আমি এক সাথে কয়েকটি বই পড়া শুরু করি। মুডের উপর নির্ভর করছে কোনটা কখন পড়বো। নজরুলের বই অন্তস্থ: পৃথিবী, নির্মলেন্দু গুণের আত্মকথা ১৯৭১ আর পড়ছি ক্রাচের কর্ণেল। এর মধ্যে ক্রাচের কর্ণেলটাই এগিয়েছে অনেকদূর। শাহাদুজ্জামানের উপন্যাস। কর্ণেল তাহের এর মূল চরিত্র। এই ধরণের লেখা আমাকে বেশি টানে। প্রথম আলোর ঈদ সংখ্যাই পড়েছিলাম, তবে সেটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না। মুগ্ধ হয়ে পড়ছি। তবে উপন্যাসের মধ্যে লেখক যখন পুরোনো ইতিহাসটা লেখেন তার স্টাইলটা পছন্দ হলো না। মনে হচ্ছে ছোটদের ইতিহাস টাইপ লেখা।
কি দেখছি: মুভিও আমি দেখি একই ভাবে। এক সাথে একাধিক দেখা শুরু করি। মুড অনুযায়ী দেখি। তবে বেশি ভাল লাগলে টানা দেখে ফেলি। যেমন টানা দেখেছি দি রিডার, দি বয় ইন দ্য স্ট্রাইপড পাজামাস। এখন দেখছি ব্রাড পিটের কিউরিয়াস কেস অব বেঞ্জামিন বাটন। অনেকখানি দেখেছি। সত্যি কথা বলতে আমার খুব একটা ভাল লাগছে না। এই ধরনের গল্প আমাকে টানে না। একজনের উল্টো দিকের যাত্রার ছবি। জস্ম হয় বৃদ্ধ হিসাবে। তারপর বয়স উল্টো দিকে যেতে থাকে বেঞ্জামিনের।
দেখে শেষ করেছি Nights in Roadanthe. রিচার্ড গেরে আর ডায়ানা লেনের ছবি। কাছাকাছি সময়ে দুজন আমাকে ছবিটার কথা বললো। একজন নুশেরা আপা, আরেকজনের নাম নাইবা বললাম। প্রেমের ছবি। পরিণত বয়সের দুজনের একাকীত্ব আর প্রেম- এই ছবির বিষয়। অসাধারণ কিছু মুহূর্ত আছে ছবিটার মধ্যে। আমার দেখে ভাল লাগছে।যদিও সমালোচকরা একদমই পছন্দ করে নাই। সমুদ্র আর বাংলোটা দেখে খুবই লোভ লাগলো।
রোমান পোলনস্কি আমার পছন্দের পরিচালক। দেখলাম রোজমেরিজ বেবি। অতিপ্রাকৃত ঘটনার ছবি আমার পছন্দের না। তাও দেখলাম পরিচালকের কারণে। অসাধারণ এক পরিচালক। এ জাতীয় ঘটনা বিশ্বাস করি আর নাই করি-পরিচালনার গুণ আর অভিনয়ের কারণে এই ছবিকে কোনো ভাবেই অস্বীকার করা যাবে না। যারা মুভি পছন্দ করেন তাদের এই ছবি দেখা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। মাথা থেকে এই ছবি সহজে মুছবার নয়। শুনলাম এইটার নাকি রিমেক হচ্ছে।
বাংলা দেখলাম কালপুরুষ। মিঠুন আর রাহুল বোস। ছবিটা সবাইকে ভাবাবে। এটার কাহিনী বা এর ব্যাখ্যা দেওয়া সহজ না। একদমই ভিন্ন স্বাদের এক ছবি। ছবিটা ভাবাবে। আর মুগ্ধ সব শেষের গানটা।
নাক কামড়াই
কান কামাড়াই
কামড়ে দিলাম মন
তুমি আমার আঙ্গুরলতা
আমার ত্রিভুবন
কানের মধ্যে বেজেই চলছে গানটা……….
আর দেখলাম ওয়ান্স। এক বছর আগের ছবি। সমালোচকদের অত্যন্ত পছন্দের ছবি। গানের ছবি। প্রেমেরও ছবি। যে ধরণের রূপকথা টাইপ প্রেমের ছবি দেখে আমরা অভ্যস্থ, সেরকম না। দুই উঠতি শিল্পীর গান গাওয়া আর সম্পর্কের ছবি।
কেন জানি আজকাল মন খারাপ করার ছবি বেশি দেখা হচ্ছে।
কি শুনছি: সবাই যখন জয় হো তে মগ্ন, আমি তখন শুনছি একবছর আগের এক গান। ওয়ান্সের একটা গান। Falling Slowly । যতবার শুনি ততবারই মনে হয় আরেকবার হয়ে যাক। গতবার সেরা গানের অস্কার পেয়েছিল এটি।
I don’t know you
But I want you
All the more for that
Words fall through me
And always fool me
And I can’t react
And games that never amount
To more than they’re meant
Will play themselves out
Take this sinking boat and point it home
We’ve still got time
Raise your hopeful voice you have a choice
You’ll make it now
Falling slowly, eyes that know me
And I can’t go back
Moods that take me and erase me
And I’m painted black
You have suffered enough
And warred with yourself
It’s time that you won
Take this sinking boat and point it home
We’ve still got time
Raise your hopeful voice you had a choice
You’ve made it now
Falling slowly sing your melody
I’ll sing along
Glen Hansard I Marketa Irglová এর শিল্পী। ছবিটাতেও দুজন ছিলো।
গানটা পাওয়া যাবে এখানে………..
Click This Link
আর শুনছি মনপুরার গান। অল্প বয়সে পিরিতি করিয়া হইলো জীবনের শেষ…….জ্বীনা, কৃঞ্চকলি আর চন্দনার গলায় না। আমার ছেলে আমাকে প্রতিদিন শুনায় এইটা। আগামি ২০ এপ্রিল ওর তিন বছর হবে। ও দুইটা গান জানে। এইটা আর খায়রুন লো…….
শুনাতে বললে দিনের বেলায় শুনায় খায়রুন লো…..। আর ঘুমানোর আগে মনপুরা। একদম রুটিন করা।
কি ভাবছি: তার কথা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


