শহিদ মইনুল রোডের বাড়িটি শহিদ জিয়ার স্মৃতী বিজরিত দাবি করলে কথার ভিতর এক ধরনের টাউট মনোবিত্তিই প্রকাশ পায়। শহিদ জিয়া জন্মের পর থেকে এ বাড়িতে বসবাস করতেন না। এমনকি সেনা বাহিনীতে যোগ দেয়ের পর থেকেও এই বাড়িতে বসবাস করতেন না। শুধু মাত্র চাকুরীর এক পর্যায়ে ঐ পদের এয়ার মার্ক বাড়ি হিসাবে ব্যবহার শুরু করেন। পরবর্তীতে প্রধান মার্শাল চীফ তারও পরে হ্যাঁ না ভোটে রাষ্ট্রপতি হয়ে ঐ এয়ার মার্ক বাড়িতে বসবাস করে উনি জোর যার মুল্লুক তার তাই দেখিয়েছেন।
পরবর্তীতে সত্তার সাহেবকে দিয়ে ঐ বাড়ি স্থায়ী ভাবে লিখে নিয়ে শহিদ জিয়াকেই অপমান করা হয়েছে। মৃত্যুর পরও তারমত একজন মহান নেতাকে তার স্ত্রী ও তৎকালীন বিএনপির নীতি নির্ধারকরা প্রথম দিন থেকেই শহিদ জিয়ার আদর্শ ও লক্ষ্য পরিপহ্নি কাজ শুরু করছে।
জিয়ার স্মৃতি যুক্ত বাড়ি কোনি হতে পারে তা নিচের ডিটেই শহিদ জিয়া আলিয়ার বায়োগ্রাফি থেকে দেখে নিনঃ
তবে আমার মতে শহিদ জিয়ার স্মৃতীবিজরিত বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে । তা বিশ্বাস না হলে নিচের তালিকা দেখে আর বাকিগুলো দাবী করেনঃ জিয়াউর রহমানের জন্ম ১৯৩৬ সালে ১৯ শে জানুয়ারী কোলকাতায় সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে কেমিস্ট হিসেবে কর্মরত মনসুর রহমানের ঘরে কোলনির ছোট্ট সরকারা বাসায়।
১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মনসুর রহমান পরিবারকে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন পর মনসুর রহমান তার পরিবারকে পুনরায় কোলকাতা নিয়ে যায় এবং জিয়াকে কোলকাতার হেয়ার স্কুলে ভর্তী করেন। এবং ঐ কোলনীতেই বসবাস করে।
এই স্কুলে তিনি ১৯৪৭ এর দেশ বিভাগ পর্যন্ত পরাশুনা করেন অথার্ৎ পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। উল্লেখ্য অনেক লেখক জিয়ার কথা লিখতে গিয়ে প্রায়ই লিখে ফেলেন এই হেয়ার স্কুলেই জিয়া দেশি চেতনার উন্মেষ ঘটে। সে দিনের কোলকাতার তরুন সমাজের উত্তাল ঢেউকে নেতৃত্ব দেন হেয়ার স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর একজন ছাত্ররা। তার ভিতর সেদিনই রাজনৈতিক আদর্শ প্রকাশ পায়। সুভাষ বসু গান্ধীর মত নেতাদের সংস্পর্শে এসে তাদের আদর্র্শে অনুপ্রাণীত হয়ে সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির পক্ষে ছাত্র সমাজকে নেতৃত্ব দেন।
১৯৪৭ এর আগষ্টে মনসুর রহমান চাকুরীতে সরকারের দেয়া অপশন নিয়ে নব গঠিত মুসলিম স্ট্যেইট পাকিস্তানের করাচি চলে আসেন আরও অনেক বাঙালী মুসলমানের মত। করাচিতে এসে মনসুর রহমহন তার ছেলেকে পঞ্চম শ্রেণীতে করাচি একাডেমী স্কুলে ভর্তী করেন ও সিমিল সার্জন করমচারী কোলনীতে বসবাস করেন। এখানেই কাটে জিয়ার কৌশর ও যৌবনের সূচনা লগ্ন। এাখান থেকেই পাঁচ বছর পর জিয়া ১৯৫২ সালে ম্যাট্রিকুলেশন করে ১৯৫৩ সালে ডি.জে. কলেজে ভর্তী হন। জিয়ার উত্তাল কৈশরের সবটুকুই কাটে করাচির রাজপথে সমাজে।
এবং একই সালে পাকিস্তান সেনাবাহীনিতে যোগদান করেন। পাকিস্তান জাতীয়তাবাদের বদ্ধ ভুমি কাকুল সামরিক একাডেমীতে অফিসার ক্যাডেট হিসাবে দুই বছরের কঠোর অধ্যবসয় পরিশ্রম আর দেশ প্রেমে হাই লেভেল মটিভেশন নিয়ে ১৯৫৫ সালে সাফল্যের সাথে কমিশন প্রাপ্ত হন। তখন থেকে প্রশিক্ষন ক্যাম্প সহ বিভিন্ন অফিসার্স মেসে বসবাস করতে থাকেন।
পরবর্তী দুই বছর করাচিতে পোষ্টেড থেকে ১৯৫৭ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বদলী হন তখন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে অফিসার্স মেস এগার নম্বর কব বসবাস করেন। দুই বছর পর পুনরায় করাচি গিয়ে ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ পর্যন্ত পাঁচ বছর পাকিস্তান সামরীক গোয়েন্দা ডিপার্টম্যান্ট আইএসআই এ নিষ্ঠা ও বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন তখন আইএসআই এর রেস্টিক্টেড কোর্যারটারে বসবাস করেন।।
এর মধ্যে ১৯৬০ সালে জিয়া বিবাহ করেন খালেদাকে। বিয়ের কয়েক বছর পর ১৯৬৫ সালে দিনাজপুর থেকে করাচি স্বমীর কাছে চলে যান খালেদা জিয়া।
১৯৬৫ সালে পাক ভারত যুদ্ধে পাঞ্জাবের Khemkaran সেক্টরে একটি কোম্পানীর নেতৃত্ব দিয়ে সাহসীকতা ও দেশপ্রেমের পুরষ্কার হিসাবে জিয়ার কোম্পানী সর্বাধিক বীরত্বের মেডেল পায়। নিজে (Hilal-e-Jurat) হাইলালল-ই-জুরাত খেতাব পান যা আমাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাধী বীর উত্তমের সমতুল্য।
জিয়া ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমীতে ইনস্ট্রাকটার হিসাবে যোগদান করেন তখন একাডেমির কোয়ার্টারে বসবাস করেন। এসময়ে তিনি কোয়েটায় Command and Staff College এ উচ্চতর প্রশিক্ষন নেন এবং ১৯৬৯ সালে জার্মানীতে উচ্চতর মিলিটারি প্রশিক্ষনে যান।
পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের শেষ দিকে তিনি ৮ম ব্যাটালিয়ানে প্রথমে জয়দেবপুর পরে চিটাগাংয়ে পোষ্টেড হন ও তার পরিবার ঢাকা কেন্টনমেন্টে ফ্যামিলি ম্যাসে বসবাস করেন। পরবর্তীতে মেজর থেকে মেজর জেনারেল ডেপুটি চিফ অব স্টাফ শেষে সেনা প্রধান। এখানে প্রশ্ন এলো শহিদ মইনুল ইসলাম রোডের বাড়ি শহিদ জিযার স্মৃতী বিজরিত বাড়ি না। আরও অনেক আছে সবগুলো চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


