somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই দৃশ্যে আলেমগণ দাড়ালেন না অথচ এই নাচ দেখে দাড়াইয়াগেলেন, সন্দেহজনক !

২৯ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ওলে ওলে ওলে, আমার সুনাটা !

মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশি ছেলেমেয়েরা তাদের দেশের কালচার অনুযায়ী নাচগান করেছে, অঙ্গভঙ্গি করেছে। তাতে দোষের কিছু হয়েছে বলে আমি মনে করি না।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে গত শনিবার সকালে এ নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ইসলামী ভাবধারা ও মূল্যবোধবিরোধী অশ্লীল নাচ প্রদর্শনের অভিযোগে ফাউন্ডেশন পরিচালনা বোর্ডের চারজন গভর্নর অনুষ্ঠান বর্জন করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন উপস্থিত দর্শক ও ইমামরা। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে এ বিষয়ে নালিশ দেয়ার ঘোষণা দেন ক্ষুব্ধ গভর্নররা। তারা বলেন, এর আগে কাঙ্গালিনী সুফিয়ার গানের আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমেজ ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।

আর পুরো এই সামান্য নাচের বিষয়টিকে নিয়ে কি করা হয়েছে দেখেনঃ ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তা জানান, ঐ দিন সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩০ জন ছাত্রছাত্রীর একটি টিম তিনজন শিক্ষকের নেতৃত্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আসেন। ডিজি প্রথমে তাদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা হামদ-নাত পরিবেশন শেষে তা ইংরেজিতে ব্যাখ্যা করে তাদের শোনানো হয়। সেখানে তিনি ওহাবি আন্দোলন এবং মিসরের ইখওয়ানুল মুসলিমিনের বিরুদ্ধে তীব্র বিষোদগার করেন বলে জানান মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য। ইসলাম সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে আসেন। তাদের সম্মানে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের প্রার্থনা সঙ্গীত শোনার আবদার করেন দর্শকরা। কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল প্রার্থনা সঙ্গীতের পরিবর্তে তাদের ডিস্কো ড্যান্স করার কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ছেলেমেয়েরা তত্ক্ষণাত্ শর্ট পোশাকে তাদের দেশীয় স্টাইলে নাচ ও গান শুরু করে। ঘটনার আকস্মিকতায় ফাউন্ডেশন পরিচালনা বোর্ডের গভর্নর ও বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মেসবাহুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সচিব আজিজুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, গোলাম মাওলা নকশবন্দিসহ উপস্থিত ইমামরা বিব্রতবোধ করেন। আলেমদের দু’একজন প্রতিবাদও করেন। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় তারা দ্রুত অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান গতকাল আমার দেশকে বলেন, ঘটনার সময় আমি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। জোহরের নামাজের আজান পড়ে গেছে এমন মুহূর্তে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল নিজেই উত্সাহ দিয়ে বিদেশিদের দিয়ে অশ্লীল ব্যালে ড্যান্সের আয়োজন করেন। কেউ কেউ এর প্রতিবাদও করেন। আমিসহ কয়েকজন এর প্রতিবাদ করে সেখান থেকে চলে আসি। প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক বিদেশি নারী-পুরুষদের দিয়ে মসজিদের ইমামদের সামনে এমন অনৈসলামিক কাজ করালেন এতে আমরা মর্মাহত হয়েছি।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী অশ্লীল নৃত্য আয়োজনের জন্য আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজিকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়ে বলেন, কবর পূজারি ও ইসলামের দুশমনকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি পদে বসিয়ে এ সরকার প্রমাণ করেছে তারা ইসলামবিদ্বেষী। তিনি বলেন, আমেরিকার নৃত্যদলের তরুণ-তরুণীদের তো ইমান নেই। তাদের দিয়ে ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠান করার মাধ্যমে এ দেশের মুসলমানদের প্রতি চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

এ দেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও মুসলমানদের ইমান-আকিদার ওপর চরমভাবে আঘাত হেনেছে। সম্মিলিত ওলামা-মাশায়েখ পরিষদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে ফাউন্ডেশনের ডিজিকে অপসারণ করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে। নতুবা দেশের সব আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ যে কোনো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন—যার জন্য সরকারকেই দায়দায়িত্ব বহন করতে হবে। একই ধরনের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের আলেমরা।

ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, ঘটনাটি শুনে আমি হতবাক ও বিস্মিত হয়েছি। বাংলাদেশের মতো একটি মুসলিম দেশে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি ঘটাতে পারেন তা ভাবতেও অবাক লাগে। সামীম আফজালের অপসারণ ও শাস্তি দাবি করে মুফতি ইজহার বলেন, সরকার যদি তাকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে দেশের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।

জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনে অশ্লীল ব্যালে নৃত্য পরিবেশনের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। পত্রিকায় প্রকাশ, ফাউন্ডেশনের ডিজির নির্দেশে এই অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন করা হয়েছে। এটা এখন স্পষ্ট যে, এ দেশকে করদরাজ্যে পরিণত করতে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে মিটিয়ে দেয়ার প্রকাশ্য তত্পরতা শুরু হয়েছে। তিনি অধিকার ও স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় দেশের মুসলমান ও জাতীয়তাবাদী ধর্মীয় নেতাদের ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ আইম্মাহ পরিষদের মহাসচিব আল্লামা আবু ইউসুফ খান আল মাদানী বলেছেন, ইমাম প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে দেশের আলেমে দ্বীন ও শ্রদ্ধাভাজন ইমাম ও খতিবদের সামনে মহাপরিচালক সামীম আফজাল মার্কিন তরুণ-তরুণীদের দিয়ে যে অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন করেছেন তাতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ ব্যথিত। এ ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও নিন্দনীয়। তিনি বলেন, আমরা আশা করি সরকার অবিলম্বে দেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অপরাধে ইহুদি-খ্রিস্টানদের দালাল সামীম আফজালের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অবশ্যই নিশ্চিত করবে। সরকার অবিলম্বে ফাউন্ডেশনের ডিজিকে গ্রেফতার করে শাস্তি প্রদানে ব্যর্থ হলে দেশের ১৪ কোটি মুসলমান ইমানের তাগিদে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমদ বলেন, ইমাম প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে মার্কিন নৃত্য পরিবেশন করে ইসলামের সঙ্গে চরম তামাশায় লিপ্ত হয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এর মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের ডিজি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী যে অমার্জনীয় অপরাধ করেছেন তার জন্য তাদের অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। মার্কিন অর্ধনগ্ন শিল্পীদের দিয়ে নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের ডিজি ইসলাম বিদ্বেষীদের ক্রীড়নকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান বলেন, ইমাম প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে মার্কিন তরুণীদের নৃত্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হয়েছে, সামীম মোহাম্মদ আফজাল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি হওয়ার কোনো যোগ্যতাই রাখেন না। একটি মুসলমান দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যে কাজ তিনি করেছেন তার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। অবিলম্বে এই ডিজি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। মুসলমান দেশে থাকার যোগ্যতা তাদের নেই। সরকারের ভেবে দেখা উচিত, বিদেশি প্রভুদের খুশি করতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজের পরিণতি কত ভয়াবহ হবে। এ দেশে কোনো ভণ্ডামি চলবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির হলরুমে মার্কিন তরুণীদের অশ্লীল নৃত্য পরিবেশনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ওলামা-মাশায়েখ সংহতি পরিষদ। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি আবদুল কাইয়ুম খান, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মাওলানা আবদুর রহিম এক বিবৃতিতে ফাউন্ডেশনের ডিজিকে উন্মাদ আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তার অপসারণ দাবি করেন। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দেয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন তারা। অনতিবিলম্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বেহায়া ও অজ্ঞ ডিজিকে অপসারণের জোর দাবি জানিয়েছেন দেশের ১০০১ জন শীর্ষ আলেমে দ্বীন। গতকাল এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

ইসলামী ছাত্র মোর্চার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল আজিজ বলেন, ইসলাম ও মুসলমানদের দুশমন ইসলামী ফাউন্ডেশনের ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজালকে বহিষ্কার করে গ্রেফতার করতে হবে। মুসলমানদের এ দেশে মুসলমানদের অভিভাবক ইমামদের নিয়ে ন্যক্কারজনক এ ঘটনার মূল হোতা ডিজিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি। গতকাল ইসলামী ছাত্র মোর্চা ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন তরুণ-তরুণীদের দিয়ে ইমামদের সামনে অশ্লীল ব্যালে নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের সব আলেম ওলামা, পীর মাশায়েখ এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের চরম অপমান করা হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে হেয় করা হয়েছে। এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ অশ্লীল নাচের আয়োজক ডিজিকে অপসারণ করে ফাউন্ডেশনকে নোংরামিমুক্ত এবং কলঙ্কমুক্ত করতে হবে। তা না হলে এর বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন এবং জেনারেল সেক্রেটারি এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, আজানের সময় এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ নৃত্য দেখতে ইমামদের বাধ্য করা অমার্জনীয় অপরাধ। ফাউন্ডেশনকে কলঙ্কমুক্ত করতে ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজালকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান আশরাফ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কোনো তামাশার জায়গা নয়। কিন্তু আমেরিকান দালাল ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজাল আজ ফাউন্ডেশনে নর্তকী দিয়ে নাচের অনুষ্ঠান করিয়ে একে একটি তামাশার স্খানে পরিণত করেছেন। এ থেকে ফাউন্ডেশনকে মুক্ত করতে অবিলম্বে তাকে অপসারণ করতে হবে।

কারবার দেখেন ? ইসলাম যেন এদের শরীর বাইয়া পরতেছে।
২১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×