বাঁচলামি কইত্তে কইত্তে আমি খেই হারিয়ে ফেলসি...আমার খেই ফিরার সোঁধ হইল যখন...আমি বোবা হইয়া গেলাম

কেননা আমরা......মাদ্রাসায় পড়ি
০৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২৪
চিন্তা
বছরঃ১৪, সংখ্যা ১
অগ্রহায়ণ ১৪১২
কেননা আমরা......মাদ্রাসায় পড়ি
পাভেল পার্থ, মুনেম ওয়াসিফ, মুসতাইন জহির
জানি আমাদের মা ‘ম্যাগী পাকা রাঁধুনীর’ মত চটপট নুডলস করে খাওয়াতে পারে না কখনোই, জানি উনিলিভেরের জাদুতে আমরা স্টার হয়ে উঠবো না, জানি মেছওয়াকের বদলে আমাদের দাঁত ঝকঝকে হচ্ছে না পেপ্সোডেন্টের ফেনায়, আমরা কখনো জানতে পারিনি পোকেমন মিকিমাউস, আমাদের বাবারা বারবি পুতুল কিনে আনছে না, আমাদের তৃষ্ণার জল হয়ে লাল ঝাঁঝালো পেপ্সির বোতল, মোবাইল কম্পানিগুলান আমাদের টাঙ্গাবে না নগরের বিলবোর্ডে, মুনাফা উপোযোগী ডিজুস জীবন - আমরা পারি না ডটকম আদর্শ ভোক্তা হতে, জানি তাই খরচযোগ্য সংখ্যা (মানুষ নয়) হিসেবে আমাদের দিকে তাক হয়ে আছে যাবতীয় সশস্ত্রদৃষ্টি - নির্মূল অভিযান, জানি আমাদের দিকে সতর্ক-নির্দ্ধিধায়-সন্দেহ-ঘৃণায় তাকাবে গোয়েন্দা-পুলিশ-বুদ্ধিজীবী-প্রগতিশীল-রাজনীতিক-লড়াকুরা। কারণ আমরা মাদ্রাস্রায় পড়ি।
আমদের কোন ‘হরলিক্স প্রতিভা’ নাই, এতএত রাস্ট্রীয় আন্তঃক্রিড়া, নিরক্ষরতা দূরীকরণ-গণশিক্ষা-সাক্ষরতা-সার্বজনীন-উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা, জাতীয় (!) টেলেভিশন পার্লামেন্টারি ডিবেট (ইংরেজিতে) ‘রুখবে আমায় কে’র বাহারি শ্লোগানের কোথাও আমাদের জায়গা নাই, জায়গা নাই মান্দি চাকমা সাঁওতাল সহ সকল আদিবাসী প্রান্তিক মানুষের, সর্বত্র আমাদের অস্তিত্ত সচেতন মুছে ফেলা হয়, সকল বিরাজমানতা উপস্থাপন প্রতীক ও পরিচয়ে আমাদের মুখগুলো দেখা জায় না।
আপনারাই রাষ্ট্র, আপনারাই সন্ত্রাস। সমস্ত ইতিহাস-লড়াই-ভিন্নতা মুছে দিয়ে, ‘জঙ্গি’ ‘মৌলবাদী’ তৈরীর ‘একক অভিন্ন’ কারখানা মাদ্রাসার বিরূদ্ধে কথা বলতে গিয়ে আপনারা কেন বারবার ম্যাগী-কোকাকোলা-লিভাইস-ম্যাকডনাল্ড-সিনযেন্টা-বাংলালিংসহ মারদাঙ্গা সব বহুজাতিক কোম্পানি নিয়ন্ত্রিত জীবন কল্পনার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘আধুনিক’ আর ‘সার্বজনীন’ করে তুলেন? কেন?
আমরা গ্রামের কৃষক খেটে খাওয়া মানুষের সন্তান, আমাদের মায়েরা-বাবারা কৃষকের বুকের ধন শস্য বীজ লুট করে হাইব্রিড-জিএম বীজের ব্যবসা করে না, আমাদের আত্মীয়-পরিজন কেউ নাইকো-শেল-ইউনোকলের কাছে মাটি-জঙ্গল-জীবন বন্ধক দেয়না, তবু আমরাই বিপদজনক, মাদ্রাসায় পড়ে পড়ে বড় হয়ে মানসান্তো-ইউনিলিভের-নেসলে-মটরোলায় চাকরির লাইন না দিয়ে ‘জঙ্গি’ আর ‘মৌলবাদি’ হয়ে যাই।
তথাকথিত একতরফা পশ্চিমি যে ধারণা মাদ্রাসাকে, টুপি-দাঁড়ি-বোরখাকে আমদের সামনে ‘মৌলবাদ’ বা ‘জঙ্গি’ হিসেবে হাজির করার বাহাদুরি দেখায়...আমরা জানতে বুঝতে খুঁজতে চাই সেইসব ‘বাহাদুরির’ রকমফের দাপুটে কান্ডকারখানাগুলান।
‘বাহাদুরিকেই’ আর কতকাল ‘প্রগতিশীলতা’ হিসেবে চালানো ও চাপানো হবে?
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মনুমনু বলেছেন:
একটি আদর্শিক জীবন পাথেয় যা কিনা মনুষত্ববোধকে সামর্থবান করে
বিড়াল ছানা বলেছেন:
হুম...
মনুমনু বলেছেন:
সমর্থ হলেই স্বার্থ সমপর্যায়ে এসে একে অপরকে বিকর্ষন শক্তিতে ধাক্কা দেয়।
মনুমনু বলেছেন:
লক্ষ্যনিয় হল এক স্বার্থ জাগতিক টানকে এগিয়ে রাখে, আর অপরটি সহযাত্রি হিসেবে পারলৌকিক বাস্তবতাকে গড়ে নিয়ে গন্তব্যকে চিনে এগিয়ে যেতে চায়।
মনুমনু বলেছেন:
গন্তব্য না চিনলে চলবে না। উদ্দেশ্য না চিনলে চলবে না।আসুন আমরা আমাদের চিনি ।
যিনি আমাদের চিনিয়েছেন আমাদের আস্তিক স্বত্তাকে , উনাকেও চিনি।
বাঙ্গাল বলেছেন:
সাব্বাস...জব্বর লিখছেন...ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
লেখক বলেছেন: নিঃসন্দেহে করতে পারেন...
ইমন সরওয়ার বলেছেন:
খুবই মর্মস্পর্শী কথামালা। তবে বিষয়টি আলোচনার বিষয় হতে পারে। আর সন্ত্রাসবাদ যে মাদ্রাসা থেকেই আসছে এ কথা সবাই বিশ্বাস করে না। মাদ্রাসা বলতে আমরা যা বুঝি সে ব্যাপারে দুয়েকটি মাদ্রাসার নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। ১. লালবাগ মাদ্রাসা। ২. সিলেট দরগাহ শাহজালাল মাদ্রাসা। ৩. আটহাজারী মাদ্রাসা। এই মানের যে মাদ্রাসাগুলো আছে, আমরা এখনও জানি না এসব মাদ্রাসা থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না। হয়ে থাকলেও এসব মাদ্রাসাকে এই অজুহাতে কেউ অঙুল নির্দেশ করুক তা আমি মানবো না। কারণ কোনো অস্ত্র উদ্ধার হলেই পুরো বিষয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপর যদি বর্তায় তাহলে সব আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া উচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর যে পরিমাণ সন্ত্রাসীরা সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বের হয়, তারাই কৌশলে রাষ্ট্রে কর্ণধার হয়ে যায়। নাহলে বড় কালোবাজারী বা আমলা। বাংলাদেশের বোমাবাজীতে এ পর্যন্ত যেসব মাদ্রাসা থেকে বোমা বা জঙ্গীনামে ছাত্রদের গ্রেফতার করা হয়েছে সেসব মাদ্রাসার উৎপত্তি, কখন কবে থেকে শুরু হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়া হয়নি। যে দুয়েকটার খবর আমরা জেনেছি, দেখা গেছে মাদ্রাসাটি কৃত্রিমভাবে কিছুদিনের জন্য এলাকায় শুরু হয়েছে এবং এক পর্যায়ে তারা আর তাদের কৃত্রিমতা ঢেকে রাখতে পারেনি। তা প্রকাশ হয়ে পড়েছে। বড় মুশকিল হলো, পত্রিপত্রিকায় যারা লিখেন তারা এসব তথ্য নিয়ে আলোচনা-বিশ্লেষণ করেন না। কেবল মুখিয়ে থাকেন এমনভাবে যে, এ ধরণের একটি নাটকের জন্যই যেন তারা অপেক্ষায় ছিলেন।প্রসঙ্গক্রমে বলতে চাই, জঙ্গীদের এক গুরু মাদ্রাসা থেকে এসেছেন এ জন্যই কি মাদ্রাসার দিকে বন্দুকটি তাক করা হচ্ছে? দ্বিতীয় গুরু বাংলা ভাই তো মাদ্রাসার ৎ্রছাত্র ছিলেন না। তিনি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা লোক। তাহলে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিকে জড়িয়ে কেন দু'কলম লিখছেন না, মুনতাসির মামুন, শাহরিয়ার কবির, আবেদ খান গংরা?
মাদ্রাসা নামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আর কিছু না করুক বাংলাদেশের মতো গরিব দেশের লক্ষ্ লক্ষ অসহায় এতিম ছাত্রদের দায়ভার তারা নিয়েছে, নিচ্ছে যুগ যুগ ধরে। আমরা এসব মানুষের জন্য কোনো ব্যবস্থা না করে তাদের বিরুদ্ধে এক পাল রাজনৈতিক-কুকুর লেলিয়ে দেয়াকে সমর্থন করতে পারি না।
লেখক বলেছেন: ফাটাফাটি রে ভাই অনর মইন্তব্য আঁর লেখারে আরও ভারী গইল্য...
লেখক বলেছেন: আপনার শেষ মন্তব্য ছাড়া অন্য গুলা কিস্সু বুঝি নাই...
লেখক বলেছেন: হাসা কতা কইসেন ভাই...
এম এস জুলহাস বলেছেন:
আমি আস্তিক নাস্তিক বুঝিনা। শুধু এই ব্লগে দেখি নাহিদা'পুর মতো কেউ সামনে এলেই আমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাই। আল্লাহই রক্ষা করবেন, আল্লাহই বাঁচাবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। আর অন্য সময় ব্লগের সবাই সবার কাছে এক একজন ছাগু, হাগু, ইত্যাদি ইত্যাদি।
লেখক বলেছেন: নাস্তিক আস্তিকের প্রসঙ্গ আইলো খত্তুন? নাহিদা'পুর link টা দিয়েন তো?
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
লেখাটা আগে পড়েছিলাম। এই ইন্টারপ্রিটেশনটা ভালো। কিন্তু মুসলমানী দিক হতে শুভকর নয়। ধর্ম মানেই শুভ অশুভকে পার্থক্য করা এবং অশুভের প্রতিরোধ করা। মাদ্রসার ছাত্রদের চরিত্র ইসলামের দিক হতে দেখলে (আপনার উল্লেখিত চরিত্র) আর যাই হোক ইসলামিক নয়। শুধু সাম্রাজ্যবাদের প্রেক্ষিত চিন্তা করলে হবে না বরং খোদ ধর্মের দিক হতে এর তাৎপর্য বুঝতে হবে।
ইমন সরওয়ার'কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লেখাটি পুরোপুরি রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে সাম্রাজ্যবাদের আলোকে লেখা হয়েছে... সেটি কি খেয়াল করেছেন? আপনার মন্তব্য যথার্থ তাও মানতে হইব...
হাসান মাহবুব বলেছেন:
দারুন লেখা+++++
লাকুল হক বলেছেন:
শুকরিয়া...
ইমন সরওয়ার বলেছেন:
জুলহাস, মানুষের সীমাবদ্ধতা নিয়ে ঠাট্টা করবেন না। আপনার দরদী মন সদা ভালো থাকুক কিন্তু অন্যের দরদ নিয়ে উপচানো মন্তব্য ঠিক নয়।একটি কঠিন কথা বলি : নাহিদ একটি নির্ধারিত রোগে আক্রান্ত। আমরা সারা জাতী অনির্ধারিত রোগে প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছি। কোনোটাকেই ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। দু:খিত, আগ বাড়িয়ে মন্তব্যটি করার জন্য।
লাকুল হক বলেছেন:
সরওয়ার ভাই হক কতা কইছেন...
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
খেয়াল করেছি। কিন্তু কপি পেষ্ট দিয়ে কতটা বুঝাতে পারবেন। আর চিন্তা'র রাজনীতি যদি আপনার রাজনীতি হয়, তাহলে লাকুল হক হয়ে মুসলমান জাতিকে নতুন কি দিলেন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
তবু মাদ্রাসা গুলোর বন্ধ চাই। অন্তত দুবছর। কারন এতে করে যত হুজুর শিক্ষক আছেন সবার আপগ্রেড নাহলে ছাটাই। এ সময়ে একটা যুগোপযোগী সিলেবাস আর এর বোর্ডকে মোল্লা নামক অভিশাপ মুক্ত করে তবেই যদি চালু করা হয় তাহলে এদেশে আর জঙ্গী নামক বিষ আর থাকবে না!
লেখক বলেছেন: বাংলা মাধ্যমের শিক্ষারও তো সিলাবাসের আমূল পরিবর্তন দরকার... তাই বলে কি এই মাধ্যম অন্তত ৩ বছর বন্ধ করে দেবেন? আপনার উদাসী চিন্তায় হতাশ হলাম রে ভাই...
লাকুল হক বলেছেন:
চিন্তার রাজনীতি = আমার রাজনীতি কিনা তার আগে বোঝা দরকার চিন্তার সাথে হকের রাজনীতির কতটুকু সম্পর্ক... এমন জটিল সময়ে কোন ইসলামী রাজনৈতিক দলের হিম্মত হয় নি কথিত জঙ্গীবাদীর নিয়ে critical analysis করতে... কিন্তু চিন্তার লোকেরা communist হয়েও তা করতে যাথা সাধ্য চেষ্টা চালিয়েছে... এর কারণে কপি পেষ্ট এর মাধ্যমে তাদের আমার নিরব সালাম জানানো...
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
কারণ যখন বোমা ফাটে তখন তার পার্টিক্যালগুলান কে পাপী কে নিস্পাপ সেটা দেখে না। আর যারা বুর্জোয়া তাদের সাহস একটু কম ই থাকে। যখন ধর্মের নামধারীরা মিথ্যের বেসাতী নিয়েই বসে থাকে সেখানে কম্যুনিস্ট নামক সমাজবিপ্লবীরাই ভাবার চেস্টা করে। তখন কোন বুর্বক নীরবে সালাম দিলো অথবা কোন জঙ্গী হাসি মুখে মানুষ মারলো তাতে কি খুব বেশী কাজে দেয়?
লেখক বলেছেন: কাজ নাই দিলে এতবার করে comment করছেন কেন? চিন্তার সন্ত্রাস সংখ্যা এখন out of print. তাই আমি এই লেখা মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়াটা ফরজ মনে করি...
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
চিন্তার লোকেরা communist হয়েও তা করতে যাথা সাধ্য চেষ্টা চালিয়েছে..এর কারণে কপি পেষ্ট এর মাধ্যমে তাদের আমার নিরব সালাম জানানো.
এটাই ভাবার বিষয় নিরব সালাম দিয়েই নিজের দায়িত্ব ঝেড়ে ফেললেন।
ইমন সরওয়ার বলেছেন:
সিদ্ধার্থ আনন্দ, ইসলামিক-অনৈসলামিকভাবে দেখছেন কেন? এটাও একটা সিদ্ধান্তমূলক দেখা। মানবিকভাবে দেখলে বিষয়টি আগাবে, না হলে একটা গিট্টুর মধ্যে আটকে রবে। আপনার মন্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই কথাগুলো বললাম।
লাকুল হক বলেছেন:
ইমন সরওয়ার সাহেব কে আবারো ধন্যবাদ... পরবর্তী লেখা গুলোই বলে দেবে নিজের দায়িত্ব কতটুকু ঝাড়তে চাচ্ছি ইনশাল্লাহ্...
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
ইমন সরওয়ার আপনাকে ধন্যবাদ।লেখা সিদ্ধান্তমূলক ঠিক আছে।
ইসলামিক-অনৈসলামিক করে দেখছি এই কারনে যে, প্রতিটি জনগোষ্টির প্রতিবাদ, টিকে থাকা, বেড়ে উঠার ধরন আছে- তা যেমনি হোক। তারা কেন কে মানবিকভাবে দেখল না দেখল তা নিয়ে দিন গুনবে।
লাকুল হক @ ধন্যবাদ...
পরবর্তী লেখা গুলোই বলে দেবে নিজের দায়িত্ব কতটুকু ঝাড়তে চাচ্ছি ইনশাল্লাহ্.
লংকার রাজা বলেছেন:
খুব ভাল লাগল,প্লাস দিতে লগ ইন করলাম।
শয়তান বলেছেন:
উদাসী স্বপ্নের সাথে একমত ।
লেখক বলেছেন: সেটা কেমন??
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপনারাই রাষ্ট্র, আপনারাই সন্ত্রাস। সমস্ত ইতিহাস-লড়াই-ভিন্নতা মুছে দিয়ে, ‘জঙ্গি’ ‘মৌলবাদী’ তৈরীর ‘একক অভিন্ন’ কারখানা মাদ্রাসার বিরূদ্ধে কথা বলতে গিয়ে আপনারা কেন বারবার ম্যাগী-কোকাকোলা-লিভাইস-ম্যাকডনাল্ড-সিনযেন্টা-বাংলালিংসহ মারদাঙ্গা সব বহুজাতিক কোম্পানি নিয়ন্ত্রিত জীবন কল্পনার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘আধুনিক’ আর ‘সার্বজনীন’ করে তুলেন? কেন-- এই প্রশ্নটা আমার ও অনেক দিনের, কিন্তু এইরকম লাত্থি মাইরা কইতে পারি নাই। আম্নেরে স্যালুট , আমি নিজেও এই নিয়ন্ত্রণের একটা স্ক্রুর মত, কিন্তু মাইনা নিতে পারিনা এই একপাইশা নপুংসতা ...
লেখক বলেছেন: হাছা কইছেন...
শাহাদাৎ তৈয়ব বলেছেন:
খুবই দরকারি লেখা। অনেক শুকরিয়া। অনেক ধন্যবাদ। এভাবে আরো অনেক চালিয়ে যেতে হবে। তাহলেই..............
স্বাধীনতার চরমপত্র বলেছেন:
মাদ্রাসায় পড়ে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা শিখে নিজেকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবার কোন মানে নাই...
লেখক বলেছেন: আপনার এমন প্রগতিশীল অভিমত তথা কথিত মতবাদের কি কোন ভিত্তি আছে? মাদ্রাসার কোন টেক্সট বই ধর্মের ভূল ব্যাখ্যা দেয়? দয়া করে বিস্তারিত করুন...
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কাজ নাই দিলে এতবার করে comment করছেন কেন? মনে হয় বুকে শেল বিধেছে?
আসেন বোরখা বানানের কারখানা আর বেত দোররা মারনের ব্যাবস্হা করি। তারপর সবাইকে ঘরে বসিয়ে দেশকে পিছনে নিয়ে বাশ দেই পুরা জাতিকে, এটাই তো চান আপনারা?
এর চেয়ে না খেয়ে মরা ভালো অথবা মাদ্রাসাগুলো তে ম্যাসাকার চালানো আরো ভালো! আরেকটা ম্যাসাকার হোক আত্নশুদ্ধির আর ভবিষ্যত প্রজন্মকে বোমার শেল থেকে বাচানোর জন্য! সেদিন দেখলাম মাদ্রাসার যে কটা সিভি ছিলো সব কটা ডাস্টবিনে ফেলা হলো। খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো কেনো এইসব মাদ্রাসার পুলাপানদের ডাস্টবিনে ফেলা হয় না!
বিচার এভাবেই হয় যারা দ্বীন নিয়ে বারাবাড়ি করে তারাই নিপাত যায়!
নিবিড় বন্ধু বলেছেন:
এভাবে আপনি নিজেই একদিন ডাস্টবিনে নিক্ষিপ্ত হবেন। আপনাদের মত জানোয়ারদের জন্যই এরা জঙ্গী হয়।
লাকুল হক বলেছেন:
@ উদাসী স্বপ্ন আপনি যে বড় উঁচু মাপের আঁতেল সেটার প্রমাণ আপনি এই ব্লগেই দিয়ে দিয়েছেন.।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














