উল্লেখ্যঃ ভদ্রলোক ৪০% সুদ খায়। সর্ব শেষ ইনস্টলমেন্ট টাকা উসূলে গিয়া এই ভদ্রলোকের নিজের ব্যক্তিগত রেকর্ডেই ৫০০০ গরীব মহিলার সর্বশেষ সম্পদ নাকের নাকফুলটাও খুলে আনার মত Experience আছে। বিশাল মাপের লোক, আবেদ সাহেবের কাছাকাছি।
ইহা যথার্থ একটা কমেন্টই ছিল নিচের ইমেইজ প্রসঙ্গে।
ছবিঃ নভেল বিজয়ী ডাক্তার মোঃ ইন্নুচ্চা । নবেলের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কার জনক ঘটনা। পিছনের ফেক্টর গুলি জানি না আর এটা আলোচনা করার জন্যেও এই পোষ্টটা করিনি; বরং গ্রামীন ব্যাংক কবে কোথায় প্রথম অফিস অর্থাৎ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আর বর্তমানে ঐ অফিসটি এবং ঐ অঞ্চলের অবস্থা কি রকম ? এই বিষয়টা জানার দুর্বার কৌতুহল থেকেই পুষ্টটা করা। কারন এইটা জানার মাধ্যমে অনেক সময় একটা প্রতিষ্ঠানের এইম এবং ভিষন সম্পর্কে অনেক অদৃশ্য বিষয়েও স্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা যায়।
একই সাথে বেকগ্রাউন্ড লজিক হিসাবে ইন্নুচ্চার আরেক জাতি বাই পজলে আবেদের, হরামির পুত্র হারামজাদার (পরে প্রমান দেয়া হবে ) ইতিহাসটা আপনাদের অবগতির জন্য তুলে ধরার দুর্নিবার আরেকটা ইচ্ছাও আছে।
ফজলে আবেদ ১৯৭২ সালে তার সুদ খাওয়ার আধুনিক ধান্দা হিসাবে ব্রাক ক্ষুদ্রঋন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা করেছিল এদেশের অন্যতম গহীন এক প্রত্যন্ত হাওর অঞ্চলে। নাম শাল্লা । ( গল্প আছে ঐ অঞ্চলের লোকজন দেশ স্বাধীন হওয়ার এক মাস পর খবরটা পাইছিল। এবং আজও খালি মোবাইল ফোনটা উইথড্র করলে জায়গাটা একশত ভাগ সেই রুপই আছে।) জনাবের এরকম একটা লোকেশন চুজ করার পিছনে অস্বভাবিকতাটা যে কোন মদনের কাছেও দিনের আলোর মত পরিষ্কার। আমার কাছেত অবশ্যই।
কি বলেন ? প্রত্যন্ত অঞ্চলে সবচেয়ে অসহায় মানুষকে সাহায্য করতে গেছে, তাই না ?
প্রমানঃ তাহলে দেখেন একটা ছবি দেখাই, একটা অফিসের । গত এপ্রিল ২০০৯ এ তোলা ।
ছবিঃ ১৯৭২ সালে ২২ শে ফেব্রুয়ারী ব্রাক ক্ষুদ্রঋন কার্যক্রম এই অফিস থেকেই যাত্রা শুরু করেছিল, এই অফিসটি ব্রাকের জন্মদাতা এবং এই অঞ্চল ব্রাকের পিতৃভূমি, এখান থেকেই আজকের আডং ব্রাক ইউনিভার্সিটি ব্যাংক আর কি নাই যদি বলতে পারেন ? অথচ দেখুন যেখানে জন্ম নিয়ে ছিল সেখানে এত বছর পরও দারিদ্র বিমোচনের ও দেশ প্রমের নামে কি রকম নির্লজ্জ স্বাক্ষর রেখে হারামজাদার মত দাড়িয়ে আছে। তাহলে এত বিশাল একটা প্রতিষ্ঠানের তার পিতার প্রতি দায়ীত্ব পালনের এরকম স্বচিত্র একটা মাত্র নমুনাই অবশ্যই প্রমান করে ভদ্রলোক পজলে আবেদ একজন সফল হারামজাদা।
আর একটা বিষয় আমাকে সত্যিই এই দুনিয়ায় সর্বাধিক আশ্চর্য করে যখন শুনি ব্রাক ইউনিভার্সিটিতে একটা হল না অডিটোরিয়মের নাম নাকি রাখা হয়েছে শাল্লা। কত বড় শয়তান কত বড় হিপোক্রেট খালি একটু ভাবেন। আমার ধারনা ব্রাকের পুরা বিষয়টা ঐ অঞ্চলে সাধারন মানুষগুলোর কাছে তুলে ধরলে ওখানকার ছেলে বুড়া সকলের মনে একটা সাধ জাগবে এইরকমঃ হালার ফজলে আবেদের পিছা দিয়া যদি ঐ পুরা বিল্ডংটা দিতে পারতাম তাইলে মরেও শান্তি পাইতাম।
আপনাদের কারও ভালো লাগুক আর নাই লাগুক ইহাই দৃশ্যমান তো ইহাই সত্য । প্রতিটা সত্য জানা হউক আমাদের অঙ্গীকার কেননা সত্যের ভেতরেই আছে পরিবর্তনের প্রকৃত দিক নির্দেশনা ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

