তোমাদের মত বহু IP (intellectual prostitute) দের কে গত পরশু ১৯২৮ সালে বাংলাদেশে আনিত রকেট নামের স্টিমারের পেছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে গিয়েছিলাম। প্রথমে বুড়িগঙ্গার কালাপানিতে (যেখানে আগেকার দিনে অপরাধিদের শাস্তিসরুপ নির্বাসনে পাঠানো হত) চুবিয়ে নিয়ে গেলাম ধলেশ্বরিতে। বুড়িগঙ্গার কালাপানিতে চুবনি খেয়ে জান উষ্ঠাগত হওয়ার দশা তাও তোমাদের মিথ্যাচার থামেনা। রিমান্ডে নিলেতো মানুষ সত্য কথা বলতে বাধ্য হয় কিন্তু তোমরাতো মিথ্যা-সত্যের পার্থক্যই বুঝোনা, তোমরাতো মজ্জাগত ভাবেই মির্জাফরের বংশধর। এই তোমাদের জন্য বাংলা শব্দে মীর জাফর থেকে “মির্জাফর” যুক্ত হয়েছে যা কিনা একটা মানুষের নামই ছিল। ডাকাতিয়া, মেঘনা, ভলেশ্বের, ধানসিড়ি, কীর্তনখোলা হয়ে তোমাদের আরও সাতটি নদীতে চুবিয়ে নিয়ে আসলাম কিন্তু তোমরা তাও স্বীকার করলেনা।
অবশেষে বাগেরহাটে নেমে যখন ভুড়িভোজ করানো হল তখন তোমার মুখ দিয়ে কিছুটা বের হয়ে আসবে আসবে বলে মনে হল, তাও কিছু বললেনা। অপেক্ষায় থাকলাম হয়তো বলবে, কিন্তু রাস্তায় ফেরি পাড়াপাড়ের কয়েক ঘন্টা অপেক্ষায় আমরা সবাই ক্লান্ত কিন্তু তোমাদের চোখে ঘুম নেই। তোমরা ফিসফিস করে কথা বলছ, যাতে স্পষ্ট ষড়যন্ত্রের অভিসন্ধি। কিছুমাত্র বিচলিত না হয়ে অপেক্ষায় থাকি তোমার স্বীকারক্তি শোনার অপেক্ষায়। বিরক্তিকর সময় কেটে যাচ্ছে, রাত্রি গড়িয়ে সকাল হয়ে দুপুরে আমরা যখন ফেরিতে উঠেছি, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে কিছুমাত্র সামনে এসেছি তখনও তোমরা পানিতে চুবনি খাচ্ছ। মাঝ পথে পানিতে কেমন জানি আলোড়নের সৃষ্টি হলো। তাই তাদের উপরে উঠানো হল, তাদের কথা শুনেই পানিতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে কেননা নদীর পানিতে যতসব নোংরা, আবর্জনা, কলকারখানার বর্জ্য দিয়ে প্রতিনিয়ত দূষিত হয়। তাই হয়তো সত্য কথা নোংরা পানি সহ্য করতে পারেনি।
তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে? কিছু কি বলতে চাও?
উত্তরে তারা বলল, আমরা সত্য বলতে শিখিনি ঠিকই কিন্তু মিথ্যাটাতো বলতে শিখেছি। তোমরা আমাদেরকে চুবিয়েছ এটা যেমন মিথ্যা কথা। তোমরা আমাদের দড়িতে বেঁধে জামাই আদর দিয়ে নিয়ে গেছ এটাই সত্য।
স্মরনিকাঃ হুমায়ুন আহমেদ আমাকে তার "দেয়াল" বইটা লেখার পরা পান্ডুলিপিটা পড়তে দিয়েছিলেন, একটা নাম ঠিক করে দেওয়ার জন্য। তিনি নাকি অনেক ভেবেছেন এই লেখাটার নাম ঠিক করতে পারছেন না। আমি তার লেখাটা ছুড়ে দিয়ে বলেছিলাম "মিথ্যার দেয়াল" তৈরি করে আর কত টাকা কামাবেন? তার চেয়ে পাঠকদের বলুন, তারা আপনার জন্য টাকার দেয়াল তৈরি করে দিবে তবু মিথ্যাচার বন্ধ করুন। দেয়াল নামটা তার পছন্দ হয়ে যায় আমার বিশ্বাস। পুরো নামটা ব্যবহার করলেই ভাল হতো ।
বিঃদ্রঃ বড় ভাই একটা সত্য কথা কি আমি বলতে পারি? আমি সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আমার মতামত জানানোর চেষ্টা করি সেটা কারও পক্ষে গেলে সেই অনুপাতে আমাকে বিবেচনা করলে কিছুটা অবিচার করা হয়। এই সাম্প্রতিক বিষয়টা নিয়েও লিখলাম।সমালোচনার অধিকার আপনার খর্ব করার অধিকার আমার নেই। তবে আপনার সমালোচনা আমাকে সচেতন করেছে।
আমি ওদের তিন ভাইয়ের মাঝে আহসান হাবিবকেই পছন্দ করি। আর দুইজনের মাঝে হুমায়ুনকে তো মোটেও পছন্দ করতামনা। জাফর ইকবালকে তাও পছন্দ কিছুটা করতাম তাও চলে গেছে যখন জানতে পারি তার লেখাগুলো মৌলিক কিছুনা কিন্তু তিনি মৌলিক বলে দাবি করেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০১২ ভোর ৫:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


