ওই মেয়ের পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, জঙ্গাল বাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে গ্রামের মনিরার বাড়িতে আটকে রেখে শুকুর নামে এক যুবক ধর্ষণ করে। আর ধর্ষণের এ দৃশ্য রফিকুল নামে আরেক যুবক ভিডিও করে। গত ১৪ এপ্রিল সকালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ভিডিওচিত্র সিডি করে তারা বাজারে ও মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেয়। কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলা হবে বলে ওই স্কুলছাত্রীকে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়। সম্প্রতি সিডি প্রকাশের ঘটনায় বিষয়টি জানাজানি হয়। ৩ জুন জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা সিডিটি হাতে পায়। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। কিন্তু এরই মধ্যে অভিযুক্ত শুকুর, রফিকুল ও মনিরা বাড়ি ছেড়ে আত্দগোপন করেছে।
ওই স্কুলছাত্রীর মা এ প্রতিবেদককে বলেন, 'আমি ওই দিন সকালে মেজো মেয়ের বাড়ি গিয়েছিলাম। আমার অনুপস্থিতিতে পাশের বাড়ির গৃহবধূ মনিরা সকাল ১১টার দিকে আমাদের বাড়ি এসে মেয়েকে বলে_তোর দাদা মোবাইল করেছে। এই বলে তাকে নিয়ে যায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। Click This Link
এবার আমি বলি সমাজে এধরের অবক্ষয় কেন হচ্ছে ?
প্রধান কারন রাজনীতি ও রাষ্ট্রযন্ত্র হলেও এখানে দেখছি তথ্যমন্ত্রনালয় কি ভাবে এই সামাজিক অবক্ষয়য়ের প্রধান অনুঘটক হিসাবে কাজ করছে ? নিচের সবগুলোর জন্য সরাসরি দায়ি।
১. গ্রামের মানুষের জন্য বিনোদন ও খবরের কোন মাধ্যম নেই।
২. একমাত্র বিটিভি ছাড়া আর কোন টিভি চ্যানেল গ্রামের মানুষের সামর্থের মধ্যে গ্রামের মানুষের কাছে যাওয়ার অনুমতি তথ্য মন্ত্রনালয়ের নেই।
৩. একটা উপজেলার ৫% জনগনেরও স্যাটালাইট টিভি দেখার সুযোগ ও সামর্থ কোন টাই নেই।
৪. খবরের কাগজ ২% গ্রামের মানুষও পড়ে না।
৫. বাংলাদেশ বেতার ছাড়া গ্রামের জন্য কোন রেডিও নেই।
৬. অন্য কোন মিডিয়া না থাকায় গ্রামে ভিসিডি প্লেয়ার ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে গেছে।
৭. এসব ভিসিডি আর পংঙ্গু টেলিভিশন সেটে এরা প্রচুর বাংলা ছবি, দুএক্স ও নীল ছবি দেখে। যেমনঃ তাদের সেসব ছবিতে ডিপজলের ডায়ালগ থাকে "আইজ এই হান তান্ডব অইবো, মা মেয়ে এক সাথে রেপ অইবো।"
৮. উপরের এইগুলি সহ আরও অনেকগুলি অবরোধ তথ্যমন্ত্রনালয় কতৃক গ্রামের মানুষকে এখনও অন্ধকার যুগে রেখেছে। তথ্যমন্ত্রীই উপরের ঘটনাটির জন্য দায়ী।
উপরের ছবিতে গ্রামের দোকানে ভিসিডি দেখার একটি ভির দেখা যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



