১. ওয়ারিদের শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে এয়ারটেলকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহাম্মেদ ও বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) জিয়া উদ্দিন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে ওয়ারিদের মোট মূল্য ১ কোটি টাকা দেখিয়ে মাত্র ৭০ লাখ টাকা বিনিময়ে ওয়ারিদ টেলিকমের ৭০ ভাগ শেয়ার কিনে নেয়ার সুযোগ করে দেয়।যুক্তি হিসেবে বলা হয়, ওয়ারিদ একটি লোকসানি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স পাওয়া কোনো কোম্পানি অন্য কোনো কোম্পানিকে লাইসেন্স বিক্রি করতে পারবে না। কিন্তু ৩৭(৩)-এর ঝ উপধারা অনুসারে শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবে। এই শেয়ার হস্তান্তরের সময় শেয়ারের মূল্যের ৫.৫ ভাগ বিটিআরসিকে দিতে হবে। এখন ওয়ারিদের ৭০ ভাগ শেয়ারের মূল্য ৩০ কোটি ডলার দেখালে এর ৫.৫ ভাগ অর্থাৎ ১১৫.৫ কোটি টাকা বিটিআরসিকে দিতে হতো। কিন্তু শেয়ারের মূল্য নামমাত্র ৭০ লাখ টাকা দেখানোর কারণে এখন দিতে হবে ৭০ লাখ টাকার ৫.৫ ভাগ অর্থাৎ মাত্র ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।
পরবর্তীতে বিতর্ক এড়াতে অযৌক্তিক ভাবে এই ৫.৫ ভাগ আইনটিই পরিবর্তন করে ফেলা হয়।
২. এখন আবার গ্রামীন রবি বাংলালিংক সিটিসেলকে লাইসেন্স নবায়নে ২৪ হাজার কোটি টাকা লাইসেন্স নবায়নের ফি ধার্য করে মার্কেট পরিষ্কার করে দেয়া হচ্ছে।
এছাড়া আরও অনেক ছোটখাটো সুযোগ করে দিয়ে বাংলাদেশ টেলিকম কে ভারত-বাংলা টেলিকম মন্ত্রনালয় বানানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে নিচের ছবির এই দুই জাতীয় শত্রু।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


