রাজনীতি, গনমানুষের পথ প্রদর্শক,ও দেশ চালানোর মত এত গুরুত্বপূর্ন কাজে মানুষের ভেতর যে মৌলিক গুনটি থাকতে হয় সেটি হলো নেতৃত্ব। নেতৃত্ব পাঁচটি মৌলিক উপাদানের/গুনাবলীর দারা গঠিত। উপাদান গুলি হলো ক. দেশপ্রম খ. দূরদর্শিতা গ. মেধা ঘ. সততা ঙ. চরিত্র যার প্রতিটি এদের মাঝে সম্পূর্ন অবর্তমান।
আমরা অনেকে দুঃস্বপ্ন দেখেছিলাম ১/১১ এর পর নেতাদের চরিত্র পরবর্তন হবে কিন্তু কথায় বলেঃ
১. কুকুরের লেজ ১২ বছর চুঙ্গায় ঢুকিয়ে রাখলেও সোজা হয়না ।
২. কয়লা ধুলে ময়লা যায় না।
৩. যার না হয় নয়ে, তার হবে না নব্বইয়ে।
৪. ঢেকি স্বর্গে গিয়েও ধানই বানে।
৫. স্বভাব না যায় মলে।
৬. পাহাড় পরিবর্তন হয়ে যায় মাগার খাছিলত পরিবর্তন হয় না।
৭. এ্যা লিওপার্ড ক্যান নেভার চেইঞ্জ ইটর্স স্পট্স।
৮. খাসলত যায়না মইলে, ইল্লত যায়না ধইলে।
৯. ইউ ক্যান নেভার হিউ এ্যা ব্লাক, হোয়াইট।
১০. ব্যাড হ্যাবিটস্ আর ডাই হার্ড।
১১. গু গুই।
এদের চরিত্রের সঠিক রুপ পাওয়া যায় আমাদের সমাজের প্রচলিত একটা গল্পে।
গল্পঃ এক দেশে এক গ্রামে এক দুষ্টু লোক ছিল। সে ছিল আজন্ম বজ্জাত। শৈশব থেকে তার কর্মকান্ড ছিল চারপাশের মানুষের অনিষ্ট করা। কৈশরে সে সব কুকর্ম ও অনৈতিক কাজের দল নেতা। যৌবনে সে পূর্নাঙ্গ ডাকাত সর্দার, সমাজের ঘাড়ে চরে বসা এক মাত্তাব্বর। দীর্ঘজীবি ঐ শয়তান লোকটি যখন মৃত্যু পথযাত্রী তখনও তার মাথায় খেলতে থাকরো নানা শয়তানি। সে আফসোস করতে থাকে আহা আর দেশ সেবা করতে পারবো না, মরে যাব।
তখন লোকটি এক বুদ্ধি আটলো, গ্রামের আসে পাশের সবাইকে ডেকে বললো, " দেখ আমি তো সারা জীবন মানুষের অনিষ্ট করেছি। গ্রামেরও অমঙ্গল করেছি। আল্লাহ আমাকে মাফ করবেন না। দোজখ আমার অবধারিত। তোরা আমাকে মাফ করে দিস।
আর মরার আগে তোদের কাছে একটা অনুরোধ, মরার পর তোরা আমাকে মাটি দিস না, আমার পেছনে একটা বড় বাঁশ দিয়ে ঐ তিন রাস্তার মাথায় বাঁশটা পুতে রাখিস। এতে আমার অপকর্মের সাজা দুনিয়াতেই হয়ে যাবে, আল্লাহ হয়তো আমাকে মাফ করে দিবেন।" এরপর ঐ দুষ্টু লোকটা মারা গেল।
গ্রামের লোকজন ভাবলো যত খারাপই হউক সেতো আমাদের গ্রামেরই একজন মানুষ। মরার আগে সবার কাছে মাফও চেয়ে গেছে। এখন তার শেষ ইচ্ছা এবং এতে করে আল্লাহ যদি তাকে মাফ করে দেয়। যেই ভাবা সেই কাজ, তারা দুষ্টু লোকটার মৃতদেহের পশ্চাদ-দেশে মজবুত একটা বাঁশ দিয়ে গ্রামের মাথায় চার রাস্তার মোড়ে সেই বাঁশ গেড়ে রাখলো।
একদিন পর ঘটল বিপত্তি। মৃতদেহ এভাবে বাঁশ দিয়ে রাস্তার মাথায় খাড়া করে রাখার খবর জেলা সদরে পৌছে গেল। সেখান থেকে গাড়ি ভর্তি করে পুলিশ এসলো আর সারা গ্রামের ছেলে বুড়ো সবাইকে ধরে নিয়ে গেল। পুলিশের ধারনা ঐ দুষ্টু লোকটিকে গ্রামারে লোকেরা এক আট্টা হয়ে মেরে এই কাজ করেছে । গ্রামের কারও কথাই পুলিশ বিশ্বাস করল না।
এই গল্পের মত এদের মৃত্যুর সাথে এরা আমাদের জন্য যন্ত্রনাই রেখে যাবে, ইহা ধ্রুব সত্য ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


