আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

সাংবাদিক জীবন: তিনি যেভাবে নির্বাচনী চান্দা দিচ্ছিলেন......

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

শেয়ারঃ
0 1 0

যার সামনে বসে ছিলাম তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী। অঢেল টাকা। এখন ব্যবসায়ীদের একজন শীর্ষ নেতা। বেশ পরিচিত মুখ।
উদ্দেশ্য একটা সাক্ষাৎকার নেওয়া। সেই কাজটিই করছিলাম। কিন্তু একটানা করা যাচ্ছে না। একের পর এক ফোন। ফলে বার বার আমার রেকর্ডার বন্ধ করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে নিচ্ছি নোট।
প্রথম ফোন: রিং বাজতেই বিরক্তি নিয়ে ফোন ধরলেন তিনি। ওপাশের ব্যক্তিটিকে জানিয়ে দিলেন যে কাল সকাল ১০টায় এসে যেন চেকটা নিয়ে যান।
ফোন রেখেই আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ইলেকশন চান্দা। সাথে সাথে আমার সাংবাদিক মন সজাগ হয়ে পরলো। জানতে চাইলাম কতো?
-৩ লাখ টাকা।
মনে হলো মাত্র তিন লাখ টাকা। বলেই ফেললাম, এতো কম দিয়ে পার পেলেন।
হাসলেন তিনি। বললেন, এ তো একজন। এরকম আরো অনেক আছে।
-কয়জন?
২৫-৩০ তো হবেই।

দ্বিতীয় ফোন: রিং হতেই নাম্বারটা দেখে ধরলেন। ধরেই দেখি চরম বিরক্ত। আবার সেই একই ধরণের আলাপ। পরেরদিন সকালে অফিসে আসতে বললেন।
ফোন রেখে বললেন-এখন নাম্বার দেখে ফোন ধরি। এইটা অচেনা নাম্বার ছিল। তিনিও জানেন যে তার নাম্বার দেখলে ধরবো না। তাই অন্য নাম্বার দিয়ে ফোন করেছে।
জানলাম তিনি একটা দলের নেতা। একসময় গৃহপালিত বিরোধী দলের নেতা হিসেবে বেশ নাম করেছিলেন।
জানতে চাইলাম কত দিবেন? উত্তর-৫ লাখ তো দিতেই হবে।

এইবার আসল সাক্ষাৎকার বাদ দিয়ে অন্য এক সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু করলাম। জানতে চাইলাম, এটা তো দিচ্ছেন প্রার্থীদের, যারা আপনাকে চেনে, আপনার সাথে পরিচয় আছে এবং আপনার সাথে যাতায়তও আছে। দলকে দিতে হয় কতো।
জানলাম যে, বড় দুই দলকেই দিতে হয়। অংকটা হচ্ছে ৫০ লাখের মতো। বুঝলাম তার নির্বাচনী চান্দা প্রায় ২ কোটি টাকা।
তারপর জানলাম আরেকটা তথ্য। তিনি বললেন, আগের দিন ফোন করেছিল একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট। তারও নাকি নির্বাচন করার অর্থ নাই। জিজ্ঞাস করলাম কত দিবেন?
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বলে কথা। তাকে তো আর ১০ লাখের কম দিতে পারি না। তাছাড়া নিজেই সরাসরি ফোন করেছিলেন।

আবার মূল সাক্ষাৎকারে চলে আসলাম।

এবার আমার লেখা পুরোনো একটা রিপোর্ট খুঁজে বের করলাম। ২০০৬ সালের ২ জানুয়ারি প্রথম আলোয় ছাপা হয়েছিল। খানিকটা প্রাসঙ্গিক বলেই এর অংশ বিশেষ এখানে তুলে দিলাম।


নির্বাচনী অর্থায়ন নিয়ে দাতারা উদ্বিগ্ন। তারা মনে করে, নির্বাচনী অর্থায়নে বাংলাদেশে বড় ধরণের অনিয়ম ঘটে এবং বাংলাদেশে যে উচ্চ মাত্রার দুর্নীতি রয়েছে তার সবচেয়ে বড় উৎসই এটি। দাতারা চায় নির্বাচনী ব্যয়ের সব তথ্য জনসম্মুখে প্রচার করার যে বিধান রয়েছে তা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হোক।
বিশ্বব্যাংক উন্নয়ন সহায়তা ঋণের (ডিএসসি-৩) যে দলিল প্রকাশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, তারা ছাড়াও সব দাতাই এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা আরো বলেছে, এ সংক্রান্ত আইন যাতে কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয় তা বিবেচনা করা হবে বলে সরকারও সম্মত হয়েছে।
ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের প্রধান ক্রিস্টিন আই ওয়ালিক গত আগস্টে এক লিখিত বক্তৃতায় এ বিষয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনী ব্যয় বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক। তার হিসেবে বিগত জাতীয় নির্বাচনে ২০ হাজার কোটি টাকা বা প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার রাজনৈতিক দলগুলো খরচ করে। যা বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ। এই হিসেব অনুযায়ী নির্বাচন ব্যয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের খরচ হয় ২১ ডলার করে। কিংবা নির্বাচন খরচ মেটাতে প্রতি বাংলাদেশীকে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হয়।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টরের মতে, নির্বাচনের এই বিপুল পরিমাণ অর্থ এসেছে মুলত দুর্নীতির মাধ্যমে। আর ভৌত অবকাঠামোর খাতই এক্ষেত্রে বড় হিসাবে বেছে নেওয়া হয়ে থাকে। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের কোনো প্রক্রিয়া না থাকায় দুর্নীতি, সরকারি ক্রয়ে দুর্নীতি এবং বিভিন্ন কাজে পৃষ্টপোষকতা (তদবির) দেওয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনের সম্পদ আসে।
এর আগেও বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের উন্নয়ন নীতি পর্যালোচেনা করে ২০০৩ সালে এক প্রতিবেদনে বলেছিল, নির্বাচনী ব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা থেকেই বাংলাদেশে দুর্নীতি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এখানে নির্বাচনে জিততে পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন হয় এবং নির্বাচন করার ব্যয় অনেক বেশি। মতাসীনরা মূলত এই খরচ তুলতেই তাদের সময় ব্যয় করে, আর যারা জিততে পারে না তাদের চেষ্টা থাকে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার। এ অবস্থায় বাংলাদেশে দুর্নীতি কমাতে চাইলে এই নির্বাচনী অর্থায়নের সমস্যার দিকে দৃষ্টি দিতেই হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্বাচনী তহবিল হচ্ছে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় দুষ্টচক্র। এখন দলে ঢোকার জন্য একবার, মনোনয়ন পেতে আরেকবার এবং নির্বাচনে জিততে আবার অর্থ ব্যয় করতে হয়। একজন প্রার্থী মূলত অর্থনৈতিক দালালি বা নিজের ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করেন। অর্থ সংগ্রহের প্রধান উৎস হিসেবে হয় তিনি ব্যাংকের অর্থ ফেরত দেন না বা সরকারি দরপত্র কুগিত করেন অথবা শেয়ারবাজারে জালিয়াতি করেন কিংবা বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট কোনো প্রকল্পে ভাগ বসান। সুতরাং বলা যায়, পুরো অর্থনীতিকেই এভাবে ব্যবহার করা হয় এবং অর্থনীতির দুষ্টচক্র হিসেবে এটা কাজ করে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলই হচ্ছে একমাত্র সংগঠন যাদের জবাবদিহিতার কোনো আইনগত কাঠামো নাই। এই রাজনৈতিক দলই এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনানুষ্ঠানিত খাতে পরিণত হয়েছে। তাদের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসেব নেই, হিসাবের কোনো নীরিক্ষা হয় না, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি না মানলে রিট করার কোনো বিধান নাই। এসবই দুর্নীতির সুযোগ বাড়িয়ে দেয়।

কার্টুন: আরিফুর রহমান। নেট থেকে নেওয়া।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অর্থনীতিনির্বাচন ও গালগল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অর্থনীতিআমার ডায়েরি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: বস, মিটুনদার "মিতা"-র তাইলে এই দশা...????
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: আমি কোনো নাম কই নাই।

২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
অরণ্য আনাম বলেছেন: আমি ভাই টেকার অভাবে ক্যামেরা কিনবার পারতাসি না... :(

হেরে কননা, আমারে একখান "চেক" দিবার? ;)
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: ইলেকশনে দাঁড়াইয়া যান, তারপর একটা ফোন দেন তারে :P

৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
মীতু বলেছেন: ভাইয়া ছবিটা দেখে খুব ভয় পেলাম । :(

বাংলাদেশের এই পরিনতি ভেবে আরও ভয় পেলাম । :(
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমানের কথা মনে আছে। এইটা তাঁর কার্টুন।

৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
কৌশিক বলেছেন: আনিসুল হক, ?, ?, আসম আব্দুর রব, এরশাদ .......
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: এরা কারা? নামগুলা শুনছি শুনছি মনে হচ্ছে

৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: কোন ব্যাপার না । আমার এক পার্টনার , বছরে ২০ লাখও কামায় না , এবছর সিলেটেই এখন পর্যন্ত ১৭ লাখ দিয়ে বসে আছে । ;)
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: আপনে ফোন পাইছেন কয়টা?

৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আজকে আপনার নেয়া সাক্ষাৎকারটা পড়েছি। আনিসুল হকর এত টাকা বিলানোর মতলবটা কি? তার অন্য কোন খায়েস আছে নাকী?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: সাক্ষাৎকারটা এখনো পড়তে পারি নাই

৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
সাদাসিধা বলেছেন: খারাপ লাগছে আ.র জন্য।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: তাগো অর্থের অভাব নাই

৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
স্টিংরে বলেছেন: তাহলে এইলোকের ইনকাম কতো?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: সে মনে হয় নিজেও জানে না

৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: সাক্ষাৎকারটা এখনো পড়তে পারি নাই.... ব্যাপক মজা পাইছি বস !!!
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: ;)

১০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
লীনা দিলরূবা বলেছেন: প্র. আর অর্থনীতি পাতার সম্মানিত সম্পাদক, আপনার পত্রিকার রিপোর্টারকে বলেন একটা রিপোর্ট দিক: আনিসুল হক বছরে কত টাকা ট্যাক্স দেয়?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: ব্যসসায়ীদের ট্যাক্স ফাইল দেখলে টাসকি খাইবেন

১১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
ইউনুস খান বলেছেন: এই লোক কি বৈধ উপায়ে কামায় করে এই টাকা গুলি সবাইকে দিছে?
অথবা,
নির্বাচনের শেষে এই লোক এই টাকা গুলো তুলবে কেমনে বৈধ/অবৈধ উপায়ে?

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: সেইটাই তো আসল প্রশ্ন?

১২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
শ্রাবণ সমুদ্র বলেছেন:
ভয় লাগছে বলতে, তবুও বলি আমার পরিচিত এক ব্যবসায়ী আজ দুপুরে একটি বড় দলকে ১ কোটি দিয়েছেন । গতকাল আরেকটি বড়দলকে দিয়েছেন ১ কোটি।
১৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
ফাহমিদুল হক বলেছেন: হুমম, ভয়াবহ চিত্র।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: ঠিক ফাহমিদ ভাই। আমি ২ ঘন্টা সামনে থেকে যেভাবে ফোন পাওয়া দেখলাম, তাতে পরিস্থিতি ভয়াবহই। তবে আমার মনে হয়েছে বেশিরভাগ প্রার্থীই পাওয়া সব অর্থ নির্বাচনে খরচ করেন না। এটাও আয়ের একটা বড় মাধ্যম।

১৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: @শওকত হোসেন মাসুম

:ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স ফাইল দেখলে টাসকি খাইবেন

মাসুম ভাই এ বিষয়ে একটা ঝাক্কাস কিছু উপহার দেন। পিলিজ।
১৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
মীতু বলেছেন: এখন কথা হচ্ছে ভাইয়া
রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় থাকা কালীন যে চাদাঁবাজি করে অর্থ উপার্জন করত তা কি কাজে লাগায় ? তা কি শুধু ব্যক্তিগত ভোগ বিলাস করে আর বিদেশের ব্যাংক বেলেন্স বাড়ায় ?

১৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
আনিসুল হকের জন্যে মায়াই লাগলো।
হয়তো যে আলু-পটল ব্যবসায়ী এক লাখ আয় করে, সেও দশহাজার দেয়, যে জাহাজভাঙার ব্যবসায়ী একশ কোটি আয় করে, সে তিনকোটি দেয়।

সবাই দেয়। সব পরিসরে বোধহয়।
দুঃখ।
১৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
মুহিব বলেছেন: চাদা কি বাধ্য হয়ে দিচ্ছেন নাকি এর বিনিময়ে তিনিও কিছু বাগিয়ে নিচ্ছেন?
১৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: এটাকে চান্দা বলতে নারাজ আমি। এইটা বিনিয়োগ।
আমি চান্দা দিমু - পাল্টা সুবিধা নিমু। সোজা হিসাব।
চান্দার টাকা উসুল করে নেয়া যায় সময়মতোই।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ