রাজধানী আর শহরের কথা বাদ দিলাম যদিও এখানে দেখানোর মত হাজরটা এন্টি-ডিজিটাল পদক্ষেপ সরকার গত দশ মাসেই নিয়েছে। শুধু মাত্র বিটিসিএল দিয়েই দেখানো যায় সরকার মহা ধান্দাবাজ এবং শেখ হাসিনা মহা প্রতারক।
চলুন দেখি এদেশের আশি শতাংশ জনগন অর্থাৎ দশ কোটি মানুষ যারা গ্রামে থাকে এবং দেশটার সকল মানুষের তিন বেলা খাবারের সংস্থান করে তাদের অবস্থা কি করে রেখেছে ? যাদের চাইলেই এই মুহুর্তে ডিজিটাল করে ফেলা যায় বিনা খরচে।
যেই গ্রামের মানুষের তথ্যের কাছে আসার মাধ্যম হিসাবে আগামী বিশ বছরেও টেলিভিশন এবং হাতের মোবাইলের অধিক আর কোন ডিভাইসের প্রয়োজন নেই সে দুই টাকেই সরকার কি অবসথায় রাখছে এটাই এই সরকারের নিয়তকে পরিষ্কার করে দেয়। আর এই দুইটার দশা নিম্নরুপঃ
দেশের দুইটা VHF চেনেলের একটা বিটিভির জন্য ব্যবহার করছে আর একটা গত ত্রিশ বছর যাবৎ বসাইয়া বসাইয়া জংকার ফালাচ্ছে এই সরকারও ।
টেরেস্টেরিয়াল এই রাস্তাটা কত শক্তিশালী যা দিয়ে এদেশের পনের কোটি মানুষের ঘরে যাওয়া যায় সেটা কি আপনিও বোঝেন ?
প্রাইভেট টিভিচেনেল গুলোকে টেরেস্টারিয়াল সম্প্রচার করার অনুমতি না দিয়ে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছে।
সরকার ছারা কেউ রেডিও ব্রডকাস্ট করতে পারবে না কারন কমিউনিটি রেডিও নীতিমালা দিয়ে এটা বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
গ্রামের ছোট ব্যবসায়িকে দশ হাজার টাকা টিটি করার জন্য বিশ মাইল দূরে উপজেলা সদরে ব্যাংকে আসতে হয় যদিও তার হাতে মোবাইল আছে এবং উপজেলার ইসলামী ব্যাংক বা এমন কোন ব্যাংকে তার একাউন্ট আছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক শুধুমাত্র ট্রাস্ট ব্যাংককে এসএমএস ব্যাংকিং এর লাইসেন্স দিয়েছে। সত্যি হাস্যকর।
সংযোজনঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে এদেশে কারও সঠিক ধারনা নেই। একমাত্র আমিই বলতে পারি ডিজিটাল বাংলাদেশ কি রকম, কি আমাদের প্রয়োজন কতটুকু আমাদের সামর্থ ?
আর বলতে পারি বর্তমান পৃথিবীতে আমাদের বর্তমান কন্ডিশনে এই দেশকে ডিজিটাল করা সবচেয়ে সহজ এবং এর আশি ভাগের বেশি ডিজিটালাইজেশনই নির্ভর করছে শুধু মাত্র সরকারে বিভিন্ন লাইসেন্স দেয়া না দেয়ার উপর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

