আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

বিশ্বমন্দার কবলে বাংলাদেশও

২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

শেয়ারঃ
0 2 0

ভুমিকা আছে একটা: এটা একটি প্রকাশিত লেখা। ছাপা হয়েছে ২০ মার্চ প্রথম আলোতে। পত্রিকায় প্রকাশিত কোনো লেখা সাধারণত আমি ব্লগে দেই না। এটা দিলাম ব্লগার টুটুলের কারণে।
''এখানে দিলে আমাদের কিছু জানার ... জিজ্ঞাসার সুযোগ তৈরী হতো.. কোন প্রশ্ন থাকলে ... সরাসরি আপনার সাথে বাতচিত হতো...
দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা.. অবস্থান জানার যায়গা থেকে অনুরোধ করছিলাম''।
সুতরাং লেখাটা দিলাম। বলে রাখি আমি গবেষক না। সাংবাদিক মাত্র। সুতরাং সংবাদ হিসেবেই এটি লেখা। .............

নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক নুরিয়েল রুবিনি ২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, অর্থনীতিতে সামনে ভয়াবহ মন্দা আসছে। এসময়ে যুক্তরাষ্ট্রে গৃহায়ন খাতে ধস নামবে, ভোক্তাদের আস্থা থাকবে সর্বনিম্ন এবং তেলের দামও কমে যাবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধংস হয়ে যাবে।
সেসময় মার্কিন অর্থনীতি ছিল চাঙ্গা, বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতি সর্বনিু। হাসাহাসি হয়েছিল সে দিন রুবিনিকে নিয়ে। প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছিলেন অনেক নামি দামী অর্থনীতিবিদ। কেউ কেউ পাগলও আখ্যা দিয়েছিলেন।
সেই নুরিয়েল রুবিনিকে এখন বলা হচ্ছে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন। তাঁর দিনরাত কাটছে বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রীদের সাথে। পরামর্শদাতা হিসেবে অধ্যাপক রুবিনি এখন সবার শীর্ষে। তাঁর প্রতিটি ভবিষ্যৎ বাণী নির্ভুল।
সেই ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা এখন ভালভাবেই জেঁকে বসেছে। মন্দায় আক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশও। আক্রান্ত হওয়ার সব ধরণের সংকেতই এখন অর্থনীতিতে দেখা যাচ্ছে। যেমন, রপ্তানি কমছে। বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর পরিমাণ কমে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ শিল্প উৎপাদনও কমছে। প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আয়েও।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা চলতি অর্থবছরে মন্দার প্রভাব তীব্র না হলেও আগামি অর্থবছর হবে মন্দায় আক্রান্ত অর্থবছর। আবার অনেকে চলতি পঞ্জিকা বর্ষকেই বিবেচনায় রাখতে বলছেন। তাদের মতে ২০০৯ সালেই মন্দা ধরে ফেলেছে বাংলাদেশকে। সব মিলিয়ে মন্দা এখন বাংলাদেশের দোরগোড়ায়।
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ পল ক্রুগম্যান বলেছেন, ‘আমরা যা কল্পনা করেছি তার চেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে রয়েছে সারা বিশ্ব’। মর্কিন ফেডারেল রিজার্ভ প্রধান বেন বার্নানকে গত ১৬ মার্চ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, তিনি মনে করেন ২০০৯ সালেই মন্দা কেটে যাবে। তবে বেশিরভাগ অর্থনীতিবিদ মনে করেন, ২০১০ সালের আগে মন্দা কাঁটার সম্ভাবনা কম।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, মন্দা দীর্ঘায়িতই হবে। তিনি বলেন, সাধারণত দেখা যায় পরিস্থিতি ইংরেজি অর ‘ইউ’এর মতো হয়। অর্থাৎ অর্থনীতি নামলেও তা কিছুসময় স্থির থেকে আবার উর্ধমুখী হতে শুরু করে। কিন্তু এবার তা ‘এল’ অরের মতো হতে পারে। অর্থাৎ অর্থনীতি নিম্নমুখী হয়ে তা দীর্ঘ সময় থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সুতরাং এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

এরকম ইউ আকারের মন্দা এবার হবে না বলেই মনে হচ্ছে

আশঙ্কা রপ্তানি নিয়ে: অর্থবছর শুরু হয়েছিল ৭১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে। আর সর্বশেষ প্রাপ্ত জানুয়ারী মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ শতাংশ। এই সাত মাস জুড়েই ছিল রপ্তানি আয়ে উঠানামা। তবে আশঙ্কাজনক তথ্য হচ্ছে অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ৪৩ শতাংশ থাকলেও অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ শতাংশের সামান্য বেশি। জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারির প্রবণতা থেকে মনে করা হচ্ছে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে রপ্তানি আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি থাকছে না এবং অর্থবছরের শেষ তিন মাসে প্রবৃদ্ধি হবে ঋণাত্বক।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০০৮-০৯ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭১ দশমিক ০১ শতাংশ। পরের মাসেই রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি কমে হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ। তবে আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ১১ শতাংশ। আবার অক্টোবর মাসে রপ্তানি আয় কম হয় ৭০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। একইভাবে নভেম্বরে ৩৩ দশমিক ১২ রপ্তানি আবার বেড়ে গেলেও ডিসেম্বরে এসে কমে যায় সাড়ে ৮ শতাংশ। আবার জানুয়ারি মাসে রপ্তানি আয় ১৩ দশমিক ২২ শতাংশ বাড়লেও তা আগে স্থগিত হওয়া পণ্য রপ্তানির কারণে হয়েছে বলে জানা গেছে।
রপ্তানি খাতগুলোর মধ্যে ৭ মাসে কাঁচা পাটের রপ্তানি কমেছে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ, পাট পণ্য ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং হিমায়িত খাদ্যের রপ্তানি কমেছে সাড়ে ৫ শতাংশ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। ৭ মাসে নিট পোশাকের রপ্তানি ২৬ শতাংশ এবং ওভেন পোশাকের রপ্তানি ২১ শতাংশ বাড়লেও বর্তমান সূচকগুলো শঙ্কা ছড়াচ্ছে। পোশাক রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সূত্রে জানা গেছে, ইউটিলাইজেশন ডিকারেশনের (ইউডি বা রপ্তানি কাজের জন্য প্রত্যেক শিল্পকে এক ধরনের ছাড়পত্র আগেভাগেই সমিতি থেকে নিতে হয়) যে তথ্য তাদের কাছে রয়েছে, তাতে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গত জানুয়ারি মাসে রপ্তানি কাজের পরিমাণ কমেছে ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ফেব্র“য়ারিতে কমেছে ১৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পোশাকের দাম কমেছে ২০ শতাংশ। রপ্তানি আদেশ কমার এই প্রভাব পাওয়া যাবে আরও দুই মাস পরের রপ্তানি আয়ে।
দেশের রপ্তানি পণ্যের ৯০ শতাংশ যায় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রে মন্দার কারণে তৈরি পোশাক আমদানি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ। আবার অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে দেশটিতে পোশাক বিক্রি কমে গেছে ৮ শতাংশ। কাছাকাছি অবস্থা ইউরোপেও। মোট পোশাক দেশের মোট জিডিপির ৯ শতাংশ রপ্তানি আয়। সুতরাং রপ্তানি কমে গেলে প্রভাব পড়বে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিতেও।
কমছে বিদেশে শ্রমিক যাওয়ার সংখ্যা: জানুয়ারী পর্যন্ত অর্থাৎ অর্থবছরের আট মাসে প্রবাসী-আয়ে প্রবৃদ্ধি ২৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ। তবে সবচেয়ে শঙ্কার বিষয় হচ্ছে কমে যাচ্ছে শ্রমিকদের বিদেশে যাওয়ার পরিমাণ। ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত সময়ে অর্থাৎ ৮ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১ লাখ ৬৭ হাজার শ্রমিক কম যেতে পেরেছে। কমার হার ২৫ শতাংশ।
গত ফেব্রুয়ারিতে ৪৩ হাজার ৮৫৬ জন শ্রমিক বাইরে গেছে। আগের অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল ৭১ হাজার ৭১৬ জন। আবার গত জানুয়ারীতে জনশক্তি রপ্তানির পরিমাণ ৫০ হাজার ৬৩২ হলেও ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে ছিল ৯২ হাজার। সারা অর্থবছর ধরেই এই প্রবণতা।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া বাতিল করেছে ৫৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের ভিসা। কিছু শ্রমিক ফিরে আসছেন সিঙ্গাপুর থেকে। মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে মন্দায় সবচেয়ে তিগ্রস্ত দুবাই। তবে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও সৌদি অর্থনীতিতে এখন পর্যন্ত বিরূপ প্রভাব পড়েনি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি শ্রমিক কাজ করে এখানে। বাংলাদেশের ৬৫ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ২০ লাখই সৌদি আরবে কর্মরত।
আশঙ্কা করা হচ্ছে আপাতত প্রবাসী-আয় না কমলেও জনশক্তি রপ্তানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় আগামি অর্থবছরে এ খাতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। বাংলাদেশের প্রবাসী আয় মোট জিডিপির ১০ শতাংশের প্রায় সমান।

আগামি অর্থবছরে বাংলাদেশের এরকম অবস্থা হবে বলেই আমার ধারণা।

প্রভাব পড়ছে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও: মন্দার প্রভাব অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে। শিল্প ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কমেছে। কমেছে পুঁজি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার পরিমাণ।
শিল্পসূচকের সর্বশেষ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে অক্টোবর পর্যন্ত। এই চার মাসে শিল্প সূচক বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ, অথচ আগের অর্থবছরে ছিল ১০ শতাংশের বেশি। জুলাই-জানুয়ারি অর্থাৎ সাত মাসে পুঁজি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার পরিমাণ কমেছে ২৪ শতাংশ। শিল্পের কাচাঁমাল আমদানির ঋণপত্রও কমছে।
আতঙ্কজনকভাবে কমছে শিল্প খাতে মেয়াদি ঋণ নেওয়ার পরিমাণ। জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে শিল্প মেয়াদি ঋণ নেওয়ার পরিমান কমেছে ২ হাজার কোটি টাকা। তবে এর ফলে কর্মসংস্থানে কি প্রভাব পড়ছে তা জানার কোনো উপায় দেশে নেই। তবে এরই মধ্যে পাট কলগুলোতে অস্থায়ী শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে। বাংলাদেশে কর্মরত বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বেতন-ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছে।
রাজস্ব আদায়ও কমছে: মূল্যস্ফীতি, আমদানি এবং অভ্যন্তরীণ শিল্প উৎপাদনে কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আদায়ে। বিশেষ করে আমদানি সংক্রান্ত শুল্ক আদায় কমেছে বেশি। গত জুলাই মাসে অর্থাৎ অর্থবছরের প্রথম মাসে আমদানি পর্যায়ে শুল্ক আদায়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫১ শতাংশ। এর পরে অক্টাবর পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি কমলেও তা ঋণাত্বক ছিল না। যেমন, আগস্টে সাড়ে ১৮ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ১৫ শতাংশ এবং অক্টোবরে সাড়ে ৬ শতাংশ। এর পর থেকেই শুরু হয়েছে ঋণাত্বক প্রবৃদ্ধি। যেমন, নভেম্বরের প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশের কম, ডিসেম্বরে ১৪ শতাংশ, জানুয়ারিতে ৫ শতাংশ এবং ফেব্র“য়ারি মাসে ৯ শতাংশ। অর্থাৎ ৪ মাস ধরেই টানা ঋণাত্বক প্রবৃদ্ধি আমদানি পর্যায়ের শুল্ক আদায়ে।
এখনই আর্থিক সহায়তা: মন্দা বাংলাদেশের দরজায় এখন ভালভাবেই কড়া নাড়ছে। মন্দায় আক্রান্ত হবে কিনা সে বিতর্ক এখন আর কেউ করছেন না। তবে এখনই আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন কিনা সে বিতর্ক রয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ৬ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চেয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন চেম্বার (এমসিসিআই) মনে করে, আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আগে ব্যাংকিং ও রাজস্ব শুল্ক সংক্রান্ত সুবিধা দেওয়ার বিবেচনা আগে করা প্রয়োজন।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মন্দার কারণে বাংলাদেশ দুই ভাবে তিগ্রস্ত হচ্ছে। একটি হচ্ছে সরাসরি। অন্যটি হচ্ছে প্রতিযোগি দেশগুলো নানা ধরণের আর্থিক ও নীতি সুবিধা দেওয়ায় প্রতিযোগিতার মতা হারাতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। তিনি মন্দা কিভাবে মোকাবেলা করা হবে সে সিদ্ধান্ত সরকার গঠিত টাস্কফোর্সের কাছে ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন। তিনি সম্ভাব্য ব্যবস্থা হিসেবে রপ্তানিতে নগদ সহায়তা বাড়ানো, বেসরকারি খাতকে দেওয়ার জন্য নতুন ঋণ সুবিধা তৈরি, ভারতের মতো প্রযুক্তি হালনাগাদ করার তহবিল গঠন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থার বাড়াতে ‘এক ব্যক্তি-এক পরিবার’ ধারণার বাস্তবায়ন করার কথা বলেছেন। এছাড়া খাত ভিত্তিক পরিকল্পনা করা প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন। সরকার মাত্রই টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এটি আরও আগে গঠন করা প্রয়োজন ছিল বলেও তিনি মনে করেন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অর্থনীতিমন্দাবাংলাদেশ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অর্থনীতি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: প্রথম আলোতে যেহেতে আপনি নিজেই রিপোর্ট করেছেন সেহেতু এইখানে নিজের লেখা দেয়াতে আমরা আম জনতা সরাসরি বাতচিত করতে পারি..

প্রথম প্রশ্ন হলো:
অর্থনৈতিক মন্দায় বিভিন্ন দেশের সরকার ভর্তুকী দিয়েও নিজ দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতেছে.. সেইখানে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ আপনার নাম সংক্ষিপ্ত করে ... এরম সংকুচীত নীতি আন্তর্জাতিক কার্যক্রম বিরোধী

আপনার মতামত কাম্য
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: বদলে দাও, বদলে যাও। বদলাইয়া গেছি। তাও ভাল শওকতটা আছে। খালি হোসেন ছাপা হইলে খবর ছিল।
এই নিউজ ছাপা হওয়ার পর অন্তত ২০টা ফোন পাইছি। কেউ নিউজ নিয়া আলাপ করে না, সবাই খালি নাম নিয়া কথা কয়।
আমার একটা ব্যাখ্যা আছে। তয় এখানে বলা যাবে না।........

২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
জানা বলেছেন:
যাক, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন এই লেখাটা শেষপর্যন্ত এখানে পাওয়া গেল। :)

আগেই পড়েছি মাসুমভাই। ওখানে প্লাস দেয়ার কোন উপায় নেই বলে....:( ! তবুও অসংখ্য পাঠকের মনোযোগ কাড়ার মত লেখাটি আবার এখানে দেবার জন্য ধন্যবাদ। তার থেকে খানিকটা ধন্যবাদ প্রত্যুকেও :)

ভাল-মন্দের মন্দা নিয়েই ভাল থাকুন।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: প্রতু লিখছে...'দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা.. অবস্থান জানার যায়গা থেকে অনুরোধ করছিলাম''।

ভাবছিলাম আপনার কথাও বলছে সে।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্দা থেকে দূরে থাকুন।

৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: রুবিনি আর ক্রুগম্যানের বক্তব্য ভালো লাগলো ..

ক্রুগম্যানের একটা সাক্ষাৎকারে (বিল মারের টক শো তে)
বিল মার জিজ্ঞেস করলো "তো তোমার টাকা তুমি কই রেখেছ আমরা জানতে পারি ?? :)
এখন তো কোন কিছুই নিরাপদ না"

উত্তরে বলেছিলো .. "আমার টাকা তো মানি মার্কেটে রেখেছি
কিন্তু অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এটাও তে ঘাপচিং হবে"

[মানি মার্কেটে ইনভেস্টমেন্ট মোটামোটি সেফ ধরা হয়।]

:)
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: ক্রুগম্যানের নতুন একটা বই বেড়িয়েছে মন্দা নিয়ে। দি রিটার্ণ অব ডিপ্রেশন ইকনমিকস। ফটো কপি ভার্সন পেয়েছি। পড়ছি। দারুণ বিশ্লেষন তাঁর।

৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: মন্দা আমাদের ভোগাবে। কিন্তু তার চেয়ে বেশি ভোগাবে মন্দা নিয়া রাজনীতি। এই মন্দা দূর করবে কে ?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বেইল আউট পরিকল্পনা তো দেখছিলাম ২ বছরে। কাজ তো হলো না।

৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: বস... একটা লেখা তৈরীর পেছনের অনেক কিছু জানার থাকে... সংবাদপত্রে যেটা পাওয়া যায় না...

আমার প্রস্তাবনা হলো..
এমন কি হতে পারে যে... ব্লগের যারা সংবাদপত্রে লেখালেখি করে তারা তাদের লেখাটা/নিউজটা/রিপোর্টটা ব্লগারদের সম্মুখে আনলে সরাসরি লেখক/সংবাদকর্মী/রিপোর্টারের এবং পাঠকের সাথে সরাসরি আলোচনায় করা যায়।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: এইরকম এক প্রস্তাব আমি আরেকটা ব্লগরে দিছিলাম। কিন্তু গ্রহণ হইছে বলে মনে হচ্ছে না।
আমি তো মনে করি এটা নিয়মিত হওয়া উচিৎ।

৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৪
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: মন্দা থেকে উত্তরনের উপায় হিসেবে সরকার আপনা বিবেচনায় কি কি পদক্ষেপ নিতে পারে?

গার্মেন্টস মালিকরা যে ইনসেনটিভ চাচ্ছেন তাতে তাদের পকেটভর্তি হওয়া বাদে দেশের অর্থনীতির কি লাভটা হতে পারে?

মন্দার কারনে এমনিটে জনশক্তি রপ্তাণী কমে যাবে, সেই সাথে কমবে রেমিট্যান্স।আমাদের সরকারের মাননীয় মন্ত্রীরা (ফারুক খান, দীপু মনি) নিজে থেকে বাংলাদেশকে যেভাবে সিউডো -টেরর স্টেট হিসেবে প্রচার করছেন, সেটা প্রকান্তরে জনশক্তি রপ্তাণীর উপর, সেইসাথে কি প্রভাব ফেলবে?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: মন্দা থেকে উত্তরণ নিয়াও তো ক্যাচাল লাগছে। এফবিসিসিআই চায় ৬ হাজার কোটি টাকা। আর এমসিসিআই চায় নীতি সহায়তা। আমিও মনে করি আগে নীতি সহায়তা নিয়েই আগানো উচিৎ। তারপর প্রয়োজন হলে এবং সঠিক পরিকল্পনা করে তারপরেই আর্থিক বেল আউটের দিকে যাওয়া প্রয়োজন।

তবে মন্ত্রীদের কথায় জনশক্তি রপ্তানি কমবে বলে আমার মনে হয় না। কেননা, আমাদের শ্রম সস্তা ও সহজলভ্য। আর আমাদের মূল গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্য। ইউরোপ হলে সমস্যা ছিল।

৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
মুহিব বলেছেন: অর্থনীতি কম বুঝি। তবে কার্টুনটা ভালই বুঝলাম।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: কার্টুন বা আলোকচিত্রের শক্তি তো এখানেই।

৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: আমি তো নিউজে নাম দেখে টাসকি খাইছিলাম। লেখাটা একেবারে সময়োপযোগী হয়েছে।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: আমারও দেখে কেমন কেমন যেন লাগছিল।

৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: নাম নিয়া আপনার কি কথা আছে সেটা জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবি জানাই।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: এই সব কাটা কোটা নিয়ে কথা না বলাই ভাল, কি কন? তয় প্রতু একটা পচা কথা কইছে। আমি নাকি আর মাসুম নাই। :((

১০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
হাইফেন বলেছেন: এইডারে স্টিকি পোস্ট করেনা ক্যান?
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: আপনারে থেংকু

১১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
জানা বলেছেন:

লেখাটি আলোচনায় আসা দরকার।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮
হাইফেন বলেছেন: মডারেটরগো থেঙ্কু
১৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০১
কৌশিক বলেছেন: এইটা কি বিষয় নিয়ে লেখা? অর্থনীতি হইলে পড়ুম না। গল্প হইলে পড়তে পারি।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: এইটা গল্পের মতো কইরা অর্থনীতি নিয়া লেখা।

১৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১০
অচেনা বাঙালি বলেছেন: এই পোস্টে কোন দনায় মাইস দিল?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: আমি খেয়াল করে দেখলাম আমার প্রায় লেখাতেই একটা করে মাইনাস পরে। মজার বিষয় কিন্তু।

১৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১০
জেরী বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: হুমম।

১৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: এই লেখাটি প্রথমআলোতে পড়েছি। শিরোণামে আসা লেখাটি পাঠ করে ভয় পেয়েছিলাম। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজে বের করা জরুরী। পোষাকপ্রস্তুতকারী ও রপ্তানীমূখী প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে মন্দার কবলে পড়ে গেছে, রপ্তানী কমে গেছে কয়েকগুন, এর প্রভাবে দেশে অচিরেই কর্মহীনের সংখ্যা বেড়ে যাবে, প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাঙ্কের ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে আর্থিকপ্রতিষ্ঠানের উপর নেমে আসবে ভয়ংকর বিপদ।।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনারা কিভাবে সামলাছেন? আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কি ভাবনা?

১৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
যুগান্তকারী বলেছেন: সময়উপযোগী পোস্ট।পোস্টে প্লাস।
১৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
কৌশিক বলেছেন: মাইনাচ - দেশে অর্থনৈতিক মন্দা আসিতেছে, আজকে তাই নিয়া শওকত ভাই প্রথম আলোতে একটা দারুণ লেখা লিখেছে, সেইটা পইড়া মাথা ঘুরতাছে, এর মধ্যে আপনি আবার অর্থনীতি নিয়া গল্প ফাদছেন...ছিছিছি
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আজ লিখছে নাকি শওকত? কৈ দেখলাম না তো।

১৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
করবী বলেছেন: +
লেখাটি ভালো লাগলো, সময়োপযোগী লেখা।

বাংলাদেশের অর্থনিতী চিরকালই মন্দা, এখানে নতুন করে মন্দার প্রভাব সাধারণ লোকজনের তাই গায়ে লাগছেনা কিন্তু যারা দেশের বাইরে আছেন তারা বুঝতে পারছেন হাড়ে হাড়ে, অনেক প্রবাসী বাঙালী জবলেস হচ্ছেন আশংকাজনক হারে।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। প্রবাসীরা যারা আছেন তাদের আশেপাশে কি ঘটছে জানতে আগ্রহী। আপনারা লিখুন। তাজীনকে দিয়ে দুটো লেখা আমি লিখিয়েছিলাম। মাহবুব সুমন ও হাসিবকেও লিখতে বলেছিলাম। আরো যারা বাইরে আছেন তারাও লিখুন। লিখে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন।

২০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
এই_আমি বলেছেন: খুব মন দিয়ে আগেই পড়েছি কিন্তু এখানে লেখাটা পড়তে গিয়ে আরো ভাল লাগছে । এখানে লেখার সাথে বাড়তি পাওনা হল মন্তব্য।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
তৃষ্ণার্ত বলেছেন: লেখাটি আগেই পড়েছিলাম। এখানে আবার পড়লাম। এখানে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
আমরা অনেকে হয়তো বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারছি না। একথা খুবই সত্য যে বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব এদেশেও শুরু হয়ে গেছে এবং তা আরও প্রকট হবে। তবে আমার মনে হয়, অন্য সব কিছুর মত এই সংকটও আমাদের খুব একটা গায়ে লাগবে না, এবং সেটা হবে আমাদের জাতিগত উদাসীনতার আরেক উদাহরণ।
প্রবাসী বাংলাদেশীরা যে বেশ খারাপ অবস্থায় আছেন তা অনেকেই জানেন, এ বিষয়ে তাদের কাছ থেকে আরও জানতে চাই।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: যারা রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত তাদের উপর প্রভাব পড়বে। আর যারা রেমিট্যান্সের অর্থ দিয়া সংসার চালায়, শপিং করে, জমি কেনে তারা বুঝবে। বড় বড় শপিং মলগুলো সমস্যায় পড়বে। তবে যা কিছু হবে আগামি অর্থবছরে। এর বাইরে সাধারণ মানুষ খুব একটা টের পাবে না।

২২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: আগেই পড়েছিলাম মাসুম ভাই। এখানে পোস্ট করার জন্য একটি বাড়তি ধন্যবাদ।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: দুইবার পড়ার জন্য ধন্যবাদ শামীম ভাই।

২৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: @ এই মহামন্দা সৃষ্টি হইল কেমনে সেই ইতিহাস জানা দরকার আগে ??
@ ১৯৩৭ সালেও এই রকম মন্দা হইছিল কেন বলতে পারবেন ??
@ মন্দা সৃষ্টির কথা জানা না থাকলে আমরা বার বার এই ভাবে মহমন্দাই পড়তেই থাকব নয় কি ??
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: এবারের মন্দা বা ১৯৩০ এর মহামন্দার কারণ নিয়ে বহু লেখা আছে। আর ১৯৩০ এর মহামন্দার অভিজ্ঞতা থাকা সত্বেও তো এবারে মন্দা হইলো। সুতরাং সৃষ্টি জানা ভাল, কিন্তু তাতে লাভ তো হলো না কিছু।

২৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: নুরিয়েল রুবিনির ভার্ষ মতে এই মন্দার স্থায়িত্ব কত সময়ের?

প্রথম আলোতে দেয়া গ্রাফে দেখলাম প্রতি মাসে আপডাউন হইছে.. এটা ক্যান? এক মাসে বাড়ছে পরের মাসে বাড়াছে? এত্ত ফ্লাকচুয়েট কিভাবে হয়?

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ৬ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চেয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন চেম্বার (এমসিসিআই) মনে করে, আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আগে ব্যাংকিং ও রাজস্ব শুল্ক সংক্রান্ত সুবিধা দেওয়ার বিবেচনা আগে করা প্রয়োজন।

এই সহায়তায় মন্দা কাটানোতে কতটুকু ভূমিকা রাখবে?

‘এক ব্যক্তি-এক পরিবার’ ধারণাটা একটু পরিষ্কার ভাবে জনাতে চাই। সুবিধা এবং অসুবিধা। এখনো টাস্ক ফোর্স হচ্ছে না ক্যান?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: সবাই কম বেশি নিশ্চিত যে ২০১০ সালে অর্থনীতি ঠিক হওয়ার পথে যাবে। ২০০৯ সালই সবচেয়ে খারাপ বছর বলে মনে করা হচ্ছে।

তার মানে রপ্তানি বাজার আনপ্রেডিক্টেবল হয়ে গেছে। আর ক্রিষ্টমাস মৌসুমে সাধারণত রপ্তানি বেশি হয়। আবার অনেকে রপ্তানি স্থগিত রাখলেও শেষ দিকে আবার পণ্য নিয়েছে। ফলে উঠা-নামা হয়েছে।

গার্মেন্টস মালিকদের খালি অর্থ দিলেই সমাধান হবে না। নীতি সহায়তা দেওয়াটা আগে জরুরী। তাতেও না হলে তারপর অর্থ তো আছেই। যে ভাবেই হোক না কেন, সহায়তা দিতেই হবে।

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে আছে যে দরিদ্র্য প্রতি পরিবারের একজন করে কাজ পাবে। এটাই এক পরিবার-এক ব্যক্তি কর্মসূচী।
টাস্ক ফোর্স হইছে। তবে দেরিতে।

২৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন: আমাদের ব্যবসায় এটা পড়বে না । দেশিজ প্রতিষ্ঠান তো । আর আমাদের টার্গেট মার্কেটিং ক্ষেত্রটা অন্যরকম । ভোগ্যপন্য বলে তেমন অসুবিধায় পড়তে হবে না । শুধু যুক্তরাজ্যের মার্কেটে পণ্য রফতানীর হার কমে গেছে এবং আরো কমবে ।

আমাদের জন্য কিছুটা লাভজনক । যেমন, হার্ডবোড কাগজের দাম কমে গেছে । ফলে আমাদের প্রিন্টিং খরচ কিছুটা কমেছে ।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: কারো দেখি পৌষ মাস চলতাছে!! ;)। সেটাই, যারা রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের সাথে যুক্ত না, তাদের আপাতত কিছু হচ্ছে না। তবে সামগ্রিকভাবে এর প্রভাবে জিডিপি কমলে এর প্রভাব কিছু থাকবেই।

২৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
ইসানুর বলেছেন: পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ।

২৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
পথিক!!!!!!! বলেছেন: অর্থনীতি জলের মত প্রবাহমান জিনিস
এক দিকে পানি বাড়লে আরেক দিকে কমবেই
আমি পুরো বিশ্বে একসাথে মন্দার বিষয়টা তাই অনুধাবন করতে পারছিনা।


তবে একটা জিনিস বুঝতেছি

গ্রামীন ফোন এর কলরেট শুভংকরেরর ফাঁকি দিয়া বাড়াইয়া দিয়া
টেলিনর তার মন্দায় একটা ইতিবাজক প্রবৃদ্ধি ঘটাইতে যাচ্ছে।
তার মানে মন্দা হতে উন্নত বিশ্ব বাঁচবার জন্য তৃতীয় বিশ্বগুলোকে ধীরে ধীরে বলির পাঠা বানাইতে শূরু করতাছে ......
ঘটনা ভয়ংকর!
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: ঘটনা ভযঙ্কর।

২৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আমরা আপাতত অবলোকন করছি।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।

৩০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
নুশেরা বলেছেন: আমার মনে হয় দেশে মন্দাবস্থার প্রত্যক্ষ চেহারাটা আমপাবলিকের কাছে খুব স্পষ্টভাবে ধরা দেয়না। প্রবাসে প্রতিপদে এই বাস্তবতা অনুভব করা যায়। একটু আগে এক বন্ধুদম্পতিকে বিদায় দিয়ে এলাম; কুড়িদিনের জন্য দেশে যাচ্ছে; চিন্তায় আছে এসে জবটা জীবিত পায় কিনা। গত একসপ্তাহে চেনাজানা দুজনের জব গেল। একজন ব্যাঙ্কিং, আরেকজন আইটির লোক। ব্যাঙ্কগুলো ব্যাপক ছাঁটাই করছে; এএনজেড-এর একাধিক বিভাগীয় অফিস এশিয়ায় (মূলত ভারতে) সরে যাচ্ছে। কলসেন্টারগুলোতে এই প্রবণতা আরো ব্যাপক।

পরিবারগুলোর জন্য নগদ-অর্থ-অনুদান জাতীয় একটা প্রস্তাব পার্লামেন্টে প্রচুর যুক্তিতর্কের পর অবশেষে ভবিষ্যৎ-প্রজন্মের ঘাড়ে দেনা চাপানো এড়াতে চাপা পড়ে গেল। হাউজিং সেক্টরে মন্দা কাটাতে নতুন বাড়ী-ক্রেতাদের জন্য তারিখ বেঁধে কিছু নগদ-প্রণোদনা দেয়া হল। সাড়া আশাব্যঞ্জক না। আমরা যে বাসায় থাকি, বেচার জন্য বারবার এজেন্ট বদলেও অকশনে দাম পাচ্ছেনা মালিক। আগে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদেরকেও সেধে সেধে ক্রেডিট কার্ড দিত; এখন স্থায়ী বাসিন্দারও নতুন ক্রেডিট কার্ড পেতে বহু কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে।

পোস্টের জন্য শওকত হোসেন আর প্রত্যুৎপন্নমতিকে মাসুম ভাইয়ের মারফত ধন্যবাদ জানাই।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: নুশেরা বিষয়গুলো নিয়ে গুছাইয়া লেখেন। তারপর আমাকে দেন। আপনার অনুমতি পাইলে সেইটা ছাপতে পারি।
আমার মেইল হইলো


৩২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
কালপুরুষ বলেছেন: সারাজীবন অর্থনৈতিক মন্দাভাব দেখতে দেখতে গা সওয়া হয়ে গেছে। তাই চট করে ঘাবড়ে যাইনা। যদিও এই মন্দা প্রভাবটা দিন দিন বাড়ছেই তাই একটু শঙ্কিতবোধ করছি। দেশের নেতাদের ব্যক্তিগত আয়েশ, অভিলাষ ও লোভ যদি একটু কমতো আর মানুষের দিকে একটু নজর দিত তবে হয়তো অনেকেই খেয়ে পড়ে বাঁচতো। মন্দা কাটিয়ে ওঠার জন্য উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হওয়া উচিৎ। আবাসন বা রিয়্যাল এস্টেট ব্যবসা আমার মতে অনুৎপাদনশীল খাত। একসময় এই খাতে প্রচুর বিনিয়োগ হওয়া ব্যাংকক অর্খনৈতিক সংকটে পড়েছিল। সিঙ্গাপুর হাইজিং সেক্টরে সবচেয়ে কম বিনিয়োগের পক্ষপাতি। আমেরিকাতে একসময় বাড়ী কেনার জন্য সহজ শর্তে ঋণ দিত যা এখন ।নেক পরিমাণে কমে আসছে কারণ রিকভারি খুব কম। আমাদের দেশে ব্যাংকের সুদের হার অত্যন্ত বেশী হওয়ায় ব্যাংক ঋণ নিয়ে অনেকেই সুবিধে করতে পারছেনা না পরে ঋণ খেলাপি হয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া হাউজিং সেক্টরের মতো অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যাংক ঋণের পরিমান বেড়ে যাওয়ায় জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার সে হারে বাড়ছেনা। কৃষি সেক্টর অনেক আগে থেকেই অবহেলিত, গার্মেন্টস্ সেক্টর বিশ্ব বাজারে তেমন সুবিধে করতে পারছে না। বিশেষ করে আমেরিকা বাংলাদেশকে আগের মতো কোটার সুযোগ সুবিধে দিচ্ছেনা। সর্বপোরি অসমচুক্তির আওয়াত পড়ে নিজের দেশের গ্যাস নিজেদেরকেইবেশী মূল্যে ক্রয় করতে হচ্ছে বলে বিদ্যুৎ ও কৃষি খাতে রীতিমত ভুর্তুকি দিতে হচ্ছে, সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা কমে যাচ্ছে। সবকিছু গুছিয়ে আনতে হবে। আর যদি নিজেদের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেয়া হয়ে তবে দেশের মন্দাবস্থা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। আমাদের সর্বক্ষেত্রে সুষ্ঠ পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। অভাব রয়েছে সুষ্ঠু নীতিমালার, রয়েছে অসমচুক্তির আওতায় লোকসান গোনা। এসব আমাদের কাটিয়ে উঠতেই হবে।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: সবই ঠিক আছে। তবে এবারের মন্দা আমাদের তৈরি না। বলা যায় আমদানি করা মন্দা। সুতরাং প্রস্তুতি নেওয়া ছাড়া আমাদের করণীয় খুবই কম। বলা হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে গভীর অর্থনৈতিক সংকটে সারা বিশ্ব।
আর এই মুহূর্তে সরকারের উচিৎ কর্মসংস্থান হয় এমন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো। বিশেষ করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে।

৩৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: বাংলাদেশে মন্দা আসবে। সেটা প্রথমে তৃনমুল পর্যায়ে না বোঝা গেলেও ২০১০ নাগাদ ভালো ভাববেই বোঝা যাবে।

গার্মেন্টস সেক্টরে রপ্তানী আশংকাজনক ভাবে কমে যাবে, ফলশ্রতিতে অনেক গার্মেন্টস কারখানা হয় বন্ধ হয়ে যাবে বা কস্ট কাটিং এর জন্য শ্রমিক ছাঁটাই শুরু করবে। এতে বেকারত্ব বারবে আশংকাজনক ভাবে। সহায়ক হিসেবে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবস্থার বারটা বাজবে।

রেমিট্যান্সের বেশীর ভাব যে অংশ থেকে আসে সেই মধ্যপ্রাচ্যে মন্দা শুরু হলে সেখান থেকেও অনেকে ফেরত আসবে, বেকারত্বে সেটাও যোগ হবে। সেই সাথে সেখান থেকে রেমিট্যান্স কমবে প্রচুর। উন্নত দেশগুলোতে যেই সব সুশীল গলাবাজ দেশপ্রেমিক আছে তারাও তাদের দেশ হতে বাংলাদেশে টাকা কম পাঠাবে, বা আদৌ পাঠাবে না। এভাবে রেমিট্যান্স এ চাপ পরবে।

সিফুড এক্সপোর্টেও বিশাল ধাক্কা খাবে।

মুলত রপ্তানী খাতে ও রেমিয়তান্সে ধস নামাতে রিজার্ভে চাপ পরবে, মুদ্রাস্ফীতিও বারবে সামনুপাতিক হারে।

দাতা দেশগুলো হতেও ভিক্ষা ও লোন হিসেবে যা আসতো অতীতে সেটাও কমবে। " চাচা আপন জান বাঁচা "।

সব কিছু মিলে মন্দার প্রভাব খুব খারাপ ভাবেই পরবে। তবে ক্রেডিট ডেপিন্ডেন্সি কম থাকাতে সাধারন মানুষের সমস্যা আমেরিকার মতো হবে না। তবে অন্যভাবে হবে। সমাগ্রিক ভাবে হবে।

সরকার টাস্কফোর্স গঠন করবে যেটাও একজন :"মেধাবী (?)" ও "দেশপ্রেমিক(!) " কোনো জেনারেল সভাপতিত্ব করতে পারেন। কাজে কাজ কিছুই করা হবে না বড় বড় কথা বলা ছাড়া।

শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, লেখা শুরু করছেছি। কিন্তু চাকুরি বাঁচাতে জীবন শেষ বলে ধীর হয়ে পরেছি। ২টা দিন সময় দেন প্লিজ
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: দাতাদের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা এবার করা ঠিক হবে না। কেননা দাতারাই বিপদে।
আমাদের প্রভাব পরবে রপ্তানিতে। আর শ্রমিক যাওয়ার পরিমান কমবে। সেটাই বড় সমস্যা।
টাস্কফোর্স গঠন হয়েছে। অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে। দেখা যাক কি করে তারা।
লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

৩৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: ঠিক তাই। তাহলে দেখা যাচ্ছে আসল প্রবলেমটা অন্য কোথাও ??? এই সিষ্টেমে কি ?

@ এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কোথা থেকে আসে ?
@ এই অর্থনীতির মূল বক্তব্য কি ?
@ ১৯৩০ সালেরটা সমাধান কিভাবে হয়েছিল ?
@ আমেরিকার এই মন্দা মোকাবেলা করে কিভাবে ?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: এবারের সমস্যা শুরু যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সহজে ঋণ দেওয়ার ষুযোগ দিয়েছিল তারা। এই সুযোগ নিয়ে ঋণের উপর ভেসেছে তারা। আর এখান থেকেই সমস্যার শুরু।ন
এটাকে এখনো গভীর মন্দা বলা হচ্ছে। মহামন্দা বলা শুরু হয়নি।
১৯৩০ সালের মন্দা শেষ হয়েছিল সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। অর্থাৎ গর্ভমেন্ট ইন্টারভেনশন। অর্থাৎ বাজারকে সব কিছুর উপর রাখলেও সরকারের হস্তক্ষেপের দরকার আছে। আর এবার বলা হচ্ছে রেগুলেশনের কথা। অর্থাৎ ব্যাংক বা যাই হোক না কেন, রেগুলেশন লাগবেই।

৩৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
রবিনহুড বলেছেন: দয়া করে একটা প‌্যারা সংশোধন করেন।

বিশ্ব চাকুরি বাজার নিয়া যে কথা বলেছেন, তার সাথে আমার দ্বিমত আছে,।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী জেএমবি ও স্বধীনতা বিরুধীরা বিদেশ থেকে শ্রমিক দেখে ফেরৎ পাঠাচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দার জন্য নয়।
৩৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: খুবই সময়োপযোগী লেখা, অনেক ধন্যবাদ। প্রিয়তে গেল।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: থেংকু। খবর কী?

৩৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: তাহলে দেখা যাচ্ছে আসল প্রবলেমটা কিন্তু অন্য কোথাও ??? এই সিষ্টেমের মধ্যে কি কোন ফল্ট আছে ?

আমেরিকাতো সহজে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করছে মানে অনেকটা ঋণের উপর কি রকম ইন্টারেষ্ট আসবে তার উপরও আবার ঋণ দিয়েছে আর বেশি মুনাফার আশায়। আর সব দেশ কম বেশী সেখানে বিনিয়োগ করায় সবাই এর প্রভাবে জর্জরিত হচ্ছে।

@ এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কোথা (কোন আইডোলজি) থেকে আসে ?
@ এই অর্থনীতির মূল বক্তব্য কি ?

"১৯৩০ সালের মন্দা শেষ হয়েছিল সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। অর্থাৎ গর্ভমেন্ট ইন্টারভেনশন। অর্থাৎ বাজারকে সব কিছুর উপর রাখলেও সরকারের হস্তক্ষেপের দরকার আছে"-- তাহলে তখন সরকারের হস্তক্ষেপের দরকার ছিল এবং এবারেও কিন্তু তা করা হয়েছে, যা কিন্তু ডেমোক্রেসির অর্থনীতির মূল বক্তব্যর বিপরীত যেখানে সমাজতন্ত্রকে অনেকটা ফল করা হচ্ছে। যা মূলত ডেমোক্রেসি আইডোলজির ফল্ট বলেই মনে হয়। সেই সাথে এটাও সত্য ১৯৩০ সালের আমেরিকা কিন্তু মন্দা ২য় বিশ্বযুধ্ধের অস্ত্রবিক্রির মাধ্যমেও প্রায় সমাধান করেছে বলে পাওয়া যায়। এবারও হয়ত তাই........
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: ভাল পর্যবেক্ষণ। তবে এর মাধ্যমে সমাজতন্ত্রকে আকরে ধরবে বা স্বীকার করে নেবে পশ্চিমা বিশ্ব সেটা আমি মনে করছি না। যদিও আপনি যা বললেন তা আজকাল অনেকেই বলছেন । আবার সতর্কও করে দিচ্ছে যে এটা সমাজতন্ত্রের পথে হাঁটা না।
একমত যে ওবামা সরকার বিক্রি বাড়াতে কিছু একটা করবে। সেটি কি বলা মুশকিল। এখন পর্যন্ত যা কথাবার্তা তাতে হয়তো ঐ শঙ্কা কম। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটাই দেখার বিষয়।
বিশ্বাস রাখা আসলে যায় না।

৩৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
আরিফ জেবতিক বলেছেন: প্রথম আলো থেকে শওকত হোসেনের পোস্টটি আপনি কাটপেস্ট করলেন নাকি ? ;)


ইন্টারেস্টিং সাবজেক্ট ।

শুরু করি মাহমুদুল হাসানের কমেন্ট দিয়ে ( ২৬ নং কমেন্ট )।

মন্দার প্রভাব দেশী শিল্পে পড়বে না বলে যারা ভাবছেন , তারা ভুল ভাবছেন ।
মন্দার প্রভাব বাংলাদেশে আসতেই ৬ মাস লেগেছে প্রায় , এবং এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে ।
আগামী ৬ মাসের মাথায় বুঝা যাবে কতোটুকু ক্ষতি হবে ।

এখন দেখা যাক , কিভাবে দেশী শিল্পে এর প্রভাব পড়বে ।

যতোদূর জানি , মাহমুদুল হাসানের নয়া মার্কেটিংয়ের একটা বিশাল জায়গা হচ্ছে টঙ্গী-গাজীপুর শিল্পাঞ্চল ।
এখানে আপনার ক্রেতা কারা ?
মোট জনগোষ্ঠীর একটা বিশাল অংশ সরাসরি গার্মেন্টস শিল্পের সাথে জড়িত , এবং পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল লোকজনও অনেক ।

এখন গার্মেন্টস শিল্পে যদি মন্দা জোরেশোরে আঘাত করে , তাহলে শ্রমিকরা প্রাথমিক পর্যায়ে ওভারটাইম হারাবে ( এটা শুরু হবে মে মাস থেকে ) তারপর বেতন অনিয়মিত হবে এবং মন্দা বাড়তে থাকলে শ্রমিকরা দলে দলে চাকুরি হারাবে ।
যখন তাদের আয় কমে যাবে , তখন তারা বাসাভাড়া আর চালডালের বাইরে সবকিছু কেনা কমিয়ে দেবে , বিলাসদ্রব্য কিনবার মতো স্বচ্ছলতা তাদের থাকবে না ।

সেই হিসেবে রাজ্জাক ক্যামিকেলস উৎপাদিত কসমেটিক্স এবং আচার-জ্যাম-জেলী এসব ব্যবহার করা এবং খাওয়াটা কমিয়ে দেবে । এটাই আপনার বিক্রীকে প্রভাবিত করবে ।


আসল কথা হচ্ছে বিশ্ব মন্দা সবাইকেই কিছু না কিছু এফেক্ট করবে । মন্দা যতো দীর্ঘস্থায়ী হবে , এফেক্টটা ততো বেশি লোকের উপর পড়বে , এটাই সহজ হিসাব ।








২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও মনে করি সমস্যা ভালভাবে শুরু হবে আগামি অর্থবছর থেকে। আর সামগ্রিক প্রভাবে জিডিপি কমতে থাকলে এর প্রভাব পড়বেই দেশে। সেটা দ্রুত বুঝবে কেউ কেউ, একটু দেরিতে বুঝতে পারবে বাকিরা।

৪০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
আরিফ জেবতিক বলেছেন: গার্মেন্টস শিল্পে নগদ অর্থসহায়তা দেয়ার যে প্রস্তাব এসেছে , সেটি এই মুহুর্তে দেয়ার প্রয়োজন দেখি না ।
প্রথমে নীতি সহায়তা দেয়া প্রয়োজন এবং সেটা এক্ষুনি দেয়া দরকার ।

ব্যাংক ইন্টারেস্ট কমাতে হবে , তাহলে গার্মেন্টসের ব্যাকটুব্যাক এলসিতে খরচ কমে আসবে ।

ডলারের দামও কিছুটা বাড়ানো দরকার । যদিও আমদানী নির্ভর দেশে সেটা আবার অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে আমরা চিন্তিত । ধানের উৎপাদন দেখে ডলারের দাম নিয়ে আবার চিন্তা ভাবনা করা যেতে পারে । বিদেশে যেহেতু ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের দাম এখন কম আছে , ডলারের দাম বাড়ালে অর্থনীতিতে প্রভাব কম পড়ার কথা ।

আমাদের পাশের দেশ ভারতে এখন ৫৫ রূপীতে ডলার , গার্মেন্টসের প্রচুর অর্ডার তাই বাংলাদেশের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে ।





২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: মুদ্রার অবমূল্যায়ন বিষয়টা অনেক জটিল। আর আমিও মনে করি আগে নীতি সহায়তা দিয়ে চেষ্টা করা হোক। তারপরেও মন্দার প্রভাব না কমলে আর্থিক সহায়তা তো আছেই। তবে সব কিছুই পরিকল্পিত হতে হবে।
অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু লেইখেন।

৪১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০০
অবনীল্‌ বলেছেন: অনেকদিন ধরেই মন্দার গল্প শুনছি। আজ ডিটেইলস জানলাম। আরও ডিটেইলস আশা করছি। ধন্যবাদ।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: দেখি আরো লিখতে পারি নাই।

৪২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:১২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: অভিজ্ঞতা নিয়ে কী লিখব রে ভাই !
মে মাসের পরে একপিসও অর্ডার নেই হাতে । যা পাচ্ছি , তাই খাচ্ছি , রেট নিয়ে কোন বার্গেন করছি না , তারপরও অর্ডার নেই । এদিকে , ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত আছে ২৫ ভাগ কস্ট কাটিং করার ।

আর কস্ট কাটিংয়ের সহজ মানে হচ্ছে এই দেশে , গরীব শ্রমিকদেরকে ছাটাই করে দেয়া ।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: পরিস্থিতি তো আসলেই খারাপ। আসলে বিজিএমইএর বড় ধরণের ইমেজ সংকট রয়েছে। তারা যতই বলে মানুষ বিশ্বাস করে কম। এবার বাঘ ঠিকই এসেছে কিন্তু মানুষের সন্দেহ যায় না।
পরিস্থিতির আপডেট জানাইয়েন। এমনকি ফোনে হলেও।

৪৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আমার জানা মতে আমাদের এক বড় শিল্পদ্যোক্তা তার প্রতিষ্ঠানে লেঅফ ঘোষণা করেছে।

"........... গ্রুপ" নামের একটি বেশ বড় শিল্প পরিবার দশটির মত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের কিস্তি প্রদান করছেনা।

২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: নামটা জানার আগ্রহ হচ্ছে। কিভাবে জানবো? আপনি কি নিশ্চিত যে মন্দার কারণে হয়েছে?

৪৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
ধইঞ্চা বলেছেন: জানিনা কি হবে তবে ভবিষ্যত অন্ধকার। দেখছি , দেশে ও দেশের বাইরে ।
৪৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৮
মিতামারিয়া বলেছেন: খুব ধিরে আগাতে হবে এক সাথে সব বিভদ ভুলে
৪৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
খালেদ সময় বলেছেন: খেতে যাচ্ছি সামনে এনে রাখলাম। খাবার পর পরবো কি লিখলেন। তবে ছবিগুলো চমৎকার হয়েছে। কোথা থেকে নামালেন?
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: গুগল ইমেজ থেকে নামিয়েছি।

৪৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ মাসুম ভাই ব্লগে শওকত ভাইয়ের লেখাটা শেয়ার করার জন্য ;)
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: এতদিন পর শওকত আর মাসুম আলাদা হইয়া গেল। আফসুস।

৪৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
রাগ ইমন বলেছেন: ভালো লেখা ।

আশে পাশের মানুষ অনেকেরই কথা হচ্ছে , প্রতিদিন কারো না কারো চাকরী চলে যাচ্ছে , আমার জন্য দোয়া করিস ।

প্রথমে স্লো ডাউন । তারপর স্থবির। তারপর ব্রেক ডাউন ।

বাংলাদেশের উপর আসল ইম্প্যাক্ট কতটুকু ? ভাবতেই আশংকা হচ্ছে । এইড এজেন্সী গুলোর এইড নামক নদী শুকিয়ে কাঠ । আর ৬ মাস পরে কি দেখবো কে জানে !
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: আমার ধারণা আগামি অর্থবছরটা বেশ খারাপ হবে। দেখা যাক এখন কি হয়।

৫১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: অর্থনীতির তাত্ত্বিক ব্যাপার গুলো বুঝি না। সফটওয়ার কম্পানিগুলোতে মন্দার প্রভাব ইতি মধ্যে ভাল ভাবেই পড়েছে, বিশেষ করে যারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আউটসোর্সংএ জড়িত।

তবে, দরজায় দাঁড়ানো অর্থনৈতিক মন্দার উপস্থিতি সাধারণ মানুষের আলোচনায় তেমন দেখছি না। সরকারের দিন বদলের স্লোগানের ভরসায় এখনও মানুষ অপেক্ষা করছে বলেই মনে হয়। সরকারের অবস্থা বিশেষ আরাম দায়ক নয় এটা ইতিমধ্যে নিশ্চিত।

দিনতো এমনিতেই ঘড়ির কাটার সাথে সাথে ক্যালেন্ডারে বদল হবে, তবে সেটা কোন দিকে তাই দেখবার বিষয়।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: আউটসোর্সিং নিয়া এমনিতেও দুঃশ্চিন্তার কারণ আছে। ওবামার নীতি এর কিছুটা বিরোধী। ওবামা বরং নিজ দেশে চাকরি বাড়াতে চায়।

৫২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩২
রাজর্ষী বলেছেন: ধন্যবাদ লেখার জন্য। বাংলাদেশে থেকে মন্দা না বঝলেও বিদেশে জব করতে এসে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি মন্দা কাকে বলে। আর নতুন প্রবাসী হওয়াতে প্রথম থেকেই চাপে পড়ে গেছি। দেখা যাক কি হয়।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্তারিত লেখেন। সাংবাদিক হিসেবেই পড়তে আগ্রহ হচ্ছে।

৫৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৬
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: বাংলাদেশ মন্দার কবলে পড়ুক না পড়ুক- গণমাধ্যমের প্রচারণার কারণে সর্বত্র একটা ভীতি তৈরি হচ্ছে। এই ব্যাপারটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাধারণ মানুষের মধ্যে মন্দার কেমন বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে আপনি মনে করেন? এর ফলে বিশেষ করে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে সামনে দেশে কি একটি অরাজক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে?
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: মন্দা হবে কি হবে না সেই বিতর্ক একবছর আগে। এখনকার বিতর্কের বিষয় মন্দা কতদিন থাকবে, মহামন্দার দিকে যাবে কিনা সেসব। এই অর্থে বাংলাদেশে মন্দা নিয়ে লেখা দেরীতেই শুরু হয়েছে আমি বলবো। ইদানীং একটু লেখালেখি হচ্ছে।

সামনে অরাজক বা বিশৃঙ্খলা হবে কিনা সেটা তো আর বলা সম্ভব না। তবে সরকার কি পদক্ষেপ নেয় সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।

৫৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫১
লুথা বলেছেন: কোন গাধার ভাল লাগে নাই যে মাইনাস দিলো?
৫৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:০২
মনজুরুল হক বলেছেন:

আপনার এই পোস্টে বড়সড় একটা আলোচনা শুরু করার উপাদান আছে। আশা করি কাল তা শুরু করতে পারব।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৫৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:০৯
মনজুরুল হক বলেছেন:

বাংলাদেশে গার্মেন্ট সেক্টরে ধ্বস নামলে দেশের টোটাল ইকোনমিতেও ধ্বস নামবে এটা আমি মনে করি না। তেমনি বিদেশী রেমিট্যান্স(সেনা বা শ্রমিক কর্তৃক আয়কৃত),গার্মেন্ট,চিংড়ি,ইত্যাদি সেক্টরগুলিই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ চালু রাখে সেটাও মনে করি না। তাহলে কোন সেক্টর দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখে?

এ বিষয়েই কাল আলোচনা করব।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার আলোচনার অপেক্ষায় থাকলাম। তবে মোটা দাগে বলা যায় কৃষক ১৫ কোটি মানুষকে খাওয়ায়, প্রবাসীরা প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার পাঠাবে হবে এবারের হিসাব, একই পরিমান রপ্তানি আয় করে তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ২০ লাখ শ্রমিক। এই তিন শ্রেনীকে অস্বীকার কিভাবে করবো?

৫৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
রামন বলেছেন: এবারে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হবে নিম্নগতি। এই বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রর্বাট জলিক তার ভবিষ্যত বানীতে বলেছেন, এই বছর বিশ্বে প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে ২ শতাংশ বা ১ শতাংশে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে । অপরদিকে আর্ন্তজাতিক মুদ্রা তহবিল ( এফ, এম, আই) এর পক্ষে থেকে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ নীচে নেমে আসার কথা বলা হয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক যন্ত্র হিসেবে ১ম স্হানে অবস্হানকারী খোদ যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে রেসেশন চলছে। বর্তমানে চাকুরী হারা বেকার লোকের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১০,৬ শতাংশ যা অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ইসির দেশগুলোতে একই দশা। মূদ্রাস্ফীতি কমে গিয়ে অবমূদ্রাস্ফীতি দিকে ধাবিত হচ্ছে যা বিপদজনক।
এখন আমাদের দেশের পেক্ষাপটে বলতে গেলে, এবারে রপ্তানীমূখী খাত থেকে আয়ের সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। প্রেষিতক প্রবাহ কমে যাবে। বৈদেশিক সাহায্য ও বৈদেশিক ঋণদান প্রবাহ হ্রাস পাবে।অনাস্হার করণে বিদেশী বিনিয়োগে স্হবিরতা আসবে। অর্থনীতিবিদদের মতে এই মন্দা কমপক্ষে ২০১০ সাল নাগাদ থাকবে। এখন আলচ্য বিষয়গুলো বিশ্লেষন করে দেখতে পাব চলতি বৈশ্বিক মন্দার কারণে দেশের প্রধান আয়ের উৎস রপ্তানীমূখী শিল্প, প্রেষিতক ও বিদেশী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্হ হতে যাচ্ছে এবং এরই প্রভাবে এবছরের মাঝামাঝি থেকে দেশে বিরাট অংশের কর্মজীবি মানুষ বেকার হয়ে যাবে। আমি অর্থনীতিবিদ নই, একজন ব্যাবসায়ী। গতবছর জার্মানীতে অনুষ্ঠিত একটি ফোরামে বিশ্বের বাঘা বাঘা নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদগণ উপস্হিত হয়ে আসন্ন এই বিশ্বমন্দার আভাস দিয়েও এর সম্ভাব্য মোকাবেলা ও প্রতিকারের ব্যাবস্হাপত্র দিতে পারে নাই। বর্তমান বিশ্বমন্দা বা মহামন্দার চরিত্রটি ১৯২৯ সালের মন্দা থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন এবং জটিল।
এই মন্দাকে মোকাবেলা করতে হলে দ্রুত কর্মসংস্হান সৃষ্টি এবং কৃষি খাতসহ অন্যান্য আভ্যান্তরিন উৎপাদনশীল খাতকে নিজেদের চাহিদা মেটানোর জন্য উপযোগী ও শক্তিশালী করার প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: এই মন্দাকে মোকাবেলা করতে হলে দ্রুত কর্মসংস্হান সৃষ্টি এবং কৃষি খাতসহ অন্যান্য আভ্যান্তরিন উৎপাদনশীল খাতকে নিজেদের চাহিদা মেটানোর জন্য উপযোগী ও শক্তিশালী করার প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।.........আপনার কথাগুলার সাথে সম্পূর্ণ একমত।

৫৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:০৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: প্রথম আলো থেকে শওকত হোসেন মাসুম নামের এক অর্থনৈতিক লেখকের প্রকাশিত একটা লেখার কপিপেষ্ট এটা।
পোষ্টে তাই মাইনাস :)




ভীষন জরুরী লেখা যদিও। রেসেশন নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় আছি।
মন্তব্যে একটা লাইন পড়ে খুব শান্তি লাগল। ''সবাই কম বেশি নিশ্চিত যে ২০১০ সালে অর্থনীতি ঠিক হওয়ার পথে যাবে।''
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: আপনি আমাকে কখনো মাইনাস দেবেন না জানি। এই ভরসা আছে।

বিশেষজ্ঞরা সেরকমই বলছেন। এখন দেখা যাক কি হয়।

৫৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫
রামন বলেছেন: (অবমুদ্রাস্ফীতি= মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস) শব্দটি হবে।
৬০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৫২
আতিকুল হক বলেছেন: মন্দা ভালোভাবেই জাকিয়ে বসছে বলা যায়। মন্দায় শিল্পখাত ক্ষতিগ্রস্হ হবে, গার্মেন্টস সেক্টর বসে পড়লে দেশের কি হবে সেটা নিঃসন্দেহে আতঙ্কজনক। রেমিট্যান্স কমে গেলে সবার আগে প্রভাব পড়বে গ্রামগুলোতে। গ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বলা চলে অনেকটাই বিদেশ থেকে আসা টাকা নির্ভর। এর সামাজিক প্রভাবও ভয়ঙ্কর হবে। এটা খুব ভাবায় আমাকে।

মন্দার প্রভাব ব্যক্তিগতভাবে আমাকে প্রভাবিত করছে না এখনও। ইউনিভার্সিটির টাকায় একলা মানুষ ভালোই চলে যাচ্ছে। আর ডিগ্রী কমপ্লিট হতে অনেক দেরি, ততদিনে ভালো কিছু আশা করছে সবাই। তবে আশেপাশে যা দেখছি, লোকজন চাকরি হারাচ্ছে খুব। আর প্রশাসনকেও অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় লাগছে। বেইল আউট ঠিকমতো কাজ করেনি, সমাধানটা ঠিক কোন পথে তাও জানা নেই। অর্থনীতির সূচকগুলো এলোমেলো চলছে। তবে ওবামা সরকার বেইল আউটের টাকায় কর্পোরেট কোম্পানির মোটা বোনাসের উপর খড়গ চালিয়েছে, ৯০% কর আরোপ করে। ভার্সিটিগুলোও কিছুটা আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে, কিন্তু যতদূর মনে হচ্ছে ফান্ডিং এর উপর প্রভাব এখনো তেমন পড়েনি।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: আরো বিস্তারিত লেখেন। আলাদা পোস্ট দেন।

৬১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন: আরিফ ভাইয়ের সাথে একমত । বিক্রী কমে যাবে । তবে এখন আমাদের উৎপাদন খরচ অনেক কমে যাচ্ছে । যেমন ধরেন,কিছুদিন আগে আমাদের একটা হেয়ার ওয়েল এর খুচরা মূল্য ছিল ৫১টাকা । কিন্তু এখন আমরা ১টাকা কমিয়ে ৫০টাকা করছি । যদিও আগের তুলনায় প্রতি বোতলে ৬-৭টাকা উৎপাদন খরচ কমেছে । সবকিছু মিলিয়ে সমানে সমানে থাকবে মনে হচ্ছে । তবে আমার আশংকা অন্য জায়গায় । মন্দা দীর্ঘমেয়াদী হলে মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে । মানুষ আচার না খাইতে খাইতে যদি ভুলে যায় !!!!!
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ৫০ দরে হেয়ার ওয়েল কেনার সামর্থ্য টিকে থাকুক সেইটাই কামনা। মন্দার আশঙ্কা এটাই।

৬২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: আমি তো আগেই পড়েছি। তবে এবার আর আগের বারের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে- এবার লেখকের রস+আলো মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে বোনাস হিসেবে। ধন্যবাদ দুলাভাই.........
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: আমিও আপনার দুলাভাই??

৬৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫
নীড় সন্ধানি বলেছেন: বিশাল ধ্বস নামতে পারে প্রবাসী ডলার আর গার্মেন্টস ডলারের এই পতনে।
কিন্তু সুযোগসন্ধানীরা যেন এই দুঃসময়কে পুঁজিকরে ব্যবসা না ফেঁদে বসে সরকারকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। কিন্তু সরকারের সতর্ক থাকার ক্ষমতার ব্যাপারে উপর যথারীতি সন্দিহান।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: আমিও সন্দিহান খানিকটা।

৬৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: দিনমজুরের ব্লগ:
Click This Link

মন্দার শুরুটা নিয়ে এখানে চমতকার ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে... কেউ ইচ্ছুক হলে পরতে পারেন
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: ভাল বিশ্লেষণ।

৬৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪১
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: ভাল লাগলো...:)তবে শ্ওকত হোসেনের লেখা মাসুম ভাইয়ের ব্লগে...;)
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: তাই তো দেখছি।

৬৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
তীর্থক বলেছেন: বাংলাদেশ তো বিশ্বের বাইরে না :-))
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: সেইটাই।

৬৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: প্রথমআলোতে পড়েছিলাম। বেশ হয়েছে।
তবে হচ্ছে কী...আমাদের রেমিটেন্সের গতি আরো প্রবাহী করতে সরকার বিদেশে আমাদের আরো নতুন নতুন শ্রম বাজারের খোঁজ করতে পারে।
এক বিশেষজ্ঞের মতে বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের বহু শ্রমিক পশ্চিম ইউরোপে বেশি বেতনের আশায় পাড়ি জমাচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের সরকার যদি যথাযথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয় তবে আমরা পূর্ব ইউরোপের বিশাল শ্রমবাজার তৈরী করতে পারি।
যেখানে আমাদের শ্রমিকরা তুলনামুলক কম পারিশ্রমিকে কাজ করে নতুন কর্ম পরিধিতে আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দেশের নতুন শ্রম বাজার সৃষ্টি করতে পারে।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: পূর্ব ইউরোপ বড় বাজার হতে পারে। একমত। সরকার কতখানি উদ্যোগি হয় সেটাই দেখার বিষয়।

৬৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
অর্থনীতি বুঝি না । তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনেক কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আমার পরিচিত কিছু জুট মিল যারা প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ কন্টেইনার জুট রপ্তানি করতো , তারা গত এক মাসে একটা শিপমেন্টও করে নাই । কারন মূল ক্রেতা ইরান ও তুরষ্ক আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। জুট মিলগুলো ছাটাইয়ের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে। আমদানি কমেছে আশংকা জনক ভাবে , রপ্তানি আরো ভয়াবহ হারে কমেছে। ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়িরা কানের পাশ দিয়ে গুলি যাবার মত করে হয়তো কোনমতে বেঁচে যাবে , কিন্তু মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পরবে বিলাস সামগ্রিসহ অন্যান্য পণ্যের ব্যবসায়িরা ।

ভাবছি গ্রামে গিয়ে নিজের জমিতে কৃষিকাজ করবো , পুকুরে মাছ চাষ করবো। খাওয়াটাতো অন্তত জুটবে।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: কবে যাইবেন। আসতাছি আমরাও

৬৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: @ সারিয়া তাসনিম... কিছু ধান-চাউল আর মাছ তরকারি পাঠাইয়োন আম্রার লাইগ্গা ;).. যখন মেলা টাকা হৈপে.. তখন শোধ কৈরা দিয়াম্নে ;)
৭০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
লীনা দিলরূবা বলেছেন: @মনজুরুল হক, বলেছেন কোন সেক্টর দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখে?

আমার মতে প্রধান কয়েকটি হল:

১) গার্মেন্টস
২) রেমিট্যান্স
৩) স্মাগলিং
৪) কৃষি
৫) ট্রান্সপোর্ট
৬) শিপ-বিল্ডিং
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: শিপ বিল্ডিং এখনো এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেনি। তবে বিশাল ভবিষ্যৎ।

৭১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: উপায় তো দেখছিনা!!
ডোমিনোর মতো একের পর এক পড়তে থাকবে ... কোম্পানীগুলো যে হারে লোক ছাঁটাই করছে সেটা সবচেয়ে বেশী পীড়া দিচ্ছে ... আমার মতে ১০% লোক ছাঁটাইয়ের চেয়ে সবার বেতন ১০% করে কমিয়ে দেয়াটা বেশী প্রাকৃতিক সত্যের কাছাকাছি থাকা ...

একটা এ্যাবসল্যুট কলাপ্সকে ঠেকিয়ে রাখার জন্য নীতিনির্ধারকেরা যে ভাবে একের পর এক কৃত্রিম খাবার যোগানোর পথে যাচ্ছেন --হতাশ হচ্ছি :(


বাংলাদেশের রপ্তানী সেক্টরে "নীতির সহায়তা" দিয়ে সরকার কিভাবে সাহায্য করতে পারে তার কিছু উদাহরণ দিন
২৪ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: আর্থিক সহায়তা দিয়েও এখন রপ্তানি বাড়ানো যাবে না। সুতরাং যে সুবিধাগুলো এখন আছে সেগুলো পাওয়া আগে নিশ্চিত করুক। যেমন নগদ সহায়তা, অনেক বাকি পড়ে আছে। তারপর ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণ আপাতত খেলাপি না বলা, নতুন ঋণ দেওয়া। ইত্যাদি। এগুলোও যদিও আর্থিক সহায়তার মধ্যে অনেকটা পড়ে, তবে এফবিসিসিআই দ্রুতই ৬ হাজার কোটি টাকার যে হিসাব আনচে তা এখনই না দিয়ে টাস্কফোর্স সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

৭২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমাদের রিয়েল এস্টেট মার্কেটেও গত দুবছরের অস্বাভাবিক মূল্যস্ফিতিকে পুঁজি করে একটা বিশাল বুদ্বুদের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করি। ৪০ লাখ টাকার ফ্ল্যাট এখন হঠাৎ করেই ৭০/৮০ লাখ টাকা দাম হাঁকাচ্ছে ... দুতিন বছর আগে বসুন্ধরার যে জমির দাম শুনেছিলাম ১০ লাখ টাকা/কাঠা হতে পারে, সেটা হাঁকাচ্ছে ২৫ লাখ/কাঠা ... অবভিয়াসলি এই উপচে পড়া মার্কেটে বিনিয়োগও হয়েছে প্রচুর ... এই বাবলের কি হবে সেটাও চিন্তার বিষয়!!!

৭৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা পরনির্ভরশীলতা ও সেবাখাতমূলক। এটা কমাতে হবে। স্বনিভর অর্থনীতি ছাড়া কেউ কোনদিন উন্নতি করতে পারিনী পারবেওনা। তাই আমাদের নিজেদের উৎপাদিত, নিজস্ব কাচামাল, এবং দেশে তৈরী পণ্য যা মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরন করে যেমন খাদ্য ও ভারীশিল্প খাত। যা রপ্তানি করা সম্ভব। এই দিকে আমাদের নজর দেওয়া উচিত।
৭৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: ডলারের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে আরেকটু আলোচনা করলে ভালো হয়। সবখানেই প্রায় ডলারের মুল্য বেড়েছে। বাংলাদেশে সে লক্ষন দেখা যাচ্ছেনা । বাংলাদেশের এই স্রোতের বিপরীতে চলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত ?
৭৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
লীনা দিলরূবা বলেছেন: মন্দার কারনেই অর্ডার নাই তাই লেঅফ হয়েছে। সোয়েটার ফ্যাক্টরী। আর বেশী তথ্য দিতে পারছিনা বস্‌।
৭৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
দেবার্নব রায় বলেছেন: কিছুদিন আগে লিখেছিলাম...সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে প্রচলিত দৈনিকের একটি প্রতিবেদন অনুবাদ করেছিলাম...এখন প্রতিদিন ই একি অবস্থা তাই পত্রিকায় ও আর ছাপা হয়না...তবে পরিস্থিতি আগের এই প্রতিবেদনের চেয়ে ভয়াবহ............
Click This Link
৭৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১১
শামীম দ্যা রক্ বলেছেন: দারুন লেখা এবং বিশ্লেষন
৭৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:

মাসুম ভাই আমার লেখাটা অনেক বড় হয়ে গেছে। এখানে কমেন্ট আকারে দিলে বেখাপ্পা লাগতে পারে। তাই কাল আলাদা পোস্ট দেব। তবে এই ফাঁকে বলে রাখি, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব আমাদের দেশেও পড়েছে, আরো পড়বে, তবে তা পশ্চিমের মত মারাত্মক হবে না।

এ বিষয়েই কাল বিস্তারিত জানাব। আসলে সময় বের করতে পারছি না। রাত ১২টার আগে লগইন-ই করতে পারি না!
৮০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: সত্যি কথা বলতে গেলে, বিশ্বের বড় বড় মাথাওয়ালা i mean মোটা মোটা বুদ্ধিমান মানুষদের এই জন্য এই অবস্থা ।

আচ্ছা অর্থনৈতিক মন্দা দিয়ে বিশেষজ্ঞরা কি বলতে চেয়েছে ???

তাদের তো আমার পাগল ছাড়া কিছুই মনে হয় না !

১মত পৃথিবীতে মানুষ কমে না বরং বেরেয়েই চলেছে । সুতরাং চাহিদার পরিমান কমবে না, বেরেয়েই চলবে ।

২য়ত সেই হিসেবে চাহিদার পরিমান বৃদ্ধি পাবে । নাকি অর্থনৈতিক বোদ্ধারা বলবেন তা কমবে ?

৩য়ত সেই অনুপাতে চাহিদার যোগান দিতে মানুষ এর জন্য বিভিন্ন অর্থনৈতিক ক্ষেত্র অন্মুোচিত হবে ।

৪র্থত সেই দিক থেকে চিন্তা করলে অর্থনৈতিক অবস্থা রমরমা চলার কথা ।

এখন যদি ধনতন্ত্র দিয়ে পুজিঁ বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যারা নিম্ম আয়ের তারা কি করতে পারে ।

ধরা যাক , একটি জিনিস অথবা প্রক্রিয়াজাত কাচাঁমাল ১ টায় ক্রয় করলাম, আর বিক্রি করলাম ২০ টাকায় এতে সরকারী কর গের ৪ টাকা তাহলে বাচলঁ ১৬ টাকা আর তা থেকে ৬ টাকা বাদদিলাম বিক্রয়বাবদ খরচ তাহলে বাচলঁ ১০ টাকা । এর মূল দামের অর্ধেক টাকাই যদি নিজের পকেটে রাখি, সাধারন মানুষের কি অবস্থা হবে?
?????????????????????????????

এই অর্থনৈতিক মন্দার নামে ফাউল ব্যাপারে কারা লাভবান হচ্ছে?
äääää
উত্তর - যারা অর্থটা ধরে রাখ্ছে তারা
äääää

উদাহরণ স্বরূপ বলতে পারি, আমি যেখানে আছি সেখানকরা কথা । অর্থাত অস্ট্রিয়া

একসময় অস্ট্রিয়াতে মূদ্রার মান ছিল শিলিং ।
তখনকার সময় মানুষ এই মূদ্রার মানেই খুশী ছিল ।

ইউরো আসার যখন প্রস্তাব আসে তখন দেশের অর্ধেক মানুষ এর বিপক্ষে থাকে, কিন্তু শতকরা হারে তারা হেরে যায়, এতে অস্ট্রিয়ার বর্তমান জন জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে ।
যেমন: ধরা যাক একটা রুটি কিনতে যখন খরচ হত ১০ শিলিং এখন তা ১ ইউরো ?


কিন্তু 13.7 শিলিং = ১ ইউরো

সুতরাং ৩,৭ শিলিং দাম বেরেছে বৈ কমে নাই ।

কিন্তু যারা সাধারণ বেতনভোগী মানুষ তাদের বেতন বরাবর আগের মতনই প্রায় যাও বেরেছে এই রুটির দামের মত বারেনি । বরজোড় রুটির সাথে তুলনা দিলে সাড়ে তিন শিলিং এর জায়গায় ১ শিলিং বাড়ল আর কি !!!!!!
!!! !!!! !!!!!!! !!!!!!!!!!!

আর রুটি বাদে বাকি সব ব্যাপারে তো বললামই না ।

আচ্ছা এত সব অর্থ যায় কোথায়?????


ইচ্ছা করলে এই বিষয়ে আর একখান বড়সর সাড়া জাগানো পোষ্ট দিতে পারি , কিন্তু এই বিষয়ে ঢোল পিটিয়ে লাভ নাই । কষ্ট শুধুই সাধারন মানুষের জন্য ।

সবই কৃত্তিম সমস্যা , সত্যিকার অর্থে মানুষ সবই পারে । হয়ত আগামী ভবিষ্যতে মানুষকে আর কৃত্তিম সমস্যা সৃষ্টি করতে হবে না, পৃথিবী তার আপন সমস্যা নিজেই তুলে আনবে ।
৮১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৯
ফাহমিদুল হক বলেছেন: দাতারা যদি অফ যায়, তবে আমাদের সমস্যা আমাদেরই মোকাবেলা করতে হবে, বাধ্য হয়ে। আমি মনে করি সেই সামর্থ্য আমাদের আছেও। হযতোবা দীর্ঘস্থায়ী পরনির্ভরশীলতার কারণেই নিজেদের পরিকল্পনা আমরা নিজেরা করতে উদ্যম পাই না।

এইবেলায় যদি আমরা সফল হতে পারি, তবে তা ভবিষ্যতের জন্য ভালোই হবে, এই আশা করতে চাই। আর যদি ব্যর্থ হই তবে ... আর নতুন কী হবে? আমাদের তো বরাবর ব্যর্থতারই ইতিহাস। দাতারা নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আবার দান করতে থাকবে, আর আমরা খয়রাতি খানা খাবো।

তার আগে একেবারে না খেয়ে হয়তে থাকবো না। কারণ আমাদের উর্বর ভূমি আর নিষ্ঠাবান কৃষক রয়েছে।

শওকত হোসেনকে অনেক ধন্যবাদ। অদৃশ্য মাসুম ভাইকেও।
৮২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
বাবুআনা বলেছেন:

সুন্দর স্বচছ লিখুনির জন্য শওকত হোসেনকে সাহেবকে

অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক
অনেক অনেক অনেক অনেক

ধন্যবাদ!!!!!!!

আর আলোকিতো তোকমা ধারী আতেলদের জুতা মারি !!!


৮৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: এফেক্ট কাটানোর উপায় গুলো বা সাজেশন কিছু যোগ করলে হয়তো ভালো হতো আরো।
প্রোপাগ্যাশন মেকানিজম আরো ডিটেইলে থাকলেও সুবিধা হতো।


পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।


৮৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩
নিউজনেট :: উন্নয়ন-অর্থনীতি বিষয়ক অনলাইন বলেছেন: ভাল লেখা, উত্তরণের উপায় নিয়ে ভাবতে হবে।
৮৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
আমার আমি বলেছেন: এখন থেকে ভাবা উচিত.........কোথায় আমাদের আগামীর ভবিষ্যত
৮৬. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫
রুমি৯৯ বলেছেন: লেখাটা দেখলাম।ভাল
৮৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮
সাংবাদিক007 বলেছেন: এমসিসিআই'র অবস্থানের সঙ্গে প্রথম আলো একমত--তাই না? সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর পরিধি বাড়ানোর সরকারি চিন্তার ব্যাপারে সাবেক সমাজতন্ত্রী মতি সাহেবের একটা মন্তব্য প্রতিবেদন আশা করছি।
৮৯. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:১১
হোরাস্‌ বলেছেন: একুশে টিভিতে সরাসরি আপনার আলোচনা শুনছি এই মূহূর্তে। নামের পিছনের মানুষটাকেও চিনলাম। লেখা পড়ে ভালো লাগলো।
৯০. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
নিউজনেট :: উন্নয়ন-অর্থনীতি বিষয়ক অনলাইন বলেছেন: সমস্যাকে পুঁজি করে এবং জনগণের দোহাই দিয়ে যারা ব্যবসা করে, তারা কিন্তু খুবই নড়েচড়ে বসছে। জনগণের কপালে মনে হচ্ছে আরো র্দূভোগ অপেক্ষা করছে.......
৯২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
বাঙ্গাল বলেছেন: মেলা তথ্য দিলেন...মাগার কুন কুল কিনারা করলেন না।কেমতে এটা শুরু হইলো আর কিসে শ্যাষ হইবো। মডারন মানি মেকানিক্স মাইনা আসমান থিকা ডলার ছাপায়া দিইয়া স্টিমুলাস প্ল্যান দিয়া শিল্পপতিদের তেলো মাথায় তেল দেয়ার পলিসি কি সফল হবে? আমার তা মনে হয় না। বাতাসের উপরে অথনীতি দাড়াইতে পারে না। প্রব্লেমটা Monetary policy তে।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লীনা। অনেক শুভেচ্ছা আপনাকেও।

৯৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:১৫
চির- উন্নত মম শির বলেছেন: শওকত হোসেন মাসুম
কলমডা তার মারনাস্ত্র
ডিসুম ডিসুম ঢিসুম।

অনেক শুভেচ্ছা।
৯৫. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৭
সাংবাদিক007 বলেছেন: মাসুমের কলমটা লতিফুর রহমানের অস্ত্র হয়ে ওঠে বেশিরভাগ সময়ই।
৯৬. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৫
সাংবাদিক007 বলেছেন: মুহিত সাহেব ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বললেন। আমদানি কমবে, রপ্তানি কমবে, রেমিট্যান্স কমবে, দাতাদের যোগানও কমবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বড় করতে হবে। সবিকছুই মুহিতেক উদ্ধৃত করে বলছি। সামনের বাজেটে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কেম্বায়?????????????????????????????????????????????
৯৭. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
বাঙ্গাল বলেছেন: আপনার লেখায় অনুপ্রাণিত হয়ে লিখলাম। দেখলে খুশি হই।
---------
ব্যানানা বাংলাদেশ-১ (ইকোনমিক হিটম্যান)
Click This Link
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: দেখছি। ভাল লেখা তো।

৯৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
বাঙ্গাল বলেছেন: ভবিষ্যতে কারো চাটুকারী করার আগে তার প্রফাইলটা দেখে নিবেন। অধ্যাপক নুরিয়েল রুবিনি কে ?
উইকিপিডিয়াতে দেখেন...http://en.wikipedia.org/wiki/Nouriel_Roubini

For much of the 1990s, Roubini combined academic research at the
International Monetary Fund(আইএমএফ),
the Federal Reserve,
World Bank and
Bank of Israel.

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: তাতে কি সমস্যা?

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: আর ভাষা ঠিক না থাকলে আমার ব্লগে আসার আপনার দরকার নাই।

৯৯. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: যুক্তি পাল্টা যুক্তিতে সত্য বেরিয়ে আসে, তথ্য সমৃদ্ধ হ্য়।
তাতে সবারই লাভ।
এখানে ঝগড়ার ব্যাপারটা মগজে ঢুকলনা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৮০৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ