আমার প্রিয় পোস্ট

ব্লগের নিকটা তিনবার সাউন্ড করে বলেন। হ-অইছে, আপনে ঐডাই !

রাজউক বলছেঃ ঢাকা শহরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিল্ডিং ভেঙে ফেলা হবে

০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪১

শেয়ারঃ
0 0 0


ঢাকা শহরের পাঁচ হাজার ঝুকিপূর্ন ভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজউক।

পাঁচ হাজার সাত তলা বাড়ির করতে কত খরচ হয় ?
আচ্ছা টাকা কি খালি কাগজ নিয়ে ছাপালেই হয়ে যায় ? না কি গরীবের ঘাম থেকে টাকা জন্ম নেয় ? আচ্ছা এই টাকাটা কোন দেশি টাকা ? কতগুলি মানুষের পরিশ্রম কত সম্পদ হলে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হয় ? কাদের গায়ের ঘাম ঝড়িয়ে এই টাকা ?

আইএমএফ এর সময় তিন হাজার কোটি টাকা ভেঙেছি, কোর্টের অর্ডার পেয়ে তরিঘরি করে ৪.৩০ মিনিটে অর্ডারের কপি পেয়ে ৫.৩০ এর মধ্যেই রেংস বিল্ডিং ভাংতে গিয়ে ১৪ জন লেবার মেরেছি, বেগুন বাড়িতে ঐদিন ১৫ জন।

রাজউক কোথায় ছিল এই পাঁচ হাজার বিল্ডিং উঠার সময় ?
চেয়ারম্যানের রুমে অনার বোর্ডে গত বার বছরে কার কার নাম আছে ?

রাজউক একটা সর্বদিকভূক একটি প্রতিষ্ঠান। আপনি বৈধ্য ভাবে প্লান পাশ করাতে গেলেও খাবে, প্লান পাশ না করাইলেউ খাবে। আজব, আবার যখন দরকার পরবে আপনাকে দিয়েই ভাংবে, টু শব্দটাও করতে পারবেন না।

গত বার বছর এই প্রতিষ্ঠানে যারা ছিল তার কি সুন্দর কই থাইক্কা পুষ্টিং নিয়া আইলো কিছু দিন থাকলো আর চাইর পাঁচশ বিল্ডিং চাটলো বদলি হয়ে চলে গেল। আর ঢাকার জন্য রেখে গেল তাদের হিউজ বিষ্ঠা। এটা হতে পারে না।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০১
টেকিবাবা বলেছেন: তো আপনার মতামত কি? বিল্ডিংগুলা না ভাইঙ্গা রাইখ্যা দিবে? বাড়ির মালিকগুলান মনে হয় ধোয়া তুলসি পাতা!
২. ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৫
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
রাজউক আগে ভেঙে ফেলা হোক।

তাদের বীর্যে-ই অবৈধ ব্লিডিং এর জন্ম...
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: রাজউক না ভেঙে এই বিল্ডংগুলি ভাঙা হয় তাহলে দশ বছর পর আরও পাঁচ হাজার ঝুকিপূর্ন বিল্ডিং জন্ম নেবে। কর্মের শাস্তি না দিলে ন্যায় বিচারের প্রতি অন্যায় করা হয়। সংশোধন সেখানে অবাস্তব।

৩. ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৯
বল্টু মিয়া বলেছেন: আপনার শরীরে ক্যান্সার হইলে কি করতেন?
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: এই রাজউক দিয়ে হবে না কারন ।

১. কুকুরের লেজ ১২ বছর চুঙ্গায় ঢুকিয়ে রাখলেও সোজা হয়না ।
২. কয়লা ধুলে ময়লা যায় না।
৩. যার না হয় নয়ে, তার হবে না নব্বইয়ে।
৪. ঢেকি স্বর্গে গিয়েও ধানই বানে।
৫. স্বভাব না যায় মলে।
৬. পাহাড় পরিবর্তন হয়ে যায় মাগার খাছিলত পরিবর্তন হয় না।
৭. এ্যা লিওপার্ড ক্যান নেভার চেইঞ্জ ইটর্স স্পট্‌স।
৮. খাসলত যায়না মইলে, ইল্লত যায়না ধইলে।
৯. ইউ ক্যান নেভার হিউ এ্যা ব্লাক, হোয়াইট।
১০. ব্যাড হ্যাবিটস্‌ আর ডাই হার্ড।
১১. গু গুই।

৫. ০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৫৯
ফজল বলেছেন: বুঝলাম না!!! পাঁচ হাজার কোটি টাকা ধ্বংস করার দরকার কি? পাঁচ হাজার বিল্ডিং এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি অনেক বিল্ডিংয়েরই সংস্কার সাধন সম্ভব। ঢালাওভাবে ভবন না ভেঙে তদন্ত করে দেখা দরকার - কোন বিল্ডিংগুলোর সংস্কার সম্ভব এবং সেসব ভবন মালিকদের উপযুক্ত পদ্ধতিতে সংস্কার সাধনে বাধ্য করা। মনে রাখা দরকার - বাংলাদেশের যেকোন সম্পত্তি ধ্বংস হলে সে ক্ষতি হবে বাংলাদেশের। সুতরাং আমাদের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে বৈকি। শুধুমাত্র ঝুিকপূর্ণ ভবনগুলোই যাতে ভাঙা হয়। আমাদের দেশের সরকারী কর্মকর্তারা অনেক সময়েই অতিউৎসাহী হয়ে সব সমস্যার রাতারাতি সমাধান করতে গিয়ে সমস্যার প্যাঁচ লাগিয়ে ফেলেন, এক্ষেত্রে তা যেন না হয়।
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ঠিক ঠিক

নিম্ন নির্ধারিত হারে নগদ নারায়ন প্রদানের প্রেক্ষিতে ঝুকিমুক্ত সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

পাঁচতলা ডবল ফ্লোর ১০ লাখ ঝুকিমুক্ত।
ছয়তলা ডবল ফ্লোর ১২ লাখ ঝুকিমুক্ত।
সাততলা ডবল ফ্লোর ১৩ লাখ ঝুকিমুক্ত।
আটতলা ডবল ফ্লোর ১৪ লাখ ঝুকিমুক্ত।
নয়তলা ডবল ফ্লোর ১৫ লাখ ঝুকিমুক্ত।
দশতলা ডবল ফ্লোর ১৬ লাখ ঝুকিমুক্ত।
এগারতলা ডবল ফ্লোর ১৭ লাখ ঝুকিমুক্ত।
বারতলা ডবল ফ্লোর ১৮ লাখ ঝুকিমুক্ত।
তেরতলা ডবল ফ্লোর ১৯ লাখ ঝুকিমুক্ত।
চৌদ্দতলা ডবল ফ্লোর ২০ লাখ ঝুকিমুক্ত।
পনেরতলা ডবল ফ্লোর ২১ লাখ ঝুকিমুক্ত।
ষোলতলা ডবল ফ্লোর ২২ লাখ ঝুকিমুক্ত।
সতেরতলা ডবল ফ্লোর ২৩ লাখ ঝুকিমুক্ত।
আঠারতলা ডবল ফ্লোর ২৪ লাখ ঝুকিমুক্ত।
উন্নিশতলা ডবল ফ্লোর ২৫ লাখ ঝুকিমুক্ত।
বিশতলা ডবল ফ্লোর ২৬ লাখ ঝুকিমুক্ত।

উল্লেক্ষ্যঃ প্রতি অতিরিক্ত ফ্লোরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরির ২০ শতাংশ অধিক হারে ঘুষ আদায় করা হবে।

আদেশক্রমেঃ বাআস

৬. ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৪
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: যদিও ভবন মালিকদের অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ সমর্থন করি না, তারপরও বলি, প্রথমে রাজউককেই ভেঙ্গে ফেলা উচিৎ !!!
এই হারামজাদারাই টাকা খেয়ে যে যা ডিজাইন নিয়ে যায়, অনুমোদন দিয়ে দেয়, আর দেশের নিরাপত্তা নিয়ে খেলে।
আর ভবন মালিকদের জন্যও আমি অন্তত একবার হলেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আশা করি, সেটা ৫ হাজার কোটি হোক বা ১০ হাজার কোটি টাকা যাই হোক, একবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলে সব সোজা হয়ে যাবে, আর তারপরও যদি সোজা না হয়, তাহলে এই জাতির ধ্বংস এভাবেই হবে।
৭. ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪২
লুৎফুল কাদের বলেছেন: পাইকারী হারে বাড়ি ভাঙ্গলে এতগুলো মানুষ থাকবে কোথায়. এই বাড়ি গুলো যখন বানানো হইছে এই অপদার্থগুলো তখন ছিল কোথায়. এইভাবে তো সমস্যার সমাধান না হয়ে সমস্যা বেড়ে যাবে. এর মধ্যে অনেকগুলো বাড়ি ভালো করা যাবে.
৮. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এই বাড়িগুলো ভাঙ্গা হোক, কিন্তু বাড়িগুলি নির্মাণ করার জন্য যাদের স্বাক্ষরে অনুমোদন পাওয়া গেছে, তাদের কঠোর শাস্তি চাই। রাজউক একটা দুর্নীতিবাজদের প্রতিষ্ঠান।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫২২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Only Positive Extremism : Neo-Ideology

Essential Negativism: Talk in the Right Language to Right People, be honest its your debt...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই