এইটা একটা ব্যাপক উদ্দীপনামূলক পোস্ট। ছোট বেলায় টিভিতে দেখতাম জিয়ার খাল কাটা কর্মসূচী। একদিকে থাল কাটা হচ্ছে আর একদিকে প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাশে-শাহনাজ রহমতউল্লাহর কন্ঠে উদ্দীপনামূলক দেশপ্রেমের গান বাজছে। শাহনাজ রহমতউল্লাহ আমারে বরাবরই উদ্দীপ্ত করে।
ব্লগে তো আর খাল কাটা হবে না, এখানে হবে নতুন নতুন পোস্ট লেখা। তাই বন্ধু ও বন্ধুনী যারা আছেন তাদের উদ্দীপ্ত করতেই এই পোস্ট। গান গাইয়া উদ্দীপনা জাগানো গেলো না। গান গাইলে পালানোর সম্ভাবনাই বেশি।
তাই গান ছাড়াই বলতাছি আপনারা লেখেন। লেখা দেখলে শান্তি পাই।
একটা ফাও তথ্য দেই। সেরা ছবির অস্কার পাওয়া ৬০টা ছবি এক সাথে ঢাকায় পাওয়া যাইতাছে। আমি কিনেছি বসুন্ধরার ওয়েলকাম মিউজিক থেকে। দাম ৭শ টাকা। পৃথিবীতে এতো সস্তায় আর কোথাও এই ছবি পাওয়া যাবে না। ভাল প্রিন্ট। সিলভার ডিস্ক। ১০টার একটা সেট।
অস্কার পাইলেই যে ঐটাই বছরের সেরা সিনেমা সেইটা ভাবার কোনো কারণ নাই। তবে অন্যতম সেরা সেটা মনে হয় বলা যায়। কিছু পুরস্কার পাওয়া ছবি দেখলে কপাল কুচকাইয়া যায়। কিছু আসলেই অসাধারণ।
ঢাকায় সব ছবি পাওয়াও যায় না। তবে অনেকগুলাই পাওয়া যায়। চোখে পড়লেই কিনি, সেরা পুরস্কার পাওয়া ছবিটি। আমার কাজ ডিভিডির দোকানগুলোতে ঢু মারা। আমি নতুন ছবির চেয়ে পুরান ছবি বেশী খুঁজি। পেয়েও যাই কোনো এক দুর্লভ ছবি। কিছু ছবি খুঁজতেই থাকি, পাই না। পাবো সেই ভরসাও ছিল কম।
বসুন্ধরায় পাইলাম ছবিগুলা। এসসাথে।
অস্কার পাওয়া প্রথম ছবি উইংস। ১৯২৭ সালে। ১৯২৭ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত ৬০ বছরের ৬০টা ছবি। ১০টা ডিভিডিতে। ঝকঝকা প্রিন্ট। কার না লোভ হয়। আমারও হইলো, আমি কিনলাম।
১৯৩২ সালের গ্রান্ড হোটেল দেখার চেষ্টা করছিলাম। ভাল ছবি। অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ণ ফ্রন্ট বইটা (সেবার অনুবাদ) পড়েই দো বড় হলাম। এইটা ১৯৩০ সালের সেরা ছবি। দি ব্রডওয়ে মেলোডির (১৯২৯) অনেক নাম শুনছি।
ইট হ্যাপেন্ড ওয়ান নাইট (১৯৩৪) তো মজার একটা ছবি। রেবেকা (১৯৪০) সালের হিচককের ছবি। ১৯৬০ সালের দি এপার্টমেন্ট ছবিটা খুঁজছি অনেকদিন ধরে। আজ পেলাম। সিডনি পটিয়ারের ইন দ্য হিট অব দ্য নাইটও (১৯৬৭) আমার তালিকায় ছিল। ১৯৬৯ সালের দি মিডনাইট কাউবয় আমার অনেক পছন্দের এক ছবি। বেন-হার (১৯৫৯) দেখেছিলাম মধুমিতায়। বিশাল ক্যানভাসের ছবি।
আবার ডান্সেম উইথ দ্য উলভস (১৯৯০) ও আনফরগিভেন (১৯৯২) আমার খুব একটা ভাল লাগেনি। আবার এনিহল, ডিয়ার হান্টার, অ্যামাদিউস, ওয়ান ফ্লু ওভার দ্য কাক্কুস নেস্ট, প্লাটুন, ক্লামার ভার্সেস ক্রামার, কাসাব্লাঙ্কা, ওন দ্য ওয়াটার ফ্রন্ট, এগুলো সব সময়ের প্রিয় ছবি। সংগ্রহে আছে। এখন এএক জায়গায় সব পাওয়া গেল।
আরেকটা তথ্য। সব কিছু বদলাইয়া যাইতাছে। দোকানে যাইয়া দেখলাম ইউ অ্যান্ড মির মোড়কও পাল্টাইয়া গেছে। তয় মোড়ক পাল্টাইলেও কতখানি পাল্টাইছে তা জানি না কইলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


