বর্তমান সরকারের শীর্ষস্থানীয় দুই নারী মন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি তৈরির অভিযোগে সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার আমিনুর রহমান ওরফে বাবলাকে পুলিশ তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। ওই দুই মন্ত্রীর মুখের ছবির সঙ্গে অন্যের নগ্ন ছবির নিচের অংশ লাগিয়ে আপত্তিকর ছবি তৈরি করে তা এলাকায় বিভিন্ন মানুষের মোবাইল ফোনে এমএমএস করে পাঠানো হচ্ছিল।
আজ বুধবার পুলিশ বাবলাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মাসুদুর জামান তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এখানে রিমান্ডে নেয়ার কি হইল ???
গতকাল মঙ্গলবার সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া নতুনবাজার থেকে ওই যুবককে গ্রেপ্তার এবং ওই ছবি তৈরির কাজে ব্যবহূত তাঁর কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনসেট জব্দ করা হয়।
কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান জানান, কয়েক দিন ধরে ওই কুরুচিপূর্ণ ছবি এলাকার বিভিন্ন মানুষের মোবাইল ফোনে এমএমএস করে পাঠানো হচ্ছিল। তিনি জানতে পারেন, দেয়াড়া নতুনবাজারের বাবলা কসমেটিকস, ডিজিটাল স্টুডিও অ্যান্ড মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার থেকে এসব এমএমএস করা হচ্ছে। গতকাল বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক আমিনুর রহমানসহ ওই প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে কলারোয়া থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার ও তাঁর প্রতিষ্ঠানে ব্যবহূত কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনসেট জব্দ করে।
গ্রেপ্তার হওয়া আমিনুর রহমানের বরাত দিয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুভাষ বিশ্বাস জানান, একই এলাকার কলারোয়া উপজেলার সলিমপুর কলেজের মানবিক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মো. শাহাজাহান সরদার কেশবপুর থেকে একটি সিডি সংগ্রহ করে আমিনুরকে দিয়েছে। এতে এসব নগ্ন ছবি রয়েছে। আর তাঁকে এ কাজ করতে উত্সাহিত করেছে একই এলাকায় গোলাম মোস্তফা ও আবদুল আজিজ।
ওসি আরও জানান, আমিনুরের কাছে থেকে জব্দ করা কম্পিউটারে বিভিন্ন মোবাইল ফোনে পাঠানো বিকৃত ছবি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের নগ্ন ছবি তাঁর কম্পিউটারে রয়েছে।
এ ঘটনায় দেয়াড়া ইউনিয়ন যুবলীগে সভাপতি মেহেদী হাসান বাদী হয়ে গতকাল রাতে একটি মামলা করেন। সূত্র প্রথমআলো
প্রথমআলোর মন্তব্যঃ Tapos sarkar @পুলিশ ভাই, ভাইরে ঠিক মতো আপ্যায়ন কইরেন।
২০১১.০৬.০৮ ১২:১৮ বাংলাদেশের পুলিশ অনেক সচেতন হয়ে গিয়েছে দেখছি। এই আপত্তিকর ছবিগুলো যদি দুই নারী মন্ত্রীর না হয়ে সাধারন কোনো নারীর হতো,তাহলে কি এই যুবক গ্রেপ্তার ও এই রিমান্ড এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া এতো দ্রুত করতো আমাদের প্রশাসন?অসম্ভব।
mohammed ibrahim এইধরনের কাজ মোটেই সমর্থণ যোগ্য নয.এর উপযুক্ত শাস্তিহওয়া দরকার.যেন আর কেউ এধরনের কাজ করার সাহস না পায়.আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এটাকে ঘৃণাকরি!!!!!!!!!!!!!
প্রথমআলোর এই মন্তব্যকারীদের কিছু না বলে কিছু খবর শেয়ার করলাম
Cyber Crime Fact-1 ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীর ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাহাবুব আলম রডিনকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য শনিবার র্যাবের একটি দল রাজধানীর র্যাংঙ্কিং স্ট্রীট থেকে রডিনকে গ্রেপ্তার করে।
Non Cyber Crime Fact-2 রাজিব প্রভার ভিডিও প্রকাশ করে তিনটি আইনে অপরাধ করেছে। সাইবার আইন ২০০৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ও পেনাকোডের অধীনে।
প্রোভার জন্য আমাদের কোন সিম্প্যাথি নাই। কিন্তু রাজিবের এই অপরাধ কোন ভাবেই ইগনোর করার সুযোগ নাই। আজ একে ইগনোর করলে কাল মহল্লায় মহল্লায় ব্লুফ্লিম বানানো হবে এবং তা সিডি আকারে ও ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হবে।
এসব যে হচ্ছে না তা নয়। কয়েকদিন আগেও জনৈক ছাত্রলীগ নেতা তার দলবল নিয়া একটা মেয়েকে ধর্ষন করেছে, ভিডিও ধারন করেছে ও সিডি করে বাজারে বিক্রি করেছে।
বিদ্যমান তথ্যপ্রযুক্তি আইনেই -২০০৬ এর ৫৪ ও ৫৫ ধারায় সাইবার অপরাধের শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয়দণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে।
আমাদের প্রশ্ন— সাইবার ক্রাইম রোধে বাংলাদেশের পুলিশ, RAB বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি করছে? এর জন্যই তো ছাত্রলীগের ছেলেরা ধর্ষন করে ভিডিও বানিয়ে বাজারে ছারে। এটাকে আমলে নেয়ার মত অপরাধই মনে করে না।
Fact-3 ফরিদপুরে অস্ত্রের মুখে ১৪ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধষর্ণ করে তা ভিডিওতে ধারণ করে বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। চরভদ্রাসনের আলমনগর এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটা এক ধষর্ক মোবাইলে ভিডিও করে বাজারে ছেড়েছে। পরে মেয়েটি এলাকার একটি দজির দোকানে গিয়ে ঘটনাটা শুনেছে। মামলা হয়েছে ওই যুবকদের নামে। কিন্ত আদৌ কি্ ওদের কেউ কিছু করতে পারবে। এই দেশে কি আসলেই প্রশাসন বলে কিছু আছে? আইন পুলিশ বলে কিছু আছে?
Fact-4 টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মধ্যযুগীয় কায়দায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার পৈশাচিকতা শুধু ধর্ষণ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তারা উল্লাস প্রকাশ করেছে। কিশোরী ধর্ষিতে বাদী হয়ে মামলা করলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। শনিবার সকালে ধর্ষিতের পরিবার বাড়ি ছেড়ে আত্মরক্ষার্থে অন্যত্র পালিয়ে গেছে।
বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুল্লাহ ইতিহাস ওরফে হাবিব, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আরিফ আহমেদ, সখীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত শিকদারের ভাগ্নে বাবুল আজাদ ও তার নাতি আরিফুল ইসলাম আকাশ জোরপূর্বক অপহরণ করে কিশোরীকে মোটর সাইকেল যোগে সখীপুর হাজিপাড়ায় আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। পরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুলস্নাহ ইতিহাস ওরফে হাবিব কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার সহযোগীরা ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে। পরে আরেকজন পালাক্রমে ধর্ষণ করতে গেলে মেয়েটি সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটিকে তারা ধাওয়া করে। মেয়েটির চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে এলে ধর্ষণকারী ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
Fact-5 পিরোজপুরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সময় ভিডিওচিত্রে সেই অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করে ছাত্রলীগ ক্যাডার আহসান কবীর মামুন। জেলা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আহসান কবীর মামুন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের সময় তার বন্ধুদের দিয়ে ভিডিও চিত্রটি ধারণ করেই ক্ষান্ত হয়নি পরে তা সিডি করে বাজারজাত করা হয় গত জুলাই মাসে ফরিদপুরের প্রত্যন্ত একটি গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণীর এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে মোবাইল ফোন, ভিডিও সিডি আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে।ফরিদপুর জেলার সদরপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের এক কিশোরী বেড়াতে গিয়েছিলেন চরভদ্রাসনে তার নানীবাড়িতে। আর সেখানে তাকে পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে তুষার, কালামসহ চার যুবক। মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় আবার সেই ধর্ষনের ভিডিওচিত্রও তুলে রাখে তারা।
Fact-6 যশোর সদর উপজেলার একটি গ্রামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দৃশ্য ধারণকৃত শত শত ভিডিও সিডি বাজারে ও মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ওই মেয়ের পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, জঙ্গাল বাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে গ্রামের মনিরার বাড়িতে আটকে রেখে শুকুর নামে এক যুবক ধর্ষণ করে। আর ধর্ষণের এ দৃশ্য রফিকুল নামে আরেক যুবক ভিডিও করে। গত ১৪ এপ্রিল সকালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ভিডিওচিত্র সিডি করে তারা বাজারে ও মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেয়। কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলা হবে বলে ওই স্কুলছাত্রীকে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়।
Fact-7 যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়শা গ্রামের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করে সহযোগীরা। এতে ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে একই গ্রামের মাসুদ ও ইজাজুল স্থানীয় মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মহিউদ্দিন নামক এক ব্যক্তির পুকুরপাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করা হয়। পরে তা সিডি আকারে বাজারে ছাড়া হয়। এই ধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িতরাও সরকারি দলের লোক।
Fact-8 ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় প্রেম-ভালোবাসার ফাঁদ পেতে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র বাজারে ছেড়েছে একদল লম্পট। ঘটনার দেড় মাস পর ব্লাকমেইলের এ ঘটনা জানাজানি হয় এবং ধর্ষকসহ ৩ জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রাইভেট কোচিং পড়ার সুবাদে পরিচয় ঘটে একই উপজেলার ফুলহরি গ্রামের আকাম শিকদারের ছেলে পারভেজ শিকদারের সাথে। চলতি বছরে ১৯ সেপ্টম্বর ঝিনাইদহের কন্যাদহ গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে যায় ওই কলেজছাত্রী। এর ৩ দিন পর ২২ সেপ্টম্বর ভ্যানযোগে নিজ বাড়িতে আসার জন্য ভাটই বাজারে এলে সেখানে পারভেজ শিকদারের বন্ধু মধুর সাথে দেখা হয়। মধু তাকে মোটরসাইকেলে বাড়িতে পৌঁছে দেবার কথা জানালে সে মোটরসাইকেলে ওঠে। সে তাকে পারভেজ শিকদারের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পারভেজের আর এক বন্ধু রাসেল অপেক্ষা করছিলো। সে সময় ওই কলেজছাত্রীকে তারা উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণচিত্র মোবাইল সেটে ভিডিও করা হয়। এরপর ভিডিওচিত্র কলেজছাত্রীকে দেখিয়ে জানানো হয় কাউকে ঘটনা বলা যাবে না।
এদিকে ঝিনাইদহে ওই কলেজছাত্রীর ধর্ষণ চিত্রের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রতারকচক্র তা সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়। পারভেজের বন্ধু মধু মোবাইলের একটি মেমোরি কার্ড এনে ধর্ষণ দৃশ্যের সিডি ডিস্ক করে নিয়ে যায় দোকান থেকে।
Fact-9b বরিশাল বিএম কলেজে এক ছাত্রলীগ নেত্রী তার রুমমেটের নগ্ন দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। সেই ছাত্রী তিন হাজার টাকা দিলেও রক্ষা হয়নি। আরো টাকার দাবি করে বেশ কিছু নগ্ন ছবি ছাত্রদের মোবাইলে দেয়া হয়।
এর আগে পটুয়াখালীতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা এক ছাত্রীকে ধর্ষনের পর তার সিডি বাজারে ছেড়েছিলো। এর আগে পিরোজপুরে স্থানীয় ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এক ছাত্রীকে ধর্ষনের পর সে দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারন করে বাজারে সিডি আকারে ছেড়েছে।
বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার শ্লোগান দিয়েছিলো এখন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ঘৃন্য কর্মকার্ন্ড যেভাবে ডিজিটালাইজড করেছে তাতে সাধারন মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। কতটা ঘৃন্য ও ন্যাক্কারজনক ছেলেরা ক্ষমতাসীন দলের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে পড়ছে পিরোজপুরের ঘটনা তার প্রমান। একজন মেয়েকে শুধু ধর্ষণ করে তার সম্মান মান মর্যাদা ভুলন্ঠিত করা হয়নি। বিকৃত রুচির পরিচয় দিয়ে সে সব দৃশ্য বাজার জাতও করা হয়েছে।
রিলেটেড পুড়ান খবরঃ ফেসবুকে হাসিনা-খালেদার ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে গ্রেপ্তার১
ফেসবুকে হাসিনা-খালেদার ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ ২৯ শে মে, আমরা সবাই নেতা-গ কার্টুন আঁকি দিবসঃ
খালি ফেসবুক ফেসবুক! জাতিয় বীর রডিনের কথা কেউ কয় না
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


