শেখ হাসিনা বলছেনঃ নাটোরে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে ও কোরবানীর গরুর মত পায়ের রগকেটে উপজেলা চেয়াম্যানকে হত্যা করার পিছনে বিএনপির অভ্যন্তরীন কোন্দলই দায়ি। বিএনপি লাশের রাজনীতি করার জন্যই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। নিচে ছবিতে ঘটনাটি দেয়া হলো।
ছবিতে গোল চিহ্ন দেয়া যাকে দেখা যাচ্ছে তার নাম জাকির এ হত্যাকান্ডে জাকির তার ভাই জামিল তার ভাগ্নে সহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় অতি পরিচিত নেতা ক্যাডার ও কর্মীরা অংশগ্রহন করেছে। কিন্তু কেন ?
২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর এই বাবুর পিতা আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ মৌল্লাকে এমপি দুলুর আদেশে বিএনপির লোকজন এভাবেই প্রকাশ্য রাস্তায় হত্যা করেছিল, যদিও বাবুর তাতে অংশগ্রহনের আলামত নেই, এবং মারার পর সেই লাশ মোটরসাইকেলের পেছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে সিনেমার মত সারা শহর ছেচড়াইয়া ঘুড়িয়ে ছিল। এই ঘটনা দেশবাসি না জানলেও নাটোর বাসির মনে আছে।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের এমপির সনিধ্যে আসে জাকির। এমপি সাহেবের প্রতিপক্ষ নিধন ও জাকিরের প্রতিশোধের শিকার উপজেলা চেয়ারম্যান বাবু।
আর এদিকে খালেদা জিয়া বলছেনঃ সিরাজগঞ্জে বিএনপির জনসভয় রেল উঠিয়ে দেয়া সরকারের পূর্ব পরিকল্পিত। ছবিতে জনসভায় রেলগাড়ি।
রেল লাইনের উপর মানুষ বসিয়ে জনসভা করে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে আবার বলছে রেল কেন অন্য পথে গেলো না ?
কে এদের এমন ফাউল বুদ্ধি দেয় ? এরা কি চায় ? এদের লক্ষ্য কি ? এই দুই অবলা তরল মতি নারীর মাথায় কারা এসব ঈবলিশের রাজনীতি ঢুকায় ?
হ্যাঁ পাওয়া গেছে ! উপরের এ সকল বুইড়াগুলিই এদেশের সিস্টেম পরিচালনা করেছে ও করছে গত চল্লিশ বছর ধরে। সব বাল ফালানো এই বৃদ্ধদের কুমন্ত্রনাই সংগঠিত হয় সমস্ত কর্মকান্ড, চলে দেশ।
আর এদের কুমন্ত্রনা এত রেডিক্যাল যে এর এক একটার প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারি, ইনফ্যাকটিভ ও বোঝাই যাবে না কে কোথায় কখন কি করেছিল, যার দুর্দশা পনের কোটি মানুষ ভোগ করছে বা করবে এদের মরারও কয়েক দশক পর্যন্ত। এদের জীবদ্যশায় বা সক্রিয় উপস্থিতিতে এদেশের এক চুল পরিমান আগানো যাবে না।
তাই চলুন উপরের জুতাপেটা ছবিটির মত (ছবিতে বিএনপির সংস্কারবাদী এক নেতা, খালেদা জিয়ার উপদেস্টা সাবেক সেনা প্রধান জে. মাহবুবুর রহমান কে অজ্ঞাত জাতিয় বীর জুতা পেটা করছে। ) এরকম সর্বোচ্চ পাঁচশত বুইড়াকে এভাবে জুতা পেটা করে কবর পর্যন্ত দিয়ে আসি আর কবর দিয়ে এদের সেই কবরে মুতে আসি। তাহলেই দেশে শান্তির সুবাতাস বয়ে যাবে ও অতপর সকলেই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকিবে।
বাংলার বুইড়া তত্ত্বঃ
দেশ বাঁচাও বুইড়া পিডাও।
দেশ বাঁচাও বুইড়া পিডাও।
দেশ বাঁচাও বুইড়া পিডাও।
দেশ বাঁচাও বুইড়া পিডাও।
দেশ বাঁচাও বুইড়া পিডাও।
যেমন নাটোরে আসলে কাকে হত্যা করা উচিত ছিল ? অবশ্যই দুলুকে। এবং ওখানকার আওয়ামী বুইড়াগুলিরে কুত্তার মত মেরে কবরে পাঠানো উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


