে গলা টিপে হত্যা করে।
শাহীন জানান, তারা সবাই নগরীর ৬নং ওয়ার্ড আলীর গলি এলাকার বাসিন্দা। সোনিয়া একই সঙ্গে তার (শাহিন) ও রাশেদের সঙ্গে প্রেম করতো। পরে তা ফাঁস হয়ে যায়। বুধবার রাত সোয়া ৮টায় তিনি সোনিয়াকে মোবাইল ফোনে ডাকে। তার ডাকে সারা দিয়ে সোনিয়া ঘর থেকে বের হয়। এসময় তিনি সোনিয়াকে নিজ বাসায় নিয়ে যান। এর কিছু সময় পরে সেখানে উপস্থিত হন রাশেদ।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাশেদ প্রথমে সোনিয়াকে ধর্ষণ করে। এর পর ধর্ষণ করে শাহিন। এ ঘটনায় সোনিয়া তাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করার হুমকি দেয়। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ সোনিয়াকে বিছানায় ফেলে দিয়ে তার গলা টিপে ধরে। আর শাহিন মুখে বালিশ চেপে ধরে সোনিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
আজ অভিযুক্ত দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
দেশটা যে কোন দিকে যাচ্ছে তা আল্লাহ ভালো জানে।এক জন নিয়ে শান্তি হয় না, দুজন লাগে। আর এমন পাপের কাজের প্রাশচিত্ত করতে হলো সোনিয়াকে প্রাণ দিয়ে। ঢাকা শহরের মেয়েরা তো আজকাল মালটি রিলেশান এর দিকে ঝুকে পড়ছে। আজ একজনের সাথে বাইকে, কাল আরেকজনের সাথে গাড়িতে বাহু বন্দি হওয়া। পরশু ফেসবুকে নতুন মক্কেলের আমদানি। অনেক মেয়ের মাঝে আছে ছেলেদের ঘুরানোর মতলব। কারো আছে ছেলেদের পকেট কাটার মতলব।কেউ বা নিছক ফান করার জন্য জড়িয়ে যাচ্ছে একাধিক সম্পর্কে। অনেক মেয়ে এটাকে ছেলে খেলা ভেবে বা টাইম পাস করার মাধ্যম ভাবে। কিন্তু এর মাঝেও যে খুব খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারে তা ভাবে এমন মেয়ে আছে কয়জন??সোনিয়ার কাছ থেকে শিখুন। এ থেকে শিক্ষা নেন।
আর ছেলেরা?? ওরাও যে খুব সাধু তা কিন্তু নয়। ওরা এলাকায় প্রেম করে একজনের সাথে আর ঢাকাতে কয়েকজনের সাথে।আমার এক বন্ধু এ আই ইউ বি তে পরে। এরই মধ্যে ভার্সিটির ২ জন আর ওর এলাকা রংপুরে একজন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। হয়তো ও এদের কাউকেই বিয়ে করবে না ,আর ওই মেয়ে গুলো ও বসে থাকবে না। ওরা আমার আপনার ঘরেই বউ হয়ে আসবে। আমাদের প্রতারিত করে যাবে সারাজীবন। হয়তো সেই মেয়েটিও মনে মনে অনেক কষ্ট পাবে কিন্তু সমাজের ভয়ে, সংসার ভাঙ্গার ভয়ে সত্য চেপে যাবে সারাজীবন। সবচেয়ে অবাক লাগে এখনকার ছেলে মেয়েরা বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করাটাকে এক ধরনের স্মার্টনেস মনে করে। অনেক মেয়ে বিশ্বাস করে বা আবেগের অতিসাহ্যে নিজেকে বিলিন করে দেয় তাঁর কাঙ্ক্ষিত পুরুষের মাঝে। ভাবে না এর ফলাফল কি হতে পারে। কিন্তু এটাই কি জীবন??
কেউ কেউ বেশী বুঝা পাবলিক আছে যাদের ডায়ালগ হল,লাইফটা ইনজয় কর মামা।পৃথিবীতে বল বাঁচবি কদিন?? সময়টা যে বড় অল্প। এইসব পোলাপাইনের বাইক চেঞ্জ আর গার্ল ফ্রেন্ড চেঞ্জ করা যেন নেশা। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো বন্ধু মহলে এসে গর্বের সাথে বলে, “আজ অমুক কে খেয়ে ছাইড়া দিছি মামা। নতুন একটা ধরলাম। দোয়া করিস।“ আজীব এই বাজে কাজে দোয়া ছাইতে লজ্জা লাগে না?? আপুদের বলবো এইসব ছেলেদের থেকে দূরে থাকুন। বিয়ের পর জামাইয়ের সাথে অনেক মজা করতে পারবেন। এখন এগুলো ছাড়েন। নিজে শুদ্ধ থাকেন, সমাজকে শুদ্ধ রাখেন। পরিবারকে লজ্জা দিবেন না প্লিজ।
আর ভাইয়ারা-পরকালের একটু ভয় করেন। একজন ছেলের জীবনে কয়টা মেয়ে লাগে?? ফেসবুকে মেয়ে দেখলেই শুধু রিকোয়েস্ট পাঠান। সামনে মেয়ে দেখলে শিষ দিয়ে বা বাজে কথা বলে আকর্ষণ নেবার চেষ্টা করেন।চেষ্টা থাকে কিভাবে মেয়েটার সেল ফোন নাম্বারটা নেওয়া যায়। এভাবে আর কতদিন?? নিজেকে বদলান। নিজের রুচিবোধ বদলান। অনেক ভালো থাকবেন
বিদ্রঃ এখানে ছেলে ও মেয়ে বলতে কিছু মানসিক বিকারগ্রস্ত মেয়ের কথা বলা হয়জায়।এই লেখার বিষয় বস্তু বেশীর ভাগ টিন এজারদের নিয়ে।হয়তো মানুষ বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেক চেঞ্জ হয়। এখনো দেশে অনেক ভালো ভালো ছেলে আছে যাদের কারণে এখনো মা বোনেরা বাহিরে বের হতে পারে। অনেক ভালো মেয়ে আছে যারা ইসলামিক বিধি বিধান মেনে চলে। তাদেরকে উদ্দেশ্য করে আমার এই লেখা না। এই লেখা তাদের জন্য যারা এই লেখা পড়ার পর পিত্তি জলে যাবে। কথায় আছে না-মাটিতে বাড়ি দিলে অপরাধী চেইতা উঠে। হয়তো তারা আমার চোদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে ছাড়ছে।হয়তো সামনে পেলে ডাকাত সাজিয়ে গন ধোলাই ও দিয়ে দিবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

