নির্বাচন আইনে প্রতিযোগিতার এই পর্যায়ে ৭ ঘন্টা আগে একজন এভাবে বসে পরার কোন সুজোগ নাই।এতে তার ভোটাররা বিভ্রান্ত হয়।বিশৃংখলা হয়।এটা মামা বাড়ির আবদার না।পরাজয় নিশ্চিত জেনে, আর খেলতাম না বলে সরে পরবেন, ক্যামনে।এভাবে হুট করে বসে পরলে ভোটে তার প্রভাবও তেমন পরে না।কেবল মিডিয়ার ছড়াছড়ি হওয়ায় কিছু ওভার সচেতন লোক একটু আগে জেনে যায় এই আরকি। যেমন আজ দুপুর পর্যন্ত ভোটাররা খবরই রাখেনা তৈমুর আছে বা নাই, কেন্দ্রে গিয়ে দেখে তৈমুরের পোলিং এজেন্টও আছে।তাই ভোট তৈমুরের যা পাওয়ার তাই পাইছে।
আসলে বিএনপি নারায়নগঞ্জে তার দলের অবস্থা কয়েক দিন আগেই পাইছে।আমার কাছে এক সপ্তাহ আগের 'গতকাল রাত সাড়ে বারটার নাটকের' খবর ছিল ছেইম, হুবুহু। শুধু উছিলার অপেক্ষায় ছিল।আর সর্বশেষ খবর হলো বিএনপি দলকে বাঁচাতে কাল যখন তৈমুরকে বসে পরতে বললো তখন তৈমুর ম্যাডামের সাথে কথা কইবার চাইল।কথা বললো।ম্যাডাম আমারে বইয়া পরতে কন, তা ওকে।তবে বাজেয়াপ্ত জামানতের টাকা কিন্তু আপনাকে দিতে হইবো।কারন আমি যে এত ফাইট দিয়ে যাচ্ছি তা কেবল আমার না বিএনপির জামানত বাঁচানোর জন্য, এখন আপনি যা বলেন।তখন খালেদা কিছু না বুঝে বলেছিল, ঠিক আছে জামানতের টাকা আমি দেব, আপনি বসে যান।সেই সন্ধা থেকে তৈমুর খালেদা জিয়াকে জামানতের টাকার জন্য কল দিয়ে যাচ্ছে আর ম্যাডাম কেটে দিচ্ছে।ওরে কেউ থামান।
উল্লেখ্য নাসিক নির্বাচনে জয় হয়েছে জনগণের আর পরাজয় আওমী লীগ বিএনপি তথা পেশি শক্তির।এর মধ্যে বিএনপির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।ভবিষ্যতে দেশ জুরে বিএনপি আওয়ামী লীগের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে ইনশাল্লাহ।
একটি 'হা হা লু খু গে' প্রকাশনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


